logo
Shuru
Apke Nagar Ki App…
  • Latest News
  • News
  • Politics
  • Elections
  • Viral
  • Astrology
  • Horoscope in Hindi
  • Horoscope in English
  • Latest Political News
logo
Shuru
Apke Nagar Ki App…

বহিনজী তার শাসনকালে কি কি কাজ করেছেন, এবং ভারতের বহুজনদের জন্য তার গুরুত্ব ================================ বাংলাতে যারা BSPর বাইরে থেকে যেকোনো ব্রাহ্মণ্যবাদী/জাতীবাদী দলে (যেমনি বিজেপি, তৃণমূল, সিপিআইএম, ইত্যাদি) ভোট দেয়, তাদের একটি বহুল প্রচলিত পন্থা হলো, আমাদের সহজ-সরল খেঁটে-খাওয়া বৃহত্তর সমাজের সামনে BSP এবং বহিনজী'র বদনাম করা ও এই দাবি করা যে, বহিনজী নাকি তার শাসনের সময় কাজের কাজ কিছুই করেন নি ! সত্যিই কি তাই ! নিচে একটি সংক্ষিপ্ত বিবরণী দেওয়া হলো - ২০০৭ থেকে ২০১২র মধ্য বহিনজী তার শাসনকালে কি কি কাজ করেছিলেন, সেই বিষয়ে। এতে যদি বহিনজী'র আগের তিনটি শাসনের কাজ জোড়া হয়, তাহলে সূচিটি দ্বিগুণেরও বড় হয়ে যাবে। বহিনজী'র শাসনের ব্যাপারে আরো কয়েকটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মাথায় রাখতে হবে, যেমনি : 1. বহিনজী ভারতের একমাত্র শাসক যিনি শুধুমাত্র "ঘোষণা শাসক" ছিলেন না। যেমনি বাংলার বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী নতুন জেলার ঘোষণা করে দিয়েছেন - সেটা তৈরী করার কোনও পরিকল্পনা বা বাজেট বরাদ্দ না করে। বহিনজী কোনওদিন এইরকম "মানুষ ঠকানো" কাজ করেননি। ঘোষণা হওয়ার আগেই পরিকল্পনা তৈরী এবং ঘোষনা হওয়ার সাথে সাথে বাজেট ও বরাদ্দ হয়ে যেতো। 2. কাঁশীরামজীর তৈরী করা BSP আসার আগে পর্যন্ত, বর্নহিন্দু শাসক-শ্রেণী আমাদের বহুজনদের ভোট প্রায় ফ্রি-তে পেতো। সমাজের ভোট পেতে গেলে যে সমাজকে কিছু দিতে হয় - এই বিষয়টি শুরুই হয় BSPর মাধ্যমে এবং BSPর চাপের কারণে। 3. "সমাজকে কি দেওয়া হচ্ছে" - এটা অত্যন্ত জরুরি বোঝার বিষয়। যেমনি শাসক যদি সমাজকে শুধুমাত্র কিছু টাকা দেয় প্রতিমাসে বা কয়েক কিলো চাল/ডাল দেয়, তাহলে শাসক সমাজকে ভিক্ষারী বানাচ্ছে। কিন্তু যদি এর সাথে সাথে উচ্চ-মানের সরকারি শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কর্ম-সংস্থান দিচ্ছে - তাহলে শাসক সমাজকে স্বাবলম্বী বানাচ্ছে এবং সবাইকে রাষ্ট্র-নির্মাণে অংশগ্রহণ করার সুযোগ দিচ্ছে, দেশের নাগরিক হিশেবে, এবং এইভাবে সমতামূলক সমাজ তৈরী করছে। এই কাজটি আজ পর্যন্ত BSP ছাড়া অন্য কোনও দলের সরকার ঠিকভাবে করেনি। 4. বহিনজী এত যে নিম্নলিখিত কাজ করেছেন - তার একটাতেও কেউ কোনও দুর্নীতির নাম-গন্ধ দেখাতে পারবে না। বাবা সাহেবের সংবিধান অনুসারে শাসন কিভাবে চালাতে হয়, বহিনজী সেটা করে দেখিয়ে দিয়েছেন। ================ সামাজিক সুরক্ষা : 1. ৯৩,০০০ হাজার শিক্ষক নিয়োগ। 2. ৪১,০০০ পুলিশ নিয়োগ। 3. ১,০৮,৮৪৮ জন সাফাই কর্মী নিয়োগ। 4. ৩৫,০০০ এর ও বেশি দিন-মজুরদের নিয়মিত করা। 5. ১২,২৪৪ জন শিক্ষামিত্র নিয়োগ। 6. ১,৩৬,১৮৩ জন "আশা কর্মী" নিয়োগ করা। 7. "কাঁশীরামজী শহরী আবাস যোজনা"য় ১,০১,০০০ দুই কামরার ফ্ল্যাট শহরের গরীব মানুষদের দেওয়া। 8. "ডা: আম্বেদকর গ্রামসভা বিকাস সমগ্র বিকাশ যোজনা"র অন্তর্গত ৫৫৯৮টি গ্রামসভা নির্মাণ, এবং সেই গ্রামে পাকা-রাস্তা, বিদ্যুৎ, পানীয় জল, নিকাশি ব্যবস্থা ও পাকাবাড়ি পেয়ে মানুষ উপকৃত হয়েছে। 9. গরিব বস্তিতে ২০০০ সামুদায়িক কেন্দ্র নির্মাণ। 10. উত্তরপ্রদেশের যে সমস্ত পরিবার বিপিএল এর সুবিধা নিতে পারেনি, এমন ৩১ লক্ষ পরিবারকে "উত্তরপ্রদেশ মুখ্যমন্ত্রী মহামায়া গরিব আর্থিক মদত যোজনা"তে অন্তর্ভুক্ত করে প্রতি মাসে ৪০০ টাকা করে দেওয়ার ব্যবস্থা করা। 11. "সাবিত্রী ফুলে শিক্ষা মদত যোজনা"র অন্তর্গত ৬,৮৬,৯৫৩ জন বালিকা ১০ ক্লাস পাশ করার পরে ১ টি সাইকেল ও নগদ ১৫ হাজার টাকা এবং ১২ ক্লাস পাশ করার পর আরও নগদ ১০ হাজার টাকা পেয়ে উপকৃত হয়েছে। (এই সাইকেল দেওয়ার সূচনা বহিনজী করেন ১৫ জানুয়ারি ২০০৯ সালে, যার নকল বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার ২০১০ সালে করেন, আর বাংলাতে তৃণমূল সরকার করে ২০১১ সালে)। 12. "মহামায়া গরীব বালিকা আশীর্বাদ যোজনা"র অন্তর্গত ৩,২৫,০০০ গরিব বালিকাকে তার ১৮ বছর বয়স হলে, ১ লক্ষ টাকা করে দেওয়ার ব্যাবস্থা করা। 13. সর্বজন হিতায় গরিব আবাস মালিকানা হক যোজনার অন্তর্গত ৭২৩২ জন বস্তিবাসী মালিকানা পেয়েছে। 14. ৫৫,০০০ হেক্টর কৃষিজমি আড়াই লাখ ভূমিহীন গরীব বেকারদের লিজ দেওয়া হয়েছে। 15. ৩,৫০০ হেক্টর বসবাসযোগ্য জমি ৩,৫০,০০ গরিব পরিবারকে দেওয়া হয়েছে। 16. ৩০,০০০ হেক্টর কৃষিজমি ৩৬,০০০ গরিব চাষীদের দেওয়া হয়েছে। 