কেরালায় আবারও মর্মান্তিক পরিণতি সাগরপাড়ার পরিযায়ী শ্রমিকদের। গত ৩ মার্চ কাজের সময় দেওয়াল ধসে পড়ে মৃত্যু হয় মহাবুল ইসলামের। সেই ঘটনায় গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন তাঁর সঙ্গী সাইফুল মন্ডল। দীর্ঘ কয়েকদিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করার পর অবশেষে গতকাল রাতে প্রায় সাড়ে ১১টা নাগাদ চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। এই ঘটনায় কার্যত শোকের ছায়া নেমে এসেছে গোটা এলাকায়। কয়েকদিন আগেই এক পরিবারের মাথার ওপর থেকে ছাদ সরে গিয়েছিল, আর এখন একই ঘটনার জেরে নিভে গেল আরেকটি পরিবারের ভরসার প্রদীপ। পরিযায়ী শ্রমিক হিসেবে ভিন রাজ্যে গিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করা এই দুই যুবকের করুণ পরিণতি নতুন করে প্রশ্ন তুলছে শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিয়ে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, ভিন রাজ্যে কাজ করতে যাওয়া শ্রমিকদের কোনও নিরাপত্তা নেই। পেটের দায়ে বাড়ি-ঘর ছেড়ে দূর রাজ্যে কাজ করতে গিয়ে প্রতিনিয়ত ঝুঁকি নিয়ে কাজ করতে হয় তাদের। অনেক সময় দুর্ঘটনা ঘটলে সঠিক সুরক্ষা বা ক্ষতিপূরণও মেলে না। সাইফুল মন্ডলের মৃত্যুর খবর গ্রামে পৌঁছাতেই কান্নায় ভেঙে পড়েন পরিবারের সদস্যরা। তাঁর বাড়িতে রয়ে গেলেন তিনটি কন্যা সন্তান এবং স্ত্রী। হঠাৎ করেই পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারীকে হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন তারা। এখন প্রশ্ন উঠছে—এই ছোট ছোট সন্তানদের ভবিষ্যৎ কী হবে? কে নেবে তাদের দায়িত্ব? কীভাবে চলবে এই অসহায় পরিবারের সংসার? গ্রামবাসীদের দাবি, সরকার যেন অবিলম্বে এই দুই পরিবারের পাশে দাঁড়ায় এবং আর্থিক সাহায্যের ব্যবস্থা করে। একই সঙ্গে পরিযায়ী শ্রমিকদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষার বিষয়েও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি উঠছে বিভিন্ন মহল থেকে। একই ঘটনায় কয়েকদিনের ব্যবধানে দুই যুবকের মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ সাগরপাড়া এলাকা। এলাকাবাসীর প্রশ্ন—পেটের দায়ে ভিন রাজ্যে গিয়ে এভাবেই কি একের পর এক যুবকের প্রাণ যাবে? তিন কন্যা সন্তান ও স্ত্রীকে রেখে চলে গেলেন সাইফুল, কান্নায় ভেঙে পড়েছে পরিবার
কেরালায় আবারও মর্মান্তিক পরিণতি সাগরপাড়ার পরিযায়ী শ্রমিকদের। গত ৩ মার্চ কাজের সময় দেওয়াল ধসে পড়ে মৃত্যু হয় মহাবুল ইসলামের। সেই ঘটনায় গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন তাঁর সঙ্গী সাইফুল মন্ডল। দীর্ঘ কয়েকদিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করার পর অবশেষে গতকাল রাতে প্রায় সাড়ে ১১টা নাগাদ চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। এই ঘটনায় কার্যত শোকের ছায়া নেমে এসেছে গোটা এলাকায়। কয়েকদিন আগেই এক পরিবারের মাথার ওপর থেকে ছাদ সরে গিয়েছিল, আর এখন একই ঘটনার জেরে নিভে গেল আরেকটি পরিবারের ভরসার প্রদীপ। পরিযায়ী শ্রমিক হিসেবে ভিন রাজ্যে গিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করা এই দুই