ধর্মনগরে আয়োজিত বাংলা সংস্কৃতি বলয় সংসদের “বৈশাখী উৎসব ১৪৩৩”-এর সবচেয়ে সম্মানজনক পুরস্কার “অংশগ্রহণে সেরা (পারফর্মার অফ দ্য ইয়ার)” শিরোপা অর্জন করে সকলের নজর কেড়েছে খুদে সংগীতশিল্পী মধুপর্ণা নাথ। মাত্র সাত বছর বয়সেই তার এই অসাধারণ সাফল্য ধর্মনগর এবং গোটা উত্তর জেলার সাংস্কৃতিক মহলে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে। মধুপর্ণা ধর্মনগর শহরের নতুন বাজার সোনাপুর এলাকার বাসিন্দা। তার মা মিতালী নাথ একজন গৃহিণী এবং বাবা রঞ্জিত নাথ একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। পরিবারের সার্বিক সহযোগিতা ও উৎসাহে মধুপর্ণা সংগীতচর্চায় নিজেকে গড়ে তুলছে। এবারের বৈশাখী উৎসবে মধুপর্ণা তার বয়সভিত্তিক বিভাগে রবীন্দ্রসংগীত, নজরুলগীতি এবং লোকগীতি—এই তিনটি পৃথক বিষয়ে অংশ নেয় এবং বিস্ময়করভাবে তিনটি বিভাগেই প্রথম স্থান অধিকার করে বিরল সাফল্যের নজির স্থাপন করে। এই মর্যাদাপূর্ণ শিরোপা জেতায় তাকে ট্রফির পাশাপাশি নগদ অর্থও প্রদান করা হয়। তার নাম ঘোষণার সাথে সাথে অনুষ্ঠানস্থল দর্শকদের করতালিতে মুখর হয়ে ওঠে। মধুপর্ণার এই অসামান্য অর্জনে তার পরিবারের সদস্যরা ও সংগীত শিক্ষা কেন্দ্র আনন্দধারার শিক্ষক-শিক্ষিকারা উচ্ছ্বসিত। প্রসঙ্গত, গত ৩১ মে থেকে বাংলা সংস্কৃতি বলয়, ধর্মনগর সংসদের উদ্যোগে দশ দিনব্যাপী এই বৈশাখী উৎসব শুরু হয়েছিল। এটি উত্তর ও ঊনকোটি জেলার শিল্প-সংস্কৃতিপ্রেমীদের কাছে এক বিশেষ আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠে। উৎসবে অঙ্কন, নৃত্য, সংগীত, আবৃত্তি, তবলা বাদন-সহ সংস্কৃতির নানা শাখার বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক বিভাগে অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে উত্তর ও উনকোটি জেলা থেকে প্রায় সহস্রাধিক শিশু-কিশোর শিল্পী অংশগ্রহণ করে তাদের প্রতিভা তুলে ধরে। শনিবার সন্ধ্যায় ধর্মনগরের বিবেকানন্দ সার্ধশতবার্ষিকী ভবনে এই উৎসবের পুরস্কার বিতরণী ও সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়, যা ঘিরে শিল্পী, অভিভাবক ও দর্শকদের মধ্যে ছিল ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা। অনুষ্ঠানে বৈশাখী উৎসব ১৪৩৩-এর উদ্বোধক তথা ধর্মনগরের বিধায়ক জহর চক্রবর্তী, বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব এবং উত্তর জেলা সাংস্কৃতিক উপদেষ্টা কমিটির সদস্য দিপাল দাস, বাংলা সংস্কৃতি বলয়ের বিশ্ব কমিটির সদস্য তথা ধর্মনগর সংসদের সম্পাদক স্বরূপ ঘোষ সান এবং বৈশাখী উৎসব উদযাপন কমিটির আহ্বায়িকা বাবলি রায়-সহ বহু বিশিষ্টজনেরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের শুরুতেই বাংলা সংস্কৃতি বলয়ের সদস্য-সদস্যাদের পরিবেশনায় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়, এরপর বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক বিভাগে সাফল্য অর্জনকারী প্রায় তিন শতাধিক শিল্পীর হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। সাংস্কৃতিক মহলের অনেকের মতে, সঠিক প্রশিক্ষণ, নিয়মিত সাধনা এবং পরিবারের সমর্থন পেলে মধুপর্ণা আগামী দিনে রাজ্য ও জাতীয় স্তরেও নিজের প্রতিভার স্বাক্ষর রাখতে সক্ষম হবে।