17. ১২,০০০ হেক্টর জমি ৪২,০০০ গরিব কৃষকদের গাছ লাগানোর জন্য দেওয়া হয়েছে। 18. ১৯,০০০ গরীব কুমোরদের ১৬,০০০ কাজের সরঞ্জাম সেট বিতরণ করা হয়েছে। 19. ১৮,৬৭,৮৩৫ গরিব পরিবার প্রধানকে GTIS বিমা করে দেওয়া হয়েছে। 20. বিপিএল কার্ড ধারী ও "উত্তর প্রদেশ মুখ্যমন্ত্রী মহামায়া গরিব আর্থিক মদত যোজনা"ধীন ব্যক্তিকে বিনা খরচায় সরকারি উকিল দিয়ে আইনি সাহায্যের ব্যবস্থা করা। 21. ১৩ টি অত্যাবশ্যকীয় পরিষেবাকে উত্তর প্রদেশ জনহিত গ্যারান্টি আইনের অন্তর্ভুক্ত করা। 22. গরিব মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের সরকারি খরচায় ইউরোপে পড়াশোনার ব্যবস্থা করা। 23. ২০০৭ সালে দৈনিক মজুরি ৫৮ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১০০ টাকা করা। 24. ১৩ লক্ষ ৫৮ হাজার পরিবারকে ৮০০ কোটি টাকা খরচ করে স্বনির্ভর করা। 25. ১৬,৯৯৫ কোটি টাকা খরচ করে গ্রামে ১০,৫৮৬ লক্ষ শ্রমিক দিন তৈরি করা। পরিকাঠামোগত উন্নয়ন : 1. ৯৯৫৩ কোটি টাকা খরচ করে নয়ডা থেকে আগ্রা পর্যন্ত ১৬৫ কিলোমিটার দীর্ঘ ৬ লেন যমুনা এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ করা, যাতে ওই অঞ্চলের কৃষকরা দু'ঘণ্টা সময়ে ফসল সরাসরি দিল্লিতে নিয়ে গিয়ে বিক্রি করে অধিক লাভ পেতে পারে। 2. ১১০০ কোটি টাকার খরচ করে আগ্রা শহর ঘিরে ২০.৫ কিলোমিটার দৈর্ঘ্য ৬ লেন রিংরোড নির্মাণ করা। 3. ৩০,০০০ কোটি টাকা ১০৪৭ কিলোমিটার দীর্ঘ ৮ লেন গঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ের নির্মাণ-কার্যে খরচা করা। 4. ৮৯১১ কোটি টাকা ১৪৮ কিলোমিটার দীর্ঘ "আপার গঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ে" নির্মাণ-কার্যে খরচা করা। 5. দিল্লী - নয়ডা - গ্রেটার নয়ডা মেট্রোরেল প্রকল্পের প্রথম ধাপে দিল্লী থেকে নয়ডা পর্যন্ত নির্মাণ করা। 6. ২০০৭ থেকে এর আগে কেবলমাত্র ৪,০০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন বিদ্যুৎ প্রকল্প ছিল। ২০০৭ থেকে ২০১১ পর্যন্ত ২৮,৭৯৬ কোটি টাকা খরচা করে অতিরিক্ত ৩০০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন বিদ্যুৎ প্রকল্প চালু করা। আরও ১০,০০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ প্রকল্পের কাজ শুরু করা। 7. "ফর্মুলা ১" রেসের বিশ্ব-বিখ্যাত বুদ্ধ ইন্টারন্যাশনাল সার্কিট নির্মাণ করা। অন্যান্য রাস্তাঘাট নির্মাণ : 1. ৯,০০০ কোটি টাকা খরচা করে ৫০,০০০ কিলোমিটারেরও বেশি রাস্তা নতুন নির্মাণ অথবা পুনরায় নির্মাণ করা। 2. ৩,৫৬৯ কোটি টাকা খরচ করে ১৩,০০০ কিলোমিটারের ও বেশি কংক্রিটের রাস্তা ও ড্রেন নির্মাণ করা। 3. ১,৩৬৯ কোটি টাকা খরচ করে ৩১৯ টি ব্রিজ ও ৩৬৩ কোটি টাকা খরচ করে ১৬ টি ওভার-ব্রিজ নির্মাণ করা। 4. ১,০২৬,২২০ কিলোমিটার রাস্তা সারাই করা। কৃষি ও জলসেচ : 1. ২২,০৯৭ কোটি টাকা খরচ করে 32 লক্ষ হেক্টর জমিতে জলসেচ ব্যবস্থা। 2. ২,৯৭৫ টি নলকূপ বসিয়ে ১.৫ লক্ষ্য হেক্টর জমিতে জলসেচের ব্যবস্থা করা । 3. জলসেচের জন্য ৯,০০০ এর ও বেশি ক্যানাল (খাল) সংস্কার করা। 4. ১,৯৫০ কোটি টাকা কৃষকদের উন্নত মানের বীজ, যন্ত্রপাতি, সার, এর জন্য খরচ করা। 5. কৃষকের আয় দ্বিগুণ করার জন্য পরিকল্পনা গ্রহণ করা। 6. জলবায়ু নির্ভর ফসলে বীমার ব্যাবস্থা করা। 7. আখ চাষিদের ন্যুনতম সহায়ক মূল্য উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি করা। 8. উত্তর প্রদেশ দুধ উৎপাদনে দেশে প্রথম হওয়া। শিক্ষা ও খেলাধুলা: 1. ৬৫,০০০ কোটি টাকা ২০০৭ থেকে ২০১১ পর্যন্ত ব্যয় করা। 2. ১২,১৬০ টি নতুন উচ্চ-প্রাথমিক ও ৪,৬৫৪ টি নতুন প্রাথমিক বিদ্যালয় নির্মাণ করা। 3. ৪১ টি নতুন সরকারি পলিটেকনিক কলেজ নির্মাণ করা। 4. ৫ টি নতুন সরকারী বিশ্ববিদ্যালয় তৈরি। 5. ১৩ টি নতুন প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় তৈরি। 6. ১৫ টার ও বেশি সরকারি মহাবিদ্যালয় তৈরি। 7. ১০ টার ও বেশি সরকারি মেডিকেল কলেজ তৈরি করা। 8. প্রতি জেলায় গৌতম বুদ্ধ ছাত্রাবাস, ২০ টি জেলায় শাহুজী ছাত্রাবাস, এছাড়া সাবিত্রী ফুলে ছাত্রাবাস, শ্রী নারায়ণ গুরু এবং রবিদাস ছাত্রাবাস, বিরসা মুন্ডা ছাত্রাবাস তৈরি করা। 9. গরিব ছাত্র-ছাত্রীদের IAS/IPS তৈরী করার জন্য "ছত্রপতি শাহুজি মহারাজ মেডিকেল ও IAS, IPS ট্রেনিং ইনস্টিটিউট" তৈরি করা। স্বাস্থ্য : 1. ২২,০০০ কোটি টাকা ২০০৭ থেকে ২০১১ পর্যন্ত ব্যয় করা। 2. ৪ টি নতুন সুপার স্পেশালিটি সরকারি হাসপাতাল তৈরী করা। 3. প্রাইভেট সংস্থার সঙ্গে মিলিতভাবে ৭ টি হাসপাতাল তৈরী করা। আইন-কানুন ও শাসন : 1. ১ লাখেরও বেশি কুখ্যাত অপরাধী ও মাফিয়ার বিরুদ্ধে কঠিন ও কার্যকর ব্যবস্থা নিয়ে গুন্ডা টেক্স, মাফিয়া রাজ, জঙ্গল রাজ শেষ করে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা। 