যুবকের করুণ পরিণতি নতুন করে প্রশ্ন তুলছে শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিয়ে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, ভিন রাজ্যে কাজ করতে যাওয়া শ্রমিকদের কোনও নিরাপত্তা নেই। পেটের দায়ে বাড়ি-ঘর ছেড়ে দূর রাজ্যে কাজ করতে গিয়ে প্রতিনিয়ত ঝুঁকি নিয়ে কাজ করতে হয় তাদের। অনেক সময় দুর্ঘটনা ঘটলে সঠিক সুরক্ষা বা ক্ষতিপূরণও মেলে না। সাইফুল মন্ডলের মৃত্যুর খবর গ্রামে পৌঁছাতেই কান্নায় ভেঙে পড়েন পরিবারের সদস্যরা। তাঁর বাড়িতে রয়ে গেলেন তিনটি কন্যা সন্তান এবং স্ত্রী। হঠাৎ করেই পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারীকে হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন তারা। এখন প্রশ্ন উঠছে—এই ছোট ছোট সন্তানদের ভবিষ্যৎ কী হবে? কে নেবে তাদের দায়িত্ব? কীভাবে চলবে এই অসহায় পরিবারের সংসার? গ্রামবাসীদের দাবি, সরকার যেন অবিলম্বে এই দুই পরিবারের পাশে দাঁড়ায় এবং আর্থিক সাহায্যের ব্যবস্থা করে। একই সঙ্গে পরিযায়ী শ্রমিকদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষার বিষয়েও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি উঠছে বিভিন্ন মহল থেকে। একই ঘটনায় কয়েকদিনের ব্যবধানে দুই যুবকের মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ সাগরপাড়া এলাকা। এলাকাবাসীর প্রশ্ন—পেটের দায়ে ভিন রাজ্যে গিয়ে এভাবেই কি একের পর এক যুবকের প্রাণ যাবে? তিন কন্যা সন্তান ও স্ত্রীকে রেখে চলে গেলেন সাইফুল, কান্নায় ভেঙে পড়েছে পরিবার
- Post by Rajib shah1
- বিহারিযায় সম্প্রীতির ইফতার মজলিস, পাঁচ হাজার মানুষের উপস্থিতিতে বিশেষ বার্তা দিলেন বিধায়ক নিয়ামত শেখ। মুর্শিদাবাদের হরিহরপাড়া ব্লকের বিহারিয়া অঞ্চলে সম্প্রীতির ইফতার মজলিসের আয়োজন করা হলো। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বিহারিয়া হাই স্কুল মাঠে এই ইফতার মজলিস অনুষ্ঠিত হয়। হরিহরপাড়া বিধায়ক নিয়ামত শেখ–এর তত্ত্বাবধানে, হরিহরপাড়া ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে এবং বিহারিয়া ও রুকুনপুর অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেসের সৌজন্যে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এই ইফতার মজলিসে বিভিন্ন ধর্মের প্রায় পাঁচ হাজারের বেশি মানুষ অংশগ্রহণ করেন বলে জানান বিধায়ক। সকলেই একসঙ্গে ইফতার করে সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের বার্তা তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে বিধায়ক নিয়ামত শেখ বলেন, ইফতার মজলিস শুধু একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয়, এটি মানুষের মধ্যে ভ্রাতৃত্ব ও সম্প্রীতির বন্ধনকে আরও দৃঢ় করে। এদিন ইফতার মজলিসে উপস্থিত ছিলেন হরিহরপাড়ার বিধায়ক নিয়ামত শেখ, জেলা পরিষদের সদস্য জিল্লার রহমান, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মীর আলমগীর পলাশ, হরিহরপাড়া ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি জসিম উদ্দিন শেখ, ব্লক তৃণমূল সহ-সভাপতি সাপিনুল বিশ্বাস, ব্লক তৃণমূল নেতা শাহানুর জামান শেখ, ব্লক তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সভাপতি ইউসুফ আহমেদ সহ তৃণমূল কংগ্রেসের অন্যান্য নেতা-কর্মীরা। ইফতার মজলিসকে ঘিরে এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয় এবং এই সম্প্রীতির উদ্যোগকে স্বাগত জানান স্থানীয় বাসিন্দারা।1
