গৃহস্থালি গ্যাসে ব্যবসা, উদয়পুরে প্রশাসনের নীরবতায় ক্ষোভ* ইন্ডিপেনডেন্ট সংবাদ:-* মন্দির নগরী উদয়পুরে বিভিন্ন খাবারের দোকান ও অস্থায়ী স্টলে সরকার ভর্তুকিযুক্ত গৃহস্থালি গ্যাস সিলিন্ডার ব্যবহার করে ব্যবসা চালানোর অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, প্রশাসন সবকিছু জানলেও অজানা কারণে এ বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না। জানা গেছে, উদয়পুরে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত শিশু উৎসব প্রাঙ্গণসহ শহরের বিভিন্ন জায়গায় স্ব-সহায়ক দলের স্টল এবং খাবারের দোকানগুলোতে গৃহস্থালি কাজে বরাদ্দকৃত গ্যাস সিলিন্ডার দিয়ে চুল্লি জ্বালিয়ে খাবার প্রস্তুত করা হয়েছে। একই অভিযোগ উঠেছে গোমতী জেলা হাসপাতাল চত্বরে থাকা কয়েকটি টিফিনের দোকান ও ছোট হোটেলের বিরুদ্ধেও। স্থানীয়দের অভিযোগ, জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকের দপ্তরের সামনেই দীর্ঘদিন ধরে এই ধরনের কার্যকলাপ চললেও সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলির পক্ষ থেকে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। ভোক্তা ও জনসংভরণ দপ্তর, খাদ্য সুরক্ষা দপ্তর এবং স্থানীয় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। এছাড়াও শহরের বিভিন্ন হোটেল ও রেস্টুরেন্টে খাবারের মান ও স্বাস্থ্যবিধি নিয়ে গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। অনেক ক্ষেত্রেই খাবার প্রস্তুত ও সংরক্ষণের ক্ষেত্রে কোনো বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি অনুসরণ করা হচ্ছে না বলে অভিযোগ। এই পরিস্থিতিতে শহরের সচেতন মহল প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ দাবি করেছে। তাদের মতে, সাধারণ মানুষের স্বার্থ রক্ষা এবং সরকারি ভর্তুকির অপব্যবহার বন্ধ করতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলির কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। এখন দেখার বিষয়, এই অভিযোগগুলির প্রেক্ষিতে প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কী ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করে। স্থানীয় নাগরিক সমাজের একাংশের মতে, দ্রুত ব্যবস্থা না নেওয়া হলে জনঅসন্তোষ আরও বাড়তে পারে।
গৃহস্থালি গ্যাসে ব্যবসা, উদয়পুরে প্রশাসনের নীরবতায় ক্ষোভ* ইন্ডিপেনডেন্ট সংবাদ:-* মন্দির নগরী উদয়পুরে বিভিন্ন খাবারের দোকান ও অস্থায়ী স্টলে সরকার ভর্তুকিযুক্ত গৃহস্থালি গ্যাস সিলিন্ডার ব্যবহার করে ব্যবসা চালানোর অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, প্রশাসন সবকিছু জানলেও অজানা কারণে এ বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না। জানা গেছে, উদয়পুরে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত শিশু উৎসব প্রাঙ্গণসহ শহরের বিভিন্ন জায়গায় স্ব-সহায়ক দলের স্টল এবং খাবারের দোকানগুলোতে গৃহস্থালি কাজে বরাদ্দকৃত গ্যাস সিলিন্ডার দিয়ে চুল্লি জ্বালিয়ে খাবার প্রস্তুত করা হয়েছে। একই অভিযোগ উঠেছে গোমতী জেলা হাসপাতাল চত্বরে থাকা কয়েকটি টিফিনের দোকান ও ছোট হোটেলের বিরুদ্ধেও। স্থানীয়দের অভিযোগ, জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকের দপ্তরের সামনেই দীর্ঘদিন ধরে এই ধরনের কার্যকলাপ চললেও সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলির