সম্প্রতি বলরামপুর ব্লকের স্থানীয় আইটি-সিআরপি কর্মীরা নিয়মিত বেতন, বকেয়া টাকা পরিশোধ এবং ব্লক স্তর থেকে নিয়োগপত্র ও পরিচয়পত্র প্রদানের দাবিতে বলরামপুর ব্লক উন্নয়ন আধিকারিক (বিডিও)-এর দ্বারস্থ হয়েছেন। তাঁরা তাঁদের চার দফা দাবি সম্বলিত একটি স্মারকলিপি বিডিও দপ্তরে জমা দিয়েছেন। স্মারকলিপিতে কর্মীরা জানিয়েছেন যে তাঁরা দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন এবং দ্রুত সমাধানের জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন। তাঁদের প্রধান দাবিগুলির মধ্যে রয়েছে: অবিলম্বে ব্লক স্তর থেকে আনুষ্ঠানিক নিয়োগপত্র ও পরিচয়পত্র প্রদান, নিয়মিত মাসিক বেতন নিশ্চিত করা এবং সমস্ত বকেয়া ভাতা পরিশোধ করা। এছাড়াও দীর্ঘদিন ধরে আটকে থাকা বিভিন্ন বিলের অর্থ দ্রুত মিটিয়ে দেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে। কর্মীরা আরও দাবি করেছেন যে কাজের গুণগত মান বজায় রাখতে এবং নির্ধারিত দায়িত্ব সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে প্রয়োজনীয় ও উপযুক্ত সময় বরাদ্দ করতে হবে। আইটি-সিআরপি কর্মীদের এই চার দফা দাবি ঘিরে এলাকায় আলোচনা শুরু হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট কর্মীরা এখন প্রশাসন এই দাবিগুলির বিষয়ে কী পদক্ষেপ নেয়, সেদিকেই নজর রাখছেন।
সম্প্রতি বলরামপুর ব্লকের স্থানীয় আইটি-সিআরপি কর্মীরা নিয়মিত বেতন, বকেয়া টাকা পরিশোধ এবং ব্লক স্তর থেকে নিয়োগপত্র ও পরিচয়পত্র প্রদানের দাবিতে বলরামপুর ব্লক উন্নয়ন আধিকারিক (বিডিও)-এর দ্বারস্থ হয়েছেন। তাঁরা তাঁদের চার দফা দাবি সম্বলিত একটি স্মারকলিপি বিডিও দপ্তরে জমা দিয়েছেন। স্মারকলিপিতে কর্মীরা জানিয়েছেন যে তাঁরা দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন এবং দ্রুত সমাধানের জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন। তাঁদের প্রধান দাবিগুলির মধ্যে রয়েছে: অবিলম্বে ব্লক স্তর থেকে আনুষ্ঠানিক নিয়োগপত্র ও পরিচয়পত্র প্রদান, নিয়মিত মাসিক বেতন নিশ্চিত করা এবং সমস্ত বকেয়া ভাতা পরিশোধ করা। এছাড়াও দীর্ঘদিন ধরে আটকে থাকা বিভিন্ন বিলের অর্থ দ্রুত মিটিয়ে দেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে। কর্মীরা আরও দাবি করেছেন যে কাজের গুণগত মান বজায় রাখতে এবং নির্ধারিত দায়িত্ব সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে প্রয়োজনীয় ও উপযুক্ত সময় বরাদ্দ করতে হবে। আইটি-সিআরপি কর্মীদের এই চার দফা দাবি ঘিরে এলাকায় আলোচনা শুরু হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট কর্মীরা এখন প্রশাসন এই দাবিগুলির বিষয়ে কী পদক্ষেপ নেয়, সেদিকেই নজর রাখছেন।
- পশ্চিমবঙ্গের ঝাড়গ্রামে পেঁয়াজের বস্তার আড়ালে লুকিয়ে রাখা একটি বড় গাঁজার চালান উদ্ধার করা হয়েছে। একটি লরি থেকে প্রায় ৬০ কেজি মাদক উদ্ধার করা হয়।1
- পশ্চিমবঙ্গের শিলদা অঞ্চলের বাসিন্দা ভুতুনাথ কর্মকারকে বিজেপি করার “অপরাধে” সরকারি সুবিধা থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে। তাঁকে আবাস যোজনার অধীনে বাড়ি এবং বার্ধক্য ভাতা, এই দুটি গুরুত্বপূর্ণ সুবিধা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।1