2. ১,৭০৭ জন অপরাধীকে "ন্যাশনাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট"এ আটক করা। 3. অপরাধী পেশায় যুক্ত ৪,০০০ জন অপরাধীর বিরুদ্ধে "গ্যাংস্টার অ্যাক্ট" এর কঠিন পদক্ষেপ নেওয়া। 4. ৮,০১৩ জন দুর্ধর্ষ অপরাধী, যাদের মাথার পুরস্কার মূল্য 5 লাখ টাকা, তাদের আটক করা। 5. ৩৭৪ জন দুর্ধর্ষ অপরাধী, যাদের মাথার পুরস্কার মূল্য ৫ লাখ টাকা, তাদের পুলিশ এনকাউন্টারে মারা। 6. উত্তর প্রদেশে প্রথমবার আইন ব্যবস্থা ভাঙার জন্য সমাজের প্রভাবশালী লোকেদের বিরুদ্ধে ও ব্যবস্থা নিয়ে আইনের চোখে যে সবাই সমান, তা প্রমাণ করা। এমনকি বিএসপি'র ও সাংসদ, বিধায়ক, মন্ত্রী, নেতা, কেউই আইনের হাত থেকে রেহাই পায়নি। 7. নকশাল সমস্যার সমাধানের জন্য ৪২৩ টি নকশাল বেল্টের গ্রামকে "ডা: আম্বেদকর গ্রামসভা সমগ্র বিকাশ যোজনা"তে উন্নত করা। 8. সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় বহিনজী ঐতিহাসিক সাফল্য পেয়েছেন। তার শাসনে কোন সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা হয়নি। এমনকি রাম জন্মভূমি/বাবরি মসজিদ কেসের রায়ের সময়েও উত্তরপ্রদেশ সাম্প্রদায়িক দিক দিয়ে ছিলো সম্পূর্ণভাবে শান্ত। 9. বহিনজী নিজে আকস্মিক পরিদর্শন করে আইন-ব্যবস্থা ও প্রশাসনের খেয়াল রেখেছেন। ============= উপরে বর্ণিত কর্মকাণ্ড কোন প্রতিশ্রুতি নয়, বিএসপি সরকার করে দেখিয়েছে। আমরা কথায় নয় কাজে বিশ্বাস করি। আমরা প্রতিশ্রুতি নয়, নতুন দিশা নিয়ে আসি। কিন্তু ভারতের ১০০% ব্রাহ্মণ্যবাদী/জাতীবাদী মিডিয়াগুলি আমাদের সরকার দ্বারা করা জনহিতৈষী কাজ প্রকাশ না করে, শুধুমাত্র জাতিবাদী মানসিকতা নিয়ে আমাদের সরকারের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়েছে। যেমন উত্তর প্রদেশে আমাদের বিএসপি'র সরকার তার বাজেটের ১% এরও কম টাকা খরচা করে পিছিয়ে রাখা সমাজে জন্মানো মহাপুরুষদের নামে পার্ক, স্মারক তৈরী করে তাদের আদর ও সম্মান দেওয়াটাকেও বিকৃত বলে তুলে ধরেছে। তারা এমনভাবে প্রচার করেছে বা করছে যে, আমাদের বিএসপি'র সরকারই ভারতবর্ষে প্রথমবার পার্ক ও মূর্তি বানিয়েছে, কোন উন্নয়ন না করে সব টাকা মূর্তি আর পার্ক বানাতে ব্যয় করেছে। এটা সম্পূর্নভাবে ভূল ও মিথ্যে। এই পার্কগুলি ৫,৬৩৪ জনকে কর্মসংস্থান দেওয়ার সাথে সাথে, তাজ মহলের পরে উত্তর প্রদেশের পর্যটন দপ্তরকে সব থেকে বেশি আয় দেয়, এবং এদের নির্মাণে যা খরচা করা হয়েছিলো - তার থেকে অনেক বেশি আয় ইতিমধ্যেই সরকারের হয়ে গেছে। BSPর একনিষ্ঠ কর্মী হিসেবে আমাদের এখন কাজ হলো, বহিনজী'র শাসনে করা কাজের উপরোক্ত বিবরণী বাংলার ঘর-ঘরে পৌঁছে দেওয়া, যাতে তারা জানতে ও বুঝতে পারে যে, কেন্দ্রে এইরকম রাষ্ট্র-নির্মাণকারী সবার উন্নতির শাসন পেতে গেলে, একমাত্র উপায় ও পথ হলো, আগামী লোকসভা নির্বাচনে BSPর প্রার্থীদের বিপুলভাবে জয়ী করে, দিল্লীতে বহিনজী'র নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় সরকার তৈরী করা। =============== জয় ভীম, জয় ভারত ===============

20 hrs ago
user_Babulal Sarkar
Babulal Sarkar
Berhampore, Murshidabad•
20 hrs ago
606e36f8-7766-4de5-a931-191827d8bf7d

বহিনজী তার শাসনকালে কি কি কাজ করেছেন, এবং ভারতের বহুজনদের জন্য তার গুরুত্ব ================================ বাংলাতে যারা BSPর বাইরে থেকে যেকোনো ব্রাহ্মণ্যবাদী/জাতীবাদী দলে (যেমনি বিজেপি, তৃণমূল, সিপিআইএম, ইত্যাদি) ভোট দেয়, তাদের একটি বহুল প্রচলিত পন্থা হলো, আমাদের সহজ-সরল খেঁটে-খাওয়া বৃহত্তর সমাজের সামনে BSP এবং বহিনজী'র বদনাম করা ও এই দাবি করা যে, বহিনজী নাকি তার শাসনের সময় কাজের কাজ কিছুই করেন নি ! সত্যিই কি তাই ! নিচে একটি সংক্ষিপ্ত বিবরণী দেওয়া হলো - ২০০৭ থেকে ২০১২র মধ্য বহিনজী তার শাসনকালে কি কি কাজ করেছিলেন, সেই বিষয়ে। এতে যদি বহিনজী'র আগের তিনটি শাসনের কাজ জোড়া হয়, তাহলে সূচিটি দ্বিগুণেরও বড় হয়ে যাবে। বহিনজী'র শাসনের ব্যাপারে আরো কয়েকটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মাথায় রাখতে হবে, যেমনি : 1. বহিনজী ভারতের একমাত্র শাসক যিনি শুধুমাত্র "ঘোষণা শাসক" ছিলেন না। যেমনি বাংলার বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী নতুন জেলার ঘোষণা করে দিয়েছেন - সেটা তৈরী করার কোনও পরিকল্পনা বা বাজেট বরাদ্দ না করে। বহিনজী কোনওদিন এইরকম "মানুষ ঠকানো" কাজ করেননি। ঘোষণা হওয়ার আগেই পরিকল্পনা তৈরী এবং ঘোষনা হওয়ার সাথে সাথে বাজেট ও বরাদ্দ হয়ে যেতো। 