Shuru
Apke Nagar Ki App…
আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে কুচলিবাড়িতে ঘর ঘর কর্মসূচি বিজেপির
Tapas Roy
আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে কুচলিবাড়িতে ঘর ঘর কর্মসূচি বিজেপির
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- Post by Tapas Roy1
- এক রাতেই নিঃস্ব হিতেন রায় তালা কেটে চুরি গেল গরু-ছাগল, কান্নায় ভেঙে পড়ল পরিবার1
- Post by Raj roy1
- Post by ASHISH MITRA1
- জলপাইগুড়ির বেগুনটারিতে পুলিশ পরিচয় দিয়ে এক ব্যবসায়ীর গয়না হাতিয়ে নিল দুই যুবক। দিনবাজারে অপরাধের ভুয়ো অজুহাতে শুভ নারায়ণ ঝা-কে আংটি ও চেন কাগজে মুড়তে বাধ্য করে তারা। পরে কাগজের ভেতর পাথরের টুকরো মেলায় কোতোয়ালি থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন ওই ব্যবসায়ী।1
- আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে ধুপগুড়িতে দলবদলের ঘটনা সামনে এল। বিজেপি ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করলেন একাধিক প্রাক্তন বিজেপি কর্মী। মঙ্গলবার ধুপগুড়ি মহকুমার ঝাড় আলতা ১ নম্বর অঞ্চলের ১৫/৬১ নম্বর বুথে ধুপগুড়ির বিধায়ক প্রফেসর ড. নির্মল চন্দ্র রায়ের হাত ধরে বিজেপির আটটি পরিবার তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করে। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, এদিনের যোগদান কর্মসূচিতে তৃণমূলের একাধিক নেতা-নেত্রী উপস্থিত ছিলেন। সদ্য তৃণমূলে যোগদানকারীরা জানান, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়নমূলক কাজকর্মে অনুপ্রাণিত হয়েই তারা শাসকদলে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ভবিষ্যতে তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে থেকে উন্নয়নের ধারাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার কথাও তারা জানান। এ প্রসঙ্গে ধুপগুড়ির বিধায়ক প্রফেসর ড. নির্মল চন্দ্র রায় বলেন, “রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর উন্নয়নমূলক কাজ দেখে বিজেপির একাধিক কর্মী তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করেছেন। আগামী দিনেও এই ধরনের যোগদান কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।”1
- নতুন বন্দরে মহা হিন্দু সম্মেলন উপলক্ষে কলসযাত্রা জলপাইগুড়ি জেলার ময়নাগুড়ি ব্লকের সাপটিবাড়ি ১ নং গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার নতুন বন্দরে মহা হিন্দু সম্মেলন উপলক্ষে বর্ণাঢ্য কলসযাত্রা অনুষ্ঠিত হল। মঙ্গলবার সকালে ধর্মীয় আচার ও মন্ত্রোচ্চারণের মধ্য দিয়ে কলসযাত্রার সূচনা হয়। এলাকায় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ব্যাপক উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটি উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়। শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণ করেন বিভিন্ন বয়সের মানুষ, মহিলাদের উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। এই অনুষ্ঠানে হিন্দু ও সনাতন ধর্মের বিশিষ্টজনেরা উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা ধর্মীয় ঐক্য, সামাজিক সম্প্রীতি ও সংস্কৃতির প্রসারে এই ধরনের অনুষ্ঠানের গুরুত্বের কথা তুলে ধরেন। আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, মহা হিন্দু সম্মেলনের মাধ্যমে ধর্মীয় ও সামাজিক বন্ধন আরও দৃঢ় করা এবং নতুন প্রজন্মকে সংস্কৃতির সঙ্গে যুক্ত করাই মূল লক্ষ্য। গোটা অনুষ্ঠান শান্তিপূর্ণভাবে ও শৃঙ্খলার সঙ্গে সম্পন্ন হয়েছে।1
- চুরির আগে মদের পার্টি, তারপর গোয়ালঘর ফাঁকা! আতঙ্কে রানিরহাট।1