- এই মুহূর্তে যে খবরের চোখ রাখবো মর্মান্তিক ভয়াবহ দুর্ঘটনায় আহত হল দুই । আবারো জানিয়ে রাখি টোটো ও মোটর বাইকের ভয়াবহ দুর্ঘটনায় চাঞ্চল্য স্বরুপপুরে। ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার মুর্শিদাবাদের হরিহরপাড়া থানার স্বরুপপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের মানিকতলা এলাকায়। স্থানীয় সূত্রে জানা যায় এদিন একটি মোটর বাইক ও টোটোর মুখোমুখি সংঘর্ষে দুমড়ে মুচড়ে যাই বাইক ও টোটো। এই ঘটনায় গুরুতর আহত হয় টোটো চালক ও বাইক চালক। বিকট আওয়াজ শুনে স্থানীয়রা ছুটে গিয়ে দেখে রক্তাক্ত অবস্থায় রাস্তায় পড়ে ছটফট করতে থাকে। তড়িঘড়ি দুজনকেই উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্যে নিয়ে যাওয়া হয় হরিহরপাড়া ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে। ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় হরিহরপাড়া থানার পুলিশ।2
- Post by সত্য দর্পণ1
- solar installing team Tehatta Nadia1
- এসআইআর ইস্যুতে এবার বহরমপুরের পথে প্রতিবাদ হুমায়ুন কবীরের। বিচারাধীন ভোটারদের ভোটাধিকার সুনিশ্চিত করার দাবীতে বহরমপুর টেক্সটাইল মোড়ে হল সভা। কোন মঞ্চ বেঁধে নয়, টেক্সটাইল মোড়ে সুসজ্জিত ট্রাকে সওয়ার হয়ে সভা করলেন হুমায়ুন কবীর। সভার পরেই দলীয় নেতা কর্মীদের সাথে নিয়ে হেঁটে যান জেলা প্রশাসনিক ভবনে। বুধবার দুপুরে মুর্শিদাবাদ জেলা শাসকের কাছে ডেপুটেশন দিতে যান ভরতপুরের বিধায়ক, আম জনতা উন্নয়ন পার্টির চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবীর। হুমায়ুন বলেন, জেলা শাসক ব্যস্ত থাকায় ওনার প্রতিনিধিকে স্মারকলিপি দেওয়া হয়। মূল বক্তব্য, মুর্শিদাবাদ জেলায় ১১ লক্ষ ভোটার বিবেচনাধীন। মালদায় সংখ্যাটা ৮ লক্ষ। নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব স্বচ্ছভাবে ভোটার লিস্ট করা। একটা জেলায় ১১ লক্ষ নাম ঝুলিয়ে রেখে কোনদিন নির্বাচন হতে পারে না। হটকারি করে নির্বাচন ডাকলে কোনভাবেই শান্তিপূর্ণ ভাবে ভোট হতে দেব না।1
- পবিত্র মাহে রমজানে রামকৃষ্ণপুরে হিন্দু–মুসলিম সকলকে রমজানের উপহার হিসেবে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে অসহায় দুঃস্থ মানুষদের জন্য খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করল রামকৃষ্ণপুর যুব কল্যাণ ফাউন্ডেশন। জানা যায় এটি রুকুনপুর সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন এর শাখা। ওই সংগঠনটির উদ্যোগে মঙ্গলবার সকালে ফাউন্ডেশনের নিজস্ব অফিস প্রাঙ্গণে দরিদ্র ও অসহায় মানুষের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়। এই গ্রামের যুবকবৃন্দদের উৎসাহ ছিল চোখে পড়ার মতো। এই বিতরণ কর্মসূচিতে হিন্দু ও মুসলিম প্রায় ৭০ জন দরিদ্র ও অসহায় নারী–পুরুষের হাতে প্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রী তুলে দেওয়া হয়। খাদ্য প্যাকেটে ছিল চাল, ডাল, তেল, চিনি, খেজুর, সেমাই , সাবান সহ বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য। ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান “ আমরা যুবকরা রমজান উপলক্ষে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছি। আমাদের মূল উদ্দেশ্য হলো সমাজের অবহেলিত মানুষদের মুখে হাসি ফোটানো এবং মানবিক দায়িত্ব পালন করা।” এক হিন্দু ধর্মের অসহায় মহিলা খাদ্য সামগ্রী পেয়ে চোখে জল নিয়ে এলো এবং ক্রন্দনরত অবস্থায় এই সংগঠনকে আশীর্বাদ করলেন। খাদ্য বিতরণের পাশাপাশি সংগঠনটি বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কার্যক্রমেও সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে। তারা অসুস্থ ও মুমূর্ষ রোগীদের জন্য রক্তদান করে থাকে। পাশাপাশি মেধাবী কিন্তু আর্থিকভাবে দুর্বল ছাত্রছাত্রীদের পড়াশোনার খরচ, বই, খাতা ও কলম দিয়ে সহযোগিতা করে তাদের শিক্ষার পথ সুগম করছে। স্থানীয় বাসিন্দারা ফাউন্ডেশনের এই মানবিক উদ্যোগকে প্রশংসা করেন এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের সামাজিক কর্মকাণ্ড অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান। এই কর্মকাণ্ডে উপস্থিত ছিলেন রুকুনপুর সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন এর চেয়ারম্যান মুফতি যাইদুল শেখ সহ বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।1
- Post by সত্য দর্পণ1
- প্রতিবেশী মহিলার শেষকৃত্য সেরে ফেরার পথে ভয়াবহ পথ দুর্ঘটনার কবলে পড়লেন ১৬ জন গ্রামবাসী। মঙ্গলবার দিবাগত রাত আনুমানিক সাড়ে তিনটে নাগাদ ভরতপুর থানার অন্তর্গত গোপালপুর ভালুইপাড়া রাস্তার খালগাছার কাছে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি যাত্রীবোঝাই ট্রাক্টর রাস্তার ধারের ধানের জমিতে উল্টে যায়। এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে ৩৩ বছর বয়সী যুবক সেন্টু ঘোষের। জানা গেছে, ভরতপুর থানার পদমুড় গ্রামের বাসিন্দা মিঠু ঘোষ নামে এক ক্যানসার আক্রান্ত মহিলার মৃত্যু হলে তাঁকে সাটুই শ্মশান ঘাটে দাহ করতে গিয়েছিলেন গ্রামেরই ১৬ জন বাসিন্দা। ফেরার পথে ট্রাক্টরের চালক ঘুমিয়ে পড়ার কারণেই এই বিপত্তি ঘটে বলে মনে করা হচ্ছে। ট্রাক্টরটি যখন ধানের জমিতে উল্টে যায়, তখন ১০ জন যাত্রী ছিটকে পড়লেও ৬ জন টলির নিচে চাপা পড়েন। এর মধ্যে সেন্টু ঘোষ ও গৌতম ঘোষের শরীরের অর্ধেক অংশ টলির তলায় আটকে যায়। বিকট শব্দ শুনে স্থানীয় গ্রামবাসীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাঁদের উদ্ধার করে ভরতপুর ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসক সেন্টু ঘোষকে মৃত ঘোষণা করেন। দুর্ঘটনায় গুরুতর জখম ৪৮ বছর বয়সী সৌরভ ঘোষকে কান্দি মহকুমা হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে এবং বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসার পর ছেড়ে দেওয়া হয়। মৃত সেন্টু ঘোষের পরিবারে এখন শোকের মাতম, মাত্র তিন বছর আগে তাঁর বিয়ে হয়েছিল এবং ঘরে দুই বছরের একটি ছোট্ট কন্যাসন্তান রয়েছে। খবর পেয়েই ভরতপুর থানার পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে।1