হাতির দাঁত সহ গ্রেপ্তার ২ আলিপুরদুয়ারে হাতির দাঁতসহ দুই ব্যক্তি গ্রেফতার আলিপুরদুয়ার জেলায় বনদপ্তরের অভিযানে অবৈধভাবে হাতির দাঁত রাখার ও কেনাবেচার অভিযোগে দুই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ২২-০২-২০২৬ তারিখে জলদাপাড়া বন্যপ্রাণ বিভাগ-এর কোদালবস্তি রেঞ্জের একটি দল, রেঞ্জ অফিসার সন্দীপ দাসের নেতৃত্বে, জাতীয় সড়ক ৩১সি-র বানিয়া সেতুর কাছে অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করে। বনদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃতদের কাছ থেকে প্রায় ১.৬৪ কিলোগ্রাম ওজনের হাতির দাঁতের দুটি টুকরো উদ্ধার করা হয়েছে। হাতি বন্যপ্রাণ সুরক্ষা আইন, ১৯৭২ অনুযায়ী তফসিল-১ ভুক্ত সংরক্ষিত প্রজাতি। এই প্রজাতির অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ অবৈধভাবে রাখা বা ব্যবসা করা গুরুতর দণ্ডনীয় অপরাধ। ধৃতদের নাম— ১) ইয়াকুব এক্কা (প্রায় ৩৫), গ্রাম মইনাবাড়ি কাঞ্জাল বস্তি, পোস্ট অফিস হাতিপোতা, থানাঃ শামুকতলা, জেলা আলিপুরদুয়ার। ২) অজয় রাউতিয়া (প্রায় ৩৪), গ্রাম তুরতুরি চা বাগান, পোস্ট অফিস হাতিপোতা, থানাঃ শামুকতলা, জেলা আলিপুরদুয়ার। বনদপ্তর জানিয়েছে, ২৩-০২-২০২৬ তারিখে ধৃতদের আলিপুরদুয়ার আদালতে তোলা হবে। ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে আরও তদন্ত শুরু হয়েছে। বন্যপ্রাণ অপরাধ দমনে এবং বিপন্ন প্রজাতির সুরক্ষায় জলদাপাড়া বন্যপ্রাণ বিভাগের এই পদক্ষেপ গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে বনদপ্তর মহল।
হাতির দাঁত সহ গ্রেপ্তার ২ আলিপুরদুয়ারে হাতির দাঁতসহ দুই ব্যক্তি গ্রেফতার আলিপুরদুয়ার জেলায় বনদপ্তরের অভিযানে অবৈধভাবে হাতির দাঁত রাখার ও কেনাবেচার অভিযোগে দুই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ২২-০২-২০২৬ তারিখে জলদাপাড়া বন্যপ্রাণ বিভাগ-এর কোদালবস্তি রেঞ্জের একটি দল, রেঞ্জ অফিসার সন্দীপ দাসের নেতৃত্বে, জাতীয় সড়ক ৩১সি-র বানিয়া সেতুর কাছে অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করে। বনদপ্তর
সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃতদের কাছ থেকে প্রায় ১.৬৪ কিলোগ্রাম ওজনের হাতির দাঁতের দুটি টুকরো উদ্ধার করা হয়েছে। হাতি বন্যপ্রাণ সুরক্ষা আইন, ১৯৭২ অনুযায়ী তফসিল-১ ভুক্ত সংরক্ষিত প্রজাতি। এই প্রজাতির অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ অবৈধভাবে রাখা বা ব্যবসা করা গুরুতর দণ্ডনীয় অপরাধ। ধৃতদের নাম— ১) ইয়াকুব এক্কা (প্রায় ৩৫), গ্রাম মইনাবাড়ি কাঞ্জাল বস্তি, পোস্ট অফিস হাতিপোতা,
থানাঃ শামুকতলা, জেলা আলিপুরদুয়ার। ২) অজয় রাউতিয়া (প্রায় ৩৪), গ্রাম তুরতুরি চা বাগান, পোস্ট অফিস হাতিপোতা, থানাঃ শামুকতলা, জেলা আলিপুরদুয়ার। বনদপ্তর জানিয়েছে, ২৩-০২-২০২৬ তারিখে ধৃতদের আলিপুরদুয়ার আদালতে তোলা হবে। ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে আরও তদন্ত শুরু হয়েছে। বন্যপ্রাণ অপরাধ দমনে এবং বিপন্ন প্রজাতির সুরক্ষায় জলদাপাড়া বন্যপ্রাণ বিভাগের এই পদক্ষেপ গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে বনদপ্তর মহল।
