মালদার গাজোল এলাকায় একাধিক পেট্রোল পাম্পে জ্বালানি সরবরাহে নতুন বিধিনিষেধ জারি হওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ ও ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। পাম্পগুলিতে তেল নিতে দীর্ঘ লাইন পড়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, উচ্চ চাহিদা ও নির্বাচনী প্রয়োজনকে অগ্রাধিকার দেওয়ার নির্দেশে খুচরা আউটলেটগুলিতে জ্বালানি বিতরণ সীমিত করা হয়েছে।নতুন নিয়ম অনুযায়ী, দুই চাকার যানবাহনের জন্য সর্বোচ্চ ২৫০ টাকার পেট্রোল দেওয়া হচ্ছে। চার চাকার গাড়ির ক্ষেত্রে এই সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে ২০০০ টাকা পর্যন্ত। একইভাবে, ছোট যানবাহনের জন্য ডিজেল ২০০০ টাকা পর্যন্ত এবং ভারী যানবাহনের জন্য সর্বোচ্চ ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছে।পাম্প কর্তৃপক্ষের দাবি, উপরমহল থেকে আসা নির্দেশিকা অনুযায়ী এই নিয়ম কার্যকর করা হয়েছে। নির্বাচনী কাজে ব্যবহৃত যানবাহনের জন্য পর্যাপ্ত জ্বালানি সংরক্ষণ করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। সেইসঙ্গে সাধারণ গ্রাহকদের জন্য জ্বালানি সরবরাহ আংশিকভাবে সীমিত রাখা হচ্ছে। পেট্রোল পাম্পের ম্যানেজাররা জানিয়েছেন, প্রধান কার্যালয় থেকে বিষয়টি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং নির্দেশিকা অমান্য করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। অন্যদিকে, তেল নিতে আসা সাধারণ মানুষ এই পরিস্থিতিতে কিছুটা সমস্যায় পড়লেও পরিস্থিতি বুঝে সহযোগিতা করছেন।
মালদার গাজোল এলাকায় একাধিক পেট্রোল পাম্পে জ্বালানি সরবরাহে নতুন বিধিনিষেধ জারি হওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ ও ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। পাম্পগুলিতে তেল নিতে দীর্ঘ লাইন পড়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, উচ্চ চাহিদা ও নির্বাচনী প্রয়োজনকে অগ্রাধিকার দেওয়ার নির্দেশে খুচরা আউটলেটগুলিতে জ্বালানি বিতরণ সীমিত করা হয়েছে।নতুন নিয়ম অনুযায়ী, দুই চাকার যানবাহনের জন্য সর্বোচ্চ ২৫০ টাকার পেট্রোল দেওয়া হচ্ছে। চার চাকার গাড়ির ক্ষেত্রে এই সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে ২০০০ টাকা পর্যন্ত। একইভাবে, ছোট যানবাহনের জন্য ডিজেল ২০০০ টাকা পর্যন্ত এবং ভারী যানবাহনের জন্য সর্বোচ্চ ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছে।পাম্প কর্তৃপক্ষের দাবি, উপরমহল থেকে আসা নির্দেশিকা অনুযায়ী এই নিয়ম কার্যকর করা হয়েছে। নির্বাচনী কাজে ব্যবহৃত যানবাহনের জন্য পর্যাপ্ত জ্বালানি সংরক্ষণ করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। সেইসঙ্গে সাধারণ গ্রাহকদের জন্য জ্বালানি সরবরাহ আংশিকভাবে সীমিত রাখা হচ্ছে। পেট্রোল পাম্পের ম্যানেজাররা জানিয়েছেন, প্রধান কার্যালয় থেকে বিষয়টি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং নির্দেশিকা অমান্য করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। অন্যদিকে, তেল নিতে আসা সাধারণ মানুষ এই পরিস্থিতিতে কিছুটা সমস্যায় পড়লেও পরিস্থিতি বুঝে সহযোগিতা করছেন।
- bad news 😔 আমাদের গ্রামে ক্রিকেট খেলতে খেলতে হারিয়ে গেল পুকুরে বল bad news1
- মালদার গাজোল এলাকায় একাধিক পেট্রোল পাম্পে জ্বালানি সরবরাহে নতুন বিধিনিষেধ জারি হওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ ও ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। পাম্পগুলিতে তেল নিতে দীর্ঘ লাইন পড়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, উচ্চ চাহিদা ও নির্বাচনী প্রয়োজনকে অগ্রাধিকার দেওয়ার নির্দেশে খুচরা আউটলেটগুলিতে জ্বালানি বিতরণ সীমিত করা হয়েছে।নতুন নিয়ম অনুযায়ী, দুই চাকার যানবাহনের জন্য সর্বোচ্চ ২৫০ টাকার পেট্রোল দেওয়া হচ্ছে। চার চাকার গাড়ির ক্ষেত্রে এই সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে ২০০০ টাকা পর্যন্ত। একইভাবে, ছোট যানবাহনের জন্য ডিজেল ২০০০ টাকা পর্যন্ত এবং ভারী যানবাহনের জন্য সর্বোচ্চ ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছে।পাম্প কর্তৃপক্ষের দাবি, উপরমহল থেকে আসা নির্দেশিকা অনুযায়ী এই নিয়ম কার্যকর করা হয়েছে। নির্বাচনী কাজে ব্যবহৃত যানবাহনের জন্য পর্যাপ্ত জ্বালানি সংরক্ষণ করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। সেইসঙ্গে সাধারণ গ্রাহকদের জন্য জ্বালানি সরবরাহ আংশিকভাবে সীমিত রাখা হচ্ছে। পেট্রোল পাম্পের ম্যানেজাররা জানিয়েছেন, প্রধান কার্যালয় থেকে বিষয়টি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং নির্দেশিকা অমান্য করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। অন্যদিকে, তেল নিতে আসা সাধারণ মানুষ এই পরিস্থিতিতে কিছুটা সমস্যায় পড়লেও পরিস্থিতি বুঝে সহযোগিতা করছেন।1