ধর্মনগরে আয়োজিত বাংলা সংস্কৃতি বলয় সংসদের “বৈশাখী উৎসব ১৪৩৩”-এর সবচেয়ে সম্মানজনক পুরস্কার “অংশগ্রহণে সেরা (পারফর্মার অফ দ্য ইয়ার)” শিরোপা অর্জন করে সকলের নজর কেড়েছে খুদে সংগীতশিল্পী মধুপর্ণা নাথ। মাত্র সাত বছর বয়সেই তার এই অসাধারণ সাফল্য ধর্মনগর এবং গোটা উত্তর জেলার সাংস্কৃতিক মহলে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে। মধুপর্ণা ধর্মনগর শহরের নতুন বাজার সোনাপুর এলাকার বাসিন্দা। তার মা মিতালী নাথ একজন গৃহিণী এবং বাবা রঞ্জিত নাথ একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। পরিবারের সার্বিক সহযোগিতা ও উৎসাহে মধুপর্ণা সংগীতচর্চায় নিজেকে গড়ে তুলছে। এবারের বৈশাখী উৎসবে মধুপর্ণা তার বয়সভিত্তিক বিভাগে রবীন্দ্রসংগীত, নজরুলগীতি এবং লোকগীতি—এই তিনটি পৃথক বিষয়ে অংশ নেয় এবং বিস্ময়করভাবে তিনটি বিভাগেই প্রথম স্থান অধিকার করে বিরল সাফল্যের নজির স্থাপন করে। এই মর্যাদাপূর্ণ শিরোপা জেতায় তাকে ট্রফির পাশাপাশি নগদ অর্থও প্রদান করা হয়। তার নাম ঘোষণার সাথে সাথে অনুষ্ঠানস্থল দর্শকদের করতালিতে মুখর হয়ে ওঠে। মধুপর্ণার এই অসামান্য অর্জনে তার পরিবারের সদস্যরা ও সংগীত শিক্ষা কেন্দ্র আনন্দধারার শিক্ষক-শিক্ষিকারা উচ্ছ্বসিত। প্রসঙ্গত, গত ৩১ মে থেকে বাংলা সংস্কৃতি বলয়, ধর্মনগর সংসদের উদ্যোগে দশ দিনব্যাপী এই বৈশাখী উৎসব শুরু হয়েছিল। এটি উত্তর ও ঊনকোটি জেলার শিল্প-সংস্কৃতিপ্রেমীদের কাছে এক বিশেষ আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠে। উৎসবে অঙ্কন, নৃত্য, সংগীত, আবৃত্তি, তবলা বাদন-সহ সংস্কৃতির নানা শাখার বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক বিভাগে অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে উত্তর ও উনকোটি জেলা থেকে প্রায় সহস্রাধিক শিশু-কিশোর শিল্পী অংশগ্রহণ করে তাদের প্রতিভা তুলে ধরে। শনিবার সন্ধ্যায় ধর্মনগরের বিবেকানন্দ সার্ধশতবার্ষিকী ভবনে এই উৎসবের পুরস্কার বিতরণী ও সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়, যা ঘিরে শিল্পী, অভিভাবক ও দর্শকদের মধ্যে ছিল ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা। অনুষ্ঠানে বৈশাখী উৎসব ১৪৩৩-এর উদ্বোধক তথা ধর্মনগরের বিধায়ক জহর চক্রবর্তী, বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব এবং উত্তর জেলা সাংস্কৃতিক উপদেষ্টা কমিটির সদস্য দিপাল দাস, বাংলা সংস্কৃতি বলয়ের বিশ্ব কমিটির সদস্য তথা ধর্মনগর সংসদের সম্পাদক স্বরূপ ঘোষ সান এবং বৈশাখী উৎসব উদযাপন কমিটির আহ্বায়িকা বাবলি রায়-সহ বহু বিশিষ্টজনেরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের শুরুতেই বাংলা সংস্কৃতি বলয়ের সদস্য-সদস্যাদের পরিবেশনায় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়, এরপর বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক বিভাগে সাফল্য অর্জনকারী প্রায় তিন শতাধিক শিল্পীর হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। সাংস্কৃতিক মহলের অনেকের মতে, সঠিক প্রশিক্ষণ, নিয়মিত সাধনা এবং পরিবারের সমর্থন পেলে মধুপর্ণা আগামী দিনে রাজ্য ও জাতীয় স্তরেও নিজের প্রতিভার স্বাক্ষর রাখতে সক্ষম হবে।
