Shuru
Apke Nagar Ki App…
চিচিংছড়া-মনু রোডের জরাজীর্ণ ও খানাখন্দে ভরা অবস্থা বর্তমানে সাধারণ মানুষের নিত্যদিনের দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সামান্য বৃষ্টিতেই এই সড়ক কাদামাটি ও জলাবদ্ধতার এক মরণফাঁদে পরিণত হচ্ছে, যেখানে প্রতিদিন ছাত্রছাত্রী, রোগী, চাকরিজীবী এবং সাধারণ মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করছেন। এই বেহাল দশা দেখে এলাকাবাসী চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এবং দ্রুত সড়কটি সংস্কারের জোর দাবি জানিয়েছেন। তাদের মনে এখন একটাই প্রশ্ন ঘুরছে: "এটা কি রাস্তা, নাকি মরণফাঁদ?"
Sonali Tripura News
চিচিংছড়া-মনু রোডের জরাজীর্ণ ও খানাখন্দে ভরা অবস্থা বর্তমানে সাধারণ মানুষের নিত্যদিনের দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সামান্য বৃষ্টিতেই এই সড়ক কাদামাটি ও জলাবদ্ধতার এক মরণফাঁদে পরিণত হচ্ছে, যেখানে প্রতিদিন ছাত্রছাত্রী, রোগী, চাকরিজীবী এবং সাধারণ মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করছেন। এই বেহাল দশা দেখে এলাকাবাসী চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এবং দ্রুত সড়কটি সংস্কারের জোর দাবি জানিয়েছেন। তাদের মনে এখন একটাই প্রশ্ন ঘুরছে: "এটা কি রাস্তা, নাকি মরণফাঁদ?"
More news from ত্রিপুরা and nearby areas
- ত্রিপুরার তেলিয়ামুরায় গভীর রাতে কী ঘটছিল এবং কেনই বা সেখানে অভিযান চালানো হয়েছিল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এই রহস্যজনক ঘটনাকে কেন্দ্র করে বর্তমানে স্থানীয় মহলে নানা জল্পনা-কল্পনা শুরু হয়েছে।1
- ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) নবনিযুক্ত সভাপতি সমীর কুমার দাস খোয়াই জেলা কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে জেলা সভাপতির দায়িত্বভার গ্রহণ করেছেন। এই অনুষ্ঠানে দলীয় নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন, যাঁরা তাঁকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান। নবনিযুক্ত সভাপতিকে ফুলের তোড়া ও উত্তরীয় পরিয়ে শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করা হয়।1
- ত্রিপুরার খোয়াই জেলার মুঙ্গিয়াকুমি এলাকায় বিষ পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা করা এক রোগীকে হাসপাতালে নিয়ে আসাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে। এই ঘটনায় রোগীর পরিবার-পরিজনদের সঙ্গে পুলিশের দুর্ব্যবহারের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাস্থলে উপস্থিত সাধারণ মানুষ ও রোগীর আত্মীয়দের দাবি, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের নাম করে পুলিশ লাঠিচার্জও করেছে।3
- শনিবার বিকেলে সিপিআইএম নিদয়া অঞ্চল কমিটির উদ্যোগে ভবানীপুর বাজারে এক প্রতিবাদ মিছিল ও সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উক্ত সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিপিআইএম সোনামুড়া মহকুমা সম্পাদক তথা বামপন্থী বিধায়ক শ্যামল চক্রবর্তী এবং মহকুমার সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য অধীর ভৌমিক। সভার সভাপতিত্ব করেন সুভাষ দেব। এই কর্মসূচির মূল কারণ হলো সাম্প্রতিক সময়ে কেন্দ্রীয় সরকার কর্তৃক বিভিন্ন জ্বালানি ও বিদ্যুতের দাম অত্যধিক হারে বৃদ্ধি করা, যার ফলস্বরূপ নিত্যপ্রয়োজনীয় সমস্ত সামগ্রীর দাম হুহু করে বেড়ে যাচ্ছে। অভিযোগ করা হয় যে, এই রাজ্যের সরকার বা প্রশাসনের এই বিষয়ে কোনও হেলদোল