প্রধান শিক্ষক বিশ্বরূপ মন্ডলের রাজকীয় বিদায় সংবর্ধনা! সোনার আংটি উপহার এলাকাবাসীর মানবাজার ১ ব্লকের উদয়পুর প্রাথমিক বিদ্যালয় সাক্ষী থাকলো এক ঐতিহাসিক মুহূর্তের। দীর্ঘ কর্মজীবনের শেষে অবসর গ্রহণ করলেন উদয়পুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিশ্বরূপ মন্ডল। এদিন বিদ্যালয়ে বিদায় সংবর্ধনা উপলক্ষে আয়োজিত হয় এক হৃদয়স্পর্শী অনুষ্ঠান।এদিন উপস্থিত শিক্ষক-শিক্ষিকা, শিক্ষার্থীরা তাদের প্রতি শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন। এদিন বিশ্বরূপবাবুকে সোনার আংটি উপহার দেন এলাকাবাসীরা। এদিন বিশ্বরূপবাবু আবেগঘন পরিবেশে বিদ্যালয়ের প্রতি তার ভালোবাসার কথা তুলে ধরেন।তিনি জানান,আমি শিক্ষার্থীদের সব সময় পড়াশোনার প্রতি উদ্বুদ্ধ করেছি।আগামী দিনের শুধুমাত্র ভালো শিক্ষার্থী হিসেবেই নয়,সেই সঙ্গে ভালো মানুষ হয়ে উঠুক স্কুলের নাম উজ্জ্বল করুক এটাই আমি আন্তরিকভাবে কামনা করি। মানবাজার ১ নং চক্রের অবর বিদ্যালয় পরিদর্শক সুদীপ বেরা জানান, বিশ্বরূপবাবু বিদ্যালয়ের উন্নয়নে ও শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ গড়তে বিশেষ ভূমিকা পালন করেছেন।তার অবদান আমাদের কাছে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। উদয়পুর প্রাথমিক বিদ্যালয় উন্নয়নে মিলিত ভাবে জমি দান করলেন অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক বিশ্বরূপ মন্ডল, স্কুলের সহ শিক্ষিকা সুমনা দত্ত, সহ শিক্ষক দয়াময় সিং সর্দার, বিশিষ্ট সমাজসেবী ও শিক্ষক কুমারেশ দত্ত। এদিনের অনুষ্ঠানে জমি দাতারা মানবাজার ১ নং চক্রের অবর বিদ্যালয় পরিদর্শক সুদীপ বেরার হাতে জমির দলিল তুলে দেন।পাশাপাশি এদিন বৃক্ষরোপন করা হয়। এদিনের অনুষ্ঠানে সকলের উৎসাহ ছিল চোখে পড়ার মতো।প্রত্যেকের উপস্থিতিতে সমগ্র অনুষ্ঠানটি মনোরম হয়ে ওঠে। এই বিদায় শুধু বিদ্যালয়ের নয় গোটা মানবাজার মহকুমা এলাকার একটি স্মরণীয় মুহূর্ত।
প্রধান শিক্ষক বিশ্বরূপ মন্ডলের রাজকীয় বিদায় সংবর্ধনা! সোনার আংটি উপহার এলাকাবাসীর মানবাজার ১ ব্লকের উদয়পুর প্রাথমিক বিদ্যালয় সাক্ষী থাকলো এক ঐতিহাসিক মুহূর্তের। দীর্ঘ কর্মজীবনের শেষে অবসর গ্রহণ করলেন উদয়পুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিশ্বরূপ মন্ডল। এদিন বিদ্যালয়ে বিদায় সংবর্ধনা উপলক্ষে আয়োজিত হয় এক হৃদয়স্পর্শী অনুষ্ঠান।এদিন উপস্থিত শিক্ষক-শিক্ষিকা, শিক্ষার্থীরা তাদের প্রতি শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন। এদিন বিশ্বরূপবাবুকে সোনার আংটি উপহার দেন এলাকাবাসীরা। এদিন বিশ্বরূপবাবু আবেগঘন পরিবেশে বিদ্যালয়ের প্রতি তার ভালোবাসার কথা তুলে ধরেন।তিনি জানান,আমি শিক্ষার্থীদের সব সময় পড়াশোনার প্রতি উদ্বুদ্ধ করেছি।