নদিয়ার নবদ্বীপের বড়ালঘাটে একটি ক্লাবঘর থেকে বিপুল পরিমাণ সরকারি ত্রাণসামগ্রী উদ্ধারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এই ঘটনায় নবদ্বীপ পুরসভার চেয়ারম্যান বিমানকৃষ্ণ সাহা সহ দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শুক্রবার গভীর রাত থেকে শনিবার ভোর পর্যন্ত জনবিক্ষোভ, পুলিশি তৎপরতা এবং রাজনৈতিক তরজায় নবদ্বীপ সরগরম ছিল। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার রাত আনুমানিক সাড়ে ১০টা নাগাদ নবদ্বীপ থানার পুলিশ বড়ালঘাট স্পোর্টিং ক্লাবে অভিযান চালায়। অভিযোগের ভিত্তিতে ক্লাবের প্রায় দশটি ঘরে তল্লাশি চালিয়ে সরকারি ত্রাণের ত্রিপল, শীতবস্ত্র হিসেবে বিতরণের কম্বল এবং তন্তুজের বিভিন্ন প্রকল্পের শাড়ি সহ বিপুল পরিমাণ সরকারি সামগ্রী উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া শাড়িগুলির মধ্যে ২০২৩-২৪, ২০২৪-২৫ এবং ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষের সরকারি প্রকল্পের শাড়িও ছিল বলে তদন্তকারী সূত্রে দাবি করা হয়েছে। এছাড়াও সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত মানুষের মধ্যে বিতরণের জন্য সংরক্ষিত একাধিক সামগ্রী সেখানে মজুত অবস্থায় পাওয়া যায়। ঘটনার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, এই ক্লাবঘরটি নবদ্বীপ পুরসভার চেয়ারম্যান বিমানকৃষ্ণ সাহার পাড়াতেই অবস্থিত। স্থানীয়দের অভিযোগ, চেয়ারম্যানের আবাসনের পাশের ওই ক্লাব দীর্ঘদিন ধরেই সরকারি সামগ্রী মজুত রাখার কাজে ব্যবহৃত হচ্ছিল। ত্রাণসামগ্রী উদ্ধারের খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে, সাধারণ মানুষ ও বিজেপির নেতা-কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে বিক্ষোভ দেখান। রাত বাড়ার সাথে সাথে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয় এবং অতিরিক্ত পুলিশ ও কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করা হয়। অবশেষে শনিবার ভোররাত আনুমানিক ৩টা ৪০ মিনিট নাগাদ পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিশাল দল চেয়ারম্যান বিমানকৃষ্ণ সাহার বাসভবনে পৌঁছে তাঁকে আটক করে। একইসঙ্গে অপর অভিযুক্ত সৌরভ বাবুকেও আটক করা হয়। চেয়ারম্যানকে আটক করে নিয়ে যাওয়ার সময় এলাকার একাংশের বাসিন্দা ক্ষোভে ফেটে পড়েন, তাঁকে লক্ষ্য করে জলের বোতল ও জুতো ছোড়া হয় এবং 'চোর চোর' স্লোগান দেওয়া হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে মৃদু লাঠিচার্জও করতে হয় বলে অভিযোগ। তবে গ্রেপ্তারের সময় সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বিমানকৃষ্ণ সাহা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেন যে, তিনি রাজনৈতিক চক্রান্তের শিকার হয়েছেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, উদ্ধার হওয়া ত্রাণসামগ্রী বিধায়ক তহবিলের আওতায় ছিল এবং তাঁকে পরিকল্পিতভাবে ফাঁসানো হয়েছে। শনিবার ধৃত চেয়ারম্যানকে কৃষ্ণনগর জেলা আদালতে পেশ করা হলে সেখানেও উত্তেজনার আবহ দেখা যায় এবং 'চোর চোর' স্লোগান দেওয়া হয়। আদালত উভয় পক্ষের বক্তব্য শোনার পর নবদ্বীপ পুরসভার চেয়ারম্যান বিমানকৃষ্ণ সাহা এবং অপর অভিযুক্ত সৌরভ বাবুকে ৭ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে, যদিও তদন্তকারী