*এবিভিপি-র দখলে শীতলখুঁচি মহাবিদ্যালয়, ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষকে সংবর্ধনা* *শীতলখুঁচি, ১১ মে:* দীর্ঘদিন তৃণমূল ছাত্র পরিষদের দখলে থাকা শীতলখুঁচি মহাবিদ্যালয়ে সংগঠন বিস্তার করল অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ। শুক্রবার এবিভিপি-র পক্ষ থেকে কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ড. নারায়ণ চন্দ্র বসুনিয়াকে সংবর্ধনা জ্ঞাপন করা হয়। এদিন এবিভিপি শীতলখুঁচি নগর ইউনিটের কার্যকর্তারা মহাবিদ্যালয়ে গিয়ে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ড. নারায়ণ চন্দ্র বসুনিয়ার হাতে পুষ্পস্তবক ও স্মারক তুলে দেন। কলেজ ক্যাম্পাসে শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে সবার সহযোগিতা কামনা করেন তাঁরা। এবিভিপি নেতৃত্বের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে শীতলখুঁচি মহাবিদ্যালয় তৃণমূল ছাত্র পরিষদের দখলে ছিল। রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর কলেজের সাধারণ ছাত্রছাত্রীরা এবিভিপি-র সঙ্গে যোগাযোগ করে সংগঠনে যুক্ত হয়েছেন। এর ফলেই মহাবিদ্যালয়ে এবিভিপি-র ইউনিট গঠন সম্ভব হয়েছে। এবিভিপি-র এক নগর কার্যকর্তা বলেন, "আমরা শিক্ষাঙ্গনে রাষ্ট্রবাদ ও শিক্ষার পরিবেশ ফেরাতে চাই। দলতন্ত্র নয়, ছাত্রস্বার্থই আমাদের কাছে প্রথম। ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ স্যারকে আমরা আশ্বাস দিয়েছি, কলেজের পঠনপাঠন ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবিভিপি সবসময় পাশে থাকবে।" ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ড. নারায়ণ চন্দ্র বসুনিয়া বলেন, "কলেজ সবার। সব ছাত্র সংগঠনই গঠনমূলক কাজে এগিয়ে আসুক, এটাই চাই। আমরা চাই, ছাত্রছাত্রীরা যেন নির্ভয়ে পড়াশোনা করতে পারে। ক্যাম্পাসে যেন কোনও অশান্তি না হয়।" এবিভিপি-র কলেজে ইউনিট গঠন নিয়ে ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। একাংশের বক্তব্য, "নতুন সংগঠন এলে ক্যাম্পাসে প্রতিযোগিতা বাড়বে, ভালো কাজ হবে।" আবার কেউ কেউ বলেন, "পড়াশোনার পরিবেশ যেন নষ্ট না হয়, সেটাই দেখার।" উল্লেখ্য, ভোটের ফল ঘোষণার পর জেলার একাধিক কলেজে ছাত্র সংগঠনের রদবদলের খবর আসছে। *এবিভিপি-র দখলে শীতলখুঁচি মহাবিদ্যালয়, ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষকে সংবর্ধনা* *শীতলখুঁচি, ১১ মে:* দীর্ঘদিন তৃণমূল ছাত্র পরিষদের দখলে থাকা শীতলখুঁচি মহাবিদ্যালয়ে সংগঠন বিস্তার করল অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ। শুক্রবার এবিভিপি-র পক্ষ থেকে কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ড. নারায়ণ চন্দ্র বসুনিয়াকে সংবর্ধনা জ্ঞাপন করা হয়। এদিন এবিভিপি শীতলখুঁচি নগর ইউনিটের কার্যকর্তারা মহাবিদ্যালয়ে গিয়ে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ড. নারায়ণ চন্দ্র বসুনিয়ার হাতে পুষ্পস্তবক ও স্মারক তুলে দেন। কলেজ ক্যাম্পাসে শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে সবার