2. কাঁশীরামজীর তৈরী করা BSP আসার আগে পর্যন্ত, বর্নহিন্দু শাসক-শ্রেণী আমাদের বহুজনদের ভোট প্রায় ফ্রি-তে পেতো। সমাজের ভোট পেতে গেলে যে সমাজকে কিছু দিতে হয় - এই বিষয়টি শুরুই হয় BSPর মাধ্যমে এবং BSPর চাপের কারণে। 3. "সমাজকে কি দেওয়া হচ্ছে" - এটা অত্যন্ত জরুরি বোঝার বিষয়। যেমনি শাসক যদি সমাজকে শুধুমাত্র কিছু টাকা দেয় প্রতিমাসে বা কয়েক কিলো চাল/ডাল দেয়, তাহলে শাসক সমাজকে ভিক্ষারী বানাচ্ছে। কিন্তু যদি এর সাথে সাথে উচ্চ-মানের সরকারি শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কর্ম-সংস্থান দিচ্ছে - তাহলে শাসক সমাজকে স্বাবলম্বী বানাচ্ছে এবং সবাইকে রাষ্ট্র-নির্মাণে অংশগ্রহণ করার সুযোগ দিচ্ছে, দেশের নাগরিক হিশেবে, এবং এইভাবে সমতামূলক সমাজ তৈরী করছে। এই কাজটি আজ পর্যন্ত BSP ছাড়া অন্য কোনও দলের সরকার ঠিকভাবে করেনি। 4. বহিনজী এত যে নিম্নলিখিত কাজ করেছেন - তার একটাতেও কেউ কোনও দুর্নীতির নাম-গন্ধ দেখাতে পারবে না। বাবা সাহেবের সংবিধান অনুসারে শাসন কিভাবে চালাতে হয়, বহিনজী সেটা করে দেখিয়ে দিয়েছেন। ================ সামাজিক সুরক্ষা : 1. ৯৩,০০০ হাজার শিক্ষক নিয়োগ। 2. ৪১,০০০ পুলিশ নিয়োগ। 3. ১,০৮,৮৪৮ জন সাফাই কর্মী নিয়োগ। 4. ৩৫,০০০ এর ও বেশি দিন-মজুরদের নিয়মিত করা। 5. ১২,২৪৪ জন শিক্ষামিত্র নিয়োগ। 6. ১,৩৬,১৮৩ জন "আশা কর্মী" নিয়োগ করা। 7. "কাঁশীরামজী শহরী আবাস যোজনা"য় ১,০১,০০০ দুই কামরার ফ্ল্যাট শহরের গরীব মানুষদের দেওয়া। 8. "ডা: আম্বেদকর গ্রামসভা বিকাস সমগ্র বিকাশ যোজনা"র অন্তর্গত ৫৫৯৮টি গ্রামসভা নির্মাণ, এবং সেই গ্রামে পাকা-রাস্তা, বিদ্যুৎ, পানীয় জল, নিকাশি ব্যবস্থা ও পাকাবাড়ি পেয়ে মানুষ উপকৃত হয়েছে। 9. গরিব বস্তিতে ২০০০ সামুদায়িক কেন্দ্র নির্মাণ। 10. উত্তরপ্রদেশের যে সমস্ত পরিবার বিপিএল এর সুবিধা নিতে পারেনি, এমন ৩১ লক্ষ পরিবারকে "উত্তরপ্রদেশ মুখ্যমন্ত্রী মহামায়া গরিব আর্থিক মদত যোজনা"তে অন্তর্ভুক্ত করে প্রতি মাসে ৪০০ টাকা করে দেওয়ার ব্যবস্থা করা। 11. "সাবিত্রী ফুলে শিক্ষা মদত যোজনা"র অন্তর্গত ৬,৮৬,৯৫৩ জন বালিকা ১০ ক্লাস পাশ করার পরে ১ টি সাইকেল ও নগদ ১৫ হাজার টাকা এবং ১২ ক্লাস পাশ করার পর আরও নগদ ১০ হাজার টাকা পেয়ে উপকৃত হয়েছে। (এই সাইকেল দেওয়ার সূচনা বহিনজী করেন ১৫ জানুয়ারি ২০০৯ সালে, যার নকল বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার ২০১০ সালে করেন, আর বাংলাতে তৃণমূল সরকার করে ২০১১ সালে)। 12. "মহামায়া গরীব বালিকা আশীর্বাদ যোজনা"র অন্তর্গত ৩,২৫,০০০ গরিব বালিকাকে তার ১৮ বছর বয়স হলে, ১ লক্ষ টাকা করে দেওয়ার ব্যাবস্থা করা। 13. সর্বজন হিতায় গরিব আবাস মালিকানা হক যোজনার অন্তর্গত ৭২৩২ জন বস্তিবাসী মালিকানা পেয়েছে। 14. ৫৫,০০০ হেক্টর কৃষিজমি আড়াই লাখ ভূমিহীন গরীব বেকারদের লিজ দেওয়া হয়েছে। 15. ৩,৫০০ হেক্টর বসবাসযোগ্য জমি ৩,৫০,০০ গরিব পরিবারকে দেওয়া হয়েছে। 16. ৩০,০০০ হেক্টর কৃষিজমি ৩৬,০০০ গরিব চাষীদের দেওয়া হয়েছে। 17. ১২,০০০ হেক্টর জমি ৪২,০০০ গরিব কৃষকদের গাছ লাগানোর জন্য দেওয়া হয়েছে। 18. ১৯,০০০ গরীব কুমোরদের ১৬,০০০ কাজের সরঞ্জাম সেট বিতরণ করা হয়েছে। 19. ১৮,৬৭,৮৩৫ গরিব পরিবার প্রধানকে GTIS বিমা করে দেওয়া হয়েছে। 20. বিপিএল কার্ড ধারী ও "উত্তর প্রদেশ মুখ্যমন্ত্রী মহামায়া গরিব আর্থিক মদত যোজনা"ধীন ব্যক্তিকে বিনা খরচায় সরকারি উকিল দিয়ে আইনি সাহায্যের ব্যবস্থা করা। 21. ১৩ টি অত্যাবশ্যকীয় পরিষেবাকে উত্তর প্রদেশ জনহিত গ্যারান্টি আইনের অন্তর্ভুক্ত করা। 22. গরিব মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের সরকারি খরচায় ইউরোপে পড়াশোনার ব্যবস্থা করা। 23. ২০০৭ সালে দৈনিক মজুরি ৫৮ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১০০ টাকা করা। 24. ১৩ লক্ষ ৫৮ হাজার পরিবারকে ৮০০ কোটি টাকা খরচ করে স্বনির্ভর করা। 25. ১৬,৯৯৫ কোটি টাকা খরচ করে গ্রামে ১০,৫৮৬ লক্ষ শ্রমিক দিন তৈরি করা। পরিকাঠামোগত উন্নয়ন : 1. ৯৯৫৩ কোটি টাকা খরচ করে নয়ডা থেকে আগ্রা পর্যন্ত ১৬৫ কিলোমিটার দীর্ঘ ৬ লেন যমুনা এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ করা, যাতে ওই অঞ্চলের কৃষকরা দু'ঘণ্টা সময়ে ফসল সরাসরি দিল্লিতে নিয়ে গিয়ে বিক্রি করে অধিক লাভ পেতে পারে। 2. ১১০০ কোটি টাকার খরচ করে আগ্রা শহর ঘিরে ২০.৫ কিলোমিটার দৈর্ঘ্য ৬ লেন রিংরোড নির্মাণ করা। 3. ৩০,০০০ কোটি টাকা ১০৪৭ কিলোমিটার দীর্ঘ ৮ লেন গঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ের নির্মাণ-কার্যে খরচা করা। 4. ৮৯১১ কোটি টাকা ১৪৮ কিলোমিটার দীর্ঘ "আপার গঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ে" নির্মাণ-কার্যে খরচা করা। 