একাদশ শ্রেণির দুই ছাত্রের জলে ডুবে মৃত্যু। অশোকনগর বয়েজ সেকেন্ডারী স্কুলে আজ দুপুরে এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে স্কুলে না ঢুকে পুকুরে মাছ ধরতে গিয়ে মর্মান্তিক পরিণতি, অশোকনগরে জলে ডুবে মৃত্যু একই সঙ্গে দুই ছাত্রের অশোকনগরে স্কুলে না ঢুকে পাশের পুকুরে মাছ ধরতে গিয়ে জলে ডুবে মৃত্যু হল দুই একাদশ শ্রেণির ছাত্রের। মৃতদের নাম প্রথম দাশগুপ্ত (১৭) এবং শিবম পাল (১৭)। মঙ্গলবার এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। শোকের ছায়া নেমে এসেছে দুই পরিবারে। স্থানীয় ও স্কুল সূত্রে জানা গিয়েছে, দুজনেই অশোকনগর বয়েজ সেকেন্ডারি স্কুলের একাদশ শ্রেণির ছাত্র। এদিন তারা স্কুলে না ঢুকে স্কুলের পাশের পীর বাবার পুকুরে মাছ ধরতে যায়। গামছা ব্যবহার করে মাছ ধরার সময় কোনওভাবে জলে তলিয়ে যায় দুজনেই। সেই সময় সেখানে মোট তিনজন ছাত্র ছিল বলে জানা গিয়েছে। বাকি এক ছাত্র দুই বন্ধুকে জলে ডুবে যেতে দেখে চিৎকার শুরু করে। তাঁর চিৎকার শুনে আশপাশের বাসিন্দা এবং স্কুলের শিক্ষকরা ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। স্থানীয় কয়েকজন প্রথমে জলে নেমে প্রথম দাশগুপ্তকে উদ্ধার করেন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে অশোকনগর স্টেট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। এরপর দীর্ঘ কয়েক ঘণ্টা ধরে দ্বিতীয় ছাত্র শিবম পালের খোঁজে পুকুরে তল্লাশি চালানো হয়। স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি অশোকনগর থানার সিভিক ভলান্টিয়াররাও জলে নেমে তল্লাশি চালান। শেষ পর্যন্ত কচুরিপানার নিচ থেকে শিবমের দেহ উদ্ধার হয়। জানা গিয়েছে, প্রথম দাশগুপ্তের বাড়ি অশোকনগর পুরসভার ১৩ নম্বর ওয়ার্ডে। তাঁর বাবা-মা দুজনেই প্রয়াত। প্রায় তিন বছর আগে তাঁর মায়ের মৃত্যু হয়। এরপর হোস্টেলে থেকে পড়াশোনা করতেন তিনি। অন্যদিকে শিবম পালের বাড়ি অশোকনগর-কল্যাণগড় পুরসভার ১০ নম্বর ওয়ার্ডে। তাঁর বাবা একটি গেঞ্জির কারখানায় কাজ করেন। ছেলের মৃত্যুর খবর পেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েছে পরিবার। স্থানীয়দের দাবি, পীর বাবার এই পুকুরে এর আগেও ছাত্র মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। এরপরও পুকুরটির নিরাপত্তা নিয়ে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেই বলে অভিযোগ। একাধিকবার এই ধরনের ঘটনা ঘটলেও, পুকুর এলাকা ঘেরাও করা, সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের দাবি উঠেছে স্থানীয় বাসিন্দা ও অভিভাবকদের মধ্যে। ঠিক কীভাবে দুজন জলে তলিয়ে গেল, তা খতিয়ে দেখছে অশোকনগর থানার পুলিশ। ঘটনাকে কেন্দ্র করে অশোকনগরে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া।