সহযোগিতা কামনা করেন তাঁরা। এবিভিপি নেতৃত্বের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে শীতলখুঁচি মহাবিদ্যালয় তৃণমূল ছাত্র পরিষদের দখলে ছিল। রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর কলেজের সাধারণ ছাত্রছাত্রীরা এবিভিপি-র সঙ্গে যোগাযোগ করে সংগঠনে যুক্ত হয়েছেন। এর ফলেই মহাবিদ্যালয়ে এবিভিপি-র ইউনিট গঠন সম্ভব হয়েছে। এবিভিপি-র এক নগর কার্যকর্তা বলেন, "আমরা শিক্ষাঙ্গনে রাষ্ট্রবাদ ও শিক্ষার পরিবেশ ফেরাতে চাই। দলতন্ত্র নয়, ছাত্রস্বার্থই আমাদের কাছে প্রথম। ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ স্যারকে আমরা আশ্বাস দিয়েছি, কলেজের পঠনপাঠন ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবিভিপি সবসময় পাশে থাকবে।" ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ড. নারায়ণ চন্দ্র বসুনিয়া বলেন, "কলেজ সবার। সব ছাত্র সংগঠনই গঠনমূলক কাজে এগিয়ে আসুক, এটাই চাই। আমরা চাই, ছাত্রছাত্রীরা যেন নির্ভয়ে পড়াশোনা করতে পারে। ক্যাম্পাসে যেন কোনও অশান্তি না হয়।" এবিভিপি-র কলেজে ইউনিট গঠন নিয়ে ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। একাংশের বক্তব্য, "নতুন সংগঠন এলে ক্যাম্পাসে প্রতিযোগিতা বাড়বে, ভালো কাজ হবে।" আবার কেউ কেউ বলেন, "পড়াশোনার পরিবেশ যেন নষ্ট না হয়, সেটাই দেখার।" উল্লেখ্য, ভোটের ফল ঘোষণার পর জেলার একাধিক কলেজে ছাত্র সংগঠনের রদবদলের খবর আসছে।
*এবিভিপি-র দখলে শীতলখুঁচি মহাবিদ্যালয়, ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষকে সংবর্ধনা* *শীতলখুঁচি, ১১ মে:* দীর্ঘদিন তৃণমূল ছাত্র পরিষদের দখলে থাকা শীতলখুঁচি মহাবিদ্যালয়ে সংগঠন বিস্তার করল অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ। শুক্রবার এবিভিপি-র পক্ষ থেকে কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ড. নারায়ণ চন্দ্র বসুনিয়াকে সংবর্ধনা জ্ঞাপন করা হয়। এদিন এবিভিপি শীতলখুঁচি নগর ইউনিটের কার্যকর্তারা মহাবিদ্যালয়ে গিয়ে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ড. নারায়ণ চন্দ্র বসুনিয়ার হাতে পুষ্পস্তবক ও স্মারক তুলে দেন। কলেজ ক্যাম্পাসে শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে সবার সহযোগিতা কামনা করেন তাঁরা। এবিভিপি নেতৃত্বের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে শীতলখুঁচি মহাবিদ্যালয় তৃণমূল ছাত্র পরিষদের দখলে ছিল। রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর কলেজের সাধারণ ছাত্রছাত্রীরা এবিভিপি-র সঙ্গে যোগাযোগ করে সংগঠনে যুক্ত হয়েছেন। এর ফলেই মহাবিদ্যালয়ে এবিভিপি-র ইউনিট গঠন সম্ভব হয়েছে। এবিভিপি-র এক নগর কার্যকর্তা বলেন, "আমরা শিক্ষাঙ্গনে রাষ্ট্রবাদ ও শিক্ষার পরিবেশ ফেরাতে চাই। দলতন্ত্র নয়, ছাত্রস্বার্থই আমাদের কাছে প্রথম। ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ স্যারকে আমরা আশ্বাস দিয়েছি, কলেজের পঠনপাঠন ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবিভিপি সবসময় পাশে থাকবে।" ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ড. নারায়ণ চন্দ্র বসুনিয়া বলেন, "কলেজ সবার। সব ছাত্র সংগঠনই গঠনমূলক কাজে এগিয়ে আসুক, এটাই চাই। আমরা চাই, ছাত্রছাত্রীরা যেন নির্ভয়ে পড়াশোনা করতে পারে। ক্যাম্পাসে যেন কোনও অশান্তি না হয়।" এবিভিপি-র কলেজে ইউনিট গঠন নিয়ে ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। একাংশের বক্তব্য, "নতুন সংগঠন এলে ক্যাম্পাসে প্রতিযোগিতা বাড়বে, ভালো কাজ হবে।" আবার কেউ কেউ বলেন, "পড়াশোনার পরিবেশ যেন নষ্ট না হয়, সেটাই দেখার।" উল্লেখ্য, ভোটের ফল ঘোষণার পর জেলার একাধিক কলেজে ছাত্র সংগঠনের রদবদলের খবর আসছে। *এবিভিপি-র দখলে শীতলখুঁচি মহাবিদ্যালয়, ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষকে সংবর্ধনা* *শীতলখুঁচি, ১১ মে:* দীর্ঘদিন তৃণমূল ছাত্র পরিষদের দখলে থাকা শীতলখুঁচি মহাবিদ্যালয়ে সংগঠন বিস্তার করল অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ। শুক্রবার এবিভিপি-র পক্ষ থেকে কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ড. নারায়ণ চন্দ্র বসুনিয়াকে সংবর্ধনা জ্ঞাপন করা হয়। এদিন এবিভিপি শীতলখুঁচি নগর ইউনিটের কার্যকর্তারা মহাবিদ্যালয়ে গিয়ে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ড. নারায়ণ চন্দ্র বসুনিয়ার হাতে পুষ্পস্তবক ও স্মারক তুলে দেন। কলেজ ক্যাম্পাসে শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে সবার সহযোগিতা কামনা করেন তাঁরা। এবিভিপি নেতৃত্বের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে শীতলখুঁচি মহাবিদ্যালয় তৃণমূল ছাত্র পরিষদের দখলে ছিল। রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর কলেজের সাধারণ ছাত্রছাত্রীরা এবিভিপি-র সঙ্গে যোগাযোগ করে সংগঠনে যুক্ত হয়েছেন। এর ফলেই মহাবিদ্যালয়ে এবিভিপি-র ইউনিট গঠন সম্ভব হয়েছে। এবিভিপি-র এক নগর কার্যকর্তা বলেন, "আমরা শিক্ষাঙ্গনে রাষ্ট্রবাদ ও শিক্ষার পরিবেশ ফেরাতে চাই। দলতন্ত্র নয়, ছাত্রস্বার্থই আমাদের কাছে প্রথম। ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ স্যারকে আমরা আশ্বাস দিয়েছি, কলেজের পঠনপাঠন ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবিভিপি সবসময় পাশে থাকবে।" ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ড. নারায়ণ চন্দ্র বসুনিয়া বলেন, "কলেজ সবার। সব ছাত্র সংগঠনই গঠনমূলক কাজে এগিয়ে আসুক, এটাই চাই। আমরা চাই, ছাত্রছাত্রীরা যেন নির্ভয়ে পড়াশোনা করতে পারে। ক্যাম্পাসে যেন কোনও অশান্তি না হয়।" এবিভিপি-র কলেজে ইউনিট গঠন নিয়ে ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। একাংশের বক্তব্য, "নতুন সংগঠন এলে ক্যাম্পাসে প্রতিযোগিতা বাড়বে, ভালো কাজ হবে।" আবার কেউ কেউ বলেন, "পড়াশোনার পরিবেশ যেন নষ্ট না হয়, সেটাই দেখার।" উল্লেখ্য, ভোটের ফল ঘোষণার পর জেলার একাধিক কলেজে ছাত্র সংগঠনের রদবদলের খবর আসছে।
