7 দিনের ভাঙা বাক্স কালভার মেরামত নাহলে অনেক কিছু অথবা রাস্তা আবারুদ হতে পারে বৈরাগী দোকান এলাকায় ভাঙা বক্স কালভার্টকে কেন্দ্র করে ক্ষোভ বাড়ছে স্থানীয়দের মধ্যে। জানা যায়, বৈরাগী দোকান থেকে কৃষ্ণকান্ত পাড়া যাওয়ার প্রধান রাস্তায় অবস্থিত একটি বক্স কালভার্ট প্রায় ৭ দিন আগে ভেঙে পড়েছে। কিন্তু এতদিন পার হয়ে গেলেও আজ পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট দপ্তর কিংবা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তা মেরামতের কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। ফলে এলাকাবাসী চরম দুর্ভোগের মধ্যে পড়েছেন এবং প্রতিদিন যাতায়াতে নানা সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন। এই রাস্তা কৃষ্ণকান্ত পাড়ার মানুষের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিদিন বহু মানুষ এই পথ দিয়ে বাজার, স্কুল, অফিস এবং বিভিন্ন প্রয়োজনীয় কাজে যাতায়াত করেন। বিশেষ করে ছাত্র-ছাত্রী, বৃদ্ধ মানুষ এবং কৃষকদের জন্য পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। ভাঙা কালভার্টের কারণে অনেকেই বিকল্প দীর্ঘ পথ ব্যবহার করতে বাধ্য হচ্ছেন, যা সময়সাপেক্ষ এবং ঝুঁকিপূর্ণ। বর্ষার সময় বা রাতে চলাচল আরও বিপজ্জনক হয়ে উঠছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এদিকে সামনে এডিসি নির্বাচন আসন্ন। কৃষ্ণকান্ত পাড়ায় একটি গুরুত্বপূর্ণ ভোটকেন্দ্রও রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে এলাকাবাসীদের মধ্যে ক্ষোভ আরও বেড়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, নির্বাচনের সময় উন্নয়নের বড় বড় প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও বাস্তবে এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ সমস্যার সমাধানে এখনো পর্যন্ত কোনো উদ্যোগ দেখা যায়নি। স্থানীয় বাসিন্দারা স্পষ্ট জানিয়েছেন, যদি খুব শিগগিরই ভাঙা বক্স কালভার্টটি মেরামত করা না হয়, তাহলে তারা কঠোর আন্দোলনের পথে যেতে বাধ্য হবেন। এর মধ্যে রাস্তা অবরোধ কিংবা আসন্ন এডিসি নির্বাচনে ভোট বয়কটের মতো সিদ্ধান্তও নেওয়া হতে পারে বলে তারা হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। তাদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে সমস্যাটি উপেক্ষা করা হলে সাধারণ মানুষের ধৈর্যের সীমা শেষ হয়ে যাবে। এলাকাবাসীদের আরও অভিযোগ, এই অঞ্চলে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতার কোনো অভাব নেই। তিপ্রা মথা, সিপিআইএম, বিজেপি এবং আইপিএফটি—সব দলেরই নেতা এখানে সক্রিয় রয়েছেন। বিভিন্ন সময়ে সভা-সমাবেশে উন্নয়নের কথা বলা হলেও বাস্তবে এমন একটি জরুরি সমস্যার সমাধানে কেউ কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছেন না বলে দাবি স্থানীয়দের। এলাকাবাসীর দাবি, প্রশাসন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যেন দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ভাঙা বক্স কালভার্টটি মেরামতের উদ্যোগ নেয়। কারণ এই রাস্তা শুধু একটি গ্রামের জন্য নয়, আশেপাশের বেশ কয়েকটি এলাকার মানুষের যাতায়াতের অন্যতম প্রধান মাধ্যম। তাই দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হলে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বাড়বে এবং পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
7 দিনের ভাঙা বাক্স কালভার মেরামত নাহলে অনেক কিছু অথবা রাস্তা আবারুদ হতে পারে বৈরাগী দোকান এলাকায় ভাঙা বক্স কালভার্টকে কেন্দ্র করে ক্ষোভ বাড়ছে স্থানীয়দের মধ্যে। জানা যায়, বৈরাগী দোকান থেকে কৃষ্ণকান্ত পাড়া যাওয়ার প্রধান রাস্তায় অবস্থিত একটি বক্স কালভার্ট প্রায় ৭ দিন আগে ভেঙে পড়েছে। কিন্তু এতদিন পার হয়ে গেলেও আজ পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট দপ্তর কিংবা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তা মেরামতের কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। ফলে এলাকাবাসী চরম দুর্ভোগের মধ্যে পড়েছেন এবং প্রতিদিন যাতায়াতে নানা সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন। এই রাস্তা কৃষ্ণকান্ত পাড়ার মানুষের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিদিন বহু মানুষ এই পথ দিয়ে বাজার, স্কুল, অফিস এবং বিভিন্ন প্রয়োজনীয় কাজে যাতায়াত করেন। বিশেষ করে ছাত্র-ছাত্রী, বৃদ্ধ মানুষ এবং