Shuru
Apke Nagar Ki App…
আজ ঘনশ্যাম গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) পক্ষ থেকে ডেপুটেশন দেওয়া হয়েছে। একইসাথে সাধারণ জনতা গ্রাম পঞ্চায়েত অফিস ঘেরাও করে তীব্র বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছে। এই পরিস্থিতিতে ঘটনাস্থলে দাসপুর পুলিশ মোতায়েন ছিল। জানা গেছে, ওই গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান কাবেরী মান্না দাসপুর ২ ব্লকের বিডিওর কাছে তাঁর পদত্যাগপত্র জমা দেবেন। পাশাপাশি, উপপ্রধান বিষ্টু পোরের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবিও জানানো হবে। বিডিও অফিসে সন্ধ্যেবেলায় যে 'কাণ্ড' দেখা যাবে, তা সবাইকে অবাক করে দেবে বলেও ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।
সংবাদ
আজ ঘনশ্যাম গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) পক্ষ থেকে ডেপুটেশন দেওয়া হয়েছে। একইসাথে সাধারণ জনতা গ্রাম পঞ্চায়েত অফিস ঘেরাও করে তীব্র বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছে। এই পরিস্থিতিতে ঘটনাস্থলে দাসপুর পুলিশ মোতায়েন ছিল। জানা গেছে, ওই গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান কাবেরী মান্না দাসপুর ২ ব্লকের বিডিওর কাছে তাঁর পদত্যাগপত্র জমা দেবেন। পাশাপাশি, উপপ্রধান বিষ্টু পোরের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবিও জানানো হবে। বিডিও অফিসে সন্ধ্যেবেলায় যে 'কাণ্ড' দেখা যাবে, তা সবাইকে অবাক করে দেবে বলেও ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।
More news from Medinipur West and nearby areas
- পশ্চিম মেদিনীপুরের রামজীবনপুরে বিদ্যুৎ পরিষেবার নানা সমস্যা নিয়ে সরব হয়েছে সারা বাংলা বিদ্যুৎ গ্রাহক সমিতি। সোমবার সংগঠনটির রামজীবনপুর ইউনিটের পক্ষ থেকে WBSEDCL-এর রামজীবনপুর কাস্টমার কেয়ার সেন্টারে একটি স্মারকলিপি জমা দেওয়া হয়। সংগঠন অভিযোগ করেছে যে, কৃষি, গৃহস্থালি, শিল্প ও ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে বিদ্যুৎ সরবরাহে একাধিক সমস্যা দীর্ঘদিন ধরে চলছে, কিন্তু তার কোনো স্থায়ী সমাধান হচ্ছে না। এই স্মারকলিপিতে বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি বন্ধ করা, স্মার্ট প্রিপেইড মিটার প্রত্যাহার, কৃষকদের বিনামূল্যে বিদ্যুৎ সরবরাহ, অতিরিক্ত বিল সংশোধন এবং দ্রুত নতুন সংযোগ প্রদানের মতো মোট ২০ দফা দাবি উত্থাপন করা হয়েছে। সারা বাংলা বিদ্যুৎ গ্রাহক সমিতি জানিয়েছে যে, সাধারণ বিদ্যুৎ গ্রাহকদের স্বার্থ রক্ষায় এই দাবিগুলি পূরণে যদি দ্রুত পদক্ষেপ না নেওয়া হয়, তাহলে আগামী দিনে তারা বৃহত্তর আন্দোলনের পথে নামতে বাধ্য হবে। এখন দেখার বিষয় হলো, বিদ্যুৎ দপ্তর এই দাবিগুলিকে কতটা গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করে।2
- পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার বড় একটি অংশ, বিশেষত ঘাটাল মহাকুমার বিস্তীর্ণ এলাকা প্রতি বছর বর্ষা এলেই বন্যার আতঙ্কে থাকে। এই জল-যন্ত্রণার চিত্র দশকের পর দশক ধরে চলে আসছে, কারণ শিলাবতী, দ্বারকেশ্বর, ঝুমি এবং রূপনারায়ণের মতো নদীগুলির জলস্তর অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পায়। এই পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে, বর্ষা শুরু হতেই প্রশাসন বন্যার আগাম প্রস্তুতি নিতে তৎপর হয়েছে। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার পুলিশ সুপার পাপিয়া সুলতানা, এডিশনাল পুলিশ সুপার সন্দীপ সেন, ঘাটালের বিধায়ক শীতল কপাট, এবং ঘাটাল ও দাসপুরের বিডিওসহ প্রশাসনের একাধিক কর্তা ব্যক্তি বানভাসি এলাকাগুলি পরিদর্শনে আসেন। যদিও বিগত সরকার ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যান এর জন্য ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছিল, কিন্তু সেই কাজ অত্যন্ত শম্বুক গতিতে চলছিল। তবে, নতুন সরকার গঠন হওয়ার পর এই মাস্টারপ্ল্যানের জন্য ১২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে যে বর্ষার মরসুম কাটলেই এই কাজে গতি বাড়ানো হবে।1
- একটি পানীয় জলের ট্যাংকিতে বিষ মেশাতে গিয়ে এক মহিলাকে হাতেনাতে ধরা হয়েছে। এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।1
- সাম্প্রতিক সময়ে পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক মহলে 'ভালো তৃণমূল কংগ্রেস' শব্দবন্ধটি তুমুল আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। এই শব্দবন্ধের সঠিক ব্যাখ্যা কী, তা নিয়ে চলছে জোর চর্চা। এর পেছনের কারণ কি দলের অভ্যন্তরীণ সমীকরণ, নাকি বিরোধী শিবিরের কটাক্ষ—এই প্রশ্নটিই এখন প্রাসঙ্গিক। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা 'ভালো তৃণমূল' বলতে ঠিক কী বোঝাতে চাইছেন, দলের শীর্ষ নেতৃত্বের দৃষ্টিভঙ্গি কী এবং সাধারণ মানুষের প্রতিক্রিয়া কেমন, সে বিষয়ে চুলচেরা বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। এছাড়াও, আগামী দিনে বাংলার রাজনীতিতে এই ধারণার প্রভাব কতটা গভীর হতে পারে, তা নিয়েও চলছে আলোচনা। এই প্রেক্ষাপটে, 'ভালো তৃণমূল'-এর আসল সংজ্ঞা কী হওয়া উচিত, তা নিয়ে জনগণের মতামতও আহ্বান করা হয়েছে।1
- ২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের বাজেট ঘোষণার পর রাজ্যের প্রথম বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতিক্রিয়া নিয়ে নব্য তৃণমূল শিবির প্রশ্ন তুলেছে। নব্য তৃণমূল শিবিরের মধ্যে এই নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে যে, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় বাজেট ঘোষণার পর আদৌ খুশি কিনা।1
- মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী একটি কড়া বার্তা দিয়েছেন, যেখানে তিনি স্পষ্ট করে জানিয়েছেন যে সিভিক ভলেন্টিয়ারদের ছাড়াই সমস্ত বাছাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে।1
- পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের উপর থাকা মোট ৮ লক্ষ কোটি টাকার দেনা আগামী এক সপ্তাহের মধ্যেই মিটে যাবে।1
- মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেছেন যে, সরকারি নিয়োগের ক্ষেত্রে এবং ১০০ কোটি টাকার বিনিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে স্থানীয় কর্তৃপক্ষের অনুমতির আর প্রয়োজন হবে না। তিনি স্পষ্ট করেছেন যে এই ধরনের উদ্যোগে লোকাল বডির অনুমতি লাগবে না।1