ঘরের সিলিং থেকে ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার ৪২ বছরের মহিলার, তদন্তে বলরামপুর থানার পুলিশ বৃহস্পতিবার বলরামপুর থানার ঘাটবেড়া গ্রাম থেকে এক মহিলার ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করল বলরামপুর থানার পুলিশ। মৃতার নাম লক্ষী মণ্ডল বয়স আনুমানিক ৪২। তাঁর বাড়ি ঘাটবেড়া গ্রামেই। পরিবার সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১১টা নাগাদ বাড়ির সদস্যরা ঘরের সিলিং থেকে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় তাঁকে ঝুলতে দেখতে পান। ঘটনাটি সামনে আসতেই ঘাটবেড়া এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়রা খবর দিলে বলরামপুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিবারের সদস্য ও গ্রামবাসীদের উপস্থিতিতে দেহটি উদ্ধার করে। পরে দুপুর নাগাদ দেহটি বলরামপুর বাঁশগড় গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক পরীক্ষা করে লক্ষী মণ্ডলকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। কি কারণে এই ঘটনা ঘটল তা এখনও স্পষ্ট নয়। এটি আত্মহত্যা নাকি অন্য কোনো কারণ রয়েছে, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছে বলরামপুর থানার পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আগামীকাল দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হবে।
ঘরের সিলিং থেকে ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার ৪২ বছরের মহিলার, তদন্তে বলরামপুর থানার পুলিশ বৃহস্পতিবার বলরামপুর থানার ঘাটবেড়া গ্রাম থেকে এক মহিলার ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করল বলরামপুর থানার পুলিশ। মৃতার নাম লক্ষী মণ্ডল বয়স আনুমানিক ৪২। তাঁর বাড়ি ঘাটবেড়া গ্রামেই। পরিবার সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১১টা নাগাদ বাড়ির সদস্যরা ঘরের সিলিং থেকে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় তাঁকে ঝুলতে দেখতে পান। ঘটনাটি সামনে আসতেই ঘাটবেড়া এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়রা খবর দিলে বলরামপুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিবারের সদস্য ও গ্রামবাসীদের উপস্থিতিতে দেহটি উদ্ধার করে। পরে দুপুর নাগাদ দেহটি বলরামপুর বাঁশগড় গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক পরীক্ষা করে লক্ষী মণ্ডলকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। কি কারণে এই ঘটনা ঘটল তা এখনও স্পষ্ট নয়। এটি আত্মহত্যা নাকি অন্য কোনো কারণ রয়েছে, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছে বলরামপুর থানার পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আগামীকাল দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হবে।
- পুরুলিয়ার বলরামপুর থানার গোশালা রোড সংলগ্ন ষোলআনা দুর্গা মন্দির এলাকায় এক দুঃসাহসিক চুরির ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অভিযোগ, গত সোমবার বাড়ির মালিক শম্ভুনাথ সাউ সপরিবারে জয়পুরে একটি বিয়ে বাড়িতে গিয়েছিলেন। বুধবার সকালে বাড়ি ফিরে তারা দেখেন, ঘরের দরজার নিচ থেকে ইট সরিয়ে গর্ত খুঁড়ে ঘরে ঢুকেছে দুষ্কৃতীরা। ভুক্তভোগী শম্ভুনাথ সাউ জানান, চোরেরা ঘরের ভেতরে ঢুকে আলমারি ও বাক্সের তালা ভেঙে নগদ ১৬ হাজার টাকা, দুটি জমির দলিল এবং প্রায় লক্ষাধিক টাকার সোনার গয়না নিয়ে চম্পট দেয়। চুরি হওয়া গয়নার মধ্যে রয়েছে তার মায়ের আমলের পুরোনো সোনার কানপাশা, মোটা পায়ের তোড়া এবং একটি সোনার হার। পেশায় ঝালমুড়ি বিক্রেতা শম্ভুনাথ বাবু জানান, এর আগেও তার বাড়ি থেকে ব্রোঞ্জের থালা সহ অন্যান্য সামগ্রী চুরির ঘটনা ঘটেছিল। এই ঘটনায় তিনি বলরামপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি। সর্বস্ব হারিয়ে পরিবারটি এখন প্রশাসনের কাছে দ্রুত দোষীদের শাস্তি ও খোয়া যাওয়া সম্পত্তি উদ্ধারের দাবি জানিয়েছেন।1
- পুরুলিয়ায় ফের এসটিএফের হানা! পুরুলিয়া শহরের দশেরবাঁধ এলাকায় শোরগোল। সুশীলা আধিয়ার বন্ধ বন্দুক দোকানে রাজ্য পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (STF)-এর মেগা অভিযান। কয়েক মাস আগে অবৈধ অস্ত্র কেনাবেচার অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছিলেন মালিক, আজ সেই বন্ধ দোকান থেকেই উদ্ধার হলো সমস্ত বন্দুক! পুরুলিয়া শহরের বুকে এই ঘটনা নিয়ে এখন তুঙ্গে জল্পনা। দেখুন বিস্তারিত প্রতিবেদন...1
