তৃণমূল প্রধানের বিরুদ্ধে অনাস্থা হেয়ারিং সফল : ভরতপুরের গড্ডায় নতুন বোর্ড গঠনে প্রস্তুত কংগ্রেস। তৃণমূল প্রধানের বিরুদ্ধে অনাস্থা হেয়ারিং সফল : ভরতপুরের গড্ডায় নতুন বোর্ড গঠনে প্রস্তুত কংগ্রেস। ভরতপুর-১ নম্বর ব্লকের গড্ডা পঞ্চায়েতে শাসক দল তৃণমূলের অপশাসন ও অগণতান্ত্রিক পরিবেশের প্রতিবাদ জানিয়ে পঞ্চায়েতের ৫ জন সদস্য রীতা মান্ডি, সাকিনুর খাতুন, হাসিবুল সেখ, ইয়াজউদ্দিন সেখ এবং মানিক মণ্ডল অনাস্থা প্রস্তাব আনেন। পঞ্চায়েত পরিচালনায় স্বচ্ছতার অভাব, প্রশাসনিক কাজে অসহযোগিতা ও সদস্যদের মতামত উপেক্ষার অভিযোগ তুলে তৃণমূল পরিচালিত প্রধান গোলাপি খাতুনের বিরুদ্ধে পশ্চিমবঙ্গ পঞ্চায়েত আইন, ১৯৭৩-এর ১২(২) ধারা অনুযায়ী গত ১৭ ই আগস্ট তারা বিডিও-র কাছে লিখিত আবেদন জমা দেন। উক্ত অনাস্থা প্রস্তাব ও বিশেষ সভা আহ্বানের আবেদনের পরিপ্রক্ষিতে সোমবার ভরতপুর-১ নম্বর ব্লকের সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক অফিসে বিডিও-র উপস্থিতিতে মূল শুনানি অর্থাৎ হেয়ারিং প্রক্রিয়াসম্পন্ন হয়। শুনানিতে অনাস্থা প্রস্তাবটি সফলভাবে পাস করায় গড্ডা পঞ্চায়েতে তৃণমূল বোর্ডের পতন কার্যত সুনিশ্চিত এবং নতুন প্রধান গঠনের দিনক্ষণ প্রশাসনিকভাবে শীঘ্রই চূড়ান্ত হবে। এদিন শুনানি শেষে ব্লক কংগ্রেস সভাপতি তথা প্রাক্তন বিধায়ক কমলেশ চ্যাটার্জি প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে জানান যে, তৃণমূলের স্বৈরাচারী চালচলন বুঝতে পেরে মানুষ আজ অধীর চৌধুরীর উন্নয়ন ও আদর্শের পথেই ভরসা রাখছেন। অন্যদিকে পঞ্চায়েত সদস্য ইয়াজউদ্দিন সেখ বলেন, এলাকায় পঞ্চায়েতের কাজে স্বচ্ছতা ফেরানো ও সাধারণ মানুষকে সঠিক প্রশাসনিক পরিষেবা দেওয়ার লক্ষ্যেই তারা তৃণমূল ছেড়ে কংগ্রেসে শামিল হয়ে এই অনাস্থা পাস করিয়েছেন।
তৃণমূল প্রধানের বিরুদ্ধে অনাস্থা হেয়ারিং সফল : ভরতপুরের গড্ডায় নতুন বোর্ড গঠনে প্রস্তুত কংগ্রেস। তৃণমূল প্রধানের বিরুদ্ধে অনাস্থা হেয়ারিং সফল : ভরতপুরের গড্ডায় নতুন বোর্ড গঠনে প্রস্তুত কংগ্রেস। ভরতপুর-১ নম্বর ব্লকের গড্ডা পঞ্চায়েতে শাসক দল তৃণমূলের অপশাসন ও অগণতান্ত্রিক পরিবেশের প্রতিবাদ জানিয়ে পঞ্চায়েতের ৫ জন সদস্য রীতা মান্ডি, সাকিনুর খাতুন, হাসিবুল সেখ, ইয়াজউদ্দিন সেখ এবং মানিক মণ্ডল অনাস্থা প্রস্তাব আনেন। পঞ্চায়েত পরিচালনায় স্বচ্ছতার অভাব, প্রশাসনিক কাজে অসহযোগিতা ও সদস্যদের মতামত উপেক্ষার অভিযোগ তুলে তৃণমূল পরিচালিত প্রধান গোলাপি খাতুনের বিরুদ্ধে পশ্চিমবঙ্গ পঞ্চায়েত আইন, ১৯৭৩-এর ১২(২) ধারা অনুযায়ী গত ১৭ ই আগস্ট তারা বিডিও-র কাছে লিখিত আবেদন জমা দেন। উক্ত অনাস্থা প্রস্তাব ও বিশেষ সভা আহ্বানের আবেদনের পরিপ্রক্ষিতে সোমবার ভরতপুর-১ নম্বর ব্লকের সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক অফিসে বিডিও-র উপস্থিতিতে মূল শুনানি অর্থাৎ হেয়ারিং প্রক্রিয়াসম্পন্ন হয়। শুনানিতে অনাস্থা প্রস্তাবটি সফলভাবে পাস করায় গড্ডা পঞ্চায়েতে তৃণমূল বোর্ডের পতন কার্যত সুনিশ্চিত এবং নতুন প্রধান গঠনের দিনক্ষণ প্রশাসনিকভাবে শীঘ্রই চূড়ান্ত হবে। এদিন শুনানি শেষে ব্লক কংগ্রেস সভাপতি তথা প্রাক্তন বিধায়ক কমলেশ চ্যাটার্জি প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে জানান যে, তৃণমূলের স্বৈরাচারী চালচলন বুঝতে পেরে মানুষ আজ অধীর চৌধুরীর উন্নয়ন ও আদর্শের পথেই ভরসা রাখছেন। অন্যদিকে পঞ্চায়েত সদস্য ইয়াজউদ্দিন সেখ বলেন, এলাকায় পঞ্চায়েতের কাজে স্বচ্ছতা ফেরানো ও সাধারণ মানুষকে সঠিক প্রশাসনিক পরিষেবা দেওয়ার লক্ষ্যেই তারা তৃণমূল ছেড়ে কংগ্রেসে শামিল হয়ে এই অনাস্থা পাস করিয়েছেন।
- কালোবাজারি রুখতে ও নিত্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে : ভরতপুরে প্রশাসনের আচমকা অভিযান। কালোবাজারি রুখতে ও নিত্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে : ভরতপুরে প্রশাসনের আচমকা অভিযান। নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি রুখতে ও কালোবাজারি বন্ধে মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ মেনে কান্দি মহকুমা প্রশাসনের উদ্যোগে ভরতপুরে চলল ব্যাপক প্রশাসনিক অভিযান। বুধবার সন্ধ্যায় কান্দির মহকুমা শাসক মধুশ্রী ও ভরতপুরের এসডিপিও বরুন বৈদ্যর নেতৃত্বে খাদ্য সুরক্ষা দপ্তর, সালার সার্কেলের ইন্সপেক্টর সমরেন্দ্র পাল এবং ভরতপুর থানার ওসি বিশ্বজিৎ মন্ডল সহ অন্যান্য আধিকারিকদের সঙ্গে নিয়ে এক যৌথ প্রতিনিধিদল এলাকায় আচমকা পরিদর্শন চালান। তাঁরা প্রথমে ভরতপুর বাগানপাড়া সংলগ্ন একটি চিনির গোডাউনে, এরপর ভরতপুর বাজার সংলগ্ন এলাকার দুটি মুদির দোকানে এবং পরে ভরতপুর ডাঙ্গাপাড়া সংলগ্ন এলাকার আরও একটি চিনির গোডাউনে হানা দেন। অভিযানকালে প্রশাসনিক আধিকারিকেরা পাইকারি ও খুচরো দর, মজুত পণ্যের পরিমাণ এবং ক্রয়-বিক্রয়ের চালান সরজমিনে খতিয়ে দেখার পাশাপাশি অসাধু উপায়ে কৃত্রিম সংকট তৈরি বা অতিরিক্ত দাম না নেওয়ার জন্য ব্যবসায়ীদের কড়া বার্তা দেন। প্রশাসনের এই কঠোর তৎপরতায় বাজারে কালোবাজারি থামবে এবং দ্রুত স্বস্তি ফিরবে বলেই আশাবাদী স্থানীয় সাধারণ ক্রেতারা।1
- মুর্শিদাবাদ মারুট উত্তর পারা কালি মুন্দি আমার নাম সুশান্ত1
- চিনিতে কালোবাজারি বন্ধ করতে বহরমপুরে গুদামে হানা খোদ DM এর দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি ও কালাবাজারি রুখতে বহরমপুরে বাজারে হানা জেলা শাসক সহ প্রশাসনিক কর্তাদের। নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের মূল্য বৃদ্ধির চাপে রীতিমতো হাঁসফাঁস অবস্থা মধ্যবিত্তের। চিনি থেকে সবজি জিনিসের দাম বাড়ছে হু হু করে। আর এই