- *শাসক দলের ছত্রছায়ায় গৃহবধূ নির্যাতন! জলপাইগুড়িতে তৃণমূল নেতার পরিবারে নারকীয় অত্যাচারের অভিযোগ* *রাজ্যে নারী সুরক্ষা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর একাধিক দাবি থাকলেও বাস্তব চিত্র যে কতটা ভয়াবহ, তারই নগ্ন উদাহরণ উঠে এলো জলপাইগুড়ি জেলার ক্রান্তি ব্লকের চ্যাংমারি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকা থেকে। শাসক দলের প্রভাবশালী নেতার বাড়িতে গৃহবধূর উপর দীর্ঘদিন ধরে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালানোর অভিযোগ উঠেছে। এমনকি শ্বাসরোধ করে খুনের চেষ্টার মতো গুরুতর অভিযোগও সামনে এসেছে।*1
- Post by Tapas Roy1
- Post by Raj roy1
- Post by Anjali Ghosh1
- ধুপগুড়ি প্রশাসনের উদাসীনতায় মৃত্যুঘণ্টা বাজছে কুমলাই নদীর; আগুনের আতঙ্কে ধূপগুড়ি শহর। ধূপগুড়ি শহরের জীবনরেখা কুমলাই নদী আজ প্রশাসনের চরম উদাসীনতায় মৃত্যুশয্যায়। যে নদীটি জনপদের প্রাণস্পন্দন হওয়ার কথা ছিল, আজ তা ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে। ধূপগুড়ি পৌরসভার অকর্মণ্যতায় নদীর বুকে স্তূপীকৃত জঞ্জাল থেকে ছড়াচ্ছে আগুনের আতঙ্ক, যা যে কোনও মুহূর্তে গ্রাস করতে পারে গোটা শহরকে।বারবার সংবাদমাধ্যমে এই সংকটের কথা তুলে ধরা হলেও টনক নড়েনি কর্তৃপক্ষের। নদীর বুকে প্রতিদিন আবর্জনা ফেলে একদিকে যেমন তার স্বাভাবিক গতিপথ রুদ্ধ করা হচ্ছে, অন্যদিকে সেই বর্জ্য স্তূপে আগুন লাগিয়ে দেওয়ায় ধোঁয়ায় শ্বাসরুদ্ধকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হচ্ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, পৌর প্রশাসনের এই চরম গাফিলতি শুধু পরিবেশের ক্ষতি করছে না, বরং শহরবাসীকে এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকির মুখে ঠেলে দিয়েছে। ধূপগুড়ির ঐতিহ্যবাহী কুমলাই নদীকে বাঁচাতে আর কতদিন অপেক্ষা করতে হবে, এখন সেটাই বড় প্রশ্ন। শহরের প্রাণস্পন্দন এই কুমলাই নদীকে বাঁচানোর বদলে তাকে হত্যার যে অশুভ উৎসব চলছে, সংবাদমাধ্যম বারবার সেই ছবি তুলে ধরলেও প্রশাসনের যেন কোনো ভ্রূক্ষেপই নেই। 'পরিবর্তন' আজ যেন কেবলই এক ক্লান্তিকর ইতিহাস।1
- Post by Munna Miyan1
- নির্বাচনের প্রাক্কালে তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিলো ৪০ টি পরিবার। তৃণমূলে বড়সড় ধস বিজেপি দাবি করলেও বিষয়টিতে গুরুত্ব দিতে নারাজ রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। রবিবার রাতে ধুপগুড়ি মহকুমার বারোঘরিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতে একাধিক তৃণমূল কংগ্রেস কর্মী দল বদল করে বিজেপিতে যোগদান করে। বিজেপি নেতা আগুন রায় জানান, বারোঘরিয়া গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার বুথ সভাপতি তপন দাস সহ এলাকার আরো প্রায় চল্লিশটি পরিবার তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপির দলীয় পতাকা হাতে তুলে নেন।1
- *শাসক দলের ছত্রছায়ায় গৃহবধূ নির্যাতন! জলপাইগুড়িতে তৃণমূল নেতার পরিবারে নারকীয় অত্যাচারের অভিযোগ* *রাজ্যে নারী সুরক্ষা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর একাধিক দাবি থাকলেও বাস্তব চিত্র যে কতটা ভয়াবহ, তারই নগ্ন উদাহরণ উঠে এলো জলপাইগুড়ি জেলার ক্রান্তি ব্লকের চ্যাংমারি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকা থেকে। শাসক দলের প্রভাবশালী নেতার বাড়িতে গৃহবধূর উপর দীর্ঘদিন ধরে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালানোর অভিযোগ উঠেছে। এমনকি শ্বাসরোধ করে খুনের চেষ্টার মতো গুরুতর অভিযোগও সামনে এসেছে।*1
- Post by Tapas Roy1