রমজানের চতুর্থ জুম্মা সম্পন্ন পুরুলিয়ায়: আলবিদা জুম্মা নিয়ে ধন্দ ও ঈদগাহের নতুন নির্দেশিকা রমজানের চতুর্থ জুম্মা সম্পন্ন পুরুলিয়ায়: আলবিদা জুম্মা নিয়ে ধন্দ ও ঈদগাহের নতুন নির্দেশিকা ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে পুরুলিয়া শহরের বিভিন্ন মসজিদে রমজান মাসের চতুর্থ শুক্রবারের নামাজ সম্পন্ন হলো। তবে ক্যালেন্ডারের হিসেবে এটি চতুর্থ শুক্রবার হলেও, দিনটিকে ঘিরে 'আলবিদা জুম্মা' (রমজানের শেষ শুক্রবার) পালন নিয়ে শহরজুড়ে মিশ্র ছবি দেখা গেছে। চন্দ্রমাস অনুযায়ী রমজান শেষ হতে আরও কয়েকদিন বাকি থাকায়, অনেক মসজিদেই এদিন আলবিদা জুম্মা পালিত হয়নি। শুক্রবার দুপুর হতেই পুরুলিয়া শহরের গাড়িখানা মসজিদসহ ছ’টি মসজিদে মুসলিম ধর্মাবলম্বী মানুষের ব্যাপক সমাগম লক্ষ্য করা যায়। গরম উপেক্ষা করেই ধর্মপ্রাণ মানুষ নামাজে শামিল হন। রমজানের শেষ লগ্নে এসে এই বিশেষ জুম্মার নামাজকে কেন্দ্র করে ছোট-বড় প্রতিটি মসজিদেই ছিল উৎসবের মেজাজ। পুরুলিয়া ঈদগাহ কবরস্থান কমিটির পক্ষ থেকে এবারের ঈদুল ফিতর ও কবরস্থান জিয়ারত নিয়ে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা ও নিয়ম জারি করা হয়েছে: পুরুলিয়া ঈদগাহ কবরস্থান কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এবারের ঈদুল ফিতরের নামাজ পুরুলিয়া ঈদগাহ ময়দানে সকাল ৮টার সময় অনুষ্ঠিত হবে। কবরস্থানের পবিত্রতা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে মহিলাদের কবরস্থানে প্রবেশ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে কমিটির পক্ষ থেকে। এবং সাধারণ দর্শনার্থী বা জিয়ারতকারীদের জন্য অন্যান্য দিনের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। "রমজানের এই বিশেষ দিনে কবরস্থান ও ঈদের প্রস্তুতি নিয়ে নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম কার্যকর করা হয়েছে। এবং আগামী দিনেও নিয়মগুলো মেনে চলার জন্য সকলকে অনুরোধ করা হয়েছে পুরুলিয়া ঈদগাহ ও কবরস্থান কমিটির পক্ষ থেকে। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানালেন পুরুলিয়া গাড়িখানা মসজিদের ইমাম। পুরুলিয়া শহরের শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রেখে আসন্ন ইদ উদযাপনের প্রস্তুতি এখন তুঙ্গে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকেও ভিড় সামলাতে ও নিরাপত্তা নিশ্চিতে বিশেষ নজরদারি চালানো হচ্ছে।
রমজানের চতুর্থ জুম্মা সম্পন্ন পুরুলিয়ায়: আলবিদা জুম্মা নিয়ে ধন্দ ও ঈদগাহের নতুন নির্দেশিকা রমজানের চতুর্থ জুম্মা সম্পন্ন পুরুলিয়ায়: আলবিদা জুম্মা নিয়ে ধন্দ ও ঈদগাহের নতুন নির্দেশিকা ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে পুরুলিয়া শহরের বিভিন্ন মসজিদে রমজান মাসের চতুর্থ শুক্রবারের নামাজ সম্পন্ন হলো। তবে ক্যালেন্ডারের হিসেবে এটি চতুর্থ শুক্রবার হলেও, দিনটিকে ঘিরে 'আলবিদা জুম্মা' (রমজানের শেষ শুক্রবার) পালন নিয়ে শহরজুড়ে মিশ্র ছবি দেখা গেছে। চন্দ্রমাস অনুযায়ী রমজান শেষ হতে আরও কয়েকদিন বাকি থাকায়, অনেক