Shuru
Apke Nagar Ki App…
আজ কলকাতায় মাছ ভাত খেলেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর।
News Reporter সাংবাদিক
আজ কলকাতায় মাছ ভাত খেলেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- Post by News Reporter সাংবাদিক2
- কুর্শাহাটে বিজেপি প্রার্থীর প্রচারে 'জয় শ্রী রাম' স্লোগান পাল্টা তৃণমূল কর্মীদের 'জয় বাংলা' স্লোগান!1
- বিধানসভা নির্বাচনের দামামা বাজতেই কোচবিহারের ভেটাগুড়িতে শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক টানাপোড়েন। সোমবার বিকেলে ৬/১৫৮ নম্বর বুথের পঞ্চায়েত সদস্য বিপ্লব বর্মন বিজেপি ছেড়ে আনুষ্ঠানিকভাবে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিলেন। তবে এই যোগদানের প্রেক্ষাপট অত্যন্ত নাটকীয় এবং চাঞ্চল্যকর। বিপ্লব বর্মনের অভিযোগ, রবিবার গভীর রাতে বিজেপি কর্মীরা তাঁর বাড়িতে চড়াও হয়ে তাঁকে রীতিমতো প্রাণনাশের হুমকি দেয়। তাঁর দাবি, সেই সময় চরম ভয়-ভীতি দেখিয়ে এবং জোরাজুরি করে তাঁর হাতে বিজেপির পতাকা ধরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। জোরপূর্বক করানো সেই দলবদলের রেশ কাটতে না কাটতেই ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পালটা জবাব দিলেন তিনি। সোমবার বিকেলে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন যে, তিনি তৃণমূলে ছিলেন এবং তৃণমূলের সঙ্গেই থাকবেন।1
- তৃণমূল প্রার্থী উদয়ন গুহ-র গ্রেফতারি আশঙ্কা নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে কড়া প্রতিক্রিয়া দিলেন বিজেপি প্রার্থী অজয় রায়। তিনি দাবি করেন, “উনাকে অনেক আগেই গ্রেফতার করা উচিত ছিল।” এই মন্তব্য ঘিরে দিনহাটার রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।1
- মাথাভাঙ্গা,মাথাভাঙ্গা হাজরাহাট এলাকায় বিজেপির প্রচার ঘিরে তৃণমূল বিজেপি উত্তেজনা ।বিজেপির অভিযোগ এদিন এলাকায় প্রচারে বেরহোল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা প্রচারে বাধা দেয় এবং মারধর করে বিজেপি কর্মীদের। তৃণমূলের দাবি বিজেপির বাড়ি বাড়ি গিয়ে মাতৃশক্তি কার্ড বিলি করছে বলছে ৩০০০ টাকা পাবে। পাশাপাশি আধার কার্ড ও ভোটার কার্ড জেরক্স নিচ্ছে। নির্বাচনী বিধি ভঙ্গ করছে বিজেপি।সেটার প্রতিবাদ জানানো হয়েছে।উল্টে বিজেপির লোকজন তৃণমূল কর্মীকে মারধর করেছে।1
- *উদয়ন গুহরে গ্রেফতারি আশঙ্কা প্রসঙ্গে পাল্টা সুর অজয় রায় “অনেক আগেই গ্রেফতার হওয়া উচিত ছিল”1
- কোচবিহার দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের হাড়িভাঙ্গা অঞ্চলের নাকাকাটি বাজারে রাজনৈতিক তৎপরতা আরও জোরদার হলো। এলাকায় তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে এক জনসংযোগ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়, যেখানে স্থানীয় নেতৃত্ব ও কর্মীদের সক্রিয় উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। এই কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য ছিল সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন, তাঁদের অভাব-অভিযোগ শোনা এবং রাজ্য সরকারের উন্নয়নমূলক কাজের বার্তা তুলে ধরা। জনসংযোগ চলাকালীন বাজার এলাকায় ব্যাপক সাড়া পড়ে এবং বহু সাধারণ মানুষ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন। এদিনের কর্মসূচির অন্যতম উল্লেখযোগ্য দিক ছিল বিজেপি ছেড়ে বেশ কয়েকজন কর্মী-সমর্থকের তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান। নতুন যোগদানকারীদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দিয়ে তাঁদের স্বাগত জানান তৃণমূল নেতৃত্ব। দলীয় সূত্রে দাবি, এই যোগদান প্রমাণ করে যে এলাকার মানুষ উন্নয়নের স্বার্থে তৃণমূল কংগ্রেসের উপর আস্থা রাখছেন। অন্যদিকে, বিজেপির পক্ষ থেকে এই যোগদানকে গুরুত্বহীন বলে দাবি করা হয়েছে। তাদের বক্তব্য, নির্বাচনের আগে এ ধরনের দলবদল নতুন কিছু নয় এবং এতে ভোটের ফলাফলে তেমন প্রভাব পড়বে না। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় রাজনৈতিক চর্চা তুঙ্গে উঠেছে। নির্বাচনের প্রাক্কালে এই ধরনের জনসংযোগ ও দলবদল যে কোচবিহার দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের রাজনৈতিক সমীকরণে প্রভাব ফেলতে পারে, তা নিয়ে শুরু হয়েছে জোর জল্পনা।1
- Post by News Reporter সাংবাদিক1
- ভোটের মুখে বিজেপিতে ভাঙন! শুকারুরকুটিতে ১০ পরিবার তৃণমূলে।1