"কলকাতা উত্তর চব্বিশ পরগনার বরানগরে নিজের দলের বিরুদ্ধেই আর্থিক প্রতারণার অভিযোগ বিজেপি কর্মীর" ""কলকাতা উত্তর চব্বিশ পরগনার বরানগরে নিজের দলের বিরুদ্ধেই আর্থিক প্রতারণার অভিযোগ বিজেপি কর্মীর" দলের কর্মীদের মধ্যেই আর্থিক প্রতারণা এবার বরানগর বিধানসভায়। ভারতীয় জনতা পার্টির বরানগর বিধানসভা একনিষ্ঠ কর্মী সুদীপ্ত ঘোষ জানান যে,"বিজেপির বিধানসভার গ্রুপে দেখতে পারি আমাদেরই এক দলীয় কর্মী গুরুতর অসুস্থ, পরবর্তীতে আমি দ্রুত সাহায্যের জন্য সেখানে উপস্থিত হই প্রায় ১১.৩০ রাত(৮ মে ২৬) । সেখানে তার প্রাথমিক চিকিৎসা হয় পরবর্তীতে আরো উন্নত মানের চিকিৎসার জন্য অন্য নার্সিংহোমে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন বরানগরের অফিসার ইনচার্জ। সেই সময় নয়না সিংহ আমার কাছে সেই সময় কিছু অর্থ সাহায্য চায় আমি সেই সময় ৫১০০০ টাকা ধার দি। পরবর্তীতে স্থানীয় বিধায়ক তার নিজের কাজ সেরে রাত তিনটে নাগাদ প্রায় উপস্থিত হয় এবং পুরো বিষয়বস্তু জানার পরে নয়না সিংহকে বলেন এই টাকা যাতে আমায় ফেরত দিয়ে দেওয়া হয়, কিন্তু দীর্ঘ ছয় মাস হয়ে যাওয়ার পরেও তারা আমার কোন টাকা ফেরত দেয়নি উপরন্ত আমার ফোনের উত্তরে গলা উঁচু করে বলছেন যে আমি কি নিজের স্বার্থে টাকা নিয়েছি। পরবর্তীতে দলের রাজ্য অথবা কেন্দ্র আমার জানা নেই কোথাও থেকে একটি টাকা তাদের আসে মোট ৪০ হাজার টাকা নেয়না সিংহ আমায় জানায় সেখান থেকে ১০ হাজার টাকা দিয়ে অসুস্থ ব্যক্তি ফোন কেনেন এবং এবং বাকি যে ৩০ হাজার টাকা, সেটা আমি বলি আমায় দিয়ে দিতে কারণ আমার পিতা ও গুরুতর সেই সময় অসুস্থ ছিলেন এবং বর্তমান সময়ও আছেন তখন তিনি প্রতিশ্রুতি দেন সেই টাকা আমায় দিয়ে দেবেন কিন্তু পরবর্তীতে প্রতিশ্রুতি খেলাফ করে। আমি বিষয়টি দলকে জানিয়েছি তবে বিধায়ককে ব্যক্তিগতভাবে জানায়নি কারণ তার অনেক কাজ রয়েছে এরপর আমি আইনের দ্বারস্থ হবো তবে থানা সব সময় অভিযোগ নেয় না তবে আমার কাছে কোর্টের দরজা ও খোলা আছে। দলের কর্মীদের মধ্যেই আর্থিক প্রতারণা এবার বরানগর বিধানসভায়। ভারতীয় জনতা পার্টির বরানগর বিধানসভা একনিষ্ঠ কর্মী সুদীপ ঘোষ জানান যে,"বিজেপির বিধানসভার গ্রুপে দেখতে পারি আমাদেরই এক দলীয় কর্মী গুরুতর অসুস্থ, পরবর্তীতে আমি দ্রুত সাহায্যের জন্য সেখানে উপস্থিত হই প্রায় ১১.