বিধায়িকার হস্তক্ষেপে কাটল জট, মানবাজারবাসী পাবেন জাইকার জল। ১৭ই আগস্ট সোমবার মানবাজারে জাইকা জল প্রকল্পের উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। কিন্তু তার কয়েক দিন আগেই প্রথম সারির দৈনিক পত্রিকা থেকে জানা যায়,জাইকার জল পাবে না মানবাজার সদরের বাসিন্দারা। এ বিষয়ে মানবাজারে জোরাল চর্চা শুরু হয় স্থানীয়দের মধ্যে। জানা যায়, মানবাজার এলাকার মাটির তলা দিয়ে জাইকা প্রকল্পের জল যাবে অথচ মানবাজারের বাসিন্দারা জল পাবে না। জাইকা প্রকল্পের কাজ শেষ হলে দীর্ঘদিনের জলের অভাব ঘুচবে বলে আশায় ছিলেন মানবাজার সদরের বাসিন্দারা। এ বিষয়ে মানবাজার বিধানসভার বিধায়িকা ময়না মুর্মু বলেন, মানবাজার সদর জাইকা প্রকল্পের জল থেকে বঞ্চিত, এই সমস্যাটি মানবাজার গ্রাম পঞ্চায়েতের জন সাধারনের কাছ থেকে আমি জানতে পারি।আমি তৎক্ষণাৎ রাজ্যের পূর্ত ও জনস্বাস্থ্য কারিগরি দপ্তরের মন্ত্রী অজয় পোদ্দার কে বিষয়টি জানাই।এরপর মুখ্যমন্ত্রী জাইকা জল প্রকল্পের উদ্বোধন করতে মানবাজারে আসেন। মঞ্চে আমি বিষয়টি জানাই। মুখ্যমন্ত্রী পিএইচই দপ্তরের আধিকারিকদের সাথে কথা বলেন এবং তিনি জানান মানবাজারের সাধারণ মানুষ জাইকা প্রকল্পের জল পাবে। পাশাপাশি আমরা চেষ্টা করছি খুব দ্রুত মানবাজারবাসী যাতে জল পায় বলে জানান তিনি। এ বিষয়ে মানবাজারের বাসিন্দা বুলেট মাহিন্দার বলেন, একটি প্রথম সারির দৈনিক পত্রিকা থেকে জানতে পারি আমরা জাইকা প্রকল্পের জল থেকে বঞ্চিত। তখন আমরা বিধায়িকা ময়না মুর্মু কে বিষয়টি জানাই। এরপর মুখ্যমন্ত্রীও বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখেন। এজন্য আমরা মানবাজারবাসী মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী ও মানবাজারের বিধায়িকাকে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানাই।
বিধায়িকার হস্তক্ষেপে কাটল জট, মানবাজারবাসী পাবেন জাইকার জল। ১৭ই আগস্ট সোমবার মানবাজারে জাইকা জল প্রকল্পের উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। কিন্তু তার কয়েক দিন আগেই প্রথম সারির দৈনিক পত্রিকা থেকে জানা যায়,জাইকার জল পাবে না মানবাজার সদরের বাসিন্দারা। এ বিষয়ে মানবাজারে জোরাল চর্চা শুরু হয় স্থানীয়দের মধ্যে। জানা যায়, মানবাজার এলাকার মাটির তলা দিয়ে জাইকা প্রকল্পের জল যাবে অথচ মানবাজারের বাসিন্দারা জল পাবে না। জাইকা প্রকল্পের কাজ শেষ হলে দীর্ঘদিনের জলের অভাব ঘুচবে বলে আশায় ছিলেন মানবাজার সদরের বাসিন্দারা। এ বিষয়ে মানবাজার বিধানসভার বিধায়িকা ময়না মুর্মু বলেন, মানবাজার সদর জাইকা প্রকল্পের জল থেকে বঞ্চিত, এই সমস্যাটি মানবাজার গ্রাম পঞ্চায়েতের জন সাধারনের কাছ থেকে আমি জানতে পারি।আমি তৎক্ষণাৎ রাজ্যের পূর্ত ও জনস্বাস্থ্য কারিগরি দপ্তরের মন্ত্রী অজয় পোদ্দার কে বিষয়টি জানাই।