5. দিল্লী - নয়ডা - গ্রেটার নয়ডা মেট্রোরেল প্রকল্পের প্রথম ধাপে দিল্লী থেকে নয়ডা পর্যন্ত নির্মাণ করা। 6. ২০০৭ থেকে এর আগে কেবলমাত্র ৪,০০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন বিদ্যুৎ প্রকল্প ছিল। ২০০৭ থেকে ২০১১ পর্যন্ত ২৮,৭৯৬ কোটি টাকা খরচা করে অতিরিক্ত ৩০০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন বিদ্যুৎ প্রকল্প চালু করা। আরও ১০,০০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ প্রকল্পের কাজ শুরু করা। 7. "ফর্মুলা ১" রেসের বিশ্ব-বিখ্যাত বুদ্ধ ইন্টারন্যাশনাল সার্কিট নির্মাণ করা। অন্যান্য রাস্তাঘাট নির্মাণ : 1. ৯,০০০ কোটি টাকা খরচা করে ৫০,০০০ কিলোমিটারেরও বেশি রাস্তা নতুন নির্মাণ অথবা পুনরায় নির্মাণ করা। 2. ৩,৫৬৯ কোটি টাকা খরচ করে ১৩,০০০ কিলোমিটারের ও বেশি কংক্রিটের রাস্তা ও ড্রেন নির্মাণ করা। 3. ১,৩৬৯ কোটি টাকা খরচ করে ৩১৯ টি ব্রিজ ও ৩৬৩ কোটি টাকা খরচ করে ১৬ টি ওভার-ব্রিজ নির্মাণ করা। 4. ১,০২৬,২২০ কিলোমিটার রাস্তা সারাই করা। কৃষি ও জলসেচ : 1. ২২,০৯৭ কোটি টাকা খরচ করে 32 লক্ষ হেক্টর জমিতে জলসেচ ব্যবস্থা। 2. ২,৯৭৫ টি নলকূপ বসিয়ে ১.৫ লক্ষ্য হেক্টর জমিতে জলসেচের ব্যবস্থা করা । 3. জলসেচের জন্য ৯,০০০ এর ও বেশি ক্যানাল (খাল) সংস্কার করা। 4. ১,৯৫০ কোটি টাকা কৃষকদের উন্নত মানের বীজ, যন্ত্রপাতি, সার, এর জন্য খরচ করা। 5. কৃষকের আয় দ্বিগুণ করার জন্য পরিকল্পনা গ্রহণ করা। 6. জলবায়ু নির্ভর ফসলে বীমার ব্যাবস্থা করা। 7. আখ চাষিদের ন্যুনতম সহায়ক মূল্য উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি করা। 8. উত্তর প্রদেশ দুধ উৎপাদনে দেশে প্রথম হওয়া। শিক্ষা ও খেলাধুলা: 1. ৬৫,০০০ কোটি টাকা ২০০৭ থেকে ২০১১ পর্যন্ত ব্যয় করা। 2. ১২,১৬০ টি নতুন উচ্চ-প্রাথমিক ও ৪,৬৫৪ টি নতুন প্রাথমিক বিদ্যালয় নির্মাণ করা। 3. ৪১ টি নতুন সরকারি পলিটেকনিক কলেজ নির্মাণ করা। 4. ৫ টি নতুন সরকারী বিশ্ববিদ্যালয় তৈরি। 5. ১৩ টি নতুন প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় তৈরি। 6. ১৫ টার ও বেশি সরকারি মহাবিদ্যালয় তৈরি। 7. ১০ টার ও বেশি সরকারি মেডিকেল কলেজ তৈরি করা। 8. প্রতি জেলায় গৌতম বুদ্ধ ছাত্রাবাস, ২০ টি জেলায় শাহুজী ছাত্রাবাস, এছাড়া সাবিত্রী ফুলে ছাত্রাবাস, শ্রী নারায়ণ গুরু এবং রবিদাস ছাত্রাবাস, বিরসা মুন্ডা ছাত্রাবাস তৈরি করা। 9. গরিব ছাত্র-ছাত্রীদের IAS/IPS তৈরী করার জন্য "ছত্রপতি শাহুজি মহারাজ মেডিকেল ও IAS, IPS ট্রেনিং ইনস্টিটিউট" তৈরি করা। স্বাস্থ্য : 1. ২২,০০০ কোটি টাকা ২০০৭ থেকে ২০১১ পর্যন্ত ব্যয় করা। 2. ৪ টি নতুন সুপার স্পেশালিটি সরকারি হাসপাতাল তৈরী করা। 3. প্রাইভেট সংস্থার সঙ্গে মিলিতভাবে ৭ টি হাসপাতাল তৈরী করা। আইন-কানুন ও শাসন : 1. ১ লাখেরও বেশি কুখ্যাত অপরাধী ও মাফিয়ার বিরুদ্ধে কঠিন ও কার্যকর ব্যবস্থা নিয়ে গুন্ডা টেক্স, মাফিয়া রাজ, জঙ্গল রাজ শেষ করে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা। 2. ১,৭০৭ জন অপরাধীকে "ন্যাশনাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট"এ আটক করা। 3. অপরাধী পেশায় যুক্ত ৪,০০০ জন অপরাধীর বিরুদ্ধে "গ্যাংস্টার অ্যাক্ট" এর কঠিন পদক্ষেপ নেওয়া। 4. ৮,০১৩ জন দুর্ধর্ষ অপরাধী, যাদের মাথার পুরস্কার মূল্য 5 লাখ টাকা, তাদের আটক করা। 5. ৩৭৪ জন দুর্ধর্ষ অপরাধী, যাদের মাথার পুরস্কার মূল্য ৫ লাখ টাকা, তাদের পুলিশ এনকাউন্টারে মারা। 6. উত্তর প্রদেশে প্রথমবার আইন ব্যবস্থা ভাঙার জন্য সমাজের প্রভাবশালী লোকেদের বিরুদ্ধে ও ব্যবস্থা নিয়ে আইনের চোখে যে সবাই সমান, তা প্রমাণ করা। এমনকি বিএসপি'র ও সাংসদ, বিধায়ক, মন্ত্রী, নেতা, কেউই আইনের হাত থেকে রেহাই পায়নি। 7. নকশাল সমস্যার সমাধানের জন্য ৪২৩ টি নকশাল বেল্টের গ্রামকে "ডা: আম্বেদকর গ্রামসভা সমগ্র বিকাশ যোজনা"তে উন্নত করা। 8. সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় বহিনজী ঐতিহাসিক সাফল্য পেয়েছেন। তার শাসনে কোন সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা হয়নি। এমনকি রাম জন্মভূমি/বাবরি মসজিদ কেসের রায়ের সময়েও উত্তরপ্রদেশ সাম্প্রদায়িক দিক দিয়ে ছিলো সম্পূর্ণভাবে শান্ত। 