সংস্থা ১০ দিনের হেফাজত চেয়েছিল। তাঁদের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (BNS)-এর ৩১৪, ৩১৬ সহ একাধিক ধারায় মামলা রুজু হয়েছে বলেও জানানো হয়েছে। বর্তমানে তদন্তকারীরা উদ্ধার হওয়া সামগ্রীর উৎস, কীভাবে সেগুলি ক্লাবঘরে এলো এবং কার নির্দেশে মজুত রাখা হয়েছিল, তা খতিয়ে দেখছেন। এছাড়াও সরকারি ত্রাণ বণ্টন ব্যবস্থায় কোনও দুর্নীতি বা অনিয়মের যোগ রয়েছে কি না, তাও তদন্তের আওতায় আনা হয়েছে। বড়ালঘাটের এই ত্রাণসামগ্রী উদ্ধার কাণ্ড নবদ্বীপের রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে, যেখানে বিরোধীরা সরকারি সম্পত্তি আত্মসাতের অভিযোগ তুলছে এবং চেয়ারম্যান নিজেকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার বলে দাবি করছেন। ফলে তদন্তের পরবর্তী ধাপে কী তথ্য সামনে আসে, সেদিকেই এখন প্রশাসন, রাজনৈতিক মহল এবং সাধারণ মানুষের নজর।
নদিয়ার নবদ্বীপের বড়ালঘাটে একটি ক্লাবঘর থেকে বিপুল পরিমাণ সরকারি ত্রাণসামগ্রী উদ্ধারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এই ঘটনায় নবদ্বীপ পুরসভার চেয়ারম্যান বিমানকৃষ্ণ সাহা সহ দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শুক্রবার গভীর রাত থেকে শনিবার ভোর পর্যন্ত জনবিক্ষোভ, পুলিশি তৎপরতা এবং রাজনৈতিক তরজায় নবদ্বীপ সরগরম ছিল। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার রাত আনুমানিক সাড়ে ১০টা নাগাদ নবদ্বীপ থানার পুলিশ বড়ালঘাট স্পোর্টিং ক্লাবে অভিযান চালায়। অভিযোগের ভিত্তিতে ক্লাবের প্রায় দশটি ঘরে তল্লাশি চালিয়ে সরকারি ত্রাণের ত্রিপল, শীতবস্ত্র হিসেবে বিতরণের কম্বল এবং তন্তুজের বিভিন্ন প্রকল্পের শাড়ি সহ বিপুল পরিমাণ সরকারি সামগ্রী উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া শাড়িগুলির মধ্যে ২০২৩-২৪, ২০২৪-২৫ এবং ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষের সরকারি প্রকল্পের শাড়িও ছিল বলে তদন্তকারী সূত্রে দাবি করা হয়েছে। এছাড়াও সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত মানুষের মধ্যে বিতরণের জন্য সংরক্ষিত একাধিক সামগ্রী সেখানে মজুত অবস্থায় পাওয়া যায়। ঘটনার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, এই ক্লাবঘরটি নবদ্বীপ পুরসভার চেয়ারম্যান বিমানকৃষ্ণ সাহার পাড়াতেই অবস্থিত। স্থানীয়দের অভিযোগ, চেয়ারম্যানের আবাসনের পাশের ওই ক্লাব দীর্ঘদিন ধরেই সরকারি সামগ্রী মজুত রাখার কাজে ব্যবহৃত হচ্ছিল। ত্রাণসামগ্রী উদ্ধারের খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে, সাধারণ মানুষ ও বিজেপির নেতা-কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে বিক্ষোভ দেখান। রাত বাড়ার সাথে সাথে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয় এবং অতিরিক্ত পুলিশ ও কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করা হয়। অবশেষে শনিবার ভোররাত আনুমানিক ৩টা ৪০ মিনিট নাগাদ পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিশাল দল চেয়ারম্যান বিমানকৃষ্ণ সাহার বাসভবনে পৌঁছে তাঁকে আটক করে। একইসঙ্গে অপর অভিযুক্ত সৌরভ বাবুকেও আটক করা হয়। চেয়ারম্যানকে আটক করে নিয়ে যাওয়ার সময় এলাকার একাংশের বাসিন্দা ক্ষোভে ফেটে পড়েন, তাঁকে লক্ষ্য করে জলের বোতল ও জুতো