আগামী দিনের শুধুমাত্র ভালো শিক্ষার্থী হিসেবেই নয়,সেই সঙ্গে ভালো মানুষ হয়ে উঠুক স্কুলের নাম উজ্জ্বল করুক এটাই আমি আন্তরিকভাবে কামনা করি। মানবাজার ১ নং চক্রের অবর বিদ্যালয় পরিদর্শক সুদীপ বেরা জানান, বিশ্বরূপবাবু বিদ্যালয়ের উন্নয়নে ও শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ গড়তে বিশেষ ভূমিকা পালন করেছেন।তার অবদান আমাদের কাছে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। উদয়পুর প্রাথমিক বিদ্যালয় উন্নয়নে মিলিত ভাবে জমি দান করলেন অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক বিশ্বরূপ মন্ডল, স্কুলের সহ শিক্ষিকা সুমনা দত্ত, সহ শিক্ষক দয়াময় সিং সর্দার, বিশিষ্ট সমাজসেবী ও শিক্ষক কুমারেশ দত্ত। এদিনের অনুষ্ঠানে জমি দাতারা মানবাজার ১ নং চক্রের অবর বিদ্যালয় পরিদর্শক সুদীপ বেরার হাতে জমির দলিল তুলে দেন।পাশাপাশি এদিন বৃক্ষরোপন করা হয়। এদিনের অনুষ্ঠানে সকলের উৎসাহ ছিল চোখে পড়ার মতো।প্রত্যেকের উপস্থিতিতে সমগ্র অনুষ্ঠানটি মনোরম হয়ে ওঠে। এই বিদায় শুধু বিদ্যালয়ের নয় গোটা মানবাজার মহকুমা এলাকার একটি স্মরণীয় মুহূর্ত।
- "জীবসেবাই শিবসেবা"—স্বামী বিবেকানন্দের এই কালজয়ী আদর্শকে পাথেয় করে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন পুরুলিয়া জেলার পুঞ্চা ব্লকের বাগদা অঞ্চলের কানড়া গ্রামের বাসিন্দা হাবু পাঠক। জন্মগতভাবে দৃষ্টিহীন হয়েও মনের আলোয় তিনি আলোকিত করছেন সমাজকে। নিজের প্রতিবন্ধী ভাতার জমানো টাকা এবং গ্রামবাসীদের সামান্য সহযোগিতাকে সম্বল করে প্রতি বছরের ন্যায় এবারও ২৪ প্রহর ব্যাপী হরিনাম সংকীর্তন ও বিশাল অন্নসেবার আয়োজন করলেন তিনি। লক্ষ্য যখন মানবসেবা হাবু পাঠক নিজে অন্ধ প্রতিবন্ধী হওয়া সত্ত্বেও কোনোদিন অন্যের করুণার পাত্র হয়ে থাকতে চাননি। তার মতে, মানুষের সেবা করাই হলো ভগবানের প্রকৃত আরাধনা। এই উদ্দেশ্য নিয়ে তিনি প্রতি বছর এই হরিনাম সংকীর্তনের আয়োজন করেন। এই বছর তার এই মহতী উদ্যোগে এলাকার প্রায় ছয় হাজারেরও বেশি মানুষ প্রসাদ গ্রহণ করেন। নিজের সামান্য আয়ের সিংহভাগ এভাবে পরার্থে বিলিয়ে দেওয়ার ঘটনা বর্তমানে বিরল। কানড়া গ্রামের বাসিন্দাদের কাছে হাবু পাঠক এখন শুধু একজন প্রতিবেশী নন, বরং ত্যাগের এক জীবন্ত প্রতীক। সংকীর্তনের খোল-করতালের শব্দের সাথে সাথে হাজার হাজার মানুষের তৃপ্তিসহকারে প্রসাদ গ্রহণ যেন হাবু পাঠকের সেই "মানবসেবা"র স্বপ্নকেই সার্থক করে তুলল।1
- ভাত খেয়ে শিলিগুড়িতে বন বৃষ্টি হতে পারে তোমরা যারা শিলিগুড়িতে আছিস একটু সাপোর্ট দিয়ে যাবে না ওকে আর একটু ভালো মন্দ দেখবেন🌦️⛈️🌩️🙏1
