Shuru
Apke Nagar Ki App…
পশ্চিমবঙ্গের পূর্ব বর্ধমান জেলার জামালপুরে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) কর্মীরা জামালপুর থানা ঘেরাও করে তুমুল বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছেন। এই প্রতিবাদ কর্মসূচির সময় পুলিশকে 'তৃণমূলের দালাল' আখ্যা দিয়ে তীব্র ভর্ৎসনা করা হয়।
Bardhaman Tv
পশ্চিমবঙ্গের পূর্ব বর্ধমান জেলার জামালপুরে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) কর্মীরা জামালপুর থানা ঘেরাও করে তুমুল বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছেন। এই প্রতিবাদ কর্মসূচির সময় পুলিশকে 'তৃণমূলের দালাল' আখ্যা দিয়ে তীব্র ভর্ৎসনা করা হয়।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- পূর্ব বর্ধমান জেলার কাটোয়া ২ ব্লকের সিঙ্গি অঞ্চলের পেকুয়াগ্রামের বাসিন্দা ২০ বছর বয়সী সুকুর আলী মল্লিক কেরলে কাজ করতে গিয়ে প্রায় আট মাস ধরে নিখোঁজ রয়েছেন। গত ৫ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে সকাল প্রায় ১০টা নাগাদ বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর থেকে তাঁর আর কোনো খোঁজ মেলেনি, যা নিয়ে পরিবার চরম উদ্বেগে রয়েছে। নিখোঁজ সুকুর আলী মল্লিকের উচ্চতা প্রায় ৫ ফুট ৬ ইঞ্চি, গায়ের রং শ্যামবর্ণ, গঠন রোগা এবং ওজন প্রায় ৬০ কেজি। নিখোঁজ হওয়ার সময় তাঁর পরনে ছিল টি-শার্ট ও জিন্স প্যান্ট। তাঁর বাবা মফিজুল মল্লিক এবং মা আলেয়া বিবি বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেও ছেলের কোনো সন্ধান পাননি। এরপর তাঁরা কাটোয়া থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি দায়ের করেছেন। পরিবারের সদস্যরা গভীর দুশ্চিন্তায় রয়েছেন যে তাঁদের ছেলে কোনো অ-সৎ ব্যক্তির হাতে পড়েছে কিনা। তাঁর মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় যোগাযোগ করাও সম্ভব হচ্ছে না। পাড়া-প্রতিবেশীরা সকলের কাছে আবেদন জানিয়েছেন যে, যদি কোনো ব্যক্তি সুকুর আলী মল্লিকের সন্ধান পান, তবে তাঁরা যেন পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে 7034095265 নম্বরে যোগাযোগ করেন। পরিবারটি এই কঠিন সময়ে চরম দুশ্চিন্তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে এবং বাবা-মা প্রার্থনা করছেন যে যত দ্রুত সম্ভব তাঁদের ছেলে সুকুর আলী মল্লিকের খোঁজ মিলুক এবং সে সুস্থভাবে তাঁদের কাছে ফিরে আসুক। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্য বিরাজ করছে।2
- পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের একটি স্কুলে একটি বন্ধ ঘর থেকে বিপুল পরিমাণ কোটি কোটি টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, উদ্ধার হওয়া এই অর্থের পাশাপাশি আরও কিছু জিনিস পাওয়া গেছে বলে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে, তবে সে সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য এখনো জানা যায়নি।1