৩০ রাত(৮ মে ২৬) । সেখানে তার প্রাথমিক চিকিৎসা হয় পরবর্তীতে আরো উন্নত মানের চিকিৎসার জন্য অন্য নার্সিংহোমে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন বরানগরের অফিসার ইনচার্জ। সেই সময় নয়না সিংহ আমার কাছে সেই সময় কিছু অর্থ সাহায্য চায় আমি সেই সময় ৫১০০০ টাকা ধার দি। পরবর্তীতে স্থানীয় বিধায়ক তার নিজের কাজ সেরে রাত তিনটে নাগাদ প্রায় উপস্থিত হয় এবং পুরো বিষয়বস্তু জানার পরে নয়না সিংহকে বলেন এই টাকা যাতে আমায় ফেরত দিয়ে দেওয়া হয়, কিন্তু দীর্ঘ ছয় মাস হয়ে যাওয়ার পরেও তারা আমার কোন টাকা ফেরত দেয়নি উপরন্ত আমার ফোনের উত্তরে গলা উঁচু করে বলছেন যে আমি কি নিজের স্বার্থে টাকা নিয়েছি। পরবর্তীতে দলের রাজ্য অথবা কেন্দ্র আমার জানা নেই কোথাও থেকে একটি টাকা তাদের আসে মোট ৪০ হাজার টাকা নেয়না সিংহ আমায় জানায় সেখান থেকে ১০ হাজার টাকা দিয়ে অসুস্থ ব্যক্তি ফোন কেনেন এবং এবং বাকি যে ৩০ হাজার টাকা, সেটা আমি বলি আমায় দিয়ে দিতে কারণ আমার পিতা ও গুরুতর সেই সময় অসুস্থ ছিলেন এবং বর্তমান সময়ও আছেন তখন তিনি প্রতিশ্রুতি দেন সেই টাকা আমায় দিয়ে দেবেন কিন্তু পরবর্তীতে প্রতিশ্রুতি খেলাফ করে। আমি বিষয়টি দলকে জানিয়েছি তবে বিধায়ককে ব্যক্তিগতভাবে জানায়নি কারণ তার অনেক কাজ রয়েছে এরপর আমি আইনের দ্বারস্থ হবো তবে থানা সব সময় অভিযোগ নেয় না তবে আমার কাছে কোর্টের দরজা ও খোলা আছে।
"কলকাতা উত্তর চব্বিশ পরগনার বরানগরে নিজের দলের বিরুদ্ধেই আর্থিক প্রতারণার অভিযোগ বিজেপি কর্মীর" ""কলকাতা উত্তর চব্বিশ পরগনার বরানগরে নিজের দলের বিরুদ্ধেই আর্থিক প্রতারণার অভিযোগ বিজেপি কর্মীর" দলের কর্মীদের মধ্যেই আর্থিক প্রতারণা এবার বরানগর বিধানসভায়। ভারতীয় জনতা পার্টির বরানগর বিধানসভা একনিষ্ঠ কর্মী সুদীপ্ত ঘোষ জানান যে,"বিজেপির বিধানসভার গ্রুপে দেখতে পারি আমাদেরই এক দলীয় কর্মী গুরুতর অসুস্থ, পরবর্তীতে আমি দ্রুত সাহায্যের জন্য সেখানে উপস্থিত হই প্রায় ১১.৩০ রাত(৮ মে ২৬) । সেখানে তার প্রাথমিক চিকিৎসা হয় পরবর্তীতে আরো উন্নত মানের চিকিৎসার জন্য অন্য নার্সিংহোমে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন বরানগরের অফিসার ইনচার্জ। সেই সময় নয়না সিংহ আমার কাছে সেই সময় কিছু অর্থ সাহায্য চায় আমি সেই সময় ৫১০০০ টাকা ধার দি। পরবর্তীতে স্থানীয় বিধায়ক তার নিজের কাজ সেরে রাত তিনটে নাগাদ প্রায় উপস্থিত হয় এবং পুরো বিষয়বস্তু জানার পরে নয়না সিংহকে বলেন এই টাকা যাতে আমায় ফেরত দিয়ে দেওয়া হয়, কিন্তু দীর্ঘ ছয় মাস হয়ে যাওয়ার পরেও তারা আমার কোন টাকা