বিশ্বকর্মা পুজো ও অরন্ধন উৎসব: মৃৎশিল্পীদের কর্মব্যস্ততা ও বাঙালির উনুনে ঐতিহ্যের ছোঁয়া নিজস্ব সংবাদদাতা: রাত পোহালেই ভাদ্র সংক্রান্তি। একদিকে কারিগরি বিদ্যার দেবতা দেবশিল্পী বিশ্বকর্মার আবাহন, অন্যদিকে সনাতন বাংলার লোকসংস্কৃতির অন্যতম অঙ্গ 'অরন্ধন' বা 'রান্নাপুজো'। এই দুই উৎসবকে কেন্দ্র করে রাজ্যের মৃৎশিল্পীদের পাড়া থেকে শুরু করে গৃহস্থের রান্নাঘর—সর্বত্রই চরম ব্যস্ততা তুঙ্গে। মৃৎশিল্পীদের কর্মশালাগুলিতে এখন আর এক মুহূর্ত জিরোনোর ফুরসত নেই। বিশ্বকর্মা প্রতিমায় শেষ তুলির টান দিতে নাওয়া-খাওয়া ভুলেছেন কারিগরেরা। আর মাত্র কয়েক ঘণ্টার অপেক্ষা; ভোরের আলো ফুটতেই মণ্ডপে মণ্ডপে কিংবা কলকারখানায় প্রতিমা পৌঁছে দিতে হবে। নির্দিষ্ট সময়ে প্রতিমা সাজিয়ে বায়নাদারের হাতে তুলে দিতে না পারলে কপালে পড়বে চিন্তার ভাঁজ। শেষ মুহূর্তে রং শুকানো, শোলার গয়না ও জরি পরানো এবং প্রতিমার বাহন হাতিকে নিখুঁত রূপ দেওয়ার কাজে হাত লাগিয়েছেন পরিবারের ছোট-বড় সকলেই। অন্যদিকে, এই সংক্রান্তির রাতের প্রধান আকর্ষণ ‘অরন্ধন ব্রত’। বাংলার চিরাচরিত বিশ্বাস অনুযায়ী, ভাদ্র সংক্রান্তির এই তিথিতে দেবী মনসার উদ্দেশ্যে উনুন নিবেদন করা হয়। নিয়ম অনুযায়ী, সংক্রান্তির রাতে রান্না শেষ করে উনুন ঠান্ডা করা হয় এবং পরদিন অর্থাৎ বিশ্বকর্মা পুজোর দিন উনুনে আগুন জ্বালানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকে। সেই কারণে আজ রাতভর চলবে নানা পদের রান্নার তোড়জোড়। রান্নাপুজোর এই আয়োজনে থাকে হরেক রকমের নিরামিষ বা আমিষ পদ—বিশেষ করে চালতার ডাল, কচুশাক, ইলিশ মাছ, নানা রকমের ভাজাভুজি ও পায়েস। সংক্রান্তির রাতে রান্না হওয়া এই সব সুস্বাদু পদ পরদিন সকালে ভক্তিভরে দেবীকে নিবেদন করে বাসি মুখে গ্রহণ করার নিয়ম। গরমের ভাপ ছাড়া ঠান্ডা বাসি খাবারের এই তৃপ্তি যেন বাংলার রসনা ও লোকধর্মের মেলবন্ধন। শিল্পীর হাতের মাটির প্রতিমায় প্রাণপ্রতিষ্ঠার প্রস্তুতি এবং ঘরে ঘরে হাতা-খুন্তির শব্দ—উভয় মিলেই জানান দিচ্ছে উৎসবের আগমনী বার্তা। শ্রম, নিষ্ঠা ও ঐতিহ্যের এমন যুগলবন্দি বঙ্গ সংস্কৃতির এক অনন্য রূপ তুলে ধরে। বিশ্বকর্মা পুজো ও অরন্ধন উৎসব: মৃৎশিল্পীদের কর্মব্যস্ততা ও বাঙালির উনুনে ঐতিহ্যের ছোঁয়া নিজস্ব সংবাদদাতা: রাত পোহালেই ভাদ্র সংক্রান্তি। একদিকে কারিগরি বিদ্যার দেবতা দেবশিল্পী বিশ্বকর্মার আবাহন, অন্যদিকে সনাতন বাংলার লোকসংস্কৃতির অন্যতম অঙ্গ 'অরন্ধন' বা 'রান্নাপুজো'। এই দুই