পাঁশকুড়া:রক্তের দালালরাজ বন্ধ করতে এবার পথে দুর্নীতি দমন শাখা,রক্ত বিক্রির চক্রে এবার নাম জড়াল সরকারি হাসপাতালের ব্লাড ব্যাঙ্কের,গ্রেফতার পাঁশকুড়া সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের ৩ ল্যাব টেকনিশিয়ান *রক্তের দালালরাজ বন্ধ করতে এবার পথে দুর্নীতি দমন শাখা,রক্ত বিক্রির চক্রে এবার নাম জড়াল সরকারি হাসপাতালের ব্লাড ব্যাঙ্কের,গ্রেফতার পাঁশকুড়া সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের ৩ ল্যাব টেকনিশিয়ান* হাসপাতালের তিন ল্যাব টেকনিশিয়ানকে গ্রেফতার করেছে ACB। কয়েকদিন আগে রোগী ও তাঁদের পরিজনদের কাছে বেআইনিভাবে রক্ত বিক্রির অভিযোগে এক দালালকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। সেই ঘটনার তদন্তে উঠে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য। তদন্তে জানা যায়, ওই দালাল-সহ আরও কয়েকজন দালালের সঙ্গে হাসপাতালের তিন ল্যাব টেকনিশিয়ানের একটি অনৈতিক যোগসাজশ তৈরি হয়েছিল। অভিযোগ, অল্প সময়ের মধ্যেই UPI-এর মাধ্যমে ওই তিন টেকনিশিয়ানের অ্যাকাউন্টে প্রায় ১ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা লেনদেন হয়। তদন্তকারীদের দাবি, বিভিন্ন ক্লাব ও সংগঠনের আয়োজিত রক্তদান শিবির থেকে দালালরা মাত্র ১০০ থেকে ১৫০ টাকা দিয়ে রক্তদাতার কার্ড কিনত। সেই কার্ড ব্যবহার করে ব্লাড ব্যাংক থেকে বিনামূল্যে রক্ত সংগ্রহ করা হতো। পরে সেই রক্তই রোগী ও তাঁদের পরিজনদের কাছে টাকা নিয়ে বিক্রি করা হয়েছে বলে অভিযোগ। অভিযোগ আরও, রোগী ও তাঁদের পরিবারের কাছ থেকে নেওয়া টাকা দালাল এবং সংশ্লিষ্ট ল্যাব টেকনিশিয়ানদের মধ্যে ভাগ হয়ে যেত। ঘটনার তদন্তে ইতিমধ্যেই তিন ল্যাব টেকনিশিয়ানকে গ্রেফতার করেছে ACB। এই চক্রের সঙ্গে আর কারা জড়িত এবং রক্ত সংগ্রহ ও বিক্রির ক্ষেত্রে আরও কোনও অনিয়ম হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই প্রসঙ্গে হাসপাতালে সুপার ডক্টর কৌশিক ঢল বলেন, পাঁশকুড়া সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের ব্লাড ব্যাংক সংক্রান্ত অভিযোগের তদন্তে দুর্নীতি দমন শাখা তিন কর্মী—সুব্রত দাস, মান্তু দাস ও নজরুল ইসলামকে ডেকে পাঠায়। মঙ্গলবারও তাঁরা তদন্তকারী সংস্থার কাছে গিয়েছেন বলে জানান হাসপাতাল সুপার। সংবাদমাধ্যম মারফত তাঁদের আটক বা গ্রেফতারের খবর পেলেও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে এখনও কোনও সরকারি যোগাযোগ আসেনি।
পাঁশকুড়া:রক্তের দালালরাজ বন্ধ করতে এবার পথে দুর্নীতি দমন শাখা,রক্ত বিক্রির চক্রে এবার নাম জড়াল সরকারি হাসপাতালের ব্লাড ব্যাঙ্কের,গ্রেফতার পাঁশকুড়া সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের ৩ ল্যাব টেকনিশিয়ান *রক্তের দালালরাজ বন্ধ করতে এবার পথে দুর্নীতি দমন শাখা,রক্ত বিক্রির চক্রে এবার নাম জড়াল সরকারি হাসপাতালের ব্লাড ব্যাঙ্কের,গ্রেফতার পাঁশকুড়া সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের ৩ ল্যাব টেকনিশিয়ান* হাসপাতালের তিন ল্যাব টেকনিশিয়ানকে গ্রেফতার করেছে ACB। কয়েকদিন আগে রোগী ও তাঁদের পরিজনদের কাছে বেআইনিভাবে রক্ত বিক্রির অভিযোগে এক দালালকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। সেই ঘটনার তদন্তে উঠে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য। তদন্তে জানা যায়, ওই দালাল-সহ আরও কয়েকজন দালালের সঙ্গে হাসপাতালের
