Shuru
Apke Nagar Ki App…
ঘাটাল মহকুমা জুড়ে রাজনৈতিক দলগুলি গাছের বুকে পেরেক মেরে পতাকা লাগাচ্ছে, যা গাছের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। বিজ্ঞানকে বুড়ো আঙুল দেখানো এই অমানবিক চিত্রে এলাকার সচেতন নাগরিকরা ক্ষুব্ধ।
STSP NEWS বাংলা
ঘাটাল মহকুমা জুড়ে রাজনৈতিক দলগুলি গাছের বুকে পেরেক মেরে পতাকা লাগাচ্ছে, যা গাছের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। বিজ্ঞানকে বুড়ো আঙুল দেখানো এই অমানবিক চিত্রে এলাকার সচেতন নাগরিকরা ক্ষুব্ধ।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- পশ্চিম মেদিনীপুরের দাসপুরে প্রয়াত জহর সাঁতরার স্মরণে একটি রক্তদান শিবির আয়োজন করা হয়েছে। গ্রীষ্মকালীন রক্তের তীব্র সংকট মোকাবেলায় এই মানবিক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।1
- পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে গবাদি পশু রাস্তায় রাখলে মালিকদের সর্বোচ্চ ৩ বছর পর্যন্ত জেল ও জরিমানার বিধান আনা হয়েছে। রাস্তায় পশুর কারণে দুর্ঘটনা ও যানজট এড়াতে প্রশাসন এই কড়া পদক্ষেপ নিয়েছে। ইতিমধ্যে বিভিন্ন এলাকায় মাইকিং করে পশুপালকদের সতর্ক করা হচ্ছে।2
- গড়বেতার প্রাক্তন বিধায়ক উত্তরা সিংহ হাজরার একটি অডিও ক্লিপ ভাইরাল হয়েছে। এই ক্লিপটি পশ্চিমবঙ্গ রাজনীতিতে নতুন বিতর্ক ও আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। ফাঁস হওয়া অডিওর বিষয়বস্তু নিয়ে রাজ্যজুড়ে তীব্র আলোচনা শুরু হয়েছে।1
- পশ্চিমবঙ্গের খড়গপুরে তৃণমূল নেতা দেবাশীষ চৌধুরীর ওয়ার্ডে নতুন বিজেপি কার্যালয় উদ্বোধন করা হয়েছে। এই ঘটনা রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে এবং বিজেপি এর মাধ্যমে পরিবর্তনের বড় বার্তা দিয়েছে।1
- মেদিনীপুরের বিধায়ক ডঃ শঙ্কর গুচ্ছাইত 'জনতার দরবার' নিয়ে তাঁর মতামত প্রকাশ করেছেন। এর মাধ্যমে স্থানীয়দের সমস্যা দ্রুত সমাধানের পথ খুলতে পারে।1
- মঙ্গলবার মেদিনীপুরে অগ্নি নির্বাপক ব্যবস্থা খতিয়ে দেখতে অভিযান চালায় দমকল বাহিনী। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে আগুন প্রতিরোধের প্রস্তুতি ও নিরাপত্তা কতটা শক্তিশালী, সেটাই ছিল এই আকস্মিক পরিদর্শনের মূল লক্ষ্য।1
- আদালতে পেশ করার আগে সোনা পাপ্পুকে বিধান নগর মহকুমা হাসপাতালে প্রাথমিক শারীরিক চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসা হয়েছে। সিজি কমপ্লেক্স থেকে আনা তাকে আজ আদালতে তোলা হবে।1
- পশ্চিমবঙ্গজুড়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির নোটিশ নিয়ে জল্পনা বাড়ছে। এই বিষয়ে কলকাতা মেয়র ফিরহাদ হাকিম একটি গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন। তাঁর এই মন্তব্যে নতুন করে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।1
- তৃণমূল কংগ্রেস অভিযোগ করেছে যে ৪ মে ফল ঘোষণার পর থেকে ফালতা বিধানসভা এলাকায় তাদের ১০০-র বেশি কর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং দলীয় কার্যালয়ে ভাঙচুর চালানো হয়েছে। দল নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে এবং জানিয়েছে যে ফালতা পুনর্নির্বাচন থেকে জাহাঙ্গীর খানের সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ তাঁর ব্যক্তিগত। তবে, বাংলা বিরোধী বিজেপির বিরুদ্ধে তাদের রাজনৈতিক লড়াই পশ্চিমবঙ্গ ও দিল্লি, উভয় ক্ষেত্রেই অব্যাহত থাকবে।1