Shuru
Apke Nagar Ki App…
মুষলদরে বৃষ্টি সঙ্গে ঝোড়ো হাওয়া বিশপুর,,,,,, 🌧️🌧️🌧️🌧️🌧️🌧️ হিঙ্গলগঞ্জ,,,,
Mannan Karikar
মুষলদরে বৃষ্টি সঙ্গে ঝোড়ো হাওয়া বিশপুর,,,,,, 🌧️🌧️🌧️🌧️🌧️🌧️ হিঙ্গলগঞ্জ,,,,
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- বিপ্রদাসপুর অঞ্চলের কাজের মানুষ,কাছের মানুষ, যিনি সবসময়ে মানুষের আপদে-বিপদে থাকেন তিনি অঞ্চলের সভাপতি ডাঃ অমরেশ মন্ডল,উনার একান্ত প্রচেষ্টায় এবং ৫৪নং বুথের পঞ্চায়েত মানস কুমার মন্ডলের উদ্দোগে আজ অর্থাৎ ১২-০৩-২০২৬ বৃহস্পতিবার ৫৪নং বুথে স্বর্গীয় তুলসী গায়েন মহাশয়ের স্কুল সন্নিকটে সাবমার্সাল উদ্বোধন অনুষ্ঠানের কিছু মূহূর্ত,,,,,,,,,,,1
- উত্তর ২৪ পরগনা জেলার হাবড়া থানার অন্তর্গত কুমড়া বাজার এলাকায় ভোটের আগে রাজনৈতিক তৎপরতা ক্রমেই বাড়ছে। সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করতে এবং কর্মীদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ বজায় রাখতে এবার নতুন তৃণমূল কংগ্রেসের পার্টি কার্যালয় উদ্বোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। জানা গেছে, খুব শীঘ্রই কুমড়া বাজার এলাকায় এই নতুন পার্টি অফিসের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন কুমড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি চন্দন ঘোষ। স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের মতে, এই কার্যালয় শুধু দলীয় কর্মকাণ্ড পরিচালনার কেন্দ্র হিসেবেই নয়, সাধারণ মানুষের সমস্যা শোনার ক্ষেত্র হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। দলীয় সূত্রে খবর, ভোটের আগে সংগঠনকে বুথ স্তর পর্যন্ত আরও মজবুত করতে একাধিক কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। নতুন এই পার্টি অফিস সেই পরিকল্পনারই একটি অংশ। উদ্বোধনের দিন এলাকায় দলীয় কর্মী-সমর্থকদের ব্যাপক উপস্থিতি থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব জানিয়েছেন, এই কার্যালয় থেকে এলাকার উন্নয়নমূলক কাজ, সরকারি প্রকল্পের সুবিধা মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া এবং সংগঠনের কার্যক্রম আরও গতিশীল করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। পাশাপাশি সাধারণ মানুষের বিভিন্ন সমস্যা ও দাবি নিয়ে আলোচনা করার জন্যও এই অফিস একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হয়ে উঠবে বলে মনে করছেন দলীয় কর্মীরা। ভোট যতই এগিয়ে আসছে, ততই হাবড়া বিধানসভা এলাকায় রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়ছে। তারই মাঝে কুমড়া বাজারে নতুন তৃণমূল কংগ্রেসের পার্টি কার্যালয় উদ্বোধনকে ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।1
- Post by সমকাল কথা1
- Post by মোমিন আলি লস্কর1
- Post by BARUIPUR UPDATE1
- নলের সিটির ডিজাইন প্রকাশ করলেন পীরজাদা আব্বাস সিদ্দিকী ভাইজান সম্পূর্ণ তৈরি হলে নলেজ সিটি কেমন হবে দেখে নিন কোম্পানির ডিজাইন টা বানিয়ে ভাইজান এর কাছে দিয়েছি #News#Jiotvnews1
- মধ্যপ্রাচ্যে চলতে থাকা যুদ্ধ পরিস্থিতির জেরে গোটা দেশজুড়ে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তার আবহ। আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দামের ওঠানামা এবং সরবরাহ ব্যবস্থায় চাপ পড়ার আশঙ্কায় সাধারণ মানুষের মধ্যে ধীরে ধীরে বাড়তে শুরু করে উদ্বেগ। তারই প্রভাব পড়তে শুরু করে গৃহস্থের রান্নাঘরেও। এলপিজি গ্যাস পাওয়া নিয়ে বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে আশঙ্কা—কোথাও আবার গ্যাসের কৃত্রিম সংকট তৈরি হতে পারে বলেও গুঞ্জন শুরু হয়। এই পরিস্থিতিতে স্বাভাবিকভাবেই প্রথম দিকে আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয় সাধারণ মানুষের মধ্যে। অনেকেই দ্রুত গ্যাস বুকিং করতে শুরু করেন, কেউ কেউ আবার বাড়তি সিলিন্ডার মজুত করার কথাও ভাবতে থাকেন। ফলে পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়তে থাকে বিভিন্ন এলাকায়। তবে সেই আতঙ্ক কাটাতে দ্রুত সক্রিয় হয় প্রশাসন। কোথাও যাতে কৃত্রিমভাবে গ্যাসের সংকট তৈরি না হয়, সেদিকে কড়া নজরদারি শুরু করা হয়। এরই অংশ হিসেবে আজ সকালে আচমকাই উত্তর ২৪ পরগনার গাইঘাটা ব্লকের আঙ্গ্রাইল এলাকায় একটি এইচপি গ্যাস ডিস্ট্রিবিউটরের অফিসে পরিদর্শনে যান গাইঘাটা থানার আইসি শুভাশিস দত্ত। ডিস্ট্রিবিউটরের অফিসে পৌঁছে তিনি গ্যাসের বর্তমান মজুত, স্টক রেজিস্টার, কম্পিউটার রেকর্ড এবং গোডাউনের অবস্থা খতিয়ে দেখেন। পাশাপাশি গ্যাস সরবরাহের পুরো প্রক্রিয়া নিয়েও বিস্তারিত খোঁজখবর নেন তিনি। আইসি শুভাশিস দত্ত ডিলারদের স্পষ্টভাবে নির্দেশ দেন, যাতে কোনওভাবেই গ্যাস সরবরাহে বিঘ্ন না ঘটে এবং সাধারণ মানুষ সময়মতো সিলিন্ডার পেয়ে যান। কৃত্রিম সংকট তৈরি করার কোনও চেষ্টা হলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেন তিনি। প্রশাসনের এই তৎপরতায় স্বস্তি পেয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাদের মতে, এই ধরনের আকস্মিক পরিদর্শন চলতে থাকলে গ্যাস নিয়ে অযথা আতঙ্ক বা কৃত্রিম সংকট তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা অনেকটাই কমে যাবে। সাধারণ মানুষের আশা, প্রশাসনের এই নজরদারি অব্যাহত থাকলে এলপিজি গ্যাসের সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে এবং রান্নাঘরের চুলাও জ্বলতে থাকবে নিরবচ্ছিন্নভাবেই।1
- Post by সমকাল কথা1
- দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার ক্যানিং পশ্চিম বিধানসভা কেন্দ্রের নারায়ণপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ৮ নম্বর বুথের সদস্যা সুপর্ণা সরদারের উদ্যোগে এলাকায় উন্নয়নের একাধিক কাজ হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে মানুষের পাশে থেকে তিনি বিভিন্ন সরকারি প্রকল্প পৌঁছে দেওয়ার কাজ করছেন বলে জানালেন। সদস্যা সুপর্ণা সরদার জানান, তিনি ২০১১ সাল থেকে রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত এবং এর আগেও এই ৮ নম্বর বুথের সদস্যা হিসেবে কাজ করেছেন। তিনি বলেন, মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের বিভিন্ন জনমুখী প্রকল্প সাধারণ মানুষের হাতে তুলে দেওয়ার জন্য তিনি নিরলসভাবে কাজ করে চলেছেন। তার কথায়, রাস্তা, বিদ্যুৎ, পানীয় জল থেকে শুরু করে বাংলার বাড়ি—প্রায় সব ক্ষেত্রেই উন্নয়নের কাজ হয়েছে। ইতিমধ্যে তার বুথে ১৫০টিরও বেশি পরিবারকে বাংলার বাড়ি দেওয়া হয়েছে। অধিকাংশ কাঁচা রাস্তা এখন ঢালাই রাস্তা হয়ে গেছে, ফলে সাধারণ মানুষের যাতায়াতে আর কোনও সমস্যা নেই। পাশাপাশি এলাকায় পানীয় জলেরও সুব্যবস্থা করা হয়েছে এবং বিদ্যুৎ সংযোগ প্রায় প্রতিটি বাড়িতে পৌঁছে গেছে। এছাড়াও মুখ্যমন্ত্রীর বিভিন্ন সামাজিক প্রকল্প যেমন লক্ষ্মীর ভান্ডার, স্বাস্থ্য সাথী, কন্যাশ্রী, রূপশ্রী প্রভৃতি প্রকল্প মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার কাজও হয়েছে। সুপর্ণা সরদার জানান, তার বুথের প্রায় প্রতিটি যোগ্য মহিলা লক্ষ্মীর ভান্ডার পাচ্ছেন। যাদের ব্যাংক সংক্রান্ত সমস্যা রয়েছে বা যাদের বয়স ২৫ বছরের নিচে, তারা এখনও এই সুবিধা পাচ্ছেন না। বুথে একটি অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র ও একটি স্বাস্থ্যকেন্দ্রও রয়েছে, যা এলাকার মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ পরিষেবা দিচ্ছে। সুপর্ণা সরদার আরও বলেন, এই সমস্ত উন্নয়নের পিছনে নারায়ণপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান সালাউদ্দিন সরদারের বড় ভূমিকা রয়েছে। তার নেতৃত্ব এবং উন্নয়নের চিন্তাভাবনার ফলেই এলাকায় এত কাজ সম্ভব হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। তার কথায়, “প্রধান সালাউদ্দিন সরদার আমাদের কাছে একজন সেনাপতির মতো। আমরা সবাই তার সহযোগী হয়ে মানুষের জন্য কাজ করছি।”1