তিন ল্যাব টেকনিশিয়ানের একটি অনৈতিক যোগসাজশ তৈরি হয়েছিল। অভিযোগ, অল্প সময়ের মধ্যেই UPI-এর মাধ্যমে ওই তিন টেকনিশিয়ানের অ্যাকাউন্টে প্রায় ১ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা লেনদেন হয়। তদন্তকারীদের দাবি, বিভিন্ন ক্লাব ও সংগঠনের আয়োজিত রক্তদান শিবির থেকে দালালরা মাত্র ১০০ থেকে ১৫০ টাকা দিয়ে রক্তদাতার কার্ড কিনত। সেই কার্ড ব্যবহার করে ব্লাড ব্যাংক থেকে বিনামূল্যে রক্ত সংগ্রহ করা হতো। পরে সেই রক্তই রোগী ও তাঁদের পরিজনদের কাছে টাকা নিয়ে বিক্রি করা হয়েছে বলে অভিযোগ। অভিযোগ আরও, রোগী ও তাঁদের পরিবারের কাছ থেকে নেওয়া টাকা দালাল এবং সংশ্লিষ্ট ল্যাব টেকনিশিয়ানদের মধ্যে
ভাগ হয়ে যেত। ঘটনার তদন্তে ইতিমধ্যেই তিন ল্যাব টেকনিশিয়ানকে গ্রেফতার করেছে ACB। এই চক্রের সঙ্গে আর কারা জড়িত এবং রক্ত সংগ্রহ ও বিক্রির ক্ষেত্রে আরও কোনও অনিয়ম হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই প্রসঙ্গে হাসপাতালে সুপার ডক্টর কৌশিক ঢল বলেন, পাঁশকুড়া সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের ব্লাড ব্যাংক সংক্রান্ত অভিযোগের তদন্তে দুর্নীতি দমন শাখা তিন কর্মী—সুব্রত দাস, মান্তু দাস ও নজরুল ইসলামকে ডেকে পাঠায়। মঙ্গলবারও তাঁরা তদন্তকারী সংস্থার কাছে গিয়েছেন বলে জানান হাসপাতাল সুপার। সংবাদমাধ্যম মারফত তাঁদের আটক বা গ্রেফতারের খবর পেলেও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে এখনও কোনও সরকারি যোগাযোগ আসেনি।
- खड़गपुर में लगातार हो रही छिनतई का बड़ा खुलासा, 3 सदस्यीय गिरोह गिरफ्तार,छह छिनतई मामलों का खुलासा, छह सोने की हार बरामद; चोरी के गहने खरीदने वाला भी गिरफ्तार। #policebigacchivement : खड़गपुर में लगातार हो रही छिनतई का बड़ा खुलासा, 3 सदस्यीय गिरोह गिरफ्तार,छह छिनतई मामलों का खुलासा, छह सोने की हार बरामद; चोरी के गहने खरीदने वाला भी गिरफ्तार। #kharagpurtownpolice #paschimmedinipurdistrictpolice #arrest3membergang #6goldchainrecover1
- চিনির দাম ৪৮ থেকে ৭৫ টাকা! কালোবাজারি রুখতে ঘাটালে প্রশাসনের অভিযান* *চিনির দাম ৪৮ থেকে ৭৫ টাকা! কালোবাজারি রুখতে ঘাটালে প্রশাসনের অভিযান* পশ্চিম মেদিনীপুর:** নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীর অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি ও কালোবাজারির অভিযোগের জেরে ফের সক্রিয় হল প্রশাসন। বুধবার ঘাটাল শহরের বিভিন্ন দোকান ও পাইকারি ব্যবসায়ীদের প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়ে চিনি ও ভোজ্য তেলের বিক্রয়মূল্য, মজুত এবং বাজারদর খতিয়ে দেখল প্রশাসনের বিশেষ দল। মহকুমা শাসক অনন্য জানার নেতৃত্বে এই অভিযান চলে। সম্প্রতি ঘাটাল শহর ও আশপাশের এলাকায় নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীর দোকানগুলিতে চিনি ও ভোজ্য তেলের দাম নিয়ে অভিযোগ উঠছিল। বিশেষ করে চিনির খুচরো বাজারদর আচমকাই বেড়ে যাওয়ায় সমস্যায় পড়েন সাধারণ ক্রেতারা। স্থানীয়দের অভিযোগ, কিছুদিন আগেও যে চিনি প্রায় ৪৮ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছিল, তা বিভিন্ন দোকানে ৭৫ টাকা পর্যন্ত দামে বিক্রি হতে দেখা যাচ্ছে। আচমকা এই মূল্যবৃদ্ধির কারণ নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। প্রশাসনের তরফে জানা যায়, পাইকারি বাজারে চিনির দাম তুলনামূলকভাবে নিয়ন্ত্রণে থাকার পরেও খুচরো বাজারে অতিরিক্ত দামে চিনি বিক্রির অভিযোগ সামনে এসেছে। ফলে কোথা থেকে এই মূল্যবৃদ্ধি হচ্ছে, কোথায় মজুত করা হচ্ছে এবং বাজারে প্রকৃতপক্ষে কী দামে সামগ্রী সরবরাহ করা হচ্ছে—তা খতিয়ে দেখতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। এদিন মহকুমা শাসক অনন্য জানার নেতৃত্বে প্রশাসনের আধিকারিকরা ঘাটাল শহরের একাধিক খুচরো দোকানে পৌঁছন। দোকানদারদের কাছে চিনি ও ভোজ্য তেল কত দামে কেনা হয়েছে এবং কত দামে ক্রেতাদের কাছে বিক্রি করা হচ্ছে, সেই সংক্রান্ত তথ্য জানতে চাওয়া হয়। পাশাপাশি দোকানে থাকা মজুত পণ্যের পরিমাণ ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্রও খতিয়ে দেখা হয়। শুধু খুচরো বাজার নয়, এদিন কয়েকটি পাইকারি ব্যবসায়ীর গোডাউনেও পৌঁছয় প্রশাসনের দল। সেখানে মজুত থাকা চিনি ও অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীর স্টক সরেজমিনে পরীক্ষা করা হয়। মজুতের সঙ্গে নথিভুক্ত তথ্যের সামঞ্জস্য রয়েছে কি না, তাও খতিয়ে দেখেন আধিকারিকরা। প্রশাসনের পক্ষ থেকে ব্যবসায়ীদের স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, মজুত ও বিক্রয় সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় তথ্য সরকারি পোর্টালে দ্রুত আপলোড করতে হবে। বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে অতিরিক্ত দামে নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী বিক্রি করা হচ্ছে কি না, তা নিয়মিত নজরদারির আওতায় রাখা হবে বলেও প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে। চিনির অস্বাভাবিক দাম বৃদ্ধির কারণে ইতিমধ্যেই সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। রান্নাঘরের নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীর দাম নিয়ন্ত্রণে না থাকলে মধ্যবিত্ত ও নিম্নআয়ের পরিবারগুলির উপর অতিরিক্ত আর্থিক চাপ পড়ছে বলে অভিযোগ ক্রেতাদের। প্রশাসনের এই অভিযানকে স্বাগত জানিয়েছেন সাধারণ ক্রেতারা। তাঁদের দাবি, একদিনের অভিযানেই যেন নজরদারি সীমাবদ্ধ না থাকে। নিয়মিত বাজার পরিদর্শন, মজুতের হিসাব যাচাই এবং অতিরিক্ত দামে পণ্য বিক্রির অভিযোগের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হলে তবেই বাজারে স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফিরবে। চিনি ও ভোজ্য তেলের পাশাপাশি আগামী দিনে অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীর বাজারদরও প্রশাসনের নজরদারির আওতায় আসবে কি না, এখন সেদিকেই নজর সাধারণ মানুষের।1
- পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার দাসপুরের গোবিন্দনগর (কালিবাজার) মার্কেটে সরজমিনে খতিয়ে দেখলেন মহকুমা প্রশাসন1
- বজবজ পৌরসভার ১৯ নং ওয়ার্ডের পৌরপিতার নামে ইডি দপ্তরে জমা পড়লো অভিযোগ এই মুহূর্তে সবচেয়ে বড় খবর বজবজ পৌরসভার ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের পৌরপিতা শেখ লুৎফর হোসেনের নামে এবার ইডি দপ্তরে বিস্ফোরক অভিযোগ! আবারো জানিয়ে রাখি বজবজ পৌরসভার ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের পৌরপিতা শেখ লুৎফর হোসেনের নামে এবার ইডি দপ্তরে বিস্ফোরক অভিযোগ! যেমনটা জানা যাচ্ছে তৃণমূল সরকারের আমলে পৌরপিতা থাকাকালীন লুৎফর হোসেন রাজনৈতিক ক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে কোটি কোটি টাকার দুর্নীতি এবং আয় বহির্ভূত সম্পত্তি করেছেন। আর তাই সেই অভিযোগ তুলে এবার ইডির দ্বারস্থ হলেন এলাকার এক বাসিন্দা। এমনকি স্থানীয় মানুষের এও দাবী পৌরপিতা থাকাকালীন জায়গা দখল করে বৈধ প্ল্যান ছাড়াই তিনি একটি বহুতল নির্মাণ করেছিলেন যেটি পরবর্তীতে আদালতের হস্তক্ষেপে ভেঙে ফেলতে হয়। পাশাপাশি ৪ ঠা মে নির্বাচনের গণনা চলাকালীন পৌরপিতা লুৎফর হোসেনকে বিজেপির পতাকা হাতে নিয়ে জয়ধ্বনি দিতেও দেখা যায় যেটি সোশাল মিডিয়ায় ভাইরালও হয়। তবে এই অভিযোগকে ঘিরে বজবজের রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে তীব্র চাঞ্চল্য। এ বিষয়ে বজবজ পৌরসভার পৌর পিতা লুৎফর হোসেনের সাথে টেলিফোনের মাধ্যমে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তার কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।1
- “জেলে যাব, লাঠি খাব, গুলি খাব, তবু দুর্নীতিগ্রস্ত সরকারকে উপড়ে ফেলব” — হুঙ্কার বিহারী ক্ষুদের “জেলে যাব, লাঠি খাব, গুলি খাব, তবু দুর্নীতিগ্রস্ত সরকারকে উপড়ে ফেলব” — হুঙ্কার বিহারী ক্ষুদের1
- অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা পেয়ে দাসপুরে মহিলাদের বিক্ষোভ, মিছিল বন্ধ হল, ৩০০০টাকা পেয়ে মহিলাদের মুখে চওড়া হাসি,তারা আনন্দে মিছিলে পায়ে পা মেলালেন অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা পেয়ে দাসপুরে মহিলাদের বিক্ষোভ, মিছিল বন্ধ হল, ৩০০০টাকা পেয়ে মহিলাদের মুখে চওড়া হাসি,তারা আনন্দে মিছিলে পায়ে পা মেলালেন1
- jorir kaj abostan khub sochunio ..ar jonno bangla cm sri suvendu Adhikari mohasoi koi abedon jorir kaj chahida onk kome jachha din din .. tar karon holo.. karigor ra thik thak mojuri paina .. oi jonno amder banglar basir bag karigor baire chole jai .. sarkar ar kacha amr abedon je jorir kaj ar jonno kichu yudeg nebr ..1
- #electricshock : खड़गपुर में बिजली के करंट से गाय की मौत, विद्युत विभाग की लापरवाही पर उठे गंभीर सवाल। #cowdeath #negligence #electricdepart #kharagpurnews9 #electricshock : खड़गपुर में बिजली के करंट से गाय की मौत, विद्युत विभाग की लापरवाही पर उठे गंभीर सवाल। #cowdeath #negligence #electricdepart #kharagpurnews91