Shuru
Apke Nagar Ki App…
আজ খুশির ইদুজ্জোহা, যা দেশজুড়ে বকরি ইদ হিসেবে পালিত হচ্ছে এবং সর্বত্র উৎসবের মেজাজ বিরাজ করছে। মুর্শিদাবাদের সামশেরগঞ্জের বাসিন্দারাও এই উৎসবে সামিল হয়েছেন। রীতি অনুযায়ী নামাজ পাঠের জন্য সামশেরগঞ্জের লোহরপুর ঈদগাহ ময়দানে বিশেষ ব্যবস্থা করা হয়। মুর্শিদাবাদের অন্যতম বড় ঈদের নামাজ এই লোহরপুর ঈদগাহ ময়দানে অনুষ্ঠিত হয়। বৃহস্পতিবার সকাল সাতটায় এই ঈদের নামাজে অংশ নিতে হাজার হাজার মানুষ লোহরপুর ময়দানে সমবেত হন। বড়দের পাশাপাশি ছোটরাও এই নামাজ পাঠে অংশ নেয়। সকাল থেকেই লোহরপুর ঈদগাহ ময়দানে মানুষের আগমন শুরু হয় এবং নামাজ শেষে সকলেই একে অপরের সাথে আলিঙ্গন ও শুভেচ্ছা বিনিময়ে মেতে ওঠেন।
Chiranjit ghosh
আজ খুশির ইদুজ্জোহা, যা দেশজুড়ে বকরি ইদ হিসেবে পালিত হচ্ছে এবং সর্বত্র উৎসবের মেজাজ বিরাজ করছে। মুর্শিদাবাদের সামশেরগঞ্জের বাসিন্দারাও এই উৎসবে সামিল হয়েছেন। রীতি অনুযায়ী নামাজ পাঠের জন্য সামশেরগঞ্জের লোহরপুর ঈদগাহ ময়দানে বিশেষ ব্যবস্থা করা হয়। মুর্শিদাবাদের অন্যতম বড় ঈদের নামাজ এই লোহরপুর ঈদগাহ ময়দানে অনুষ্ঠিত হয়। বৃহস্পতিবার সকাল সাতটায় এই ঈদের নামাজে অংশ নিতে হাজার হাজার মানুষ লোহরপুর ময়দানে সমবেত হন। বড়দের পাশাপাশি ছোটরাও এই নামাজ পাঠে অংশ নেয়। সকাল থেকেই লোহরপুর ঈদগাহ ময়দানে মানুষের আগমন শুরু হয় এবং নামাজ শেষে সকলেই একে অপরের সাথে আলিঙ্গন ও শুভেচ্ছা বিনিময়ে মেতে ওঠেন।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- রাজ্য সরকারের বকেয়া ডিএ ইস্যু নিয়ে এবার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে ডিএ মামলাকারী সংগঠনগুলির পূর্বনির্ধারিত বৈঠকের তারিখ পরিবর্তন করে আগামী ১ জুন বিকেল ৫টায় নতুন সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের আহ্বায়ক ভাস্কর ঘোষ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জানিয়েছেন যে, রাজ্যের সরকারি কর্মচারী, শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং পেনশনভোগীদের দীর্ঘদিনের ডিএ সংক্রান্ত সমস্যার সমাধানে মুখ্যমন্ত্রী ইতিবাচক ভূমিকা নেবেন বলে তাঁরা আশাবাদী। একই সাথে বৈঠকের নতুন তারিখ নির্ধারণ করায় সংগঠনের পক্ষ থেকে মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদও জানানো হয়েছে। নবান্নের ফিনান্স ডিপার্টমেন্টের পাঠানো সরকারি চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ডিএ মামলার সঙ্গে যুক্ত সংগঠনগুলির প্রতিনিধিদের নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর কনফারেন্স রুমে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিটি সংগঠন থেকে সর্বোচ্চ তিনজন প্রতিনিধি এই বৈঠকে উপস্থিত থাকতে পারবেন। দীর্ঘদিন ধরে চলা ডিএ আন্দোলনের আবহে রাজ্যের সরকারি কর্মচারীদের একাংশ এই বৈঠককে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন, যা সমস্যা সমাধানে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে পারে।1
- পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বৃহস্পতিবার নদীয়ার মায়াপুর ইসকনে এক আধ্যাত্মিক পরিবেশে দিন কাটান। মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর এই প্রথমবার মায়াপুর সফরে এসে তিনি রাধামাধব দর্শন, গো-মাতার সেবা, বিশেষ হোম-যজ্ঞে অংশগ্রহণ এবং সাধু-সন্ন্যাসীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। তাঁর এই সফর ঘিরে সকাল থেকেই ইসকন চত্বরে কড়া নিরাপত্তা ও ভক্তদের ব্যাপক ভিড় লক্ষ্য করা যায়। এদিন সকাল প্রায় ১১টা নাগাদ শুভেন্দু অধিকারী আকাশপথে মায়াপুর হেলিপ্যাডে পৌঁছলে ইসকনের মহারাজ, সাধু-সন্ন্যাসী ও মন্দির কর্তৃপক্ষ তাঁকে বৈদিক রীতিতে অভ্যর্থনা জানান। এরপর তিনি সরাসরি ইসকনের গোশালায় যান, যেখানে প্রায় ৪৫০টি গো-মাতার সেবায় অংশ নেন। নিজ হাতে তরমুজ, আম, ঘাস ও অন্যান্য খাদ্যসামগ্রী দিয়ে গোমাতাদের খাওয়ানোর পাশাপাশি তিনি বৈদিক রীতি মেনে আয়োজিত বিশেষ গো-পূজা, অগ্নিহোম ও যজ্ঞে অংশ নেন। যজ্ঞে আহুতি দিয়ে তিনি পশ্চিমবঙ্গের শান্তি, সমৃদ্ধি ও বিশ্বকল্যাণ কামনায় প্রার্থনা করেন। ইসকনের সন্ন্যাসীরা জানান, গো-রক্ষা, বিশ্বশান্তি ও রাজ্যের মঙ্গল কামনায় এই বিশেষ হোম-যজ্ঞের আয়োজন করা হয়েছিল। ইসকনের তরফে মুখ্যমন্ত্রীর এই অংশগ্রহণকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ আখ্যা দিয়ে বলা হয় যে, গো-সেবা ভারতীয় সংস্কৃতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। পরে চন্দ্রোদয় মন্দিরে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী রাধামাধব দর্শন করেন এবং শ্রীল প্রভুপাদ ও শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর চরণে প্রণাম নিবেদন করে পশ্চিমবঙ্গের সর্বাঙ্গীণ কল্যাণের জন্য বিশেষ প্রার্থনা করেন। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মুখ্যমন্ত্রী জানান যে, তিনি 'হৃদয়ের টানে' এখানে এসেছেন এবং তিনি একজন সনাতনী ও ইসকনের পরম ভক্ত। তিনি আরও বলেন যে, শ্রীল প্রভুপাদ গোটা পৃথিবীতে হরেকৃষ্ণ মহামন্ত্র এবং জগন্নাথ দেবের রথযাত্রাকে ছড়িয়ে দিয়েছেন এবং ইসকনের নিঃস্বার্থভাবে গীতার বাণী প্রচার ও প্রসার অতুলনীয়। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই তিনি বিভিন্ন ধর্মীয় স্থানে গিয়ে আশীর্বাদ নিচ্ছেন বলেও জানান, যার মধ্যে কালীঘাট মন্দির, বেলুড় মঠ, লক্ষ্মীনারায়ণ মন্দির ও জৈন মন্দির সফর অন্তর্ভুক্ত। মায়াপুরের সঙ্গে তাঁর দীর্ঘদিনের সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে শুভেন্দু অধিকারী বলেন যে, তিনি দোলপূর্ণিমা, জন্মাষ্টমী ও রথযাত্রার সময় নিয়মিত রাধামাধবের অভিষেকে অংশ নেন। তিনি ভক্তিচারু মহারাজের সঙ্গে তাঁর আত্মিক সম্পর্কের স্মৃতিচারণও করেন, যেখানে তিনি বলেন যে মহারাজ যখনই মেদিনীপুরে যেতেন, তাঁকে ডাকতেন এবং তাঁরা একসঙ্গে প্রসাদ গ্রহণ করতেন। পশ্চিমবঙ্গের উন্নয়ন প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী জানান, গীতার বাণীকে পাথেয় করে আগামী দিনে তাঁরা রাজ্যের মানুষের স্বার্থে কাজ করতে চান এবং বাংলার গৌরবোজ্জ্বল ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনাই তাঁদের লক্ষ্য। ইসকনের তরফে জানানো হয়, মায়াপুরকে আন্তর্জাতিক আধ্যাত্মিক কেন্দ্র হিসেবে আরও উন্নত করার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। ভক্তমহলের মতে, মুখ্যমন্ত্রীর এই সফর মায়াপুরের ধর্মীয় পর্যটন ও পরিকাঠামো উন্নয়নে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। দিনভর ইসকন চত্বরে একটি উৎসবমুখর পরিবেশ ছিল, যেখানে বহু ভক্ত মুখ্যমন্ত্রীকে এক ঝলক দেখার জন্য অপেক্ষা করেন। পরিশেষে সাধু-সন্ন্যাসী ও ভক্তদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করে এবং রাজ্যের শান্তি ও সমৃদ্ধির কামনা জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী তাঁর মায়াপুর সফর শেষ করেন।1