এরপর মুখ্যমন্ত্রী জাইকা জল প্রকল্পের উদ্বোধন করতে মানবাজারে আসেন। মঞ্চে আমি বিষয়টি জানাই। মুখ্যমন্ত্রী পিএইচই দপ্তরের আধিকারিকদের সাথে কথা বলেন এবং তিনি জানান মানবাজারের সাধারণ মানুষ জাইকা প্রকল্পের জল পাবে। পাশাপাশি আমরা চেষ্টা করছি খুব দ্রুত মানবাজারবাসী যাতে জল পায় বলে জানান তিনি। এ বিষয়ে মানবাজারের বাসিন্দা বুলেট মাহিন্দার বলেন, একটি প্রথম সারির দৈনিক পত্রিকা থেকে জানতে পারি আমরা জাইকা প্রকল্পের জল থেকে বঞ্চিত। তখন আমরা বিধায়িকা ময়না মুর্মু কে বিষয়টি জানাই। এরপর মুখ্যমন্ত্রীও বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখেন। এজন্য আমরা মানবাজারবাসী মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী ও মানবাজারের বিধায়িকাকে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানাই।
- দক্ষিণবঙ্গে ফের এর বাড়বে বৃষ্টি জানালো আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। নিম্নচাপের জেরে বৃষ্টি চলবে । প্রভাব কমলেও আজ দক্ষিণবঙ্গের অধিকাংশ জেলায় বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া অফিস ।বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝোড়ো হাওয়ার সতর্কতা জারি করা হয়েছে দুই 24 পরগনা, দুই মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ ও নদিয়ায় ।অন্যদিকে, উত্তরবঙ্গেও বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে । আজও সেখানকার সব জেলাতেই বৃষ্টি হবে । তবে 28 অগস্ট শুক্রবার ওপরের পাঁচটি জেলা অর্থাৎ, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার, দার্জিলিং, কালিম্পং ও আলিপুরদুয়ারে ফের ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে । সপ্তাহের বাকি ক'টি দিন বৃষ্টি চলবে উত্তরবঙ্গে । এবং জায়গায় জায়গায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে দক্ষিণবঙ্গে ফের এর বাড়বে বৃষ্টি জানালো আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। নিম্নচাপের জেরে বৃষ্টি চলবে । প্রভাব কমলেও আজ দক্ষিণবঙ্গের অধিকাংশ জেলায় বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া অফিস ।বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝোড়ো হাওয়ার সতর্কতা জারি করা হয়েছে দুই 24 পরগনা, দুই মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ ও নদিয়ায় ।অন্যদিকে, উত্তরবঙ্গেও বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে । আজও সেখানকার সব জেলাতেই বৃষ্টি হবে । তবে 28 অগস্ট শুক্রবার ওপরের পাঁচটি জেলা অর্থাৎ, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার, দার্জিলিং, কালিম্পং ও আলিপুরদুয়ারে ফের ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে । সপ্তাহের বাকি ক'টি দিন বৃষ্টি চলবে উত্তরবঙ্গে । এবং জায়গায় জায়গায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে1
- मां जोगणियां भाग -२३&२४....A novel of Arawali ki lokdevi MAA JOGANIA.1
- Asansol: BJP Leader Gheraoed Amid Land Grab Allegations, Tensions Escalate1