- হুগলির আরামবাগ বাসস্ট্যান্ড চত্বরে একটি জুতোর দোকানে দুঃসাহসিক চুরির ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। দোকানের মালিকের অভিযোগ অনুযায়ী, দুইজন ব্যক্তি ক্রেতা সেজে দোকানে আসে এবং প্রথমে জুতো নিয়ে দামদর করতে থাকে। কিছু সময় পর তাদের মধ্যে একজন হঠাৎ করে একটি জুতো নিয়ে পালিয়ে যায়। এই সুযোগে পাশে থাকা অন্য ব্যক্তি দোকানের মালিককে বিভ্রান্ত করে বলে যে, তার একটি জুতো নিয়ে পালিয়ে গেছে এবং এই জুতোটি তারা ফেলে গেছে। দোকানের মালিক সেই ব্যক্তির কথায় বিশ্বাস করে তাকে সঙ্গে নিয়ে দোকানের বাইরে জুতোটি আনতে যান। এই সুযোগ বুঝে দুষ্কৃতীরা দোকানে ঢুকে ক্যাশবাক্স ভেঙে সমস্ত টাকা নিয়ে চম্পট দেয়। দোকান মালিক ফিরে এসে দেখেন ক্যাশবাক্স ভাঙা এবং প্রায় ১১ হাজার টাকা উধাও। ঘটনার খবর আরামবাগ থানার পুলিশকে জানানো হয়েছে এবং পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। অসহায় দোকান মালিক জানিয়েছেন যে তিনি একজন গরিব মানুষ এবং প্রতিদিনের উপার্জনেই তার সংসার চলে। তিনি দ্রুত টাকা উদ্ধারের আর্জি জানিয়েছেন।1
- পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তত্ত্বাবধানে ছাতনা অডিটোরিয়াম হলে একটি জনকল্যাণ শিবির আয়োজিত হয়েছে। এই শিবিরে জনগণের কল্যাণের জন্য বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।1
- একসময় যে 'পুষ্পা' 'ঝুকেগা নেহি' বলে নিজেকে অটল প্রমাণ করেছিল, আজ সেই 'পুষ্পাকে' ফলতা এলাকায় সকাল-বিকাল মাথা নিচু করিয়ে, হাফপ্যান্ট পরিয়ে এবং কোমরে দড়ি বেঁধে ঘোরানো হচ্ছে। এই ঘটনাটি তার পূর্বের দৃপ্ত প্রতিজ্ঞার সম্পূর্ণ বিপরীত চিত্র তুলে ধরছে, যেখানে তাকে চরম অপদস্থ ও অসম্মানিত করা হচ্ছে।1
- হুগলি জেলা পরিষদের প্রাক্তন কর্মাধ্যক্ষ মানিক দাসকে সিঙ্গুর থানার পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে।1
- সাধারণ মানুষের তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিবাদের জেরে চন্দ্রকোণা রোড সেন্ট্রাল বাসস্ট্যান্ডে থাকা রাজ্য সরকারের প্রতীক 'বিশ্ব বাংলা' লোগোটি সরিয়ে ফেলা হয়েছে।1
- ভাতারের বড়বেলুন গ্রামের বিজেপি কর্মীরা অভিযোগ করেছেন যে, ২০১৬ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত তৃণমূল কংগ্রেস তাদের উপর ব্যাপক অত্যাচার চালিয়েছে। অভিযোগকারীদের দাবি, আবাস যোজনার বাড়ি পাইয়ে দেওয়ার নামে জোর করে টাকা নেওয়া হয়েছে, ঘরছাড়াদের বাড়িতে ফিরিয়ে দেওয়ার নাম করে বিজেপি কর্মীদের কাছ থেকে জরিমানা আদায় করা হয়েছে এবং কর্মীদের মারধরও করা হয়েছে। এই সমস্ত অভিযোগের নিষ্পত্তির দাবি নিয়ে বড়বেলুন গ্রামের শতাধিক গ্রামবাসী ভাতার থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। বিজেপি নেতা রাজকুমার হাজরা জানান যে, ২০১৬ সাল থেকে ভাতার থানায় এবং প্রশাসনের কাছে একাধিকবার অভিযোগ জানানো হলেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, বর্তমানে রাজ্যে বিজেপি সরকার প্রতিষ্ঠিত হওয়ায় তারা এই সরকারের প্রতি আস্থাশীল এবং আশা করেন যে পুলিশ দোষীদের গ্রেপ্তার করবে। গ্রামবাসীরা আবাস যোজনার টাকা ফেরত, কাটমানি টাকা ফেরত এবং বিজেপি কর্মীদের কাছ থেকে আদায় করা জরিমানা ফেরত পাওয়ার পাশাপাশি, এই সমস্ত কাজের জন্য দায়ী তৃণমূল নেতৃত্বকে অবিলম্বে গ্রেপ্তারের দাবিতে সরব হয়েছেন।1