Shuru
Apke Nagar Ki App…
প্রকাশিত বিবরণে দৃঢ়ভাবে বলা হয়েছে যে সমস্ত ভুল বক্তার নিজেরই। এতে বারবার উল্লেখ করা হয়েছে যে প্রতিটি ত্রুটির সম্পূর্ণ দায়ভার তার একার।
সেখ সাফিউল ইসলাম
প্রকাশিত বিবরণে দৃঢ়ভাবে বলা হয়েছে যে সমস্ত ভুল বক্তার নিজেরই। এতে বারবার উল্লেখ করা হয়েছে যে প্রতিটি ত্রুটির সম্পূর্ণ দায়ভার তার একার।
More news from West Bengal and nearby areas
- সোশ্যাল মিডিয়ায় সম্প্রতি 'ককরোচ জনতা পার্টি' (CJP) নামের একটি দলের ভিডিও এবং পোস্ট ব্যাপকভাবে ভাইরাল হচ্ছে, যা দেখে অনেকে এটিকে একটি নতুন ডিজিটাল ফাঁদ বা ভুয়ো ভিডিও বলে বিভ্রান্ত হচ্ছেন। তবে এর পেছনের সত্যটি কোনো সাধারণ প্রতারণা নয়, বরং এটি একটি সুপরিকল্পিত রাজনৈতিক ব্যঙ্গ। এই আন্দোলনের শুরু ২০২৬ সালের মে মাসে, যখন ভারতের সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত একটি মামলার শুনানির সময় মন্তব্য করেছিলেন যে কিছু বেকার যুবক ও অ্যাক্টিভিস্টরা 'তেলাপোকা' (Cockroaches) এবং 'সামাজিক পরজীবী'-র মতো, যারা সোশ্যাল মিডিয়ায় সিস্টেমকে আক্রমণ করে। প্রধান বিচারপতির এই মন্তব্যে দেশের তরুণ ও শিক্ষার্থীদের মনে তীব্র ক্ষোভ জন্ম নেয়। এই অপমানের প্রতিবাদ হিসেবে ১৬ মে, ২০২৬-এ ডিজিটাল স্ট্র্যাটেজিস্ট অভিজিৎ দিপক প্রতীকীভাবে এই 'ককরোচ জনতা পার্টি' (CJP) তৈরি করেন। তরুণরা তখন ব্যঙ্গ করে বলতে শুরু করে— "যদি দেশের বেকার যুবকদের তেলাপোকা বলা হয়, তবে আমরা গর্বিত তেলাপোকা (Main Bhi Cockroach)।" এটি কোনো সরকারিভাবে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল নয় এবং ভারতের নির্বাচন কমিশনের (ECI) কাছে এর কোনো স্বীকৃতি নেই। তারা কোনো ভোটেও লড়ছে না। এটি মূলত একটি ডিজিটাল এবং সামাজিক প্রতিবাদ আন্দোলন, যা সোশ্যাল মিডিয়ায় অত্যন্ত দ্রুতগতিতে জনপ্রিয়তা লাভ করে এবং কয়েকদিনের মধ্যেই লক্ষাধিক তরুণ এতে প্রতীকী সদস্য হিসেবে যুক্ত হন। যদিও এটি একটি ব্যঙ্গাত্মক দল হিসেবে শুরু হয়েছিল, তবে এর পেছনের দাবিগুলো অত্যন্ত বাস্তব ও গুরুতর। এর মূল দাবিগুলির মধ্যে রয়েছে সাম্প্রতিক নিট (NEET) পরীক্ষার পেপার ফাঁস ও অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান, কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে দিল্লির যন্তর মন্তরে থালা-বাসন বাজিয়ে বড়সড় বিক্ষোভ প্রদর্শন এবং দেশের শিক্ষিত যুবকদের জন্য কর্মসংস্থানের সঠিক হিসাব ও স্বচ্ছ নিয়োগ ব্যবস্থার দাবি। সংক্ষেপে, 'ককরোচ জনতা পার্টি'-র ভিডিওগুলো মানুষকে ঠকানোর কোনো প্রতারণা বা ভুয়ো ফাঁদ নয়। এটি দেশের বর্তমান বেকারত্ব সমস্যা, পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস এবং তরুণদের প্রতি ব্যবস্থার উদাসীনতার বিরুদ্ধে ভারতীয় যুবসমাজের (বিশেষত জেন-জি) এক অভিনব ও তীব্র ব্যঙ্গাত্মক প্রতিবাদ।2
- রাজ্য সভাপতি ও রাজ্যসভার সাংসদ শ্রী শমীক ভট্টাচার্য ভারত কেশরী ডঃ শ্যামা প্রসাদ মুখার্জীর শহিদ দিবসে তাঁকে শ্রদ্ধা জানাতে ক্যানোদালা মহাশ্মশানে উপস্থিত ছিলেন।1
- দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুরে আবাস যোজনা সংক্রান্ত টাকা নিয়ে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকারীদের দাবি, ‘তৃণমূলের ভূতে’ এই আবাসের টাকা ‘খেয়ে ফেলেছে’, যা প্রকল্পের সুবিধাভোগীদের বঞ্চিত করেছে। এই গুরুতর অভিযোগের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট থানায় লিখিত নালিশ দায়ের করা হয়েছে।1
- কুণাল নতুন তৃণমূলকে উদ্দেশ্য করে তীব্র কটাক্ষ করেছেন, যেখানে তিনি বলেছেন যে "এরা নিজের মায়ের পিঠেও ছুরি মারতে পারে।" কুণালের এই চরম মন্তব্য দৈনিক সমাচারের প্রতিবেদনে প্রকাশিত হয়েছে।1
- ব্যারাকপুরের বিধায়ক কৌস্তুভ বাগচী নিজেকে বীরেন্দ্র সেহওয়াগের মতো একজন 'স্লগ ওভারের খেলোয়াড়' হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, অন্যরা তাকে রাহুল দ্রাবিড়ের মতো ভেবেছিল, কিন্তু তিনি তাদের 'যোগ্য জবাব' দিয়েছেন। এই মন্তব্যের প্রেক্ষিতে, ব্যারাকপুর পৌরসভার ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের শঙ্খবনিক পাড়ায় যুবসংঘ ক্লাবের উদ্যোগে একটি দিবা-রাত্রির নকআউট ক্রিকেট প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।1
- বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পরপরই একদল লোকের ব্যাপক দাপট শুরু হয়েছে বলে অভিযোগ করা হচ্ছে। অভিযোগকারী জানান যে, এই লোকেরা শুধু 'জয় শ্রীরাম' ধ্বনি দিচ্ছে এবং মানুষের বাড়িতে জোরপূর্বক প্রবেশ করে গাড়ি ও ঘরবাঙচুর করছে। এর পাশাপাশি লোকজনকে মারধর করা হচ্ছে এবং তাদের বাড়িছাড়া করা হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে প্রশ্ন তোলা হয়েছে যে, সরকার কি শুধুমাত্র মানুষের ঘর-গাড়ি ভাঙচুর করা, লোকজনকে মারধর করা এবং তাদের বাড়িছাড়া করার জন্যই ক্ষমতায় এসেছে?1
- আজ আইএনএস সংশোধক, আইএনএস অগ্রয় এবং আইএনএস দুনাগিরি ভারতীয় নৌবাহিনীর শক্তিকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যেতে প্রস্তুত। 'ডিজাইন ইন ইন্ডিয়া', 'ইঞ্জিনিয়ার ইন ইন্ডিয়া' এবং 'মেক ইন ইন্ডিয়া'-র এই সাফল্য আত্মনির্ভর ভারতের অদম্য অগ্রযাত্রার আরও একটি গর্বের নিদর্শন। কিছু বছর আগে আইএনএস বিক্রান্ত জাতির উদ্দেশ্যে সমর্পিত হয়ে বিশ্বের সামনে ভারতের সামুদ্রিক শক্তির এক নতুন পরিচয় তুলে ধরেছিল, যা এই অগ্রযাত্রারই অংশ। শক্তিশালী নৌবাহিনী এবং আত্মনির্ভর ভারত—এটাই নতুন ভারতের পরিচয়।1
- খাতড়া জাতীয় যুব-রাজ কম্পিউটার একাডেমী একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করেছে যে তাদের মূল লক্ষ্য কেবল শিক্ষার্থীদের ভর্তি করানো নয়, বরং তাদের ভবিষ্যৎ গড়ার অঙ্গীকার পূরণ করা।1
- ফুরফুরার পীরজাদা ইব্রাহিম সিদ্দিকী বিজেপির প্রশংসা করেছেন। তাঁর মন্তব্য অনুযায়ী, "বিজেপি আসার পর বাংলা এখন ঠাণ্ডা হয়ে গেছে"। দৈনিক সমাচার সূত্রে এই খবর জানা গেছে।1