- গড়িয়াগিরি ধামে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ বজরং দলের হনুমান চালিসা পাঠ গড়িয়াগিরি ধাম মন্দির প্রাঙ্গণে ২২ আগস্ট বিশ্ব হিন্দু পরিষদ বজরং দলের উদ্যোগে একটি বিশাল হনুমান চালিসা পাঠ ও ভক্তি সভার আয়োজন করা হয়। গড়িয়া নবগ্রামবাসী বৃন্দ সহ এলাকার সকল সনাতনী হিন্দু ভাই-বোনরা এতে অংশগ্রহণ করেন। সমবেত কণ্ঠে হনুমান চালিসা পাঠের মাধ্যমে সকল ভেদাভেদ ভুলে সমাজ ও সনাতন ধর্মের মঙ্গল কামনা করা হয়। আয়োজনে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ বজরং দল এবং গড়িয়া কবি সুভাষ প্রক্ষণ্ড সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন। সকলের উপস্থিতি এই আয়োজনকে পবিত্র ও সার্থক করে তোলে।1
- তিব্বতে বাঁধ ভেঙ্গে নেপালের গণ্ডক নদীতে বন্যা পরিস্থিতি1
- আমাদের নবীজি হযরত মুহাম্মদ ﷺ-কে যারা ভালোবাসেন, কমেন্টে “সুবহানাল্লাহ” লিখে জানিয়ে যাবেন। ❤️🤲 নবীজি হযরত মুহাম্মদ ﷺ-কে যারা ভালোবাসেন, সুবহানাল্লাহ” লিখে comment যাবেন। ❤️🤲#shortvideo#islamicvideo1
- বৃষ্টির জেরে রাস্তার উপর ভেঙে পড়ল বিশাল গাছ, বন্ধ যান চলাচল। টানা বৃষ্টির জেরে বুধবার সকালে রাস্তার ধারে থাকা একটি বিশাল গাছ আচমকা ভেঙে পড়ে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়ায় মানবাজার ১ নম্বর ব্লকের বীরসিংডি মোড় এলাকায়। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার সকালে বৃষ্টির দাপটে আচমকাই গাছটি ভেঙে মানবাজার-পুরুলিয়া রাজ্য সড়কের উপর পড়ে যায়। এর জেরে সাময়িকভাবে ওই রাস্তায় যান চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় মানবাজার থানার পুলিশ এবং মানবাজার রেঞ্জের বন দফতরের কর্মীরা। বনকর্মীদের সহায়তায় ইতিমধ্যেই গাছটি কেটে রাস্তা থেকে সরানোর কাজ শুরু হয়েছে। গাছ সরানোর কাজ শেষ হলে দ্রুত যান চলাচল স্বাভাবিক হবে বলে জানা যাচ্ছে। তবে আচমকা গাছ ভেঙে পড়ায় বড়সড় দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে বলেই মনে করছেন স্থানীয়রা।1
- নেপালে হড়পা বানের তাণ্ডব, নিখোঁজ বহু পর্যটক। দেখুন বিস্তারিত নেপালের রাসুয়া জেলায় আচমকা হড়পা বান ঘিরে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়েছে। ভোতে কোশি নদীর জলস্তর হঠাৎ বেড়ে যাওয়ায় তিমুরে ও স্যাপ্রু বেসি-সহ বিস্তীর্ণ এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর মিলেছে। হড়পা বানের জেরে ভেসে গিয়েছে একাধিক বাড়িঘর, রাস্তা ও সেতু। প্রাথমিকভাবে ৩৮৪ জন পর্যটক ও যাত্রীর খোঁজ মিলছে না বলে জানা গিয়েছে। নিখোঁজদের তালিকায় রয়েছেন ১০৫ জন ভারতীয় নাগরিকও। তবে এই তালিকা এখনও যাচাই করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে নেপাল ট্যুরিজম বোর্ড। বিপর্যয়ের ঘটনায় এখনও পর্যন্ত অন্তত আটজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। নিখোঁজদের সন্ধানে নেপাল সেনা ও নিরাপত্তা বাহিনীর তরফে শুরু হয়েছে জোরদার উদ্ধার অভিযান। অন্যদিকে, ক্ষতিগ্রস্ত ভারতীয় নাগরিকদের সহায়তায় সক্রিয় হয়েছে ভারতও। পরিস্থিতি এখনও উদ্বেগজনক। নিখোঁজদের সন্ধান ও উদ্ধারকাজের দিকেই এখন নজর প্রশাসনের। দেখুন নেপালের ভয়াবহ হড়পা বানের সেই চিত্র।1