উৎসবকে কেন্দ্র করে রাজ্যের মৃৎশিল্পীদের পাড়া থেকে শুরু করে গৃহস্থের রান্নাঘর—সর্বত্রই চরম ব্যস্ততা তুঙ্গে। মৃৎশিল্পীদের কর্মশালাগুলিতে এখন আর এক মুহূর্ত জিরোনোর ফুরসত নেই। বিশ্বকর্মা প্রতিমায় শেষ তুলির টান দিতে নাওয়া-খাওয়া ভুলেছেন কারিগরেরা। আর মাত্র কয়েক ঘণ্টার অপেক্ষা; ভোরের আলো ফুটতেই মণ্ডপে মণ্ডপে কিংবা কলকারখানায় প্রতিমা পৌঁছে দিতে হবে। নির্দিষ্ট সময়ে প্রতিমা সাজিয়ে বায়নাদারের হাতে তুলে দিতে না পারলে কপালে পড়বে চিন্তার ভাঁজ। শেষ মুহূর্তে রং শুকানো, শোলার গয়না ও জরি পরানো এবং প্রতিমার বাহন হাতিকে নিখুঁত রূপ দেওয়ার কাজে হাত লাগিয়েছেন পরিবারের ছোট-বড় সকলেই। অন্যদিকে, এই সংক্রান্তির রাতের প্রধান আকর্ষণ ‘অরন্ধন ব্রত’। বাংলার চিরাচরিত বিশ্বাস অনুযায়ী, ভাদ্র সংক্রান্তির এই তিথিতে দেবী মনসার উদ্দেশ্যে উনুন নিবেদন করা হয়। নিয়ম অনুযায়ী, সংক্রান্তির রাতে রান্না শেষ করে উনুন ঠান্ডা করা হয় এবং পরদিন অর্থাৎ বিশ্বকর্মা পুজোর দিন উনুনে আগুন জ্বালানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকে। সেই কারণে আজ রাতভর চলবে নানা পদের রান্নার তোড়জোড়। রান্নাপুজোর এই আয়োজনে থাকে হরেক রকমের নিরামিষ বা আমিষ পদ—বিশেষ করে চালতার ডাল, কচুশাক, ইলিশ মাছ, নানা রকমের ভাজাভুজি ও পায়েস। সংক্রান্তির রাতে রান্না হওয়া এই সব সুস্বাদু পদ পরদিন সকালে ভক্তিভরে দেবীকে নিবেদন করে বাসি মুখে গ্রহণ করার নিয়ম। গরমের ভাপ ছাড়া ঠান্ডা বাসি খাবারের এই তৃপ্তি যেন বাংলার রসনা ও লোকধর্মের মেলবন্ধন। শিল্পীর হাতের মাটির প্রতিমায় প্রাণপ্রতিষ্ঠার প্রস্তুতি এবং ঘরে ঘরে হাতা-খুন্তির শব্দ—উভয় মিলেই জানান দিচ্ছে উৎসবের আগমনী বার্তা। শ্রম, নিষ্ঠা ও ঐতিহ্যের এমন যুগলবন্দি বঙ্গ সংস্কৃতির এক অনন্য রূপ তুলে ধরে।
বিশ্বকর্মা পুজো ও অরন্ধন উৎসব: মৃৎশিল্পীদের কর্মব্যস্ততা ও বাঙালির উনুনে ঐতিহ্যের ছোঁয়া নিজস্ব সংবাদদাতা: রাত পোহালেই ভাদ্র সংক্রান্তি। একদিকে কারিগরি বিদ্যার দেবতা দেবশিল্পী বিশ্বকর্মার আবাহন, অন্যদিকে সনাতন বাংলার লোকসংস্কৃতির অন্যতম অঙ্গ 'অরন্ধন' বা 'রান্নাপুজো'। এই দুই উৎসবকে কেন্দ্র করে রাজ্যের মৃৎশিল্পীদের পাড়া থেকে শুরু করে গৃহস্থের রান্নাঘর—সর্বত্রই চরম ব্যস্ততা তুঙ্গে। মৃৎশিল্পীদের কর্মশালাগুলিতে এখন আর এক মুহূর্ত জিরোনোর ফুরসত নেই। বিশ্বকর্মা প্রতিমায় শেষ তুলির টান দিতে নাওয়া-খাওয়া ভুলেছেন কারিগরেরা। আর মাত্র কয়েক ঘণ্টার অপেক্ষা; ভোরের