মসজিদেই এদিন আলবিদা জুম্মা পালিত হয়নি। শুক্রবার দুপুর হতেই পুরুলিয়া শহরের গাড়িখানা মসজিদসহ ছ’টি মসজিদে মুসলিম ধর্মাবলম্বী মানুষের ব্যাপক সমাগম লক্ষ্য করা যায়। গরম উপেক্ষা করেই ধর্মপ্রাণ মানুষ নামাজে শামিল হন। রমজানের শেষ লগ্নে এসে এই বিশেষ জুম্মার নামাজকে কেন্দ্র করে ছোট-বড় প্রতিটি মসজিদেই ছিল উৎসবের মেজাজ। পুরুলিয়া ঈদগাহ কবরস্থান কমিটির পক্ষ থেকে এবারের ঈদুল ফিতর ও কবরস্থান জিয়ারত নিয়ে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা ও নিয়ম জারি করা হয়েছে: পুরুলিয়া ঈদগাহ কবরস্থান কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এবারের ঈদুল ফিতরের নামাজ পুরুলিয়া ঈদগাহ ময়দানে সকাল ৮টার সময় অনুষ্ঠিত হবে। কবরস্থানের পবিত্রতা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে মহিলাদের কবরস্থানে প্রবেশ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে কমিটির পক্ষ থেকে। এবং সাধারণ দর্শনার্থী বা জিয়ারতকারীদের জন্য অন্যান্য দিনের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। "রমজানের এই বিশেষ দিনে কবরস্থান ও ঈদের প্রস্তুতি নিয়ে নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম কার্যকর করা হয়েছে। এবং আগামী দিনেও নিয়মগুলো মেনে চলার জন্য সকলকে অনুরোধ করা হয়েছে পুরুলিয়া ঈদগাহ ও কবরস্থান কমিটির পক্ষ থেকে। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানালেন পুরুলিয়া গাড়িখানা মসজিদের ইমাম। পুরুলিয়া শহরের শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রেখে আসন্ন ইদ উদযাপনের প্রস্তুতি এখন তুঙ্গে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকেও ভিড় সামলাতে ও নিরাপত্তা নিশ্চিতে বিশেষ নজরদারি চালানো হচ্ছে।
- পুরুলিয়া-ঝাড়গ্রাম রেলপথ: দীর্ঘদিনের দাবি কি এবার বাস্তব?1
- ব্রিগেড সমাবেশে যোগ দিতে পুরুলিয়া থেকে তিনটি স্পেশাল ট্রেন ও ৫০টি বাসের ব্যবস্থা বিজেপির। ১৪ মার্চ কলকাতার ব্রিগেড গ্রাউন্ড বিজেপির জনসভা অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। ঐ সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত থাকবেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র দামোদর মোদী । সভাকে সফল করতে পুরুলিয়া জেলা বিজেপির পক্ষ থেকে বিশেষ প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। পুরুলিয়া জেলা সভাপতি শঙ্কর মাহাত জানান, জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে কর্মী ও সমর্থকদের ব্রিগেড ময়দানে পৌঁছে দিতে তিনটি স্পেশাল ট্রেনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, যাতে জেলার মানুষ ও দলীয় কর্মীরা সহজে সভায় পৌঁছাতে এবং নিরাপদে বাড়ি ফিরতে পারেন সেই বিষয়টি মাথায় রেখেই এই ব্যবস্থা করা হয়েছে। পাশাপাশি জেলা থেকে প্রায় ৫০এর অধিক বাসের ব্যবস্থাও করা হয়েছে। সকলকে নির্ধারিত সময়ে উপস্থিত হয়ে ব্রিগেড সমাবেশ সফল করার আহ্বান জানানো হয়েছে তিনি।1