- *মাথাভাঙ্গা ও শীতলখুঁচি বিধানসভার বিশেষ সাংগঠনিক বৈঠক অনুষ্ঠিত* *মাথাভাঙ্গা, ১১মে:* আজ মাথাভাঙ্গা নজরুল সদনে মাথাভাঙ্গা ও শীতলখুঁচি বিধানসভার বিশেষ সাংগঠনিক বৈঠক সম্পন্ন হল। আগামী দিনের সাংগঠনিক কর্মসূচি ও বুথস্তর শক্তিশালী করার লক্ষ্যে এই বৈঠকের আয়োজন করা হয়। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন জেলা সভাপতি অভিজিৎ বর্মন, বিভাগ প্রবাসী কার্যকর্তা তথা সাংসদ ও প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কৈলাস জী, জেলা প্রবাসী কার্যকর্তা অরুণ মিনারী, জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মনোজ ঘোষ, জেলা সম্পাদক মুরারি কৃষ্ণ রায়, জেলা সহ-সভাপতি প্রতাপ সরকার সহ মাথাভাঙ্গা ও শীতলখুঁচি বিধানসভার মণ্ডল সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও অন্যান্য কার্যকর্তারা। সাংগঠনিক বৈঠকে বুথ কমিটি গঠন, পৃষ্ঠা প্রমুখ নিয়োগ, কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারের জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের প্রচার এবং আগামী পঞ্চায়েত নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। কর্মীদের মনোবল বাড়ানো ও মাঠে-ময়দানে সক্রিয় থাকার নির্দেশ দেন জেলা নেতৃত্ব। জেলা সভাপতি অভিজিৎ বর্মন বলেন, "মাথাভাঙ্গা ও শীতলখুঁচি বিধানসভায় সংগঠন মজবুত করতে প্রতিটি বুথে আমাদের পৌঁছাতে হবে। মানুষের পাশে থেকে কাজ করাই আমাদের লক্ষ্য।" সাংসদ কৈলাস জী কার্যকর্তাদের উদ্দেশে বলেন, "ডাবল ইঞ্জিন সরকার মানুষের উন্নয়নে কাজ করছে। সেই বার্তা প্রতিটি ঘরে পৌঁছে দিতে হবে।" বৈঠক শেষে কার্যকর্তারা জানান, জেলা ও বিভাগের নেতৃত্বের উপস্থিতিতে তাঁরা উৎসাহিত। আগামী দিনে দুই বিধানসভায় সংগঠন আরও শক্তিশালী হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তাঁরা। *মাথাভাঙ্গা ও শীতলখুঁচি বিধানসভার বিশেষ সাংগঠনিক বৈঠক অনুষ্ঠিত* *মাথাভাঙ্গা, ১১মে:* আজ মাথাভাঙ্গা নজরুল সদনে মাথাভাঙ্গা ও শীতলখুঁচি বিধানসভার বিশেষ সাংগঠনিক বৈঠক সম্পন্ন হল। আগামী দিনের সাংগঠনিক কর্মসূচি ও বুথস্তর শক্তিশালী করার লক্ষ্যে এই বৈঠকের আয়োজন করা হয়। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন জেলা সভাপতি অভিজিৎ বর্মন, বিভাগ প্রবাসী কার্যকর্তা তথা সাংসদ ও প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কৈলাস জী, জেলা প্রবাসী কার্যকর্তা অরুণ মিনারী, জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মনোজ ঘোষ, জেলা সম্পাদক মুরারি কৃষ্ণ রায়, জেলা সহ-সভাপতি প্রতাপ সরকার সহ মাথাভাঙ্গা ও শীতলখুঁচি বিধানসভার মণ্ডল সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও অন্যান্য কার্যকর্তারা। সাংগঠনিক বৈঠকে বুথ কমিটি গঠন, পৃষ্ঠা প্রমুখ নিয়োগ, কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারের জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের প্রচার এবং আগামী পঞ্চায়েত নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। কর্মীদের মনোবল বাড়ানো ও মাঠে-ময়দানে সক্রিয় থাকার নির্দেশ দেন জেলা নেতৃত্ব। জেলা সভাপতি অভিজিৎ বর্মন বলেন, "মাথাভাঙ্গা ও শীতলখুঁচি বিধানসভায় সংগঠন