স্বচ্ছ ভারত মিশন ও মিশন নির্মল বাংলা' প্রকল্পে বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে প্রায় ১৯ লক্ষ টাকা ব্যায়ে দু'দুটি 'মডেল' শৌচালয় তৈরীর বোর্ড লাগানো হলেও কাজের কাজ হয়নি স্বচ্ছ ভারত মিশন ও মিশন নির্মল বাংলা' প্রকল্পে বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে প্রায় ১৯ লক্ষ টাকা ব্যায়ে দু'দুটি 'মডেল' শৌচালয় তৈরীর বোর্ড লাগানো হলেও কাজের কাজ হয়নি। ওই দু'টি শৌচাগারের মধ্যে একটি হাসপাতালের আউটডোরের সামনে ও অন্যটি মূল গেটের সামনে হওয়ার কথা। বাঁকুড়া পৌরসভার তত্বাবধানে ১৯ নভেম্বর ২০২৫ এ কাজ শুরুর পর তা ৯০ দিনের মধ্যে শেষ করার কথা! কিন্তু কাজ শুরু তো দূরঅস্ত এক দানা নির্মাণ সামগ্রীও নামানো হয়নি বলে খবর। এমনকি সাড়ে ছ'লক্ষ টাকা ব্যায়ে পৌরসভার সামনে একটি শৌচাগারের কাজ সময় পেরিয়ে গেলেও শেষ হয়নি। আর যা নিয়ে ভোট আবহে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক বিতর্ক। গ্রামাঞ্চলে সরকারী প্রকল্পে বাড়ি তৈরীর জন্য বরাদ্দ ১ লক্ষ ২০ হাজার। সেখানে এই শৌচালয় তৈরীতে বরাদ্দ লেখা আছে প্রায় ১৯ লক্ষ, তারপরেও কাজ হয়নি! ওই বরাদ্দকৃত টাকা কেউ বা কারা আত্মসাৎ করেছে বলে তাঁরা অনেকে আশঙ্কাপ্রকাশ করছেন।
স্বচ্ছ ভারত মিশন ও মিশন নির্মল বাংলা' প্রকল্পে বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে প্রায় ১৯ লক্ষ টাকা ব্যায়ে দু'দুটি 'মডেল' শৌচালয় তৈরীর বোর্ড লাগানো হলেও কাজের কাজ হয়নি স্বচ্ছ ভারত মিশন ও মিশন নির্মল বাংলা' প্রকল্পে বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে প্রায় ১৯ লক্ষ টাকা ব্যায়ে দু'দুটি 'মডেল' শৌচালয় তৈরীর বোর্ড লাগানো হলেও
কাজের কাজ হয়নি। ওই দু'টি শৌচাগারের মধ্যে একটি হাসপাতালের আউটডোরের সামনে ও অন্যটি মূল গেটের সামনে হওয়ার কথা। বাঁকুড়া পৌরসভার তত্বাবধানে ১৯ নভেম্বর ২০২৫ এ কাজ শুরুর পর তা ৯০ দিনের মধ্যে শেষ করার কথা! কিন্তু কাজ শুরু তো দূরঅস্ত এক দানা নির্মাণ সামগ্রীও নামানো হয়নি বলে খবর। এমনকি সাড়ে ছ'লক্ষ টাকা ব্যায়ে পৌরসভার
সামনে একটি শৌচাগারের কাজ সময় পেরিয়ে গেলেও শেষ হয়নি। আর যা নিয়ে ভোট আবহে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক বিতর্ক। গ্রামাঞ্চলে সরকারী প্রকল্পে বাড়ি তৈরীর জন্য বরাদ্দ ১ লক্ষ ২০ হাজার। সেখানে এই শৌচালয় তৈরীতে বরাদ্দ লেখা আছে প্রায় ১৯ লক্ষ, তারপরেও কাজ হয়নি! ওই বরাদ্দকৃত টাকা কেউ বা কারা আত্মসাৎ করেছে বলে তাঁরা অনেকে আশঙ্কাপ্রকাশ করছেন।
- 'পাল্টানো দরকার, চাই বিজেপি সরকার' স্লোগানকে সামনে রেখে যখন বঙ্গ বিজয়ের স্বপ্ন দেখছে গেরুয়া শিবির, ঠিক তখনই একের পর এক 'বিক্ষুব্ধ' দলীয় কার্যকর্তার 'নির্দল' হিসেবে নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দিতার আসরে নেমে পড়ার খবরে চরম অস্বস্তিতে তাঁরা। দীর্ঘদিনের বিজেপি কার্যকর্তা হিসেবে পরিচিত কোতুলপুরের সমীর চালক এবার ওই কেন্দ্র থেকে নির্দল প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার পর গোগড়া কালী মন্দিরে পূজো দিয়ে প্রচার শুরু করে দিলেন। সমীর চালক নামে ওই নির্দল প্রার্থীর দাবি, এবার কোতুলপুর বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপি যাকে প্রার্থী করেছে তিনি '২১ এর নির্বাচনে 'নির্দল' হিসেবে প্রতিদ্বন্দিতা করার পাশাপাশি বিজেপি ষষ্ঠী পূজো করেছিল। এমনকি বিজেপির প্রতীকে হরকালী প্রতিহার বিধায়ক নির্বাচিত হওয়ার পর দলবদল করে তৃণমূলে যোগ দেন। এবার সেই ঘটনার