পক্ষ থেকে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। ভোক্তা ও জনসংভরণ দপ্তর, খাদ্য সুরক্ষা দপ্তর এবং স্থানীয় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। এছাড়াও শহরের বিভিন্ন হোটেল ও রেস্টুরেন্টে খাবারের মান ও স্বাস্থ্যবিধি নিয়ে গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। অনেক ক্ষেত্রেই খাবার প্রস্তুত ও সংরক্ষণের ক্ষেত্রে কোনো বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি অনুসরণ করা হচ্ছে না বলে অভিযোগ। এই পরিস্থিতিতে শহরের সচেতন মহল প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ দাবি করেছে। তাদের মতে, সাধারণ মানুষের স্বার্থ রক্ষা এবং সরকারি ভর্তুকির অপব্যবহার বন্ধ করতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলির কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। এখন দেখার বিষয়, এই অভিযোগগুলির প্রেক্ষিতে প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কী ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করে। স্থানীয় নাগরিক সমাজের একাংশের মতে, দ্রুত ব্যবস্থা না নেওয়া হলে জনঅসন্তোষ আরও বাড়তে পারে।
- Post by Md Amir Hussain1
- রমাদান মাসে আমাদের গ্রামের মসজিদে পুরো এক মাস সুন্দরভাবে ইফতারের আয়োজন করা হয়েছে। সবাই একসাথে বসে ইফতার করা সত্যিই একটি সুন্দর মুহূর্ত। Ramadan ka mahina rehmat aur barkat ka mahina hai. Hamare gaon ki masjid mein sab log milkar iftar karte hain. Yeh ek khoobsurat aur barkat bhara moment hai. Allah sabar roza aur dua ko qubool farmaaye. 🤲 📍Village Mosque Iftar 🌙 Ramadan Mubarak1
- দেড় বছরে দেড়শো মিটার রাস্তার কাজ!!রামপদ পাড়ায় ঠিকাদার দ্বীপ দেববর্মা ড্রেইন নির্মাণ না করেই ৩০০ মিটার সিসি রোড মধ্যে শুধু বালু দিয়ে দেড়শো মিটার কাজ করে উধাও অভিযোগ স্থানীয়দের। বিপন্ন জনজীবন।।4
- শিলাছুড়ি প্রচার সভায় নতুন বাজার মালবাসা কেন্দ্রে সিপিআই(এম) প্রার্থী মগেন্দ্র রিয়াংকে বিপুল ভোটে জয়ী হবে জানান।1
- বৈরাগী দোকান এলাকায় ভাঙা বক্স কালভার্টকে কেন্দ্র করে ক্ষোভ বাড়ছে স্থানীয়দের মধ্যে। জানা যায়, বৈরাগী দোকান থেকে কৃষ্ণকান্ত পাড়া যাওয়ার প্রধান রাস্তায় অবস্থিত একটি বক্স কালভার্ট প্রায় ৭ দিন আগে ভেঙে পড়েছে। কিন্তু এতদিন পার হয়ে গেলেও আজ পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট দপ্তর কিংবা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তা মেরামতের কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। ফলে এলাকাবাসী চরম দুর্ভোগের মধ্যে পড়েছেন এবং প্রতিদিন যাতায়াতে নানা সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন। এই রাস্তা কৃষ্ণকান্ত পাড়ার মানুষের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিদিন বহু মানুষ এই পথ দিয়ে বাজার, স্কুল, অফিস এবং বিভিন্ন প্রয়োজনীয় কাজে যাতায়াত করেন। বিশেষ করে ছাত্র-ছাত্রী, বৃদ্ধ মানুষ এবং কৃষকদের জন্য পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। ভাঙা কালভার্টের কারণে অনেকেই বিকল্প দীর্ঘ পথ ব্যবহার করতে বাধ্য হচ্ছেন, যা সময়সাপেক্ষ এবং ঝুঁকিপূর্ণ। বর্ষার সময় বা রাতে চলাচল আরও বিপজ্জনক হয়ে উঠছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এদিকে