- পুরুলিয়া জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা কমিটির বর্ধিত সভা আয়োজিত হল পুরুলিয়া শহর শহরে একটি বেসরকারি লজে শুক্রবার দুপুর একটা থেকে শুরু করে বিকেল চারটা পর্যন্ত। আগামী ২০০২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনের কৌশল ঠিক করতেই এই সভা বলে জানা যায়। প্রতিটি ব্লক স্তরের নেতৃত্ব জেলা কমিটির সমস্ত সদস্য সমস্ত পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি সহ জেলা স্তরের সমস্ত নেতৃত্বরা এদিনের সভায় উপস্থিত ছিলেন। সভা শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সভার বিষয়ে বিস্তারিত জানালেন পুরুলিয়া জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের চেয়ারম্যান শান্তিরাম মাহাতো।1
- Post by গ্রাম বাংলার খবরা খবর1
- চোলাই মদের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে চোলাই মদ নষ্ট করল আবগারি দপ্তর।শুক্রবার আবগারি দপ্তর সূত্রে জানা যায় গোপন সূত্রে খবর পেয়ে মানবাজার থানার বাসস্ট্যান্ড,জামবনি,কেলারডি,কপড়ররা,চল্লার হাট এলাকায় অভিযান চালানো হয়।এদিন অভিযান চালিয়ে ২২০ লিটার চোলাই মদ তৈরির উপকরণ ও ১৬ লিটার চোলাই মদ নষ্ট করা হয়। সাথে ১ সেট ড্রাম ও ২ টি মদ তৈরির অ্যালুমিনিয়ামের হাড়ি বাজেয়াপ্ত করা হয়।1
- বকেয়া মহার্ঘভাতা প্রদান, শূন্য পদে কর্মী নিয়োগ সহ বেশ কয়েকটি দাবী নিয়ে আজ ধর্মঘটে সামিল হয়েছে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ । পুরুলিয়া জেলাশাসক দপ্তরের বাইরে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ এবং তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে ধস্তাধস্তি বেধে যায় । একদিকে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চে সদস্যরা ধর্মঘটের সমর্থনে সরকারি কর্মীদের দপ্তরে প্রবেশে বাধা দেয়। পাল্টা তৃণমূলের কর্মী সমর্থকরা সেখানে উপস্থিত হয়ে ধর্মঘটের বিপক্ষে সামিল হয়ে সরকারি কর্মীদের প্রবেশ করাতে থাকে । ঘটনায় দু পক্ষের মধ্যে বচসা ও ধস্তাধস্তি বেধে যায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুরুলিয়া সদর থানার পুলিশ পৌঁছে পরিস্থিতি সামাল দেয় ।1
- সম্প্রীতির মেলবন্ধন: পুরুলিয়ায় তৃণমূল সংখ্যালঘু সেলের উদ্যোগে ইফতার মজলিস!1
- Post by গ্রাম বাংলার খবরা খবর1
- আজ দুপুর নাগাদ বাঁকুড়া জেলার অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র শুশুনিয়া পাহাড়ের একাংশে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। পাহাড়ের পিছনদিকের নিম্নাঞ্চলে আচমকাই আগুন লাগে এবং অল্প সময়ের মধ্যেই আগুনের লেলিহান শিখা চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় দমকলের একটি ইঞ্জিন এবং বনদপ্তরের কর্মীরা। দীর্ঘ প্রায় দু’ঘণ্টা ধরে যৌথ প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন তাঁরা। স্থানীয় বাসিন্দাদের আশঙ্কা, এই অগ্নিকাণ্ডে পাহাড়ের বনাঞ্চলের পাশাপাশি বন্যপ্রাণীরও ক্ষয়ক্ষতি হয়ে থাকতে পারে। তবে আগুন লাগার সুনির্দিষ্ট কারণ এখনও জানা যায়নি। ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখছে বনদপ্তর।1