আলিপুরদুয়ার জংশন ফাঁড়ির পুলিশের দ্রুত পদক্ষেপের কারণে বাড়ি থেকে হাঁটতে বেরিয়ে হারিয়ে যাওয়া এক বৃদ্ধাকে মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই নিরাপদে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। এই ঘটনায় বৃদ্ধার পরিবার স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ওই বৃদ্ধা হাঁটতে বেরিয়ে দীর্ঘ সময় ধরে বাড়ি না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা গভীরভাবে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেও তাঁর সন্ধান না মেলায় অবশেষে বিষয়টি আলিপুরদুয়ার জংশন ফাঁড়িতে জানানো হয়। অভিযোগ পাওয়ার পরপরই পুলিশ তৎপর হয়ে ওঠে এবং বিভিন্ন এলাকায় অনুসন্ধান চালায়, পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দাদের সাথেও যোগাযোগ করে। এই তৎপরতার ফলেই কয়েক ঘণ্টার মধ্যে পুলিশ বৃদ্ধার সন্ধান পায় এবং তাঁকে উদ্ধার করে। পরে উদ্ধারকৃত বৃদ্ধাকে তাঁর পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়। পুলিশের এই দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপের জন্য পরিবার এবং স্থানীয় বাসিন্দারা ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। পুলিশের এই তৎপরতার কারণেই একটি বড় ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়ানো গেছে বলে মনে করা হচ্ছে।
আলিপুরদুয়ার জংশন ফাঁড়ির পুলিশের দ্রুত পদক্ষেপের কারণে বাড়ি থেকে হাঁটতে বেরিয়ে হারিয়ে যাওয়া এক বৃদ্ধাকে মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই নিরাপদে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। এই ঘটনায় বৃদ্ধার পরিবার স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ওই বৃদ্ধা হাঁটতে বেরিয়ে দীর্ঘ সময় ধরে বাড়ি না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা গভীরভাবে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেও তাঁর সন্ধান না মেলায় অবশেষে বিষয়টি আলিপুরদুয়ার জংশন ফাঁড়িতে জানানো হয়। অভিযোগ পাওয়ার পরপরই পুলিশ তৎপর হয়ে ওঠে এবং বিভিন্ন এলাকায় অনুসন্ধান চালায়, পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দাদের সাথেও যোগাযোগ করে। এই তৎপরতার ফলেই কয়েক ঘণ্টার মধ্যে পুলিশ বৃদ্ধার সন্ধান পায় এবং তাঁকে উদ্ধার করে। পরে উদ্ধারকৃত বৃদ্ধাকে তাঁর পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়। পুলিশের এই দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপের জন্য পরিবার এবং স্থানীয় বাসিন্দারা ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। পুলিশের এই তৎপরতার কারণেই একটি বড় ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়ানো গেছে বলে মনে করা হচ্ছে।
- আদালতে নিয়ে যাওয়ার সময় উদয়ন ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতা বিশু ধর এক তাৎপর্যপূর্ণ দাবি করেছেন। তিনি বলেছেন যে, সৎভাবে রাজনীতি করার দিন শেষ হয়ে গিয়েছে। এর পাশাপাশি বিশু ধর আরও দাবি করেন যে তিনি আজীবন সৎ ছিলেন এবং সারা জীবন সৎ থাকবেন।1
- তুফানগঞ্জ ২ ব্লকের শালবাড়ি ১ গ্রাম পঞ্চায়েতের বাঁশরাজা বাঁশতলা এবং ব্রিজের পাড় সংলগ্ন এলাকায় একের পর এক বাড়িতে সিঁদ কেটে চুরির ঘটনায় চরম আতঙ্ক ছড়িয়েছে। এই পরপর চুরির কারণে স্থানীয় বাসিন্দাদের রাতের ঘুম উড়ে গেছে এবং তাঁরা তীব্র নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গভীর রাতে চোরের দল বাড়ির পিছনের দিক দিয়ে সিঁদ কেটে ঘরে প্রবেশ করে নগদ টাকা, সোনার গয়না-সহ মূল্যবান সামগ্রী নিয়ে পালিয়ে যাচ্ছে। একই কায়দায় একের পর এক চুরির ঘটনা আতঙ্ক আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘ সময় ধরে এলাকায় চুরির উপদ্রব বাড়লেও দুষ্কৃতীদের কার্যকলাপ রোখা যাচ্ছে না। এই চুরির ঘটনায় ক্ষুব্ধ বাসিন্দারা এখন রাত জেগে পাহারা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তাঁদের মূল দাবি, অবিলম্বে এলাকায় পুলিশের টহল বাড়ানো হোক এবং দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করা হোক। এই ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে। তবে এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি বলে জানা গেছে। ঘনঘন চুরির ঘটনায় বাঁশরাজা এলাকায় চরম উদ্বেগ ও নিরাপত্তাহীনতার পরিবেশ বিরাজ করছে এবং সাধারণ মানুষ এখন পুলিশের দ্রুত পদক্ষেপের অপেক্ষায় রয়েছেন।1
- পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহার জেলার মাথাভাঙা এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। স্থানীয় শনি মন্দির মোড় এলাকায় সদ্যজাত একটি শিশুর রক্তাক্ত ভ্রূণ উদ্ধার করা হয়েছে। এই ঘটনার পর পুলিশ তদন্তে নেমেছে।1
- শিশু মঙ্গল সমিতির দুর্নীতি কান্ডে চাঞ্চল্যকর মোড় এসেছে। এই ঘটনায় মালদহ থেকে বিশু ধরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাকে দিনহাটায় নিয়ে আসা হলে তিনি এক বিস্ফোরক দাবি করেছেন, যা এই মামলার তদন্তে নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে।1
- কোচবিহার শহরে নতুন করে আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। এই আলোড়নের মূলে রয়েছে এক তৃণমূল নেতার ধমকি, যা জমি বেচাকে কেন্দ্র করে উঠেছে।1
- প্রথমবারের মতো কোচবিহারের NBDD দপ্তরে এলেন নিশীথ প্রামাণিক। তাঁর এই আগমনকে একটি গুরুত্বপূর্ণ খবর হিসেবে তুলে ধরা হচ্ছে। এই সফরের সময় তিনি একটি সাংবাদিক বৈঠকও করেন, যেখানে তিনি কিছু বিষয় নিয়ে বক্তব্য রাখেন।1
- বৃহস্পতিবার মাথাভাঙ্গা ১ ব্লকের ভোগরামগুড়ি গ্রামে তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্য শ্যামল বর্মন (কমলাকান্ত বর্মন)-এর বাড়ির সামনে স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ বিক্ষোভ দেখিয়েছেন। তাঁদের অভিযোগ, প্রাথমিকে চাকরি দেওয়ার এবং জমি সংক্রান্ত বিবাদ মিটিয়ে দেওয়ার নাম করে লক্ষাধিক টাকা কাটমানি হিসেবে নেওয়া হয়েছে। এই কাটমানি ফেরতের দাবিতেই এদিন বিক্ষোভ প্রদর্শন করা হয়। বিক্ষোভের খবর পেয়ে মাথাভাঙ্গা থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে স্বাভাবিক করে। যদিও অভিযুক্ত তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্যের স্ত্রীর দাবি, তাঁর স্বামী তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্য ছিলেন বলেই এই অভিযোগ উঠেছে এবং তিনি কোনো টাকা নেননি। তিনি আরও জানান যে, তাঁর স্বামী এখন বাড়িতে নেই এবং বাড়ি ফিরলে তিনি এই বিষয়ে জানাবেন।1
- গোপন সূত্রে পাওয়া নির্ভরযোগ্য তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে সাহেবগঞ্জ থানার পুলিশ দরসাকদল এলাকা থেকে তৃণমূল যুব কংগ্রেসের স্থানীয় সভাপতি জয়ন্ত বর্মন (৩৪)-এর কাছ থেকে একটি দেশীয় পিস্তল ও দুই রাউন্ড তাজা গুলি উদ্ধার করেছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সাহেবগঞ্জ-সহ গোটা এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং রাজনৈতিক মহলেও জোর বিতর্ক শুরু হয়েছে। একজন শাসকদলের যুবনেতার কাছ থেকে আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় একের পর এক প্রশ্ন সামনে আসতে শুরু করেছে। রাজনৈতিক মহলের প্রশ্ন, একজন রাজনৈতিক সংগঠনের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতার কাছে কীভাবে একটি অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র এল? অস্ত্রটি কোথা থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে, কারা এর যোগানদাতা এবং এর নেপথ্যে কোনো বড় চক্র কাজ করছে কি না—তা নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে। ঘটনার পর থেকেই এলাকায় ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। অন্যদিকে, বিরোধীরা দাবি করেছে যে এই ঘটনা রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং রাজনৈতিক মহলে অবৈধ অস্ত্রের সম্ভাব্য বিস্তার নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলে দিয়েছে; যদিও এই দাবির স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করা যায়নি। পুলিশ এখনও তদন্তের স্বার্থে বিস্তারিত কিছু জানাতে রাজি হয়নি। উদ্ধার হওয়া অস্ত্রটির উৎস, কী উদ্দেশ্যে তা রাখা হয়েছিল এবং এর সঙ্গে অন্য কারও যোগসূত্র রয়েছে কি না, সেই সমস্ত দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তের অগ্রগতির উপরই নির্ভর করবে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ। উল্লেখ্য, অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত জয়ন্ত বর্মন আইনত অভিযুক্ত, দোষী নন।1