9. বহিনজী নিজে আকস্মিক পরিদর্শন করে আইন-ব্যবস্থা ও প্রশাসনের খেয়াল রেখেছেন। ============= উপরে বর্ণিত কর্মকাণ্ড কোন প্রতিশ্রুতি নয়, বিএসপি সরকার করে দেখিয়েছে। আমরা কথায় নয় কাজে বিশ্বাস করি। আমরা প্রতিশ্রুতি নয়, নতুন দিশা নিয়ে আসি। কিন্তু ভারতের ১০০% ব্রাহ্মণ্যবাদী/জাতীবাদী মিডিয়াগুলি আমাদের সরকার দ্বারা করা জনহিতৈষী কাজ প্রকাশ না করে, শুধুমাত্র জাতিবাদী মানসিকতা নিয়ে আমাদের সরকারের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়েছে। যেমন উত্তর প্রদেশে আমাদের বিএসপি'র সরকার তার বাজেটের ১% এরও কম টাকা খরচা করে পিছিয়ে রাখা সমাজে জন্মানো মহাপুরুষদের নামে পার্ক, স্মারক তৈরী করে তাদের আদর ও সম্মান দেওয়াটাকেও বিকৃত বলে তুলে ধরেছে। তারা এমনভাবে প্রচার করেছে বা করছে যে, আমাদের বিএসপি'র সরকারই ভারতবর্ষে প্রথমবার পার্ক ও মূর্তি বানিয়েছে, কোন উন্নয়ন না করে সব টাকা মূর্তি আর পার্ক বানাতে ব্যয় করেছে। এটা সম্পূর্নভাবে ভূল ও মিথ্যে। এই পার্কগুলি ৫,৬৩৪ জনকে কর্মসংস্থান দেওয়ার সাথে সাথে, তাজ মহলের পরে উত্তর প্রদেশের পর্যটন দপ্তরকে সব থেকে বেশি আয় দেয়, এবং এদের নির্মাণে যা খরচা করা হয়েছিলো - তার থেকে অনেক বেশি আয় ইতিমধ্যেই সরকারের হয়ে গেছে। BSPর একনিষ্ঠ কর্মী হিসেবে আমাদের এখন কাজ হলো, বহিনজী'র শাসনে করা কাজের উপরোক্ত বিবরণী বাংলার ঘর-ঘরে পৌঁছে দেওয়া, যাতে তারা জানতে ও বুঝতে পারে যে, কেন্দ্রে এইরকম রাষ্ট্র-নির্মাণকারী সবার উন্নতির শাসন পেতে গেলে, একমাত্র উপায় ও পথ হলো, আগামী লোকসভা নির্বাচনে BSPর প্রার্থীদের বিপুলভাবে জয়ী করে, দিল্লীতে বহিনজী'র নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় সরকার তৈরী করা। =============== জয় ভীম, জয় ভারত ===============

More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
  • সামশেরগঞ্জে তৃণমূল প্রার্থীর প্রচারে রোড শো ইউসুফ পাঠানের। তৃণমূল প্রার্থী নুর আলমের সমর্থনে সোমবার সকাল থেকেই সামশেরগঞ্জে রোড শে অংশ নেন বহরমপুরের সাংসদ ইউসুফ পাঠান। প্রার্থীকে সাথে নিয়ে হুডখোলা গাড়িতে ইউসুফ পাঠান ও জঙ্গিপুরের সাংসদ খলিলুর রহমান রোড শো-এ অংশ নেন। এদিন বাসুদেরপুর থেকে শুরু হয় রোড শো ও প্রচার। কাকুড়িয়া, ডাকবাংলা, ভাসাইপাইকর সহ বিভিন্ন এলাকায় চলে জনসংযোগ ও প্রচার। বহরমপুরের সাংসদকে কাছে পেয়ে উচ্ছ্বসিত তৃণমূল নেতৃত্ব।
    1
    সামশেরগঞ্জে তৃণমূল প্রার্থীর প্রচারে রোড শো ইউসুফ পাঠানের। তৃণমূল প্রার্থী নুর আলমের সমর্থনে সোমবার সকাল থেকেই সামশেরগঞ্জে রোড শে অংশ নেন বহরমপুরের সাংসদ ইউসুফ পাঠান। প্রার্থীকে সাথে নিয়ে হুডখোলা গাড়িতে ইউসুফ পাঠান ও জঙ্গিপুরের সাংসদ খলিলুর রহমান রোড শো-এ অংশ নেন। এদিন বাসুদেরপুর থেকে শুরু হয় রোড শো ও প্রচার। কাকুড়িয়া, ডাকবাংলা, ভাসাইপাইকর সহ বিভিন্ন এলাকায় চলে জনসংযোগ ও প্রচার। বহরমপুরের সাংসদকে কাছে পেয়ে উচ্ছ্বসিত তৃণমূল নেতৃত্ব।
    user_Chiranjit ghosh
    Chiranjit ghosh
    Newsagent বহরমপুর, মুর্শিদাবাদ, পশ্চিমবঙ্গ•
    12 hrs ago
  • বিহারীয়াতে প্রচার, জনসংযোগে ভরসা বাড়ছে নিয়ামত শেখের আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে হরিহরপাড়া বিধানসভা কেন্দ্রে জোরকদমে প্রচার চালাচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস। সোমবার সকাল থেকেই কেন্দ্রের বিহারিয়া অঞ্চলের বিভিন্ন বুথে বুথে গিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি জনসংযোগ করেন তৃণমূল প্রার্থী নিয়ামত শেখ। এদিন প্রার্থীকে কাছে পেয়ে উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েন দলীয় কর্মী-সমর্থকরা। ফুলের মালা পরিয়ে তাকে সংবর্ধনা জানানো হয় এবং শুভেচ্ছা ও ভালোবাসায় ভরিয়ে দেন এলাকাবাসী। সাধারণ মানুষের সঙ্গে হাতে হাত মিলিয়ে কথা বলেন নিয়ামত শেখ। এলাকার উন্নয়নের খতিয়ান তুলে ধরে তিনি মানুষের সমর্থন কামনা করেন। তৃণমূলের দাবি, গত কয়েক বছরে এলাকায় যে উন্নয়ন হয়েছে, তার ভিত্তিতেই এবারও বিপুল ভোটে জয়ী হবেন নিয়ামত শেখ। ব্লক তৃণমূল সভাপতি জসিম উদ্দিন শেখ জানান, “২৩ এপ্রিলের ভোটে বিহারিয়া অঞ্চল থেকে রেকর্ড লিড পাবে তৃণমূল কংগ্রেস।” এদিনের এই প্রচার কর্মসূচিতে প্রার্থীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন ব্লক সভাপতি জসিম উদ্দিন শেখ, হরিহরপাড়া পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মীর আলমগীর পলাশ, অঞ্চল সভাপতি, অঞ্চল প্রধান, ব্লক নেতা আশানুদ্দিন শেখ, ইউনুস, ব্লক ছাত্র পরিষদের সভাপতি মুকুট, সহ-সভাপতি শাহিন খান সহ অন্যান্য তৃণমূল নেতা ও কর্মীরা। সামগ্রিকভাবে, জনসংযোগ কর্মসূচিকে ঘিরে হরিহরপাড়ায় নির্বাচনী আবহ ক্রমেই চড়ছে।
    1
    বিহারীয়াতে প্রচার, জনসংযোগে ভরসা বাড়ছে নিয়ামত শেখের
আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে হরিহরপাড়া বিধানসভা কেন্দ্রে জোরকদমে প্রচার চালাচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস। সোমবার সকাল থেকেই কেন্দ্রের বিহারিয়া অঞ্চলের বিভিন্ন বুথে বুথে গিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি জনসংযোগ করেন তৃণমূল প্রার্থী নিয়ামত শেখ।
এদিন প্রার্থীকে কাছে পেয়ে উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েন দলীয় কর্মী-সমর্থকরা। ফুলের মালা পরিয়ে তাকে সংবর্ধনা জানানো হয় এবং শুভেচ্ছা ও ভালোবাসায় ভরিয়ে দেন এলাকাবাসী। সাধারণ মানুষের সঙ্গে হাতে হাত মিলিয়ে কথা বলেন নিয়ামত শেখ। এলাকার উন্নয়নের খতিয়ান তুলে ধরে তিনি মানুষের সমর্থন কামনা করেন।
তৃণমূলের দাবি, গত কয়েক বছরে এলাকায় যে উন্নয়ন হয়েছে, তার ভিত্তিতেই এবারও বিপুল ভোটে জয়ী হবেন নিয়ামত শেখ। ব্লক তৃণমূল সভাপতি জসিম উদ্দিন শেখ জানান, “২৩ এপ্রিলের ভোটে বিহারিয়া অঞ্চল থেকে রেকর্ড লিড পাবে তৃণমূল কংগ্রেস।”
এদিনের এই প্রচার কর্মসূচিতে প্রার্থীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন ব্লক সভাপতি জসিম উদ্দিন শেখ, হরিহরপাড়া পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মীর আলমগীর পলাশ, অঞ্চল সভাপতি, অঞ্চল প্রধান, ব্লক নেতা আশানুদ্দিন শেখ, ইউনুস, ব্লক ছাত্র পরিষদের সভাপতি মুকুট, সহ-সভাপতি শাহিন খান সহ অন্যান্য তৃণমূল নেতা ও কর্মীরা।
সামগ্রিকভাবে, জনসংযোগ কর্মসূচিকে ঘিরে হরিহরপাড়ায় নির্বাচনী আবহ ক্রমেই চড়ছে।
    user_Bangla News
    Bangla News
    Newsagent হরিহরপাড়া, মুর্শিদাবাদ, পশ্চিমবঙ্গ•
    5 hrs ago
  • মুর্শিদাবাদের নবাব পরিবারের নাম উধাও ভোটার তালিকা থেকে, চাঞ্চল্যকর অভিযোগে চাঞ্চল্য মুর্শিদাবাদে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে ভোটার তালিকা নিয়ে বড় অভিযোগকে কেন্দ্র করে। জেলার ঐতিহ্যবাহী নবাব পরিবারের একাধিক সদস্যের নাম চূড়ান্ত ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, নবাব পরিবারের তৃতীয় প্রজন্মের প্রতিনিধি সৈয়দ রেজা আলী মির্জা এবং তাঁর পুত্র সৈয়দ মোহাম্মদ ফাহিম মির্জার নামও তালিকায় নেই। শুধু তাই নয়, পরিবারের প্রায় ৮০ শতাংশ সদস্যের নাম বাদ পড়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে। এই ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মুর্শিদাবাদ পৌরসভার ভাইস চেয়ারম্যান মেহেদী আলম মির্জা। অন্যদিকে, নিজের নাম তালিকায় না থাকায় আতঙ্কিত ও উদ্বিগ্ন সৈয়দ রেজা আলী মির্জা। ঘটনাকে ঘিরে প্রশাসনিক মহলে চাপানউতোর শুরু হয়েছে, যদিও বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছে সংশ্লিষ্ট দপ্তর।
    1
    মুর্শিদাবাদের নবাব পরিবারের নাম উধাও ভোটার তালিকা থেকে, চাঞ্চল্যকর অভিযোগে চাঞ্চল্য
মুর্শিদাবাদে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে ভোটার তালিকা নিয়ে বড় অভিযোগকে কেন্দ্র করে। জেলার ঐতিহ্যবাহী নবাব পরিবারের একাধিক সদস্যের নাম চূড়ান্ত ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, নবাব পরিবারের তৃতীয় প্রজন্মের প্রতিনিধি সৈয়দ রেজা আলী মির্জা এবং তাঁর পুত্র সৈয়দ মোহাম্মদ ফাহিম মির্জার নামও তালিকায় নেই। শুধু তাই নয়, পরিবারের প্রায় ৮০ শতাংশ সদস্যের নাম বাদ পড়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে।
এই ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মুর্শিদাবাদ পৌরসভার ভাইস চেয়ারম্যান মেহেদী আলম মির্জা। অন্যদিকে, নিজের নাম তালিকায় না থাকায় আতঙ্কিত ও উদ্বিগ্ন সৈয়দ রেজা আলী মির্জা।
ঘটনাকে ঘিরে প্রশাসনিক মহলে চাপানউতোর শুরু হয়েছে, যদিও বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছে সংশ্লিষ্ট দপ্তর।
    user_Maminul Islam
    Maminul Islam
    Newsagent হরিহরপাড়া, মুর্শিদাবাদ, পশ্চিমবঙ্গ•
    7 hrs ago
  • হরিহরপাড়ায় জোটে ফাটল! সিপিআইএম প্রার্থী ঘোষণার পরই আলাদা পথে আইএসএফ, শুরু দেওয়াল লিখন আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে বামফ্রন্ট ও আইএসএফের জোট রাজনীতিতে হরিহরপাড়ায় দেখা দিল স্পষ্ট ভাঙন। রাজ্যের একাধিক কেন্দ্রে সমঝোতা হলেও হরিহরপাড়া বিধানসভা কেন্দ্রে এখনো কোনও ঐক্যমত্যে পৌঁছতে পারেনি CPIM এবং Indian Secular Front। ইতিমধ্যেই সিপিআইএম তাদের প্রার্থী ঘোষণা করে দিলেও সেই সিদ্ধান্ত মানতে নারাজ আইএসএফ। প্রার্থী তালিকায় আইএসএফের নাম না থাকতেই আলাদা করে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করতে মাঠে নেমে পড়েছে তারা। শনিবার বিকেলে হরিহরপাড়ায় আইএসএফের ব্লক সভাপতি সনৎ কুমার শর্মার নেতৃত্বে কর্মীরা হাবিব শেখের নামে দেওয়াল লিখন শুরু করেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা ক্রমশ বাড়ছে। রাজনৈতিক মহলের মতে, রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় জোট থাকলেও হরিহরপাড়ায় এই অচলাবস্থা ভবিষ্যতে বড় প্রভাব ফেলতে পারে নির্বাচনের ফলাফলে। এখন দেখার, শেষ পর্যন্ত সমঝোতা হয় কিনা, নাকি আলাদা লড়াইয়ের দিকেই এগোবে দুই শিবির।