- কংগ্রেস নেতা অধীর রঞ্জন চৌধুরী জ্বালানি শুল্কের বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্র এবং রাজ্য উভয় সরকারকেই তীব্র আক্রমণ করেছেন। তিনি এই প্রশ্ন তুলেছেন যে বিশ্ববাজারে পেট্রোল ও ডিজেলের দাম কমলেও দেশে এই জ্বালানির দাম কমানো হচ্ছে না কেন। এই বিষয়ে তিনি উভয় সরকারের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।1
- পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শ্রী শুভেন্দু অধিকারী মহাশয় গত পরশু, ২৬/০৫/২৬ তারিখে নদীয়ার কল্যাণীতে অন্নপূর্ণা ভান্ডার নিয়ে বিস্তারিতভাবে বলেছেন। তিনি তিন জেলার বিধায়ক ও প্রশাসনিক আধিকারিকদের সাথে বৈঠক শেষ করার পর সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে অন্নপূর্ণা ভান্ডার সম্পর্কিত বিভিন্ন তথ্য জানান। এই বিষয়ে একটি ভিডিও সংগৃহীত হয়েছে।1
- একসময় কৃষ্ণনগরের জীবনরেখা হিসেবে পরিচিত অঞ্জনা খাল বর্তমানে একটি মরা খালে পরিণত হয়েছে।1
- ছোট শিমলায় একটি ছাগল বোঝাই গাড়ির ধাক্কায় এক সাইকেল আরোহীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে মৃত ব্যক্তির পরিবারের সদস্যরা স্থানীয় থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন।1
- রাজ্য সরকারের নতুন নিয়ম অনুযায়ী অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের ১২ পাতার ফর্ম পূরণ করাকে নিয়ে তীব্র কটাক্ষ করেছেন অধীর চৌধুরী। তিনি মন্তব্য করেছেন যে, এই ফর্ম ফিলআপ করাটা সেন্ট্রাল বোর্ড অফ সেকেন্ডারি এডুকেশন (CBSE) বা জয়েন্ট এন্ট্রান্স এক্সামিনেশন (JEE) পরীক্ষার ফর্ম পূরণের মতোই কঠিন।1
- মালদহে গভীর রাতে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ আগ্নেয়াস্ত্র ও কার্তুজ সহ এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে মালদহের মানিকচক থানার পুলিশ গোপালপুর পঞ্চায়েতের জেসারতটোলা এলাকায় মহম্মদ ফারুক (২১) নামে এক অস্ত্র কারবারির বাড়িতে হানা দেয়। রাত প্রায় দুটো নাগাদ চালানো এই অভিযানে লুকানো অবস্থায় থাকা দুইটি সেভেন এমএম পিস্তল, একটি পাইপগান, এবং একটি মাসকেট সহ মোট চারটি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার হয়। এছাড়াও, সাত রাউন্ড কার্তুজও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। ধৃত যুবক ফারুক কী উদ্দেশ্যে এত বিপুল পরিমাণ আগ্নেয়াস্ত্র জমা করেছিল এবং এগুলি কোথা থেকে আনা হয়েছিল, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। পার্শ্ববর্তী ঝাড়খন্ড রাজ্য থেকে এই আগ্নেয়াস্ত্রগুলি আনা হয়েছে কিনা, সে বিষয়েও তদন্ত চলছে। আরও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ধৃতকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানিয়েছে। পুলিশ ফারুকের সম্পর্কে জেলার কোথাও কোনো পুরনো অপরাধের রেকর্ড আছে কিনা, সে বিষয়েও খোঁজ নিচ্ছে।1