একাদশ শ্রেণির দুই ছাত্রের জলে ডুবে মৃত্যু। অশোকনগর বয়েজ সেকেন্ডারী স্কুলে আজ দুপুরে এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে স্কুলে না ঢুকে পুকুরে মাছ ধরতে গিয়ে মর্মান্তিক পরিণতি, অশোকনগরে জলে ডুবে মৃত্যু একই সঙ্গে দুই ছাত্রের অশোকনগরে স্কুলে না ঢুকে পাশের পুকুরে মাছ ধরতে গিয়ে জলে ডুবে মৃত্যু হল দুই একাদশ শ্রেণির ছাত্রের। মৃতদের নাম প্রথম দাশগুপ্ত (১৭) এবং শিবম পাল (১৭)। মঙ্গলবার এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। শোকের ছায়া নেমে এসেছে দুই পরিবারে। স্থানীয় ও স্কুল সূত্রে জানা গিয়েছে, দুজনেই অশোকনগর বয়েজ সেকেন্ডারি স্কুলের একাদশ শ্রেণির ছাত্র। এদিন তারা স্কুলে না ঢুকে স্কুলের পাশের পীর বাবার পুকুরে মাছ ধরতে যায়। গামছা ব্যবহার করে মাছ ধরার সময় কোনওভাবে জলে তলিয়ে যায় দুজনেই। সেই সময় সেখানে মোট তিনজন ছাত্র ছিল বলে জানা গিয়েছে। বাকি এক ছাত্র দুই বন্ধুকে জলে ডুবে যেতে দেখে চিৎকার শুরু করে। তাঁর চিৎকার শুনে আশপাশের বাসিন্দা এবং স্কুলের শিক্ষকরা ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। স্থানীয় কয়েকজন প্রথমে জলে নেমে প্রথম দাশগুপ্তকে উদ্ধার করেন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে অশোকনগর স্টেট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। এরপর দীর্ঘ কয়েক ঘণ্টা ধরে দ্বিতীয় ছাত্র শিবম পালের খোঁজে পুকুরে তল্লাশি চালানো হয়। স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি অশোকনগর থানার সিভিক ভলান্টিয়াররাও জলে নেমে তল্লাশি চালান। শেষ পর্যন্ত কচুরিপানার নিচ থেকে শিবমের দেহ উদ্ধার হয়। জানা গিয়েছে, প্রথম দাশগুপ্তের বাড়ি অশোকনগর পুরসভার ১৩ নম্বর ওয়ার্ডে। তাঁর বাবা-মা দুজনেই প্রয়াত। প্রায় তিন বছর আগে তাঁর মায়ের মৃত্যু হয়। এরপর হোস্টেলে থেকে পড়াশোনা করতেন তিনি। অন্যদিকে শিবম পালের বাড়ি অশোকনগর-কল্যাণগড় পুরসভার ১০ নম্বর ওয়ার্ডে। তাঁর বাবা একটি গেঞ্জির কারখানায় কাজ করেন। ছেলের মৃত্যুর খবর পেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েছে পরিবার। স্থানীয়দের দাবি, পীর বাবার এই পুকুরে এর আগেও ছাত্র মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। এরপরও পুকুরটির নিরাপত্তা নিয়ে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেই বলে অভিযোগ। একাধিকবার এই ধরনের ঘটনা ঘটলেও, পুকুর এলাকা ঘেরাও করা, সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের দাবি উঠেছে স্থানীয় বাসিন্দা ও অভিভাবকদের মধ্যে। ঠিক কীভাবে দুজন জলে তলিয়ে গেল, তা খতিয়ে দেখছে অশোকনগর থানার পুলিশ। ঘটনাকে কেন্দ্র করে অশোকনগরে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া।
- আসসালামু আলাইকুম এর মানে কি এ বিষয়ে সম্পূর্ণটা জেনে নেয়া যাক বিধায়ক পীরজাদা নওশাদ সিদ্দিকী মুখ থেকে আসসালামু আলাইকুম এর মানে কি এ বিষয়ে সম্পূর্ণটা জেনে নেয়া যাক বিধায়ক পীরজাদা নওশাদ সিদ্দিকী মুখ আসসালামু আলাইকুম। বলার কারণেই মুসলিম বলে কি বদলি? #News1
- তারাপীঠের ভিডিও বামাক্ষ্যাপার বাড়ি পার করে। জয় মা তারা জয় গুরু বান্দে। এখানে শুটিং প্লাস খুবই ভালো সবাই শুটিং করতে যায়। এখানে যে যাবে সবারই পছন্দ হবে খুবই পছন্দের জায়গা এই জায়গাটা বামাক্ষ্যাপার বাড়ি পার করে তারাপীঠ।1