- বুধবার ভারতীয় জনতা যুব মোর্চার ঝাড়গ্রাম সাংগঠনিক জেলার উদ্যোগে এবং নগর যুব মোর্চার ব্যবস্থাপনায় ঝাড়গ্রাম সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে এক স্বচ্ছতা অভিযান কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। হাসপাতাল চত্বর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার বার্তা নিয়ে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে যুব মোর্চার কর্মীরা সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। এই অভিযানের মাধ্যমে হাসপাতাল ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকায় পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। এই কর্মসূচিতে ঝাড়গ্রাম সাংগঠনিক জেলা যুব মোর্চার সভাপতি রণজিৎ সেন এবং নগর যুব মোর্চার সভাপতি পীযূষ বেরা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও, যুব মোর্চার একাধিক নেতা-কর্মী এতে অংশ নেন। নেতৃত্ববৃন্দ জানান যে, স্বচ্ছ ও সুস্থ সমাজ গড়ে তুলতে সকলকেই পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে সচেতন হতে হবে এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের জনসচেতনতামূলক কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।1
- ঝাড়গ্রাম জেলার বাকশোল এলাকায় জলে ডুবে এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে, যা পুরো এলাকায় গভীর শোকের ছায়া ফেলেছে। পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গ্রামের দুই শিশু খেলতে খেলতে একটি নবখনিত পুকুরের ধারে চলে যায় এবং অসাবধানতাবশত দুজনেই পুকুরের জলে পড়ে যায়। স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত উদ্ধারকাজ চালিয়ে দুই শিশুকেই জল থেকে তুলে আনেন। তাদের মধ্যে একজনকে গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হলেও, অপর শিশুটির মৃত্যু ঘটে। এই হৃদয়বিদারক ঘটনায় সমগ্র বাকশোল এলাকায় গভীর শোকের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। ঘটনার খবর পেয়ে রাজ্যের মন্ত্রী রাজেশ মাহাতো তৎক্ষণাৎ হাসপাতালে গিয়ে আহত শিশুর শারীরিক অবস্থার খোঁজ নেন। এরপর সোমবার তিনি মৃত শিশুর বাড়িতেও যান এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এসময় মন্ত্রী পরিবারকে সমবেদনা জানান, আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন এবং ভবিষ্যতেও তাদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন। মন্ত্রীর এই মানবিক উদ্যোগে পরিবারের সদস্যরা এবং এলাকার বাসিন্দারা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।1
- ঝাড়গ্রাম ডিস্ট্রিক্ট ভলেন্টিয়ারি ব্লাড ডোনার্স ফোরামের উদ্যোগে একটি রক্তদান শিবিরের আয়োজন করা হয়েছে।1
- ঝাড়গ্রাম জেলার জামবনি ব্লকের ঐতিহাসিক চিল্কিগড় রাজবাড়ী প্রাঙ্গণে আয়োজিত ‘জন কল্যাণ শিবির’-কে কেন্দ্র করে দ্বিতীয় দিনেও সাধারণ মানুষের চোখে পড়ার মতো ভিড় দেখা গেছে।1