মজবুত করতে প্রতিটি বুথে আমাদের পৌঁছাতে হবে। মানুষের পাশে থেকে কাজ করাই আমাদের লক্ষ্য।" সাংসদ কৈলাস জী কার্যকর্তাদের উদ্দেশে বলেন, "ডাবল ইঞ্জিন সরকার মানুষের উন্নয়নে কাজ করছে। সেই বার্তা প্রতিটি ঘরে পৌঁছে দিতে হবে।" বৈঠক শেষে কার্যকর্তারা জানান, জেলা ও বিভাগের নেতৃত্বের উপস্থিতিতে তাঁরা উৎসাহিত। আগামী দিনে দুই বিধানসভায় সংগঠন আরও শক্তিশালী হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তাঁরা।1
- শীতলকুচির বিজেপি নেতা শিব শংকর সাহা অবশেষে মায়ের কাছে করা প্রতিজ্ঞা পূরণ করলেন। নির্বাচন শেষ হওয়ার পর তিনি চুল-দাড়ি কাটলেন, যা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে কৌতূহল ছিল।1
- মেখলিগঞ্জের ভোটবাড়ি সীতানাথ হাইস্কুলেএবার একাদশ শ্রেণিতে চালু হল ভূগোল বিষয়। মেখলিগঞ্জের ভোটবাড়ি সীতানাথ হাইস্কুলে এবার একাদশ শ্রেণিতে চালু হল ভূগোল বিষয়। দীর্ঘদিনের এই দাবিপূরণে খুশির হাওয়া শিক্ষক-শিক্ষিকা থেকে শুরু করে পড়ুয়াদের মধ্যেও। ২০১৯ সালে বিদ্যালয়ে একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির পঠনপাঠন শুরু হলেও ভূগোল বিষয় না থাকায় বহু পড়ুয়াকে মাধ্যমিকের পর নিজেদের প্রিয় বিদ্যালয় ছেড়ে অন্য স্কুলে ভর্তি হতে হত। বিশেষ করে যারা ভূগোল নিয়ে পড়াশোনা করতে চাইত, তাদের জন্য এটি ছিল বড় সমস্যা। এবার সেই সমস্যার সমাধান হওয়ায় স্বস্তিতে সদ্য মাধ্যমিক উত্তীর্ণ ছাত্রছাত্রীরা। পড়ুয়ারা জানায়, আগে ভূগোল বিষয় না থাকায় বাধ্য হয়ে অন্য বিদ্যালয়ে যেতে হত। এখন নিজেদের স্কুলেই পছন্দের বিষয় নিয়ে পড়াশোনার সুযোগ মিলবে। বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দিবস রায় চৌধুরী জানান, “এবছর থেকে আমাদের বিদ্যালয়ে ভূগোল বিষয় চালু হয়েছে। আগামী ১২ তারিখ থেকে ভর্তি প্রক্রিয়া শুরু হবে।” বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সুশীল রায় বলেন, “ভূগোল বিষয় না থাকার কারণে এতদিন অনেক মেধাবী পড়ুয়া পাশের বিভিন্ন বিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে যেত। এবার তারা নিজেদের বিদ্যালয়েই উচ্চমাধ্যমিক স্তরে পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারবে।” অন্যদিকে এবারের মাধ্যমিক পরীক্ষাতেও ভালো ফল করেছে বিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা। স্কুলের মধ্যে প্রথম হয়েছে রাহুল রায়। তার প্রাপ্ত নম্বর ৫৭২। দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেছে পাপাই রায়, তার প্রাপ্ত নম্বর ৪৭১। ভূগোল বিষয় চালুর পাশাপাশি ভালো ফলাফলে ভোটবাড়ি সীতানাথ হাইস্কুলে এখন খুশির পরিবেশ তৈরি হয়েছে।1