- কয়েকদিন আগে বান্দোয়ান ব্লক এলাকা থেকে নির্বাচিত তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা পরিষদ সদস্য তথা আদিবাসী নেতা কলেন্দ্রনাথ মান্ডি রাজ্য বিজেপি সভাপতি শ্রমিক ভট্টাচার্যের হাত ধরে বিজেপিতে যোগদান করে। তারপরেই জেলা বিজেপি কার্যালয়ে এসে তৃণমূল কংগ্রেসের নেতৃত্বের উপর ক্ষোভ ফেটে পড়ে।1
- বরাবাজার ব্লকের অন্তর্গত ভাগাবাঁধ অঞ্চলাধীন বামুনজোড়া গ্রামে 🚩🚩🚩🙏🙏🙏4
- বাঘমুন্ডি বিধানসভার সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এর নির্বাচনী জনসভার কয়েক ঘন্টা পরেই তৃণমূল কংগ্রেস থেকে বেশকিছু আদিবাসী যুবক বিজেপি প্রার্থীর হাত ধরে বিজেপিতে যোগ দিলো।1
- বাঘমুন্ডি বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী সুশান্ত মাহাতোর সমর্থনে ঝালদার ইচাগ কেন্দুয়াডি ১০৮ কুঞ্জ ময়দানে আয়োজিত তৃণমূল কংগ্রেসের নির্বাচনী জনসভা ঘিরে জমজমাট পরিবেশ তৈরি হয়। এই সভায় উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন সভার মঞ্চ থেকেই বড় রাজনৈতিক বার্তা দিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করেন জে এল কে এম-এর পুরুলিয়া জেলার পশ্চিমাঞ্চল সভাপতি গোপাল মাহাতো এবং ঝালদা ১ নম্বর ব্লকের কুড়মি সমাজের সভাপতি ভদ্র দুলাল মাহাত। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত থেকে দলীয় পতাকা তুলে নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে তৃণমূলে যোগ দেন তারা। এই যোগদানকে কেন্দ্র করে বাঘমুন্ডি বিধানসভা এলাকায় তৃণমূল কংগ্রেসের সংগঠন আরও শক্তিশালী হল বলে মনে করছে দলীয় নেতৃত্ব।1
- Post by Bharat1
- ২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের আগে জোরকদমে প্রচারে নেমেছে তৃনমূল কংগ্রেস বান্দোয়ান বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী রাজিব লোচন সরেনের সমর্থনে আগামী ১লা এপ্রিল বরাবাজারে আসছেন জনপ্রিয় অভিনেতা ও সাংসদ দীপক অধিকারী তথা দেব। বরাবাজারের রাগমা ফুটবল মাঠে তার হেলিকপ্টার নামার কথা রয়েছে। সেই উপলক্ষে সোমবার সকাল সাড়ে দশটা নাগাদ মাঠ পরিদর্শনে আসেন প্রার্থী রাজিব লোচন সরেন, রাজ্য মহিলা তৃণমূল কংগ্রেসের সহ-সভানেত্রী সুমিতা সিংহ মল্ল, বরাবাজার ব্লক সভাপতি বিশ্বজিৎ মাহাতো সহ অন্যান্য নেতৃত্ব। প্রশাসনের পক্ষ থেকেও উপস্থিত ছিলেন মানবাজার এসডিপিও শাশ্বতী সেতা সামন্ত এবং বরাবাজার থানার আইসি সিদ্ধার্থ সাহা। এই প্রসঙ্গে বরাবাজার ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি বিশ্বজিৎ মাহাতো বলেন, “১লা এপ্রিল বান্দোয়ান বিধানসভার প্রার্থী রাজীব লোচন সরেনের সমর্থনে বরাবাজারে আসছেন দেব। তাই আজ রাগমা মাঠ পরিদর্শন করলাম, আগামীকাল হবে হেলিপ্যাড ট্রায়াল। দেবের উপস্থিতি আমাদের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা তৈরি করবে। সব দিক খতিয়ে দেখে মাঠ প্রস্তুত করা হচ্ছে যাতে সভা নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হয়।”1