- ঝাড়গ্রাম শহরের রাধানগরে অবস্থিত দক্ষিণবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহণ নিগমের (SBSTC) বাস ডিপো থেকে লক্ষাধিক টাকার যন্ত্রাংশ পাচারের চেষ্টা করার সময় হাতেনাতে ধরা পড়েছে। এই ঘটনায় বিভাগীয় তদন্ত শুরু হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে যে, এই সরকারি বাস ডিপোটি চোর ও পাচারকারীদের অবাধ চারণভূমিতে পরিণত হয়েছে। সরকারি বাসে ব্যবহৃত ক্রিস্টাল ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রাংশ গোপনে বের করার সময় চেকিং গেটে সেগুলি আটক করা হয়। জানা গেছে, গত কয়েক মাস ধরেই ডিপোর ভেতরে সন্দেহজনক গতিবিধি লক্ষ্য করা যাচ্ছিল। অভিযোগ রয়েছে যে, শনি ও রবিবার ওয়ার্কশপ বন্ধ থাকার সুযোগ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে দামি বাসের সরঞ্জাম পাচার করা হচ্ছিল, যার বাজার মূল্য অনেক। ঘটনার খবর পেয়ে ঝাড়গ্রাম থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পুলিশ ইতিমধ্যেই বেশ কিছু সরঞ্জাম বাজেয়াপ্ত করেছে এবং এই পাচার চক্রের মূল হোতাদের সন্ধানে তদন্ত শুরু করেছে। ডিপোর কর্মীদের দাবি, এই চুরি ও পাচারের ঘটনা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। তাঁদের বিস্ফোরক অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই এখানে একটি সুসংগঠিত চক্র সক্রিয় রয়েছে এবং দফায় দফায় বাসের মূল্যবান যন্ত্রাংশ চুরি হচ্ছে। কর্মীরা জানিয়েছেন যে, হিসাব অনুযায়ী প্রায় ১২০টি বাসের ব্যাটারির কোনো খোঁজ নেই, এছাড়াও প্রচুর যন্ত্রাংশ গায়েব করে দেওয়া হয়েছে। সিসিটিভি ক্যামেরা ও নিরাপত্তা রক্ষী থাকা সত্ত্বেও কীভাবে দিনের পর দিন এত বড় চুরির চক্র চলছে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এই চুরির পেছনে ডিপোর ভেতরের কোনো যোগসূত্র রয়েছে কিনা, সে বিষয়েও বিস্তারিত ক্ষতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই ঘটনায় সরকারি বাস ডিপোতে ব্যাপক চাঞ্চল্য ও শোরগোল সৃষ্টি হয়েছে।1
- বেলপাহাড়িতে বিধায়ক কার্যালয়ে সাধারণ মানুষের বিভিন্ন অভাব-অভিযোগ মনোযোগ সহকারে শুনলেন ডাক্তার প্রণত টুডু। তিনি সাধারণ মানুষের সমস্যাগুলি শোনেন এবং সমাধানের আশ্বাস দেন।1
- ঝাড়গ্রাম থানার পুলিশের তৎপরতায় ৪৯ নম্বর জাতীয় সড়ক থেকে প্রায় ৬০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশ একটি সন্দেহজনক লরিকে আটকানোর চেষ্টা করলে চালক গাড়ি ফেলে পালিয়ে যায়, এরপরই লরিটি থেকে এই বিপুল পরিমাণ মাদক উদ্ধার করা হয়। এই ঘটনায় ঝাড়গ্রাম থানার পুলিশের একটি বড় সাফল্য বলে উল্লেখ করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঝাড়গ্রাম থানার সাব-ইন্সপেক্টর উমাশঙ্কর পইড়া টহলদারির সময় লরিটিকে সন্দেহজনক মনে করে আটকাতে গেলে চালক দ্রুত গাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যায়। পরে পেঁয়াজ বোঝাই ওই লরির কেবিন থেকে একাধিক বস্তা উদ্ধার হয়, যার মধ্যে প্রায় ৬০ কেজি গাঁজা রাখা ছিল। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, ঝাড়খণ্ড সীমান্ত পেরিয়ে পশ্চিমবঙ্গে প্রবেশের সময়ই গাড়িটিকে আটকানোর চেষ্টা করা হয়েছিল। ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন ঝাড়গ্রামের এসডিপিও স্বামীম বিশ্বাস, ঝাড়গ্রাম থানার আইসি কৌশিক সাও এবং মানিকপাড়া ফাঁড়ির ওসি সৈকত সেনাপতি। গাঁজা উদ্ধারের খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় কৌতূহলী মানুষের ভিড় জমে যায়। এই চক্রের সঙ্গে আর কারা জড়িত এবং কোথায় এই বিপুল পরিমাণ মাদক পাচার করা হচ্ছিল, তা খতিয়ে দেখতে ঝাড়গ্রাম থানার পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। পলাতক চালকের খোঁজেও তল্লাশি চালানো হচ্ছে।1