সামনে এডিসি নির্বাচন আসন্ন। কৃষ্ণকান্ত পাড়ায় একটি গুরুত্বপূর্ণ ভোটকেন্দ্রও রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে এলাকাবাসীদের মধ্যে ক্ষোভ আরও বেড়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, নির্বাচনের সময় উন্নয়নের বড় বড় প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও বাস্তবে এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ সমস্যার সমাধানে এখনো পর্যন্ত কোনো উদ্যোগ দেখা যায়নি। স্থানীয় বাসিন্দারা স্পষ্ট জানিয়েছেন, যদি খুব শিগগিরই ভাঙা বক্স কালভার্টটি মেরামত করা না হয়, তাহলে তারা কঠোর আন্দোলনের পথে যেতে বাধ্য হবেন। এর মধ্যে রাস্তা অবরোধ কিংবা আসন্ন এডিসি নির্বাচনে ভোট বয়কটের মতো সিদ্ধান্তও নেওয়া হতে পারে বলে তারা হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। তাদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে সমস্যাটি উপেক্ষা করা হলে সাধারণ মানুষের ধৈর্যের সীমা শেষ হয়ে যাবে। এলাকাবাসীদের আরও অভিযোগ, এই অঞ্চলে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতার কোনো অভাব নেই। তিপ্রা মথা, সিপিআইএম, বিজেপি এবং আইপিএফটি—সব দলেরই নেতা এখানে সক্রিয় রয়েছেন। বিভিন্ন সময়ে সভা-সমাবেশে উন্নয়নের কথা বলা হলেও বাস্তবে এমন একটি জরুরি সমস্যার সমাধানে কেউ কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছেন না বলে দাবি স্থানীয়দের। এলাকাবাসীর দাবি, প্রশাসন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যেন দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ভাঙা বক্স কালভার্টটি মেরামতের উদ্যোগ নেয়। কারণ এই রাস্তা শুধু একটি গ্রামের জন্য নয়, আশেপাশের বেশ কয়েকটি এলাকার মানুষের যাতায়াতের অন্যতম প্রধান মাধ্যম। তাই দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হলে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বাড়বে এবং পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।1
- 📍 বিশালগড়, ১১ মার্চ।। ✍️ রোহিঙ্গা মহিলাকে বিশালগড়ের ঘনিয়ামারায় ফেলে টাকা নিয়ে উধাও মানব পাচারকারী। পুলিশ ওই মহিলাকে আটক করে থানায় নিয়ে গিয়েছে।1
- নল আছে, জল নেই — পাঁচ দিন ধরে সংকটে ছৈলেংটা–ছাওমনু, সড়ক অবরোধে এলাকাবাসী1
- তিপ্রা মথা দলের জম্পুইজলা ব্লক সভাপতি অর্জুন দেববর্মার বাড়িতে গতকাল গভীর রাতে বোমা নিক্ষেপ। বুধবার দুপুরে খবর পেয়ে জম্পুইজলা মহকুমা পুলিশ আধিকারিক স্নেহাশীষ কুমার দেব জম্পুইজলা থানার ওসি মৃণাল কান্তি রিয়াং সেকেন্ড ওসি শান্তনু দেববর্মা ছুটে যান অর্জুন দেববর্মার বাড়িতে। তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়। অর্জুন দেববর্মার বাড়ি জম্পুইজলা বাজার সংলগ্ন এলাকায়। মূলত এডিসি নির্বাচন ঘোষণার পূর্বেই পাহাড়ে বোমা ও আগ্নেয়াস্ত্র আস্ফালন বেড়েই চলছে। তবে একাংশ রাজনৈতিক মহলে গুঞ্জন এবার শাসক ও শরিক দল পাহাড় দখলের লড়াইয়ের লক্ষ্যে নিজেরেই নিজেদের সাথে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়বেন। মথার কর্মীর বাড়িতে বোমা নিক্ষেপের ঘটনায় অভিযোগ বিজেপি কর্মীদের বিরুদ্ধে। তীব্র উত্তেজনা থমথমে পরিস্থিতি গোটা জম্পুইজলা মহকুমায়। তবে পুলিশ প্রশাসন দ্রুত ঘটনার নিষ্পত্তি করার লক্ষ্যে মাঠে নামেন।3