- ভারত বিকাশ পরিষদ পূর্ব শাখার উদ্যোগে রাধানগরের রাধামাধব মন্দির প্রাঙ্গণে একটি বাল সংস্কার শিবিরের আয়োজন করা হয়। এই অনুষ্ঠানে প্রায় ৫০ জন ছাত্রছাত্রী অংশগ্রহণ করে, যাদের মধ্যে বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ছিল। শিবিরে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কাউন্সিলর শ্রীমতি সান্তনা সাহা মহোদয়া। এছাড়াও, প্রান্তীয় সংরক্ষণ শ্রী ধীরেন্দ্র কোলই, শাখা স্তরের প্রেসিডেন্ট শ্রী শ্যামল ভট্টাচার্য, এবং প্রান্তীয় মহিলা সহভাগীতা বাল বিকাশ শ্রীমতি এষা ধরসহ ভারত বিকাশ পরিষদের অন্যান্য সম্মানিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন। এঁদের মধ্যে রিজিওনাল সেক্রেটারি বাল বিকাশ শ্রীমতি মঞ্জু দেব, প্রান্তীয় সেক্রেটারি শ্রী আশীষ নাথ, এবং সম্পর্ক প্রমুখ শ্রী ভজন ভট্টাচার্য অন্যতম। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন রিজনাল সেক্রেটারি সংস্কার শ্রীমতি জবা ভট্টাচার্য, এবং স্বাগত ভাষণ রাখেন শাখা স্তরের মহিলা সহভাগীতা বাল বিকাশ শ্রীমতি মিনাক্ষী চক্রবর্তী। এই শিবিরে ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে সংস্কার, নৈতিক ও চারিত্রিক গঠনের গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা ও পর্যালোচনা করা হয়। তাদের উৎসাহিত করার জন্য বিভিন্ন মনীষীদের বই ও স্মারক প্রদান করা হয়। সবশেষে, শাখা স্তরের সেক্রেটারি ইন্দ্রজিৎ সাহা ছাত্রছাত্রীদের ভারত বর্ষকে পৃথিবীর বুকে বিশ্ব গুরু হিসেবে গড়ে তোলার শপথ বাক্য পাঠ করান।1
- উত্তর ত্রিপুরা জেলার ধর্মনগরের কালীদিঘীর উত্তর পাড়ে অবস্থিত প্রবীণ অঙ্গনে গত ২১ জুন ধর্মনগর অকশন ব্রিজ কমিটির উদ্যোগে 'নৃপেন্দ্র কুমার রায় মেমোরিয়াল অকশন ব্রিজ রানিং টুর্নামেন্ট'-এর শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এবছর টুর্নামেন্টটি তার দ্বিতীয় বর্ষে পদার্পণ করেছে, যা অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণভাবে পালিত হয়। এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ধর্মনগরের বিধায়ক জহর চক্রবর্তী প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এবং তাঁর সাথে এলাকার একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তি, ক্রীড়াপ্রেমী ও সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তারা প্রয়াত নৃপেন্দ্র কুমার রায়ের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এবং সমাজে ব্রিজ খেলার জনপ্রিয়তা আরও বৃদ্ধির জন্য আহ্বান জানান। বিধায়ক জহর চক্রবর্তী তাঁর উদ্বোধনী ভাষণে টুর্নামেন্টের সার্বিক সাফল্য কামনা করে অংশগ্রহণকারী সকল খেলোয়াড়কে আন্তরিক শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেন। তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, মানসিক দক্ষতা, ধৈর্য এবং কৌশলনির্ভর এই খেলা সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষকে একত্রিত করতে এবং একটি সুস্থ প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ তৈরি করতে সক্ষম। ধর্মনগর অকশন ব্রিজ কমিটির সম্পাদক শিবশঙ্কর রায় জানিয়েছেন যে, এবছর মোট ২৮টি দল এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছে। প্রায় ৪৫ থেকে ৫০ দিনব্যাপী এই টুর্নামেন্টের মাধ্যমে প্রতিযোগীরা তাঁদের দক্ষতা প্রদর্শনের সুযোগ পাবেন। কমিটি আগামী দিনে এই প্রতিযোগিতাকে আরও বৃহৎ পরিসরে নিয়ে গিয়ে রাজ্যব্যাপী টুর্নামেন্টে রূপান্তরিত করার পরিকল্পনা করছে। প্রবীণ অঙ্গনে আয়োজিত এই প্রতিযোগিতা ইতিমধ্যেই ব্রিজপ্রেমীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহের সৃষ্টি করেছে। আয়োজকরা আশা করছেন যে, আগামী বছরগুলোতে আরও বেশি সংখ্যক দল ও খেলোয়াড় এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেবেন এবং এর ফলস্বরূপ ধর্মনগর তথা গোটা রাজ্যেই ব্রিজ খেলার একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে পরিচিতি লাভ করবে।3