কৃষকদের জন্য পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। ভাঙা কালভার্টের কারণে অনেকেই বিকল্প দীর্ঘ পথ ব্যবহার করতে বাধ্য হচ্ছেন, যা সময়সাপেক্ষ এবং ঝুঁকিপূর্ণ। বর্ষার সময় বা রাতে চলাচল আরও বিপজ্জনক হয়ে উঠছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এদিকে সামনে এডিসি নির্বাচন আসন্ন। কৃষ্ণকান্ত পাড়ায় একটি গুরুত্বপূর্ণ ভোটকেন্দ্রও রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে এলাকাবাসীদের মধ্যে ক্ষোভ আরও বেড়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, নির্বাচনের সময় উন্নয়নের বড় বড় প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও বাস্তবে এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ সমস্যার সমাধানে এখনো পর্যন্ত কোনো উদ্যোগ দেখা যায়নি। স্থানীয় বাসিন্দারা স্পষ্ট জানিয়েছেন, যদি খুব শিগগিরই ভাঙা বক্স কালভার্টটি মেরামত করা না হয়, তাহলে তারা কঠোর আন্দোলনের পথে যেতে বাধ্য হবেন। এর মধ্যে রাস্তা অবরোধ কিংবা আসন্ন এডিসি নির্বাচনে ভোট বয়কটের মতো সিদ্ধান্তও নেওয়া হতে পারে বলে তারা হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। তাদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে সমস্যাটি উপেক্ষা করা হলে সাধারণ মানুষের ধৈর্যের সীমা শেষ হয়ে যাবে। এলাকাবাসীদের আরও অভিযোগ, এই অঞ্চলে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতার কোনো অভাব নেই। তিপ্রা মথা, সিপিআইএম, বিজেপি এবং আইপিএফটি—সব দলেরই নেতা এখানে সক্রিয় রয়েছেন। বিভিন্ন সময়ে সভা-সমাবেশে উন্নয়নের কথা বলা হলেও বাস্তবে এমন একটি জরুরি সমস্যার সমাধানে কেউ কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছেন না বলে দাবি স্থানীয়দের। এলাকাবাসীর দাবি, প্রশাসন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যেন দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ভাঙা বক্স কালভার্টটি মেরামতের উদ্যোগ নেয়। কারণ এই রাস্তা শুধু একটি গ্রামের জন্য নয়, আশেপাশের বেশ কয়েকটি এলাকার মানুষের যাতায়াতের অন্যতম প্রধান মাধ্যম। তাই দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হলে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বাড়বে এবং পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
- হারিয়ে যাওয়া ১৬টি মোবাইল উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকের হাতে তুলে দিল এয়ারপোর্ট থানার পুলিশ।1
- ট্রেন টিকিটে প্রতারণা! মনু স্টেশনকে ঘিরে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ—সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল ভিডিও1
- ✍️ ঊনকোটি জেলার কৈলাসহরে পুলিশের তৎপরতায় উদ্ধার হল বিপুল পরিমাণ অবৈধ বার্মিজ সিগারেট। গোপন সূত্রে প্রাপ্ত খবরের ভিত্তিতে সোমবার অভিযান চালিয়ে প্রায় ৩ লক্ষ টাকার সিগারেটসহ একটি সাদা রঙের বেলেনো গাড়ি আটক করে কৈলাসহর থানার পুলিশ। ঘটনায় গাড়িতে থাকা দুই যুবককে আটক করা হয়েছে।1
- Post by Gouranga Majumder1
- ত্রিপুরার ঊনকোটি জেলার মাছমারা ও করমছড়া আসনে অনুষ্ঠিত হওয়া উপজাতি স্বশাসিত জেলা পরিষদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দলের প্রার্থীদের ভাগ্য নির্ধারিত ইভিএম কুমারঘাটের বালিকা বিদ্যালয়ে স্ট্রংরুমে জমা করলেন ভোট কর্মীরা।1
- ১৭ পেকুয়ারজলা -জন্মে জয়নগরের একটি বুথে পুনঃভোট ১৬ এপ্রিল : এডিসির একটি পোলিং স্টেশনে পুন:ভোটের নির্দেশ দিল রাজ্য নির্বাচন কমিশন। আগামী ১৬ এপ্রিল সকাল ৭টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত এই বুথে পুনরায় ভোট গ্রহণ করা হবে ।এডিসির ১৭ নং পেকুয়ারজলা- জন্মে জয়নগর নির্বাচনী কেন্দ্রের ৩৯ নম্বর হীরাপুর এস বি স্কুলের ভোটকেন্দ্রে এই পুনঃভোট হবে। এদিন রাজ্য নির্বাচন কমিশনের সচিব অনুরাগ সেন এই সংবাদ জানিয়েছেন।1
- তেলিয়ামুড়ায় অ্যাম্বুলেন্স–টমটম মুখোমুখি সংঘর্ষে আহত ৪, বেপরোয়া চালনার অভিযোগে ক্ষোভে ফুঁসছে এলাকা1
- ✍️ উত্তর ত্রিপুরার কদমতলা ব্লকের বাঘন গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় স্বামীর নির্মম নির্যাতনের শিকার গৃহবধূকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়। গুরুতর আহত অবস্থায় রেজানা খাতুনের পাশে দাঁড়িয়ে ন্যায়বিচারের দাবিতে সরব হল টিআরএমএল-এর তিনটি শাখার মহিলা কর্মীরা।1
- Post by Gouranga Majumder1