আলো ফুটতেই মণ্ডপে মণ্ডপে কিংবা কলকারখানায় প্রতিমা পৌঁছে দিতে হবে। নির্দিষ্ট সময়ে প্রতিমা সাজিয়ে বায়নাদারের হাতে তুলে দিতে না পারলে কপালে পড়বে চিন্তার ভাঁজ। শেষ মুহূর্তে রং শুকানো, শোলার গয়না ও জরি পরানো এবং প্রতিমার বাহন হাতিকে নিখুঁত রূপ দেওয়ার কাজে হাত লাগিয়েছেন পরিবারের ছোট-বড় সকলেই। অন্যদিকে, এই সংক্রান্তির রাতের প্রধান আকর্ষণ ‘অরন্ধন ব্রত’। বাংলার চিরাচরিত বিশ্বাস অনুযায়ী, ভাদ্র সংক্রান্তির এই তিথিতে দেবী মনসার উদ্দেশ্যে উনুন নিবেদন করা হয়। নিয়ম অনুযায়ী, সংক্রান্তির রাতে রান্না শেষ করে উনুন ঠান্ডা করা হয় এবং পরদিন অর্থাৎ বিশ্বকর্মা পুজোর দিন উনুনে আগুন জ্বালানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকে। সেই কারণে আজ রাতভর চলবে নানা পদের রান্নার তোড়জোড়। রান্নাপুজোর এই আয়োজনে থাকে হরেক রকমের নিরামিষ বা আমিষ পদ—বিশেষ করে চালতার ডাল, কচুশাক, ইলিশ মাছ, নানা রকমের ভাজাভুজি ও পায়েস। সংক্রান্তির রাতে রান্না হওয়া এই সব সুস্বাদু পদ পরদিন সকালে ভক্তিভরে দেবীকে নিবেদন করে বাসি মুখে গ্রহণ করার নিয়ম। গরমের ভাপ ছাড়া ঠান্ডা বাসি খাবারের এই তৃপ্তি যেন বাংলার রসনা ও লোকধর্মের মেলবন্ধন। শিল্পীর হাতের মাটির প্রতিমায় প্রাণপ্রতিষ্ঠার প্রস্তুতি এবং ঘরে ঘরে হাতা-খুন্তির শব্দ—উভয় মিলেই জানান দিচ্ছে উৎসবের আগমনী বার্তা। শ্রম, নিষ্ঠা ও ঐতিহ্যের এমন যুগলবন্দি বঙ্গ সংস্কৃতির এক অনন্য রূপ তুলে ধরে। বিশ্বকর্মা পুজো ও অরন্ধন উৎসব: মৃৎশিল্পীদের কর্মব্যস্ততা ও বাঙালির উনুনে ঐতিহ্যের ছোঁয়া নিজস্ব সংবাদদাতা: রাত পোহালেই ভাদ্র সংক্রান্তি। একদিকে কারিগরি বিদ্যার দেবতা দেবশিল্পী বিশ্বকর্মার আবাহন, অন্যদিকে সনাতন বাংলার লোকসংস্কৃতির অন্যতম অঙ্গ 'অরন্ধন' বা 'রান্নাপুজো'। এই দুই উৎসবকে কেন্দ্র করে রাজ্যের মৃৎশিল্পীদের পাড়া থেকে শুরু করে গৃহস্থের রান্নাঘর—সর্বত্রই চরম ব্যস্ততা তুঙ্গে। মৃৎশিল্পীদের কর্মশালাগুলিতে এখন আর এক মুহূর্ত জিরোনোর ফুরসত নেই। বিশ্বকর্মা প্রতিমায় শেষ তুলির টান দিতে নাওয়া-খাওয়া ভুলেছেন কারিগরেরা। আর মাত্র কয়েক ঘণ্টার অপেক্ষা; ভোরের আলো ফুটতেই মণ্ডপে মণ্ডপে কিংবা কলকারখানায় প্রতিমা পৌঁছে দিতে হবে। নির্দিষ্ট সময়ে প্রতিমা সাজিয়ে বায়নাদারের হাতে তুলে দিতে না পারলে কপালে পড়বে চিন্তার ভাঁজ। শেষ মুহূর্তে রং শুকানো, শোলার গয়না ও জরি পরানো এবং প্রতিমার বাহন হাতিকে নিখুঁত রূপ দেওয়ার কাজে হাত লাগিয়েছেন