দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার হিলি থানার রামজীবনপুর গ্রামে সরকারি পুকুর দখলের অভিযোগে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। এই ঘটনায় শনিবার দুপুরে গ্রামের বাসিন্দারা পুকুরটি দখলমুক্ত করার দাবিতে হিলি থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ৫ নম্বর জামালপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের রামজীবনপুর মৌজার ৪৮৮ দাগে প্রায় তিন একর বিস্তৃত একটি সরকারি খাস খতিয়ানভুক্ত পুকুর রয়েছে। এই পুকুরটি এলাকার মানুষ দীর্ঘদিন ধরে তাদের গৃহস্থালির বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করতেন। অভিযোগ উঠেছে যে, ২০১১ সালের পর থেকে তৃণমূল আশ্রিত কিছু দুষ্কৃতী এই পুকুরটি অবৈধভাবে দখল করে মাছ চাষ শুরু করেছে। আরও অভিযোগ করা হয়েছে যে, গত পনেরো বছর ধরে এই সরকারি সম্পত্তি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রেখে মাছ চাষ ও লিজের মাধ্যমে আর্থিক লাভ করা হচ্ছে। শনিবার গ্রামবাসীদের সঙ্গে স্থানীয় বিজেপি কর্মীরাও থানায় গিয়ে লিখিত অভিযোগ জমা দেন। তাঁদের দাবি, সরকারি পুকুরটি অবিলম্বে দখলমুক্ত করে সাধারণ মানুষের ব্যবহারের জন্য ফিরিয়ে দেওয়া হোক। এ প্রসঙ্গে স্থানীয় বাসিন্দা তথা বিজেপি কর্মী দুলাল ভুঁইমালী প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগের ভিত্তিতে তারা বিষয়টি খতিয়ে দেখা শুরু করেছে।
দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার হিলি থানার রামজীবনপুর গ্রামে সরকারি পুকুর দখলের অভিযোগে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। এই ঘটনায় শনিবার দুপুরে গ্রামের বাসিন্দারা পুকুরটি দখলমুক্ত করার দাবিতে হিলি থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ৫ নম্বর জামালপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের রামজীবনপুর মৌজার ৪৮৮ দাগে প্রায় তিন একর বিস্তৃত একটি সরকারি খাস খতিয়ানভুক্ত পুকুর রয়েছে। এই পুকুরটি এলাকার মানুষ দীর্ঘদিন ধরে তাদের গৃহস্থালির বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করতেন। অভিযোগ উঠেছে যে, ২০১১ সালের পর থেকে তৃণমূল আশ্রিত কিছু দুষ্কৃতী এই পুকুরটি অবৈধভাবে দখল করে মাছ চাষ শুরু করেছে। আরও অভিযোগ করা হয়েছে যে, গত পনেরো বছর ধরে এই সরকারি সম্পত্তি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রেখে মাছ চাষ ও লিজের মাধ্যমে আর্থিক লাভ করা হচ্ছে। শনিবার গ্রামবাসীদের সঙ্গে স্থানীয় বিজেপি কর্মীরাও থানায় গিয়ে লিখিত অভিযোগ জমা দেন। তাঁদের দাবি, সরকারি পুকুরটি অবিলম্বে দখলমুক্ত করে সাধারণ মানুষের ব্যবহারের জন্য ফিরিয়ে দেওয়া হোক। এ প্রসঙ্গে স্থানীয় বাসিন্দা তথা বিজেপি কর্মী দুলাল ভুঁইমালী প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগের ভিত্তিতে তারা বিষয়টি খতিয়ে দেখা শুরু করেছে।
- শনিবার হরিশ্চন্দ্রপুর মণ্ডল-২ বিজেপি তাদের দলীয় কার্যালয়ে পশ্চিমবঙ্গ দিবস পালন করেছে। এই অনুষ্ঠানে সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, দেশাত্মবোধক গান এবং বাংলার ঐতিহ্যকে বিশেষ গুরুত্ব সহকারে তুলে ধরা হয়। ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় ও ভারতমাতার ছবিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। এরপর বিভিন্ন সাংস্কৃতিক উপস্থাপনার মধ্য দিয়ে বাংলার সমৃদ্ধ ইতিহাস, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের নানান দিক তুলে ধরা হয়। এই আয়োজনে হরিশ্চন্দ্রপুর মন্ডল ২ সভাপতি অজয় পাসওয়ান, জেলা যুব সহ-সভাপতি মনোজ দাস, মণ্ডল-৩ সভাপতি ভরত কুমার মণ্ডল, জেলা মহিলা মোর্চার সহ-সভাপতি অনামিকা পাণ্ডে, বিজেপি নেতা রতন দাস, কৌশিক মিশ্র, বাবলু কর্মকার, গোপাল শর্মা-সহ দলের বিভিন্ন স্তরের নেতৃত্ব, কর্মী-সমর্থক এবং এলাকার বাসিন্দারা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান চলাকালীন একটি ষাঁড় দলীয় কার্যালয় চত্বরে চলে এলে উপস্থিত নেতাকর্মীরা তাকে বিস্কুট খাইয়ে আদর করেন, যা সবার মধ্যে কৌতূহল ও আনন্দের সৃষ্টি করে। সভায় বক্তারা বাংলার গৌরবময় ইতিহাস, ভাষা এবং সংস্কৃতির গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করেন। তাঁরা বলেন যে, পশ্চিমবঙ্গ দিবস কেবল একটি আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি নতুন প্রজন্মের কাছে বাংলার ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে পৌঁছে দেওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। বক্তারা আরও জানান যে, ভবিষ্যতেও এমন কর্মসূচির মাধ্যমে মানুষের মধ্যে বাংলার ইতিহাস ও ঐতিহ্য সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে। এই অনুষ্ঠানকে ঘিরে কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে।2
- পশ্চিমবঙ্গ দিবস উপলক্ষে কোচবিহার জেলার সিতাই বাজার এলাকায় ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) পক্ষ থেকে একটি র্যালির আয়োজন করা হয়। সিতাই ১ নং মণ্ডলের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত এই র্যালিতে বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা সক্রিয়ভাবে অংশ নেন। বিজেপি নেতৃবৃন্দ জানান যে, ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জীর ঐতিহাসিক নেতৃত্ব ও সিদ্ধান্তের ফলেই পশ্চিমবঙ্গের জন্ম এবং ভারতের সঙ্গে এর অন্তর্ভুক্তি সুনিশ্চিত হয়েছিল, যা বাঙালির অস্তিত্ব ও পরিচয়ের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। এই ঐতিহাসিক ঘটনাকে স্মরণ করতেই পশ্চিমবঙ্গ দিবস পালন করা হয়। এদিন সিতাই বাজারে অনুষ্ঠিত র্যালিতে দলীয় পতাকা ও ব্যানার হাতে নিয়ে কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। কোচবিহার জেলা বিজেপি সম্পাদিকা বিউটি রায় ভারতের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন এবং সিতাই কনভেনর দীপক কুমার রায় ভারতীয় জনতা পার্টির পতাকা উত্তোলন করেন। পাশাপাশি, পশ্চিমবঙ্গের ইতিহাস, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য রক্ষার বার্তা তুলে ধরা হয় এবং ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জীর অবদানের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। র্যালি শেষে উপস্থিত নেতৃবৃন্দ পশ্চিমবঙ্গ দিবসের তাৎপর্য নিয়ে বক্তব্য রাখেন। তাঁরা রাজ্যের উন্নয়ন ও জনকল্যাণে সকলকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান।1
- পশ্চিমবঙ্গ দিবস উদযাপন উপলক্ষে গাজোলে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) সংখ্যালঘু মোর্চার উদ্যোগে একটি মহতী রক্তদান শিবিরের আয়োজন করা হয়েছিল। পান্ডুয়া এ. কে. হাইস্কুলে এই মানবিক কর্মসূচিটি অনুষ্ঠিত হয়, যার মাধ্যমে পশ্চিমবঙ্গ দিবসে একটি মানবিক বার্তা দেওয়া হয়েছে।1