- Post by Amjad Khan1
- পুরুলিয়ার পাড়া থানার সামনে পাড়া বিধানসভার বিজেপি বিধায়ক নদীয়ার চাঁদ বাউরি অবস্থান ধর্না ।তার অভিযোগ বিজেপির কার্য কর্তাদের ও সনাতনীদের নামে পুলিশ মিথ্যা মামলা দিচ্ছে কেন তার বিচার চাই। এছাড়াও একাধিক অভিযোগ তুলে বিধায়ক পাড়া থানার সামনে অবস্থান ধর্না1
- শুক্রবার ধর্মঘট করলে কী কী ক্ষতি হতে পারে? বিস্তারিত জানালেন সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের সেনাপতি ভাস্কর ঘোষ, দেখুন ভিডিও।1
- পুরুলিয়া শহরের দশেরবাঁধ এলাকায় একটি বন্দুক দোকানে অভিযান চালিয়ে বন্ধ বন্দুক দোকানে থেকে সমস্ত বন্দুক উদ্ধার করে নিয়ে যায় এসটিএফ আজ বৃহস্পতিবার । জিজ্ঞাসাবাদ চালানো হয় দোকানের মালিককে । ঘটনায় শোরগোল পড়ে যায় শহর পুরুলিয়ায়। সূত্রের খবর, দশেরবাঁধ এলাকায় একটি পুরোনো বন্দুক দোকান ছিল পুরুলিয়া শহরের বাসিন্দা সুশীলা অধিয়ার। গত কয়েকমাস আগে অবৈধ বন্দুক কেনাবেচার সূত্র ধরে এসটিএফ পুরুলিয়া শহরের ওই দোকানে হানা দিয়ে সুশীলা আধিয়াকে গ্রেফতার করে। এবার ফের ওই পুরোনো বন্দুকের দোকানে হানা দেয় এসটিএফ। ঘটনার চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে পুরুলিয়া শহরে1
- Post by গ্রাম বাংলার খবরা খবর1
- আগামী ১৪ মার্চ অমৃত ভারত প্রকল্পের ভার্চুয়াল উদ্বোধন করবেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী Narendra Modi। সেই প্রকল্পের আওতায় থাকা বরাভূম রেলস্টেশনের কাজের অগ্রগতি খতিয়ে দেখতে বুধবার দুপুর নাগাদ স্টেশন পরিদর্শনে আসেন সাউথ ইস্টার্ন রেলের এজিএম সৌমিত্র মজুমদার। উল্লেখ্য, কয়েকদিন আগেই স্টেশন পরিদর্শনে এসেছিলেন আদ্রা ডিভিশনের ডিআরএম। বুধবারের এই পরিদর্শনের সময় স্টেশন চত্বর ও চলমান কাজ ঘুরে দেখেন রেলের এজিএম। এদিকে পরিদর্শনের সময় স্থানীয় বাসিন্দারা। রাঙাডি রেলগেটের দীর্ঘদিনের সমস্যার কথা তুলে ধরেন। তাদের দাবি, রেলগেট বন্ধ থাকলে অনেক সময় প্রায় ১ ঘণ্টা ৪৫ মিনিট পর্যন্ত দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। ফলে নিত্যযাত্রী ও সাধারণ মানুষের চরম ভোগান্তি হচ্ছে। সমস্যার স্থায়ী সমাধানে ওই জায়গায় আন্ডারপাস বা ওভারব্রিজ নির্মাণের দাবি জানান তারা। তবে এই পরিদর্শন ঘিরে কিছুটা ক্ষোভও প্রকাশ করেছেন স্থানীয়দের একাংশ। তাদের অভিযোগ, রেল আধিকারিকরা বারবার এলেও বাস্তবে তেমন কোনো কাজ এগোচ্ছে না। শুধু পরিদর্শন করে ছবি তুলে চলে যাওয়া ছাড়া আর কিছু হচ্ছে না বলেও দাবি করেন তারা। এই প্রসঙ্গে রেলের এজিএম সৌমিত্র মজুমদার জানান, আগামী শনিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী অমৃত ভারত প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন। তিনি বলেন, স্টেশনের কিছু কাজ ভালোভাবে সম্পন্ন হয়েছে, আবার কিছু কাজ এখনও বাকি রয়েছে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে তিন নম্বর লাইন তৈরির পরিকল্পনার কথাও উল্লেখ করেন তিনি। তিনি আরও জানান, বিভিন্ন সময় প্রযুক্তিগত সমস্যার কারণে রেলগেট সংক্রান্ত কাজ সম্পূর্ণ করা যায়নি। তবে প্রয়োজনীয় অনুমোদন হয়ে গেলে কাজ শেষ করা হবে বলেও আশ্বাস দেন রেল আধিকারিক। এই বিষয়ে বলরামপুর বিধানসভার বিধায়ক বানেশ্বর মাহাতো দাবি করেন, কেবলমাত্র জমে জোটের কারণে রেল দপ্তর থেকে সিটি করানো আছে, জেলাশাসক তোথা রাজ্য সরকারকে দশ বারেরও বেশি চিঠি করেছেন রাজ্য সরকার কোনো রকম কর্ণপাত করেনি। তিনি কটাক্ষ করে বলেন টিএমসি নেতাদেরকে বলবো এখানে রাজনীতি না করে মানুষের সুবিধা ও অসুবিধা আপনারা অনুধাবন করুন। অপরদিকে বলরামপুর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি কাল্লাবতী কুমার বলেন, যদি রাজ্য সরকার এনওসি না দেয়, তাহলে এতদিন কেন্দ্র সরকার বিষয়টি নিয়ে উদ্যোগ নেয়নি কেন। এখন ভোটের সময় এসে বিষয়টি সামনে আনা হচ্ছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন। তিনি জানান, বিষয়টি তিনি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানাবেন। তবে এলাকাবাসীর প্রশ্ন, তারা কি শুধুই ভোট দেওয়ার জন্য রয়ে গেছে, নাকি তাদের দীর্ঘদিনের সমস্যা সত্যিই সমাধান হবে। এখন রাঙাডি এলাকার মানুষ তাকিয়ে আছে রাজ্য ও কেন্দ্র সরকারের দিকে—কবে এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান হয়।বিরো রিপোর্ট বলরামপুর টিভি1