পরিবারের ছোট-বড় সকলেই। অন্যদিকে, এই সংক্রান্তির রাতের প্রধান আকর্ষণ ‘অরন্ধন ব্রত’। বাংলার চিরাচরিত বিশ্বাস অনুযায়ী, ভাদ্র সংক্রান্তির এই তিথিতে দেবী মনসার উদ্দেশ্যে উনুন নিবেদন করা হয়। নিয়ম অনুযায়ী, সংক্রান্তির রাতে রান্না শেষ করে উনুন ঠান্ডা করা হয় এবং পরদিন অর্থাৎ বিশ্বকর্মা পুজোর দিন উনুনে আগুন জ্বালানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকে। সেই কারণে আজ রাতভর চলবে নানা পদের রান্নার তোড়জোড়। রান্নাপুজোর এই আয়োজনে থাকে হরেক রকমের নিরামিষ বা আমিষ পদ—বিশেষ করে চালতার ডাল, কচুশাক, ইলিশ মাছ, নানা রকমের ভাজাভুজি ও পায়েস। সংক্রান্তির রাতে রান্না হওয়া এই সব সুস্বাদু পদ পরদিন সকালে ভক্তিভরে দেবীকে নিবেদন করে বাসি মুখে গ্রহণ করার নিয়ম। গরমের ভাপ ছাড়া ঠান্ডা বাসি খাবারের এই তৃপ্তি যেন বাংলার রসনা ও লোকধর্মের মেলবন্ধন। শিল্পীর হাতের মাটির প্রতিমায় প্রাণপ্রতিষ্ঠার প্রস্তুতি এবং ঘরে ঘরে হাতা-খুন্তির শব্দ—উভয় মিলেই জানান দিচ্ছে উৎসবের আগমনী বার্তা। শ্রম, নিষ্ঠা ও ঐতিহ্যের এমন যুগলবন্দি বঙ্গ সংস্কৃতির এক অনন্য রূপ তুলে ধরে।
- “উমর খালিদ ও শার্জিল ইমাম মুসলিম বলেই জেলে আছে” — গুরুতর অভিযোগ অধ্যাপক অপূর্বানন্দের | দৈনিক সমাচার1
- West Bengal BJP President Samik Bhattacharya Offers Special Puja at Dakshineswar Kali Temple on Prime Minister's Birthday1
- চটি চাটা কিংবা বালিশটা দুপক্ষের সাথে লড়াই করতে রাজি-সুকান্ত মজুমদার1
- Best Writer Award জিতে নিলেন saheb banik মহাশয়, খুশি পাঠকেরা Best Writer Award জিতে নিলেন saheb banik মহাশয়। নিউজ প্ল্যাটফর্ম দ্বারা আয়োজিত লেখালিখি প্রতিযোগিতায় সেরা লেখক হলেন সাহেব। তার অসাধারণ লেখার জন্য পাঠকদের মন জয় করেন তিনি। একইসাথে বইমেলায় সম্মাননা পান সাহেব।1
- एक कविता..... विश्वकर्मा भगवान 🙏1
- দিঘায় ৪ মহিলা আর এক কিরে কিরে ব্যক্তি কে পুলিশ ওখানে চলছিল মধুচক্র কারবার। আমার শহর শ্রীরামপুর1
- ‘কোন বাপ ঠেকায় দেখব’ — ওসিকে পেটানোর হুমকি বিজেপি বিধায়কের! ভাইরাল ফোন রেকর্ড | দৈনিক সমাচার1
- Political Heavyweights Converge in Kashi: Rajnath Singh, Yogi Adityanath & Chandrababu Naidu to Offer Prayers at Kashi Vishwanath, Flag Off Seva Sankalp Yatra1
- প্রধানমন্ত্রী জন্মদিন উপলক্ষে সকলকে জানাই আন্তরিক প্রীতি শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন আমার শহর শ্রীরামপুর4