নেই। এই পরিপ্রেক্ষিতেই বামপন্থী দল মাঠে নেমে মানুষকে জানানোর জন্য ধনপুর বিধানসভা এলাকার বিভিন্ন বাণিজ্যিক স্থানগুলিতে প্রতিবাদে সরব হয়ে মিছিল ও সভা সংঘটিত করে চলেছে। লক্ষ্যণীয় বিষয় হলো, এখন পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট এলাকার বহু বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে এই ধরনের কর্মসূচিতে বামেরা সরব হয়েছে। দলীয় সূত্রের খবর অনুযায়ী, তাদের এই কর্মসূচিকে আশি শতাংশ মানুষ সমর্থন জানিয়েছে। দলীয় সূত্র আরও জানায় যে, আগামী দিনে বাকি যে সমস্ত বাণিজ্যিক এলাকাগুলি রয়েছে, প্রতিটিতেই তাদের এই জাতীয় কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে। এর মাধ্যমে একদিকে সংগঠন শক্তিশালী হচ্ছে, অন্যদিকে মানুষ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সমর্থনও পাচ্ছে। সিপিআইএম এই ইস্যুটিকে অত্যন্ত বাস্তবমুখী বলে মনে করছে।1
- ত্রিপুরার কৈলাসহরের ফুলতলী গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় জায়গা-সম্পত্তি সংক্রান্ত বিবাদের জেরে চরম বিপত্তি ঘটে, যেখানে দুই সহোদর ভাই ঘটনাস্থলেই মারা যান এবং একজন গুরুতর জখম হন। এই ঘটনায় সংশ্লিষ্ট এলাকায় তীব্র উত্তেজনা বিরাজ করছে। জানা গেছে, ফুলতলী গ্রাম পঞ্চায়েতের ৪ নং ওয়ার্ডের রাজমিস্ত্রী ময়ূর চাঁদ সিনহা এবং ২ নং ওয়ার্ডের অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মী নিলোদ্দজ সিনহা আপন দুই ভাই ছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে তাঁদের মধ্যে জায়গা-সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ চলছিল। গত ১৯ জুন শুক্রবার রাতে ছোট ভাই নিলোদ্দজ সিনহা, যিনি বিগত কয়েকদিন ধরে বাড়িতে ছিলেন না, হঠাৎ করে বড় ভাই ময়ূর চাঁদ সিনহার ঘরে ঢুকে তর্কাতর্কি শুরু করেন। সে সময় ময়ূর চাঁদ সিনহার স্ত্রী ও এক ছেলে ঘরের ভিতরেই ছিলেন। তর্কাতর্কির এক পর্যায়ে নিলোদ্দজ সিনহা ধারালো ছুরি দিয়ে ময়ূর চাঁদ সিনহার গলায় আঘাত করতে গেলে ময়ূর চাঁদ সিনহার ছেলে তাঁকে আটকানোর চেষ্টা করেন। এতে ছেলের ডান হাত কেটে প্রচুর রক্তপাত হয়। এরপর ময়ূর চাঁদ সিনহা লাঠি খুঁজতে অন্য ঘরে গেলে পিছন থেকে নিলোদ্দজ সিনহা তাঁর গলায় ছুরি দিয়ে আঘাত করেন, যার ফলে ময়ূর চাঁদ সিনহা রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন এবং ঘটনাস্থলেই মারা যান। এর কিছুক্ষণের মধ্যেই নিলোদ্দজ সিনহাও রক্তাক্ত অবস্থায় বড় ভাইয়ের মৃতদেহের পাশে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন এবং ঘটনাস্থলেই তাঁরও মৃত্যু হয়। গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান মৃদুল সিনহা এই ঘটনার বিস্তারিত তথ্য জানিয়েছেন। গ্রামবাসীরা চিৎকার-চেঁচামেচি শুনে ঘটনাস্থলে এসে কৈলাসহর থানায় খবর দেন। খবর পেয়ে কৈলাসহর থানার পুলিশ অফিসার জনুয়া হালামের নেতৃত্বে বিশাল পুলিশ ও টিএসআর বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পরে উনকোটি জেলার পুলিশ সুপার সুধামবিকা আর নিজেও ঘটনাস্থলে এসে সার্বিক খোঁজখবর নেন এবং মৃত ময়ূর চাঁদ সিনহার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন। ফরেনসিক দলের সদস্যরাও ঘটনাস্থলে তদন্ত করেন এবং রাতেই দুই মৃতদেহকে কৈলাসহরের ভগবান নগর এলাকার উনকোটি জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। অন্যদিকে, ময়ূর চাঁদ সিনহার ছেলে গুরুতর জখম হওয়ায় পুলিশ তাঁকে উনকোটি জেলা হাসপাতালে নিয়ে যায় এবং চিকিৎসকরা তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করেন। তবে, বড় ভাই ময়ূর চাঁদ সিনহা ছোট ভাইয়ের হাতে খুন হলেও, ছোট ভাই নিলোদ্দজ সিনহা কার হাতে খুন হয়েছেন, তা এখনও সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হয়ে রয়েছে।3