মূল্যবৃদ্ধিতে নড়েচড়ে বসেছে সরকার। বাজারে জিনিসপত্রের দাম নিয়ন্ত্রণে হানা প্রশাসনিক কর্তাদের। বুধবার সকালে বহরমপুরের খাগড়া ও গোপালঘাট এলাকায় বেশ কিছু গোডাউন ঘুরে দেখেন জেলা শাসক আর অর্জুন, এসডিও সমীরণ বারিক সহ প্রশাসনিক আধিকারিকেরা। তারা কথা বলেন ব্যবসায়ীদের সাথে। কী দামে চিনি কেনা হচ্ছে এবং বাজারে সেই চিনি কী দামে বিক্রি হচ্ছে তা খতিয়ে দেখেন প্রশাসনিক আধিকারিকেরা।1
- এনসিপিআই (NCPI) নেতাদের সদস্যপদ বাতিল ও দলবদলের রাজনীতি নিয়ে অধীর রঞ্জন চৌধুরীর কড়া সমালোচনা"1
- শিরোনাম: মঙ্গলকোট ও খতিয়ার-সহ একাধিক স্থানে বিজেপির পথসভা আজ মঙ্গলকোট ও খতিয়ার-সহ একাধিক এলাকায় বিজেপির পক্ষ থেকে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সংকল্প ও সফল ১০০ দিন উপলক্ষে শক্তিকেন্দ্র ভিত্তিক পথসভা অনুষ্ঠিত হয়। মঙ্গলকোট ২ নম্বর মণ্ডল সভাপতি কার্তিক বাগ মহাশয়ের নেতৃত্বে এই কর্মসূচি হয়। উপস্থিত ছিলেন দলীয় নেতৃত্ব, কর্মী-সমর্থক ও সাধারণ মানুষ।1
- জাহের স্থান দখলমুক্তের দাবিতে গুসকরায় আদিবাসীদের মিছিল, পুলিশ ফাঁড়িতে দেওয়া হল স্মারকলিপি আদিবাসীদের ধর্মীয় ‘জাহের স্থান’ দখলমুক্ত এবং অধিকার রক্ষার দাবিতে মঙ্গলবার আনুমানিক বিকাল ৪টা নাগাদ গুসকরা পুলিশ ফাঁড়িতে স্মারকলিপি দিল আদিবাসী অধিকার রক্ষা কমিটি। জানা গিয়েছে, আউশগ্রাম-১ ব্লকের যাদবগঞ্জ মৌজার চরণপাড়ায় প্রায় ২৫ বিঘা জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই জটিলতা চলছে।আদিবাসীদের দাবি, ওই জমিতে তাঁরা চাষাবাদ, খেলাধুলার পাশাপাশি সাঁওতাল সম্প্রদায়ের মঙ্গল কামনায় জাহের স্থানে পূজার্চনা করে আসছেন। সম্প্রতি জমির মালিকানা দাবি করা এক ব্যক্তি সেখানে সাবমার্সিবেল বসানোর পর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়। আদিবাসীদের অভিযোগ, ভয় দেখিয়ে কিছু অসাধু ব্যক্তি তাদের দখলে থাকা জমি, জাহের স্থান ও খেলার মাঠ থেকে তাঁদের উচ্ছেদের চেষ্টা করছে। তারা এদিন তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়। এদিন প্রায় শ'তিনেক আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষ গুসকরা রেল স্টেশনে জড়ো হয়ে তারা মিছিল করে গুসকরা বিট হাউসে পৌঁছান। আর অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সেখানে আগে থেকেই বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন ছিল। তারপর সংগঠনের সাত সদস্যের প্রতিনিধি দল পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গে দেখা করে তার হাতে তাদের দাবিদাওয়া সম্বলিত একটি কপি তুলে দেন। তবে প্রতিবাদের আবহেও নজর কাড়ে পুলিশের মানবিক উদ্যোগ। মিছিল করে আসা আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষেরা ফাঁড়িতে পৌঁছতেই পুলিশকর্মীরা তাদের হাতে তুলে দেন ঠান্ডা জলের বোতল। পুলিশের এমন উদ্যোগের প্রশংসা করেন সংগঠনের প্রতিনিধিরা।1