- Santu Pan Wishing Pm Narendra Modi For His Birthday and Special Requests To Public1
- ভারতকেশরী শ্রদ্ধেয় ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জী এবং বাংলার বীর সন্তান শ্রদ্ধেয় গোপাল মুখার্জী-র আবক্ষ মূর্তিরআবরণ উন্মোচন সুকর্ম মানবতা ও দেশপ্রেম মানুষের একমাত্র পরিচয় হলে মৃত্যু শেষ কথা নয় ৷ ভারতকেশরী শ্রদ্ধেয় ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জী এবং বাংলার বীর সন্তান শ্রদ্ধেয় গোপাল মুখার্জী-র আবক্ষ মূর্তিরআবরণ উন্মোচন তারিখঃ ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বুধবার বিকাল ৫টায়, তত্ত্বাবধায়ক বিধায়ক শঙ্কর শিকদার।1
- কলকাতা বিমানবন্দরে কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং1
- কি বললেন রাজ্যে সভাপতি সমীক ভট্টাচার্য,বিজেপি কখনো তোষণের রাজনীতি করে না আমরা ভোটের জন্য মানুষকে ভাগ করার বিরোধী। আমরা কাউকে সংখ্যালঘু মানি না, কাউকে সংখ্যাগুরু মানি না। পশ্চিমবঙ্গের আদিবাসী সহ সবাই আমাদের, সবাই আপন বিজেপি ক্ষমতায় আসার ৩ মাস পার হয়ে গেছে, বাংলায় একটাও দাঙ্গা হয়নি, একজন সংখ্যালঘুরও মৃত্যু হয়নি। কিন্তু গত ৩ বছরের পরিসংখ্যান তুলে দেখুন, তৃণমূল কত মুসলমানকে মেরেছে। যারা মরেছে তারাও মুসলমান, যারা মেরেছে তারাও মুসলমান। মৃত পরিবারগুলোর একটাই দাবি ছিল - `We want CBI Inquiry`। কারণ তৃণমূলের পুলিশ আর CID-র ওপর সংখ্যালঘু পরিবারের কোনো ভরসা ছিল না। কোনো সরকারি হাসপাতালে যান, সবচেয়ে গরীব রোগী কারা? মুসলমান। সবচেয়ে কম সরকারি লোন কারা পেয়েছে? মুসলমান। শিক্ষায় সবচেয়ে পিছিয়ে কারা? মুসলমান। জেলে সবচেয়ে বেশি কারা আছে? মুসলমান গ্রামে গেলে দেখা যায় প্রত্যেক পরিবার থেকে ১-২ জন গায়েব। তারা কোথায়? সবাই বাইরে কাজ করছে - কেউ গুজরাটে, কেউ রাজস্থানে, কেউ উত্তরপ্রদেশে। বাংলা এখন Migrant Labour Producing Constituency হয়ে গেছে। ভারতে কোথাও কোনো বড় বাড়ি ভেঙে পড়লে বা কোনো দুর্ঘটনা হলে নিচে চাপা পড়া লাশগুলো কার বের হয়? বেশিরভাগই বাংলার পরিযায়ী শ্রমিক, বেশিরভাগই মুসলমান। এই অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। একসাথে থাকতে হবে, একসাথে পড়তে হবে, খেতে হবে। মূলস্রোতের স্কুলে আসুন, নিজের বাচ্চাকে বিজেপি koশিক্ষা দিন। আপনারা বাইরে না এলে সারাজীবন কাঁদতে হবে।2
- বাসভাড়া বাড়ানোর পক্ষে সওয়াল দিলীপ ঘোষের। বললেন, লোককে গরিব রেখে রাজনীতি আর চলবে না। এসি বাসের বুকিং সবার আগে হয়। মানুষ ভালো পরিষেবার জন্য পয়সা খরচ করতে রাজি, দাবি মন্ত্রীর।1
- পুরুলিয়ার খুব সুন্দর একটা দৃশ্য এই মুহূর্তে তুলে ধরা হলো সরাসরি আপনারা দেখতে পাচ্ছেন পুরুলিয়ার খুব সুন্দর একটা দৃশ্য এই মুহূর্তে তুলে ধরা হলো সরাসরি আপনারা দেখতে পাচ্ছেন এটা হচ্ছে পুরুলিয়ার মুরাদ দেয়ার ড্যাম খুব সুন্দর মনোরম পরিবেশ পিকনিক এবং শুটিংয়ের উপযুক্ত মোহাম্মদ কাজী নজরুল ইসলাম সাহেবের জন্মস্থান #News1