ফেরত দেয়নি উপরন্ত আমার ফোনের উত্তরে গলা উঁচু করে বলছেন যে আমি কি নিজের স্বার্থে টাকা নিয়েছি। পরবর্তীতে দলের রাজ্য অথবা কেন্দ্র আমার জানা নেই কোথাও থেকে একটি টাকা তাদের আসে মোট ৪০ হাজার টাকা নেয়না সিংহ আমায় জানায় সেখান থেকে ১০ হাজার টাকা দিয়ে অসুস্থ ব্যক্তি ফোন কেনেন এবং এবং বাকি যে ৩০ হাজার টাকা, সেটা আমি বলি আমায় দিয়ে দিতে কারণ আমার পিতা ও গুরুতর সেই সময় অসুস্থ ছিলেন এবং বর্তমান সময়ও আছেন তখন তিনি প্রতিশ্রুতি দেন সেই টাকা আমায় দিয়ে দেবেন কিন্তু পরবর্তীতে প্রতিশ্রুতি খেলাফ করে। আমি বিষয়টি দলকে জানিয়েছি তবে বিধায়ককে ব্যক্তিগতভাবে জানায়নি কারণ তার অনেক কাজ রয়েছে এরপর আমি আইনের দ্বারস্থ হবো তবে থানা সব সময় অভিযোগ নেয় না তবে আমার কাছে কোর্টের দরজা ও খোলা আছে। দলের কর্মীদের মধ্যেই আর্থিক প্রতারণা এবার বরানগর বিধানসভায়। ভারতীয় জনতা পার্টির বরানগর বিধানসভা একনিষ্ঠ কর্মী সুদীপ ঘোষ জানান যে,"বিজেপির বিধানসভার গ্রুপে দেখতে পারি আমাদেরই এক দলীয় কর্মী গুরুতর অসুস্থ, পরবর্তীতে আমি দ্রুত সাহায্যের জন্য সেখানে উপস্থিত হই প্রায় ১১.৩০ রাত(৮ মে ২৬) । সেখানে তার প্রাথমিক চিকিৎসা হয় পরবর্তীতে আরো উন্নত মানের চিকিৎসার জন্য অন্য নার্সিংহোমে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন বরানগরের অফিসার ইনচার্জ। সেই সময় নয়না সিংহ আমার কাছে সেই সময় কিছু অর্থ সাহায্য চায় আমি সেই সময় ৫১০০০ টাকা ধার দি। পরবর্তীতে স্থানীয় বিধায়ক তার নিজের কাজ সেরে রাত তিনটে নাগাদ প্রায় উপস্থিত হয় এবং পুরো বিষয়বস্তু জানার পরে নয়না সিংহকে বলেন এই টাকা যাতে আমায় ফেরত দিয়ে দেওয়া হয়, কিন্তু দীর্ঘ ছয় মাস হয়ে যাওয়ার পরেও তারা আমার কোন টাকা ফেরত দেয়নি উপরন্ত আমার ফোনের উত্তরে গলা উঁচু করে বলছেন যে আমি কি নিজের স্বার্থে টাকা নিয়েছি। পরবর্তীতে দলের রাজ্য অথবা কেন্দ্র আমার জানা নেই কোথাও থেকে একটি টাকা তাদের আসে মোট ৪০ হাজার টাকা নেয়না সিংহ আমায় জানায় সেখান থেকে ১০ হাজার টাকা দিয়ে অসুস্থ ব্যক্তি ফোন কেনেন এবং এবং বাকি যে ৩০ হাজার টাকা, সেটা আমি বলি আমায় দিয়ে দিতে কারণ আমার পিতা ও গুরুতর সেই সময় অসুস্থ ছিলেন এবং বর্তমান সময়ও আছেন তখন তিনি প্রতিশ্রুতি দেন সেই টাকা আমায় দিয়ে দেবেন কিন্তু পরবর্তীতে প্রতিশ্রুতি খেলাফ করে। আমি বিষয়টি দলকে জানিয়েছি তবে বিধায়ককে ব্যক্তিগতভাবে জানায়নি কারণ তার অনেক কাজ রয়েছে এরপর আমি আইনের দ্বারস্থ হবো তবে থানা সব সময় অভিযোগ নেয় না তবে আমার কাছে কোর্টের দরজা ও খোলা আছে।