- ১২ই রবিউল আউয়াল উপলক্ষে সাগরপাড়ায় বিরাট মিছিল, খুশির বার্তায় মুখর একাধিক এলাকা ১২ই রবিউল আউয়াল পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী ﷺ উপলক্ষে সাগরপাড়া থানা এলাকার বিভিন্ন প্রান্তে অনুষ্ঠিত হলো এক বিরাট ধর্মীয় মিছিল। সাগরপাড়া থেকে শুরু হওয়া এই মিছিল পুলপাড়া, নরসিংহপুর, নওদাপাড়া, চক হরেকৃষ্ণপুর, বারোমাসিয়া, ধনিরামপুর, খয়রতলা, ২০ নম্বর সাহেবনগর-সহ একাধিক এলাকা পরিক্রমা করে। মিছিলজুড়ে অংশগ্রহণকারীদের মুখে শোনা যায়— “আজ বিশ্বনবীর জন্মদিন, আজ আমাদের খুশির দিন”—সহ বিভিন্ন স্লোগান। ধর্মীয় আবেগ ও ভালোবাসায় মিছিলের পথজুড়ে তৈরি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ। রাস্তার দু’ধারে দাঁড়িয়ে থাকা শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের মধ্যেও দেখা যায় উৎসাহ। মিছিলে অংশগ্রহণকারীদের পক্ষ থেকে পথের ধারে দাঁড়িয়ে থাকা বাচ্চাদের পাশাপাশি মিছিলে থাকা মানুষজনের মধ্যে চকলেট বিতরণ করা হয়। ইসলামের শেষ নবী হযরত মুহাম্মদ ﷺ মানবজাতির জন্য শান্তি, মানবতা, ন্যায়, সহমর্মিতা ও সুন্দর চরিত্রের শিক্ষা দিয়ে গেছেন। তাঁর জীবন ও আদর্শ মানুষের প্রতি ভালোবাসা, অসহায়ের পাশে দাঁড়ানো এবং সমাজে শান্তি ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠার বার্তা বহন করে। তাঁর জন্মদিন উপলক্ষে আয়োজিত এই মিছিলেও সেই ভালোবাসা, শ্রদ্ধা ও সম্প্রীতির বার্তাই তুলে ধরেন অংশগ্রহণকারীরা। সাগরপাড়া থেকে শুরু হয়ে বিস্তীর্ণ এলাকা পরিক্রমার মধ্য দিয়ে ধর্মীয় আবেগ ও উৎসবের আমেজে সম্পন্ন হয় এই মিছিল।1
- তারাপুর বিড়ি হাসপাতাল পরিদর্শনে গিয়ে একি আশ্বাস মন্ত্রী অর্জুন সিং এর নামেই বিড়ি শ্রমিকদের হাসপাতাল। বিগত সরকারের আমলে কোন উন্নয়নই হয়নি। এই হাসপাতালে হাল ফেরান হবে । তারাপুর বিড়ি হাসপাতালে পরিদর্শনে গিয়ে আশ্বাস রাজ্যের পরিবহন ও শ্রম দপ্তরের মন্ত্রী অর্জুন সিং এর। মঙ্গলবার সামশেরগঞ্জে বিড়ি শ্রমিকদের দাবি দাওয়া নিয়ে বৈঠক করবেন মন্ত্রী অর্জুন সিং। তার আগে এদিন সকালেই তিনি পৌছে যান তারাপুর বিড়ি হাসপাতালে। হাসপাতাল পরিদর্শন করেন। কথা বলেন হাসপাতালের চিকিৎসক ও আধিকারিকদের সাথে। বিড়ি শ্রমিকদের এই হাসপাতালের জন্য টাকা বরাদ্দ হলেও সেই টাকার ব্যবহার নিয়ে বিগত সরকারকে নিশানা করেন মন্ত্রী অর্জুন সিং। পাশাপাশি বর্তমানে ডবল ইঞ্জিনের সরকার এই হাসপাতালের উন্নয়নের আশ্বাস দেন মন্ত্রী। চিকিৎসক ও স্বাস্থ্য কর্মীদের জন্য নেই কোন থানার ব্যবস্থা। প্রায় ১০ বছর ধরে হাসপাতালের পরিষেবা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন মন্ত্রী। এখন দেখার এই হাসপাতালের কবে ঠিকমতো চিকিৎসা পরিষেবা পান বিড়ি শ্রমিকেরা।1