- রায়গঞ্জের কর্নজোড়া কালিবাড়ি এলাকায় শনিবার বিকেল পৌনে পাঁচটা নাগাদ একটি শুকনো গাছের ডাল আচমকা ভেঙে পড়ায় বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে যায়। এই বিপত্তির জেরে রায়গঞ্জ-বালুরঘাট রাজ্য সড়কে কিছুক্ষণের জন্য যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাস্তার পাশে থাকা গাছটি অনেক দিন ধরেই শুকিয়ে গিয়েছিল। কোনো রকম ঝড়বৃষ্টি ছাড়াই হঠাৎ করে এই শুকনো ডালটি ভেঙে পড়ে বড়সড় সমস্যার সৃষ্টি করে। ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছন। তাঁরা দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে ছিঁড়ে যাওয়া বিদ্যুতের তার মেরামত করেন। কর্মীদের তৎপরতায় অল্প সময়ের মধ্যেই যান চলাচল আবার স্বাভাবিক হয়।1
- শীতলকুচি অঞ্চলের কার্য্যীর দিঘি এলাকায় আবাস যোজনার টাকা ফেরত দেওয়াকে কেন্দ্র করে আলোচনার সূত্রপাত হয়েছে। শনিবার সকালে তৃণমূল কংগ্রেসের পঞ্চায়েত সদস্য শরৎচন্দ্র বর্মন গ্রামবাসীদের ডেকে নিজের হাতে তাঁদের হাতে আবাস যোজনার টাকা ফিরিয়ে দেন। এই টাকা ফেরত পেয়ে গ্রামবাসীরা অত্যন্ত খুশি।1
- কোচবিহার জেলার নিশিগঞ্জ দক্ষিণ ছিটকিবাড়ি এলাকায় তৃণমূল কংগ্রেসের এক প্রাক্তন পঞ্চায়েত সদস্যের বাড়ির সামনে তীব্র বিক্ষোভ প্রদর্শন করা হয়েছে। গ্রামবাসীরা একটি বাসের 'কাটমানি' ফেরতের দাবিতে সরব হয়ে এই প্রতিবাদ জানান।1
- শনিবার হরিশ্চন্দ্রপুর মণ্ডল-২ বিজেপি তাদের দলীয় কার্যালয়ে পশ্চিমবঙ্গ দিবস উদযাপন করেছে। এই উপলক্ষে এক মনোজ্ঞ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়, যেখানে সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, দেশাত্মবোধক গান এবং বাংলার ঐতিহ্যকে তুলে ধরা হয়। ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় ও ভারতমাতার ছবিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়, যার পর বাংলার ইতিহাস, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের বিভিন্ন দিক সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হয়। অনুষ্ঠানে বিজেপির বিভিন্ন স্তরের নেতৃত্ব, কর্মী-সমর্থক এবং এলাকার বাসিন্দারা উপস্থিত ছিলেন। উপস্থিত ছিলেন হরিশ্চন্দ্রপুর মন্ডল ২ সভাপতি অজয় পাসওয়ান, জেলা যুব সহ-সভাপতি মনোজ দাস, মণ্ডল-৩ সভাপতি ভরত কুমার মণ্ডল, জেলা মহিলা মোর্চার সহ-সভাপতি অনামিকা পাণ্ডে, বিজেপি নেতা রতন দাস, কৌশিক মিশ্র, বাবলু কর্মকার, গোপাল শর্মা-সহ অন্যান্য নেতৃত্ব। অনুষ্ঠান চলাকালীন একটি ষাঁড় দলীয় কার্যালয় চত্বরে চলে এলে উপস্থিত নেতাকর্মীরা তাকে বিস্কুট খাইয়ে আদর করেন, যা উপস্থিতদের মধ্যে কৌতূহল ও আনন্দের সৃষ্টি করে। বক্তারা তাঁদের ভাষণে বাংলার গৌরবময় ইতিহাস, ভাষা ও সংস্কৃতির গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন যে, পশ্চিমবঙ্গ দিবস কেবল একটি আনুষ্ঠানিক উদযাপন নয়, বরং বাংলার ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ উপলক্ষ। তাঁরা আরও জানান যে, ভবিষ্যতেও এ ধরনের কর্মসূচির মাধ্যমে মানুষের মধ্যে বাংলার ইতিহাস ও ঐতিহ্য সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে। এই অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়।1
- শনিবার বিকেলে রায়গঞ্জের কর্নজোড়া কালিবাড়ি এলাকায় আচমকাই একটি শুকনো গাছের বড় ডাল ভেঙে পড়ে বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে যায়। এই ঘটনার জেরে রায়গঞ্জ-বালুরঘাট রাজ্য সড়কে বেশ কিছু সময়ের জন্য যান চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ে। ফলে পথচলতি মানুষ ও বিভিন্ন যানবাহনের চালকদের ভোগান্তির শিকার হতে হয়।1