- ২১ দিন পর ফের নেপালে নিখোঁজ 32 টি পরিবার সহ মুকুল পুত্র শুভ্রাংশু মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে যাচ্ছেন নবান্নে ২১ দিন পেরিয়ে গেলেও এখনো পর্যন্ত খোঁজ পাওয়া গেল না মুকুল রায় এর পুত্রবধূ তথা বীজপুর এর প্রাক্তন বিধায়ক শুভ্রাংশু রায় পত্নী শর্মিষ্ঠা ভৌমিক রায়। তার দৃঢ় বিশ্বাস এখনো পর্যন্ত ৩২ টা ফ্যামিলি সহ তার স্ত্রী জীবিত আছে ও সুস্থ আছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর উপর সম্পূর্ণ ভরসা রয়েছে তাদের। এছাড়াও আগামী কাল ১৬ সেপ্টেম্বর মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে নবান্নে দেখা করতে যাচ্ছেন ৩২ টা ফ্যামিলি। চীনের তিব্বত সীমান্তে এখনো পর্যন্ত আটকে রয়েছেন তারা দৃঢ় বিশ্বাস পরিবারের লোকের। এছাড়া সমস্ত রাজনৈতিক দল মুকুল পুত্র শুভ্রাংশের সঙ্গে দেখা করে তাকে আশ্বাস দিয়েছেন এমনটাই জানালেন তিনি।2
- বরানগর এর হাওয়া সকাল এর গণেশ পূজো এবছরের এক অভিনব কায়দায়1
- মোদিজীর জন্মদিন উপলক্ষে অগ্রিম shuru aap manegar social media মাধ্যমে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন ও ভালোবাসা সকল shuru aap কার্যকর্তা ও ম্যানেজমেন্ট কে জানিয়ে দিলাম 🇮🇳🌹❤️🙏 ধন্যবাদ।1
- A.T.M খারাপ হয়ে বন্ধ গ্রাহকরা অসুবিধায় গুপ্তিপাড়া রেলস্টেশন এলাকায় আবার বিকল গুপ্তিপাড়ার রেলস্টেশন সংলগ্ন এ টি এম গত বছর বিশ্বকর্মা পুজোর আগে এটিএম চালু করা হয় রথযাত্রার সময়ে বিকল হয়ে যায় এরপরে খবর এর জেরে সারানো হলেও আবার বিগড়ে গেছে এটিএম গ্রাহকদের হয়রানি হচ্ছে সবাইকার দাবী পুজোর আগেই এটিএম সারিয়ে চালু করা হোক পুনরায় শুরু নিউজ ও স্কাই নিউজ এর জন্য গুপ্তিপাড়া থেকে সাংবাদিক চিরঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়1
- হঠাৎ এলাকায় দেখা যায় পূর্ণবয়স্ক এক হরিণীকে, চাঞ্চল্য ছড়ায় এলাকায় বন দত্তর হরিণ টিকে উদ্ধার করে এবং জঙ্গলে ছেড়ে দেয়।1
- মধ্যমগ্রামে যুব সমাবেশের সমর্থনে মিছিল হল,যুব উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো DYFIমধ্যমগ্রাম1
- পোস্তায় গণেশ মন্দিরে সিদ্ধিদাতা গণেশ পুজোয় বিজেপি রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য্য কি জানালেন1
- অনাস্থা ভোটে প্রধান নির্বাচন কে ঘিরে ব্যাপক উ/ত্তে/জ/না হাওড়া জগৎবল্লভপুরে1