ছোড়া হয় এবং 'চোর চোর' স্লোগান দেওয়া হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে মৃদু লাঠিচার্জও করতে হয় বলে অভিযোগ। তবে গ্রেপ্তারের সময় সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বিমানকৃষ্ণ সাহা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেন যে, তিনি রাজনৈতিক চক্রান্তের শিকার হয়েছেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, উদ্ধার হওয়া ত্রাণসামগ্রী বিধায়ক তহবিলের আওতায় ছিল এবং তাঁকে পরিকল্পিতভাবে ফাঁসানো হয়েছে। শনিবার ধৃত চেয়ারম্যানকে কৃষ্ণনগর জেলা আদালতে পেশ করা হলে সেখানেও উত্তেজনার আবহ দেখা যায় এবং 'চোর চোর' স্লোগান দেওয়া হয়। আদালত উভয় পক্ষের বক্তব্য শোনার পর নবদ্বীপ পুরসভার চেয়ারম্যান বিমানকৃষ্ণ সাহা এবং অপর অভিযুক্ত সৌরভ বাবুকে ৭ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে, যদিও তদন্তকারী সংস্থা ১০ দিনের হেফাজত চেয়েছিল। তাঁদের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (BNS)-এর ৩১৪, ৩১৬ সহ একাধিক ধারায় মামলা রুজু হয়েছে বলেও জানানো হয়েছে। বর্তমানে তদন্তকারীরা উদ্ধার হওয়া সামগ্রীর উৎস, কীভাবে সেগুলি ক্লাবঘরে এলো এবং কার নির্দেশে মজুত রাখা হয়েছিল, তা খতিয়ে দেখছেন। এছাড়াও সরকারি ত্রাণ বণ্টন ব্যবস্থায় কোনও দুর্নীতি বা অনিয়মের যোগ রয়েছে কি না, তাও তদন্তের আওতায় আনা হয়েছে। বড়ালঘাটের এই ত্রাণসামগ্রী উদ্ধার কাণ্ড নবদ্বীপের রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে, যেখানে বিরোধীরা সরকারি সম্পত্তি আত্মসাতের অভিযোগ তুলছে এবং চেয়ারম্যান নিজেকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার বলে দাবি করছেন। ফলে তদন্তের পরবর্তী ধাপে কী তথ্য সামনে আসে, সেদিকেই এখন প্রশাসন, রাজনৈতিক মহল এবং সাধারণ মানুষের নজর।
- কালনার হাটগাছা এলাকায় ডিভিসি সেতুর (ব্রিজ) পাশে নির্মাণাধীন গার্ডওয়াল প্রকল্পে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় গ্রামবাসীরা দাবি করেছেন যে, বেহুলা নদীর উপর তৈরি হচ্ছে এমন এই সেতুর গার্ডওয়াল নির্মাণে কোনো রড ব্যবহার করা হচ্ছে না এবং বালি-সিমেন্টের মানও অত্যন্ত নিম্ন। এই নিম্নমানের কাজের প্রতিবাদে গত শুক্রবার গ্রামবাসীরা ওয়াল তৈরির কাজ বন্ধ করে দেন। এর প্রেক্ষিতে শনিবার বিজেপি কর্মীরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং কাজ দেখে তারাও এর তীব্র প্রতিবাদ জানান। বিজেপি নেতা সুভাষ পাল এই বিষয়ে মন্তব্য করে বলেন, গ্রামবাসীদের অভিযোগ জানার পর তারা ঘটনাস্থলে এসে তাদের দাবি দেখেছেন এবং কাজের সাথে যুক্ত কোম্পানিটির কাছে কাজের সময়সূচী (শিডিউল) দেখতে চেয়েছেন। কোম্পানিটি আগামী সোমবার সেই সময়সূচী দেখাবে বলে জানিয়েছে। সুভাষ পাল জোর দিয়ে বলেন যে, সরকারি কাজ অবশ্যই সঠিকভাবে সম্পন্ন করতে হবে। তবে, এই কাজের সাথে যুক্ত সংস্থাটির কর্মীরা এ প্রসঙ্গে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। একইসাথে পি ডব্লিউ ডি অফিসের পক্ষ থেকেও কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। কালনা ২ ব্লকের হাটগাছা গ্রামে ব্রিজের পাশে নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে কাজ হওয়ার কারণে গ্রামবাসীদের দ্বারা গার্ডওয়ালের কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।1
- একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে যে, এই প্ল্যাটফর্মে শুধুমাত্র মৌলিক ও স্ব-নির্মিত সংবাদ পোস্ট করতে হবে। WhatsApp, Facebook, YouTube সহ অন্যান্য প্ল্যাটফর্ম থেকে কপি-পেস্ট করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। সংবাদ পোস্ট করার আগে সমস্ত তথ্য সম্পূর্ণরূপে যাচাই করা বাধ্যতামূলক। গুজব বা অপ্রমাণিত তথ্যের ভিত্তিতে কোনো খবর পোস্ট করা যাবে না এবং ভুল তথ্য প্রচার করলে তা নিয়ম লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য হবে।1
- পূর্ব বর্ধমান জেলার মঙ্গলকোট ব্লকের মাজিকগ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত মাধপুর, চাকুলিয়া, আইমাপাড়া, ইছাপুর, বোনপাড়া ও লারেঙ্গা গ্রামের মানুষের যাতায়াতের একমাত্র প্রধান রাস্তাটি দীর্ঘদিন ধরে অত্যন্ত বেহাল ও চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। প্রতিদিন এই রাস্তা ব্যবহার করেন হাজার হাজার মানুষ, যার মধ্যে ছাত্র-ছাত্রী, কর্মজীবী ব্যক্তি, রোগী ও সাধারণ গ্রামবাসী রয়েছেন। বর্ষাকালে রাস্তার অবস্থা আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে, যার ফলে দুর্ঘটনার আশঙ্কা বৃদ্ধি পায় এবং সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছায়। বারবার আবেদন ও অভিযোগ জানানো সত্ত্বেও এখন পর্যন্ত এই রাস্তার সংস্কার বা উন্নয়নের জন্য কোনো কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি। তাই সংশ্লিষ্ট প্রশাসন, পঞ্চায়েত ও সরকারের কাছে দ্রুত এই গুরুত্বপূর্ণ রাস্তার সংস্কারের ব্যবস্থা করার এবং এলাকার সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের অবসান ঘটানোর জন্য বিনীত অনুরোধ জানানো হয়েছে।1
- রাস্তার বেহাল দশার কারণে সাধারণ মানুষকে চরম ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে। এই রাস্তার অবস্থার জেরে মানুষের প্রতিদিনের জীবনযাত্রায় প্রবল সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে।1
- মুর্শিদাবাদের নওদা বিধানসভার ত্রিমোহনীতে আনুষ্ঠানিকভাবে ঐতিহাসিক এমএলএ কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট শুরু হয়েছে। নওদার বিধায়ক হুমায়ুন কবীর মঞ্চ থেকে নেমে ফিতে কেটে এবং পায়রা উড়িয়ে এই টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন।1
- রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেছেন যে, যতক্ষণ পর্যন্ত একজন 'অন্নপূর্ণা' না হচ্ছেন, ততক্ষণ পর্যন্ত 'লক্ষ্মীর ভাণ্ডার' প্রকল্পের সুবিধা অব্যাহত থাকবে।1
- তারকেশ্বরে বিধায়ক সন্তু পান এবং তাঁর সহযোদ্ধাদের নেতৃত্বে একটি বিজয় মিছিল বের করা হয়েছে। এই মিছিলে এতদিন ধরে যারা ভয় পাচ্ছিল, সেইসব মানুষও অংশ নিয়েছেন এবং তাঁরা সবাই মিলে জয়ের উল্লাস উদযাপন করেছেন।1
- এক বিজেপি নেতা বিধায়িকা মিতালী মালকে সাক্ষী রেখে তৃণমূল নেতাদের মারধর করে পা ভেঙে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। এই নির্দেশনার মাধ্যমে তৃণমূল নেতাদের উপর আক্রমণাত্মক পদক্ষেপের আহ্বান জানানো হয়েছে।1
- নাকাশিপাড়া পুলিশ নিষিদ্ধ শুকনো মাদক গাঁজা উদ্ধার করেছে। এই ঘটনায় অভিযুক্ত ব্যক্তিকে পলাশ ডাঙা এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে।1