- নাজিরান ডিউতিখাতা মোটর ভেহিকেল চেকপোস্টে নকল পরিবহন আধিকারিক গ্রেপ্তার, তৎপর পরিবহন দপ্তর ও পুলিশ রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পরই অ্যাকশন মুডে দেখা গেল পরিবহন দপ্তরকে। দীর্ঘদিন ধরে আসাম-বাংলা সীমান্তের নাজিরান ডিউতিখাতা মোটর ভেহিকেল চেকপোস্ট এলাকায় পরিবহন দপ্তরের নাম করে তোলাবাজির অভিযোগ উঠছিল। বিশেষ করে ভিন রাজ্যের ট্রাক চালকদের একাংশ অভিযোগ করেন, কিছু ব্যক্তি নিজেদের পরিবহন দপ্তরের আধিকারিক পরিচয় দিয়ে নিয়মিত অর্থ আদায় করছিল। যদিও এতদিন সেই অভিযোগ বিশেষ গুরুত্ব পায়নি বলেই দাবি ট্রাক চালকদের। সম্প্রতি রাজ্যে বিজেপি সরকার গঠনের পর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন শুভেন্দু অধিকারী। এরপরই কোচবিহার জেলা পরিবহন দপ্তর এবং বক্সিরহাট থানার যৌথ উদ্যোগে অভিযোগের তদন্ত শুরু হয়। তদন্তে নেমে সাফল্য পায় পুলিশ। ঘটনায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে আসামের শ্রীরামপুর-গোসাইগাঁও এলাকার দুই ব্যক্তিকে। ধৃতরা হল চঞ্চল দাস (৪২) এবং ভূপেন চন্দ্র সরকার (৩৭)। অভিযোগ, তারা দীর্ঘদিন ধরে পরিবহন দপ্তরের নাম ভাঙিয়ে চেকপোস্ট এলাকায় ট্রাক চালকদের কাছ থেকে টাকা আদায় করছিল। জেলা পরিবহন আধিকারিক নবীন চন্দ্র অধিকারী জানান, বহুদিন ধরেই এ ধরনের অভিযোগ আসছিল। অভিযোগের ভিত্তিতে বক্সিরহাট থানাকে জানানো হয়। এরপরই পুলিশ তদন্ত শুরু করে এবং দুই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। অন্যদিকে তুফানগঞ্জ মহকুমা পুলিশ আধিকারিক কান্নেধারা মনোজ কুমার বলেন, পরিবহন দপ্তরের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তদন্তে নেমে দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ধৃতদের তুফানগঞ্জ আদালতে পেশ করা হলে বিচারক তাদের পাঁচ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেন। ঘটনাকে কেন্দ্র করে সীমান্ত এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। প্রশাসনের এই পদক্ষেপে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন ট্রাক চালক ও স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ।1
- পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী আসামের 'মামার' স্টাইল অনুসরণ করছেন। তাঁর এই পদক্ষেপ রাজ্য রাজনীতিতে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।1
- আজ অভিষেক ব্যানার্জিকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে এবং ট্রেনে তুলে নিয়ে গেছে। এই ঘটনা রাজ্য রাজনীতিতে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে।1
- দিনহাটায় অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ (এবিভিপি) রাজ্যের বেহাল শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে একটি সভা আয়োজন করে। ছাত্রনেতারা অভিযোগ করেন যে গত ১৫ বছরে শিক্ষায় অরাজকতা চলছে এবং এর ফলে ২৬-এর বিধানসভা ভোটে সরকার পরিবর্তন হবে। তাঁরা ছাত্রছাত্রীদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শান্তি ও সুষ্ঠু পরিবেশ ফিরিয়ে আনার আহ্বান জানান।1
