রবিবার ডানকুনির রাজা রামমোহন কমিউনিটি হলে একটি কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপির কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে তীব্র বচসা শুরু হয়, যার জেরে এলাকায় চরম রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি ক্রমশ উত্তপ্ত হয়ে উঠলে ঘটনাস্থলে ব্যাপক ভিড় জমে। ঘটনার পর উভয় পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে কর্মসূচি বানচাল করা, বাধা সৃষ্টি এবং অশান্তি ছড়ানোর গুরুতর অভিযোগ তোলে। ঘটনাস্থলে উপস্থিত দুই দলের নেতৃবৃন্দ ও কর্মীরা সংবাদমাধ্যমের সামনে নিজেদের বক্তব্য তুলে ধরলে অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগে রাজনৈতিক তরজা আরও তুঙ্গে ওঠে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দ্রুত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। যদিও এই ঘটনায় বড় ধরনের সংঘর্ষ বা গুরুতর আহতের কোনো সরকারি খবর এখনও পাওয়া যায়নি। প্রশাসন সমগ্র পরিস্থিতির উপর নিবিড় নজর রাখছে বলে জানা গেছে। এই ঘটনাকে ঘিরে ডানকুনির ওই এলাকায় রাজনৈতিক চাপানউতোর বর্তমানেও অব্যাহত রয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা মনে করছেন, আগামী দিনে এই ইস্যুকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক বিতর্ক ও সংঘাত আরও তীব্র হতে পারে।
রবিবার ডানকুনির রাজা রামমোহন কমিউনিটি হলে একটি কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপির কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে তীব্র বচসা শুরু হয়, যার জেরে এলাকায় চরম রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি ক্রমশ উত্তপ্ত হয়ে উঠলে ঘটনাস্থলে ব্যাপক ভিড় জমে। ঘটনার পর উভয় পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে কর্মসূচি বানচাল
করা, বাধা সৃষ্টি এবং অশান্তি ছড়ানোর গুরুতর অভিযোগ তোলে। ঘটনাস্থলে উপস্থিত দুই দলের নেতৃবৃন্দ ও কর্মীরা সংবাদমাধ্যমের সামনে নিজেদের বক্তব্য তুলে ধরলে অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগে রাজনৈতিক তরজা আরও তুঙ্গে ওঠে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দ্রুত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। যদিও এই ঘটনায় বড় ধরনের সংঘর্ষ বা গুরুতর
আহতের কোনো সরকারি খবর এখনও পাওয়া যায়নি। প্রশাসন সমগ্র পরিস্থিতির উপর নিবিড় নজর রাখছে বলে জানা গেছে। এই ঘটনাকে ঘিরে ডানকুনির ওই এলাকায় রাজনৈতিক চাপানউতোর বর্তমানেও অব্যাহত রয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা মনে করছেন, আগামী দিনে এই ইস্যুকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক বিতর্ক ও সংঘাত আরও তীব্র হতে পারে।
- হুগলির বৈদ্যবাটিতে শ্রীরামপুর সাংগঠনিক জেলা বিজেপির উদ্যোগে একটি চা-এর আড্ডার আয়োজন করা হয়েছিল। এই অনুষ্ঠানে রাজ্যের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রী, প্রাণিসম্পদ বিকাশ এবং কৃষি বিপণন মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ যোগ দেন।1
- 'মেরি কিতাব -২১' সিরিজের অধীনে একটি নতুন উপন্যাস প্রকাশিত হয়েছে যার নাম 'জয় যোগানিয়া মাতা'। এই উপন্যাসটি আরাবল্লীর লোকদেবী মা যোগানিয়ার জীবন ও মহিমাকে কেন্দ্র করে রচিত।1
- কলকাতা নিউজ টাইমস বৈদ্যবাটি হুগলিতে অবস্থিত 'রিদমিক রেভোলিউশন' নামক প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের একটি এক্সক্লুসিভ ইন্টারভিউ প্রকাশ করেছে। এটি এই সাক্ষাৎকারের দ্বিতীয় অংশ।1
- রাজ্য সভাপতি এম এম বিশ্বাস মহাশয় একটি সভায় সাত দফা তুলে ধরেছেন। এই অনুষ্ঠানে প্রত্যেক জেলার জেলা সভাপতি ছাড়াও বিভিন্ন পদাধিকারীরাও উপস্থিত ছিলেন।4
- পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচন-পরবর্তী রাজনৈতিক উত্তেজনার আবহে এবার শ্রীরামপুরের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর হামলার অভিযোগ উঠেছে, যা রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে সরগরম সৃষ্টি করেছে। গতকাল সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর হামলার অভিযোগের একদিন পরই এই ঘটনা ঘটল। রবিবার সকালে হুগলির চণ্ডীতলা থানার সামনে তৃণমূল কংগ্রেসের একটি ডেপুটেশন কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায়। অভিযোগ করা হয়েছে, নির্বাচনের পর দলীয় নেতা-কর্মীদের গ্রেফতারের প্রতিবাদে থানায় স্মারকলিপি জমা দিতে গিয়েছিলেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর অনুগামী তৃণমূল কর্মী-সমর্থকরা। সেই সময় বিজেপি কর্মীরা বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করলে দুই পক্ষের মধ্যে তীব্র বাগ্বিতণ্ডা, ধাক্কাধাক্কি এবং সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। তৃণমূলের অভিযোগ, এই উত্তেজনার মধ্যেই সাংসদকে লক্ষ্য করে ইট ছোড়া হয়, যা তাঁর মাথায় আঘাত করে। তাঁকে ঘটনাস্থলে মাথা চেপে ধরে থাকতে দেখা যায় এবং কিছু প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রের দাবি অনুযায়ী, আঘাতের ফলে তাঁর মাথা ফেটে রক্তপাতও হয়। পরে তাঁকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। ঘটনার পর কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় সরাসরি অভিযোগ করেন যে বিজেপি কর্মীরাই পরিকল্পিতভাবে তাঁর উপর হামলা চালিয়েছে। যদিও বিজেপির পক্ষ থেকে এই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করে বলা হয়েছে যে, তৃণমূলই অশান্তির পরিবেশ তৈরি করেছে। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয় এবং বর্তমানে এলাকায় কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা জারি রেখে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চলছে। পরপর দুই শীর্ষ তৃণমূল নেতার উপর হামলার অভিযোগকে কেন্দ্র করে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্ক ও চাপানউতোর শুরু হয়েছে, যা নির্বাচন-পরবর্তী রাজনৈতিক সংঘাত আরও তীব্র হচ্ছে কিনা, সেই প্রশ্ন সামনে নিয়ে এসেছে।4