- পানিসাগর রেলওয়ে স্টেশন পরীক্ষামূলক বৈদ্যুতিক মেমো ট্রেনের আগমনের মধ্য দিয়ে এক নতুন ইতিহাসের সাক্ষী হয়েছে। রেল পরিষেবা আধুনিকীকরণের ক্ষেত্রে এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।4
- উত্তর ত্রিপুরার ধর্মনগরে অবস্থিত ধর্মনগর রেলওয়ে ডিভিশন ডিমান্ড অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট কমিটির ১১তম বার্ষিক সাধারণ সভা রবিবার ধর্মনগর পুরাতন মোটরস্ট্যান্ড সংলগ্ন টিজিটিএ ভবনে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই সভায় সংগঠনের বিগত এক বছরের কার্যক্রম, আর্থিক হিসাব-নিকাশ, ভবিষ্যৎ কর্মসূচি এবং ধর্মনগরে রেল ডিভিশন প্রতিষ্ঠার দাবিতে চলমান আন্দোলনের অগ্রগতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। সভায় সম্পাদক হিমাংশু পাল তাঁর বার্ষিক সম্পাদকীয় প্রতিবেদনে সংগঠনের দীর্ঘদিনের আন্দোলনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। প্রতিবেদনের শুরুতেই সম্প্রতি প্রয়াত সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এস.এন. ভট্টাচার্যের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করা হয়। একইসঙ্গে প্রয়াত বিধায়ক স্পিকার বিশ্ববন্ধু সেন সহ সমাজ ও রাজনৈতিক অঙ্গনের বিভিন্ন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বের অবদানের কথাও শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয়। প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয় যে, ধর্মনগরে রেল ডিভিশন প্রতিষ্ঠার দাবিতে সংগঠনটি ধারাবাহিকভাবে গণআন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে। এই দাবির সমর্থনে স্মারকলিপি প্রদান, জনসভা, পথসভা, প্রচারপত্র বিতরণ, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারসহ বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।1
- তৃণমূলের অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় গ্রেপ্তারির আশঙ্কায় হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। আদালতের নির্দেশে তিনি আপাতত বড় স্বস্তি পেয়েছেন। তবে, এই পরিস্থিতিতে আজ তিনি খোয়াইতে আসছেন কিনা, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।1
- আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে রবিবার উত্তর ত্রিপুরা জেলা যুব বিষয়ক ও ক্রীড়া দপ্তরের উদ্যোগে ধর্মনগরের গৌরীশেখর রায় স্পোর্টস ইনডোর হলে এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এবারের যোগ দিবসের মূল প্রতিপাদ্য ছিল “Yoga for Healthy Ageing”। সকাল থেকেই জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত যোগপ্রেমী, ক্রীড়াবিদ, ছাত্র-ছাত্রী, স্বেচ্ছাসেবক এবং সাধারণ মানুষের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানস্থল মুখরিত হয়ে ওঠে। অনুষ্ঠানটির উদ্বোধন করেন রাজ্যের বন, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও পরিবেশ দপ্তরের মন্ত্রী অনিমেষ দেববর্মা। তিনি তাঁর বক্তব্যে নিয়মিত যোগব্যায়ামের মাধ্যমে শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা বজায় রাখার গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং বর্তমান ব্যস্ত জীবনে সুস্থ ও সক্রিয় থাকতে যোগচর্চাকে দৈনন্দিন অভ্যাসে পরিণত করার আহ্বান জানান। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক জহর চক্রবর্তী, যিনি যোগব্যায়ামকে কেবল শরীরচর্চা নয়, বরং একটি জীবনদর্শন হিসেবে অভিহিত করেন, যা মানুষকে শৃঙ্খলাবদ্ধ ও ইতিবাচক জীবনযাপনে উদ্বুদ্ধ করে। এই অনুষ্ঠানে উত্তর ত্রিপুরা জেলা পরিষদের সভাধিপতি অপর্না নাথ এবং ধর্মনগর পুর পরিষদের চেয়ারপার্সন মিতালী রাণী দাস সেন সহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বরাও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে প্রশিক্ষকদের তত্ত্বাবধানে শতাধিক মানুষ একযোগে বিভিন্ন যোগাসন ও প্রণায়াম অনুশীলনে অংশ নেন। এই গণযোগাভ্যাসের মাধ্যমে সুস্থ বার্ধক্য, মানসিক প্রশান্তি এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির গুরুত্ব সম্পর্কে উপস্থিত সকলকে অবহিত করা হয়। জেলার সর্বস্তরের মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের এই আয়োজন এক উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি করে এবং স্বাস্থ্যকর জীবনধারা গড়ে তোলার লক্ষ্যে যোগব্যায়ামের প্রসার ও সচেতনতা বৃদ্ধির বার্তা দিয়ে অনুষ্ঠানটি সম্পন্ন হয়।4
- মাত্র এক ঘণ্টার মুষলধারে বৃষ্টিতে কার্যত জলের তলায় তলিয়ে গেল রাজধানী আগরতলার রাজপথ থেকে অলিগলি। 'স্মার্ট সিটি' তকমাধারী এই শহরের ড্রেনেজ ব্যবস্থা নিয়ে দীর্ঘদিনের অভিযোগ যে অমূলক নয়, তা ফের একবার স্পষ্ট হয়ে উঠল প্রকৃতির এই খামখেয়ালিপনায়। বিকেল গড়াতেই আকাশ ভেঙে শুরু হওয়া ৬০ মিনিটের এই বৃষ্টিতে শহরের কৃষ্ণনগর, বটতলা, শকুন্তলা রোড এবং এমবিবি কলেজ সংলগ্ন এলাকাগুলো কার্যত হ্রদে পরিণত হয়। হাঁটু সমান জল ভেঙে যাতায়াত করতে গিয়ে চরম ভোগান্তির শিকার হয়েছেন নিত্যযাত্রী ও সাধারণ মানুষ। অনেক জায়গায় রাস্তার ওপর জমে থাকা জলের কারণে যানবাহন চলাচল থমকে যায়। বেশ কিছু দোকানপাটে জল ঢুকে পড়ায় ব্যবসায়ীদের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর মিলেছে। এছাড়া ড্রেন উপচে নোংরা জল রাস্তায় মিশে যাওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দারা স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়েও আতঙ্কিত। ভুক্তভোগী এলাকাবাসীর অভিযোগ, স্মার্ট সিটি প্রজেক্টের নামে কোটি কোটি টাকা খরচ হলেও নিকাশি ব্যবস্থার কোনো উন্নতি হয়নি। নিয়মিত ড্রেন পরিষ্কার না করা এবং অপরিকল্পিত নগরায়ণের কারণেই সামান্য বৃষ্টিতেই এই চরম পরিস্থিতির সৃষ্টি হচ্ছে। স্থানীয় এক বাসিন্দা আক্ষেপ করে বলেন, "স্মার্ট সিটির তকমাটা কেবল খাতায়-কলমেই রয়ে গেল, দুর্ভোগ আমাদের কমলো না।" এদিকে, শহরের এই জলমগ্ন পরিস্থিতি নিয়ে প্রশাসনের তরফ থেকে এখনো কোনো সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপের খবর পাওয়া যায়নি। তবে জরুরি পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। শহরবাসীর একটাই প্রশ্ন— কবে মিলবে এই জলযন্ত্রণা থেকে স্থায়ী মুক্তি?1