- *মাধ্যমিকে কৃতী ছাত্রদের সংবর্ধনা দিল শীতলখুঁচি সারদা শিশু তীর্থ* *শীতলখুঁচি,১১ মে:* ২০২৬ সালের মাধ্যমিক পরীক্ষায় কৃতিত্বের সঙ্গে উত্তীর্ণ ছাত্রছাত্রীদের সংবর্ধনা জানাল শীতলখুঁচি সারদা শিশু তীর্থ স্কুল। শুক্রবার স্কুলের হল ঘরে এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়। এদিন স্কুলের পক্ষ থেকে মাধ্যমিকে ভালো ফল করা কৃতী পড়ুয়াদের হাতে পুষ্পস্তবক, শংসাপত্র ও মিষ্টির প্যাকেট তুলে দেওয়া হয়। ছাত্রছাত্রীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করেন শিক্ষক-শিক্ষিকারা। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সারদা শিশু তীর্থ স্কুলের প্রধান আচার্য গিরীন্দ্র নাথ বর্মন, আচার্য দীপঙ্কর ঝা সহ স্কুলের অন্যান্য দাদামনি ও দিদিমনিরা। এছাড়াও অভিভাবক ও প্রাক্তন ছাত্রছাত্রীরা অনুষ্ঠানে যোগ দেন। প্রধান আচার্য গিরীন্দ্র নাথ বর্মন বলেন, "আমাদের স্কুলের ছেলেমেয়েরা প্রতি বছরই ভালো ফল করছে। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। ওদের এই সাফল্য আমাদের গর্বিত করে। শিক্ষা, সংস্কার ও রাষ্ট্রভক্তির আদর্শে ওরা যেন ভবিষ্যতে আরও এগিয়ে যায়, সেই কামনা করি।" সংবর্ধনা পেয়ে খুশি কৃতী ছাত্রছাত্রীরা। এক ছাত্র জানায়, "স্কুলের দাদামনি-দিদিমনিদের জন্যই আজ এই ফল। ওনারা সবসময় আমাদের পাশে থেকেছেন। এই সংবর্ধনা আমাদের আগামী দিনে আরও ভালো করতে উৎসাহ দেবে।" উপস্থিত অভিভাবকরা স্কুল কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানান। তাঁদের বক্তব্য, "সারদা শিশু তীর্থ শুধু পড়াশোনা নয়, ছাত্রছাত্রীদের নৈতিক শিক্ষাও দেয়। তাই আমরা নিশ্চিন্ত।" অনুষ্ঠান শেষে সকলের মধ্যে প্রসাদ বিতরণ করা হয়। *মাধ্যমিকে কৃতী ছাত্রদের সংবর্ধনা দিল শীতলখুঁচি সারদা শিশু তীর্থ* *শীতলখুঁচি,১১ মে:* ২০২৬ সালের মাধ্যমিক পরীক্ষায় কৃতিত্বের সঙ্গে উত্তীর্ণ ছাত্রছাত্রীদের সংবর্ধনা জানাল শীতলখুঁচি সারদা শিশু তীর্থ স্কুল। শুক্রবার স্কুলের হল ঘরে এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়। এদিন স্কুলের পক্ষ থেকে মাধ্যমিকে ভালো ফল করা কৃতী পড়ুয়াদের হাতে পুষ্পস্তবক, শংসাপত্র ও মিষ্টির প্যাকেট তুলে দেওয়া হয়। ছাত্রছাত্রীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করেন শিক্ষক-শিক্ষিকারা। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সারদা শিশু তীর্থ স্কুলের প্রধান আচার্য গিরীন্দ্র নাথ বর্মন, আচার্য দীপঙ্কর ঝা সহ স্কুলের অন্যান্য দাদামনি ও দিদিমনিরা। এছাড়াও অভিভাবক ও প্রাক্তন ছাত্রছাত্রীরা অনুষ্ঠানে যোগ দেন। প্রধান আচার্য গিরীন্দ্র নাথ বর্মন বলেন, "আমাদের স্কুলের ছেলেমেয়েরা প্রতি বছরই ভালো ফল করছে। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। ওদের এই সাফল্য আমাদের গর্বিত করে। শিক্ষা, সংস্কার ও রাষ্ট্রভক্তির আদর্শে ওরা যেন ভবিষ্যতে আরও এগিয়ে যায়, সেই কামনা করি।" সংবর্ধনা পেয়ে খুশি কৃতী ছাত্রছাত্রীরা। এক ছাত্র জানায়, "স্কুলের দাদামনি-দিদিমনিদের জন্যই আজ এই ফল। ওনারা সবসময় আমাদের পাশে থেকেছেন। এই সংবর্ধনা আমাদের আগামী দিনে আরও ভালো করতে উৎসাহ দেবে।" উপস্থিত অভিভাবকরা স্কুল কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানান। তাঁদের বক্তব্য, "সারদা শিশু তীর্থ শুধু পড়াশোনা নয়, ছাত্রছাত্রীদের নৈতিক শিক্ষাও দেয়। তাই আমরা নিশ্চিন্ত।" অনুষ্ঠান শেষে সকলের মধ্যে প্রসাদ বিতরণ করা হয়।1