- মালদার রতুয়া তিন নম্বর বিজেপির মন্ডল সভাপতির উপর হামলা ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে ভর্তি করা হয়েছে মালদা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে। খবর পেয়ে হাসপাতালে দেখতে যান মালদা উত্তরের বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু। আহতের পরিবারের অভিযোগ, নির্বাচনের সময় থেকেই তাঁর উপর নজরদারি চলছিল। আজ স্থানীয় একটি মন্দিরে বসে থাকার সময় আচমকাই হামলা চালানো হয়। হামলায় মাথা ও পিঠে গুরুতর আঘাত লাগে বলে দাবি পরিবারের। এই ঘটনার জন্য তৃণমূলের দিকেই অভিযোগের আঙুল তুলেছে বিজেপি। সাংসদ খগেন মুর্মু অভিযোগ করেন, তৃণমূল ক্ষমতা হারানোর আশঙ্কায় ফল প্রকাশের আগেই সন্ত্রাসের পথ বেছে নিয়েছে। অন্যদিকে জেলা তৃণমূলের মুখপাত্র শুভময় বসু সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, এটি গ্রাম্য বিবাদের জেরে ঘটে যাওয়া ঘটনা, তৃণমূলের সঙ্গে এর কোনও যোগ নেই। বিজেপি নেতারা নির্বাচনের আগে যেভাবে মানুষকে ভয় দেখিয়েছেন, এটি তারই গণরোষ হতে পারে বলেও দাবি তাঁর।1
- bike speed chalave na meye message koro video1
- আজ ১লা মে, আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস। সারা বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে মুর্শিদাবাদ জেলার ফারাক্কা এনটিপিসি (NTPC) গেটের সামনেও সিপিআইএমের পক্ষ থেকে যথাযোগ্য মর্যাদায় দিনটি পালন করা হলো। শুক্রবার সকালে ফারাক্কা এনটিপিসি-র দুই নম্বর গেটের সামনে বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের পক্ষ থেকে লাল পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে কর্মসূচির সূচনা করা হয়। এরপর শ্রমিকদের অধিকার রক্ষা এবং বর্তমান পরিস্থিতিতে তাদের বিভিন্ন দাবি-দাওয়া নিয়ে একটি সংক্ষিপ্ত সভার আয়োজন করা হয়। এদিনের কর্মসূচিতে উপস্থিত বক্তারা মে দিবসের ঐতিহাসিক গুরুত্ব তুলে ধরেন।1
- রোডের লাইট এর কার আন্ধার রোডে লাইট নয় সৈয়দপুর নয়াপাড়া বেশ করছি রোডে রোডে লাইট এর জন্য হয়ে যায়1
- গ্রামটা গ্রামীন সড়ক রাস্তায় প্রচুর পরিমাণে খারাপ রাস্তা প্রচুর পরিমাণে জল জমে থাকা লোকে যাতায়াত অসুবিধা স্কুলের বাচ্চাদের যাতায়াতের অসুবিধা1
- মালদার গাজোল এলাকায় একাধিক পেট্রোল পাম্পে জ্বালানি সরবরাহে নতুন বিধিনিষেধ জারি হওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ ও ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। পাম্পগুলিতে তেল নিতে দীর্ঘ লাইন পড়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, উচ্চ চাহিদা ও নির্বাচনী প্রয়োজনকে অগ্রাধিকার দেওয়ার নির্দেশে খুচরা আউটলেটগুলিতে জ্বালানি বিতরণ সীমিত করা হয়েছে।নতুন নিয়ম অনুযায়ী, দুই চাকার যানবাহনের জন্য সর্বোচ্চ ২৫০ টাকার পেট্রোল দেওয়া হচ্ছে। চার চাকার গাড়ির ক্ষেত্রে এই সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে ২০০০ টাকা পর্যন্ত। একইভাবে, ছোট যানবাহনের জন্য ডিজেল ২০০০ টাকা পর্যন্ত এবং ভারী যানবাহনের জন্য সর্বোচ্চ ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছে।পাম্প কর্তৃপক্ষের দাবি, উপরমহল থেকে আসা নির্দেশিকা অনুযায়ী এই নিয়ম কার্যকর করা হয়েছে। নির্বাচনী কাজে ব্যবহৃত যানবাহনের জন্য পর্যাপ্ত জ্বালানি সংরক্ষণ করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। সেইসঙ্গে সাধারণ গ্রাহকদের জন্য জ্বালানি সরবরাহ আংশিকভাবে সীমিত রাখা হচ্ছে। পেট্রোল পাম্পের ম্যানেজাররা জানিয়েছেন, প্রধান কার্যালয় থেকে বিষয়টি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং নির্দেশিকা অমান্য করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। অন্যদিকে, তেল নিতে আসা সাধারণ মানুষ এই পরিস্থিতিতে কিছুটা সমস্যায় পড়লেও পরিস্থিতি বুঝে সহযোগিতা করছেন।1