- ধলাইয়ের মেচুরিয়ায় বিয়ের খরচের ২ লক্ষ টাকা ফেরত চাওয়াকে কেন্দ্র করে একটি রক্তাক্ত পারিবারিক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে, যা এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে। এই মর্মান্তিক সংঘর্ষে বাবার দা-এর কোপে ছেলে সুমিত দাস গুরুতরভাবে জখম হয়েছেন।1
- একটি মেকআপ প্রশিক্ষণ কেন্দ্রকে ঘিরে প্রতারণা এবং পরিকল্পিত বদনামের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ উঠেছে। এই অভিযোগগুলি ওই কেন্দ্রকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া বিতর্ককে নির্দেশ করে, যেখানে এক পক্ষ প্রতারণার অভিযোগ করছে এবং অন্য পক্ষ এটিকে পরিকল্পিতভাবে বদনাম করার চেষ্টা বলে দাবি করছে।1
- ধনপুর বিধানসভার অন্তর্গত ভবানীপুরে শাসক দল বিজেপি গত শনিবার একটি সাংগঠনিক কর্মশালার পর প্রকাশ্য বাজারে মিছিল সংঘটিত করে। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, দীর্ঘ কয়েক বছর পর ভবানীপুরে শাসক এবং বিরোধী উভয় দলের রাজনৈতিক কর্মসূচি একই দিনে শান্তিপূর্ণভাবে পালিত হয়েছে। এই কর্মসূচির প্রথম পর্বে ভবানীপুর কমিউনিটি হলে সাংগঠনিক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয় এবং দ্বিতীয় পর্বে একটি মিছিল ভবানীপুর বাণিজ্যিক এলাকা পরিক্রমা করে। বিজেপির এই সাংগঠনিক কর্মসূচিতে প্রাক্তন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী প্রতিমা ভৌমিক এবং বিধায়ক বিন্দু দেবনাথ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও সংশ্লিষ্ট এলাকার দলীয় কার্যকর্তারা অংশ নেন, যেখানে মহিলাদের উপস্থিতি বিশেষভাবে লক্ষণীয় ছিল। প্রতিমা ভৌমিক ও বিধায়ক বিন্দু দেবনাথ উভয়ই তাঁদের বক্তব্যে দলীয় কর্মীদের সুসংগঠিত হওয়ার আহ্বান জানানোর পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ডক্টর মানিক সাহার প্রশংসা করেন। শনিবার উভয় দলের এই ছোটখাটো কর্মসূচি ঘিরে ভবানীপুরের গোটা পঞ্চায়েত এলাকায় আলোড়ন সৃষ্টি হয়, যার একমাত্র কারণ ছিল দীর্ঘদিন ধরে শাসক ও বিরোধী উভয় দলের রাজনৈতিক কার্যক্রম ভবানীপুরবাসীর নজরে না আসা।1
- ত্রিপুরা প্রদেশ মহিলা কংগ্রেস শুক্রবার আগরতলা শহরে এক প্রতিবাদ মিছিলের আয়োজন করে, যেখানে মণীষা দাসের ন্যায্য বিচারের দাবিতে এবং রাজ্যে নারী নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পক্ষে সরব হয়। মিছিলটি পুলিশের মহা নির্দেশকের (ডিজিপি) কাছে ডেপুটেশন প্রদান করতে গেলে ফায়ার ব্রিগেড চৌমুহনী এলাকায় পুলিশ তাদের বাধা দেয় এবং আটকে রাখে। এদিন সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে ত্রিপুরা প্রদেশ মহিলা কংগ্রেসের সভানেত্রী সর্বানি ঘোষ চক্রবর্তী অভিযোগ করেন যে, রাজ্যে নারীদের বিরুদ্ধে অপরাধের ঘটনা ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। তিনি স্পষ্ট জানান যে, মণীষা দাসের মৃত্যুর ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতেই তাদের এই কর্মসূচি। একইসাথে তিনি প্রশাসনের কাছে রাজ্যে নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণেরও দাবি জানান। মহিলা কংগ্রেসের পক্ষ থেকে দৃঢ়ভাবে জানানো হয়েছে যে, তাদের এই দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।1