পূনরাবৃত্তি যাতে না হয় তাই তিনি নির্দল প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দিতা করছেন। একই সঙ্গে তাঁর সমর্থণে বিজেপির ৬০ শতাংশ কার্যকর্তা রয়েছেন বলেও তিনি দাবি করেন। এবিষয়ে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে কোতুলপুরের বিজেপি প্রার্থী লক্ষীকান্ত মজুমদার বলেন, সমীর চালক আমার ছোটো ভাইয়ের মতো, প্রত্যাশা সবার থাকতে পারে, তবে দল আমাকে মনোনয়ন দিয়েছে। একই সঙ্গে '২১ এর নির্বাচনে তিনি নির্দল হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিলেও পরে তা প্রত্যাহার করেন বলে দাবি করেন। অন্যদিকে, ওই কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী হরকালী প্রতিহারের দাবি, আমরা আমাদের প্রচার নিয়ে ব্যস্ত, রাজনীতি সবার ব্যক্তিগত ব্যাপার। এমনকি ওই বিষয়ে তাকে কোন প্রশ্ন না করার অনুরোধ জানান তিনি।2
- Post by মুখার্জী নিউজ1
- আজ কোতুলপুর বিধানসভার অন্তর্গত সিওর অঞ্চলে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী হরকালি প্রতিহার মহাশয় প্রচার করেন এবং সাধারণ মানুষের কাছে যান। রাজ্য সরকারের উন্নয়নমূলক প্রকল্প মানুষের কাছে তুলে ধরেন।1
- রুদ্রনীল ঘোষ কে দেখে স্লোগান1
- ইন্দাস বিধানসভা এর বিজেপি প্রার্থী নির্মল কুমার ধারা ও তার দলবল প্রচার এ গিয়ে কেন্দ্র বাহিনী সামনে মহিলা দের উপর আক্রমণ করেন এবং একটি 6 বছর এর বাচ্ছার মেরে মাথা ফাটিয়ে দেন। ছিঃ ছিঃ ছিঃ বি জে পি1
- বিষ্ণুপুর বিধানসভার কংগ্রেস মনোনীত প্রার্থী উজ্জ্বল চন্দ্র1
- গোঘাট বিধানসভায় তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী নির্মল মাজি তার জিপ সাজিয়ে কর্মীবৃন্দদেরকে সাথে নিয়ে এবং সাথে প্রচুর বাইক নিয়ে র্যালী করে গোঘাটের বুকে ভোটের প্রচার করতে দেখা গেল।1
- এবার মুখ্যমন্ত্রীর যুবসাথী প্রকল্পে টাকা না পাওয়ায় বাঁকুড়ার খাতড়ায় বিডিও অফিসে বিক্ষোভ! যুব সাথী প্রকল্পের টাকা না পাওয়ায় এবার খাতরায় বিডিও অফিসে বিক্ষোভ স্লোগান! প্রশাসনের বিরুদ্ধে খুব উগড়ে দিয়েছেন বিক্ষোভকারীরা। এই মুহূর্তে আপনাদের কে আমরা বাঁকুড়ার খাতড়ার ছবি দেখাবো সেখানে যুব ছাত্রীর প্রকল্প যেখানে ঢাকঢোল পিটিয়ে এই প্রকল্প ঘোষণা করা হলো কিন্তু সেই প্রকল্পের টাকা পাচ্ছেন না। যুব সাথীর টাকা না পেয়ে খাতড়া বিডিও অফিসে বিক্ষোভে ফেটে পড়লেন আবেদনকারীরা, বিডিও অফিস তালা বন্ধ করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি! যুব সাথী প্রকল্পের টাকা না পেয়ে বিডিও অফিসে আছড়ে পড়ল আবেদনকারীদের বিক্ষোভ। সোমবার ঘটনাটি ঘটে বাঁকুড়ার খাতড়া ব্লকের বিডিও অফিসে। অবিলম্বে টাকা না মেটালে বিডিও অফিস তালা বন্ধ করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন আবেদনকারীরা। নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণার আগে সারা রাজ্যের পাশাপাশি বাঁকুড়ার খাতড়া ব্লক এলাকার বেকার যুবকেরা রাজ্য সরকারের যুব সাথী প্রকল্পে আবেদন করেছিলেন। আবেদনকারীদের একাংশ প্রকল্পের টাকা ব্যাঙ্ক একাউন্টে পেলেও বড় অংশের আবেদনকারী এখনো সেই টাকা পাননি বলে দাবি। বঞ্চিত আবেদনকারীদের দাবি বারংবার বিডিও অফিসে গেলেও কেন তাঁদের টাকা আসেনি তা জানাতে পারছেন না প্রশাসনিক আধিকারিকেরা। এই পরিস্থিতিতে আজ খাতড়ার বিডিও অফিস ঘেরাও করে প্রথমে বিক্ষোভ দেখান স্থানীয় বঞ্চিত আবেদনকারীরা। তাঁদের হুঁশিয়ারি অবিলম্বে এ ব্যাপারে প্রশাসনিক আধিকারিকেরা সদুত্তর দিতে না পারলে বিডিও অফিসে তাঁরা তালা ঝুলিয়ে দেবেন।2