    1
    হরিহরপাড়ায় জোটে ফাটল! সিপিআইএম প্রার্থী ঘোষণার পরই আলাদা পথে আইএসএফ, শুরু দেওয়াল লিখন
আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে বামফ্রন্ট ও আইএসএফের জোট রাজনীতিতে হরিহরপাড়ায় দেখা দিল স্পষ্ট ভাঙন। রাজ্যের একাধিক কেন্দ্রে সমঝোতা হলেও হরিহরপাড়া বিধানসভা কেন্দ্রে এখনো কোনও ঐক্যমত্যে পৌঁছতে পারেনি CPIM এবং Indian Secular Front।
ইতিমধ্যেই সিপিআইএম তাদের প্রার্থী ঘোষণা করে দিলেও সেই সিদ্ধান্ত মানতে নারাজ আইএসএফ। প্রার্থী তালিকায় আইএসএফের নাম না থাকতেই আলাদা করে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করতে মাঠে নেমে পড়েছে তারা।
শনিবার বিকেলে হরিহরপাড়ায় আইএসএফের ব্লক সভাপতি সনৎ কুমার শর্মার নেতৃত্বে কর্মীরা হাবিব শেখের নামে দেওয়াল লিখন শুরু করেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা ক্রমশ বাড়ছে।
রাজনৈতিক মহলের মতে, রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় জোট থাকলেও হরিহরপাড়ায় এই অচলাবস্থা ভবিষ্যতে বড় প্রভাব ফেলতে পারে নির্বাচনের ফলাফলে। এখন দেখার, শেষ পর্যন্ত সমঝোতা হয় কিনা, নাকি আলাদা লড়াইয়ের দিকেই এগোবে দুই শিবির।
    user_Krishna Kumar Das
    Krishna Kumar Das
    Newsagent নওদা, মুর্শিদাবাদ, পশ্চিমবঙ্গ•
    12 hrs ago
  • ভরতপুরে ভোট প্রচারের ময়দানে কার্যত ঝড় তুললেন তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী মুস্তাফিজুর রহমান। ভরতপুর বিধানসভা কেন্দ্রের নির্বাচনী আমেজকে আরও উসকে দিয়ে শুক্রবার প্রচারের ময়দানে কার্যত ঝড় তুললেন তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী মুস্তাফিজুর রহমান। এদিন সিজগ্রাম পঞ্চায়েতের সৈয়দকুলুট গ্রাম থেকে তাঁর জনসংযোগ কর্মসূচি শুরু হতেই স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক উন্মাদনা লক্ষ্য করা যায়; মহিলারা পুষ্পবৃষ্টি ও মালা পরিয়ে প্রার্থীকে সাদর অভ্যর্থনা জানান। ঢাকঢোলের বাদ্যি আর গগণভেদী স্লোগানে মুখরিত পরিবেশে প্রার্থী বাড়ি বাড়ি গিয়ে রাজ্য সরকারের লক্ষ্মীর ভাণ্ডার সহ একাধিক উন্নয়নমূলক প্রকল্পের কথা তুলে ধরেন। প্রচারের মাঝে গত ২৫শে মার্চ অগ্নিকাণ্ডে নিঃস্ব হওয়া আশরাফুল সেখের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে তিনি যেমন মানবিক মুখ তুলে ধরেছেন, তেমনই সাহাপুর গ্রামের মসজিদে জুম্মার নামাজ আদায় করে মেতেছেন সৌজন্য বিনিময়ে। বৃদ্ধাদের আশীর্বাদ আর কচিকাঁচাদের উৎসাহে সিক্ত মুস্তাফিজুর এদিন মনসুরপুর গ্রামেও মানুষের অভাব অভিযোগের কথা শোনেন, যেখানে তাঁকে কাছে পেয়ে রীতিমতো মিষ্টিমুখ করান গ্রামবাসী। ব্লক সভাপতি নজরুল ইসলাম ও জেলা পরিষদের সদস্য বাবর আলী সেখ, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি এর প্রতিনিধি সেলিম সেখ, সিজগ্রাম অঞ্চল সভাপতি আমীর হামজা সহ স্থানীয় নেতৃত্বের উপস্থিতিতে এই মেগা প্রচারের মূল সুরই ছিল উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত শক্ত করা।
    1
    ভরতপুরে ভোট প্রচারের ময়দানে কার্যত ঝড় তুললেন তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী মুস্তাফিজুর রহমান। ভরতপুর বিধানসভা কেন্দ্রের নির্বাচনী আমেজকে আরও উসকে দিয়ে শুক্রবার প্রচারের ময়দানে কার্যত ঝড় তুললেন তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী মুস্তাফিজুর রহমান। এদিন সিজগ্রাম পঞ্চায়েতের সৈয়দকুলুট গ্রাম থেকে তাঁর জনসংযোগ কর্মসূচি শুরু হতেই স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক উন্মাদনা লক্ষ্য করা যায়; মহিলারা পুষ্পবৃষ্টি ও মালা পরিয়ে প্রার্থীকে সাদর অভ্যর্থনা জানান। ঢাকঢোলের বাদ্যি আর গগণভেদী স্লোগানে মুখরিত পরিবেশে প্রার্থী বাড়ি বাড়ি গিয়ে রাজ্য সরকারের লক্ষ্মীর ভাণ্ডার সহ একাধিক উন্নয়নমূলক প্রকল্পের কথা তুলে ধরেন। প্রচারের মাঝে গত ২৫শে মার্চ অগ্নিকাণ্ডে নিঃস্ব হওয়া আশরাফুল সেখের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে তিনি যেমন মানবিক মুখ তুলে ধরেছেন, তেমনই সাহাপুর গ্রামের মসজিদে জুম্মার নামাজ আদায় করে মেতেছেন সৌজন্য বিনিময়ে। বৃদ্ধাদের আশীর্বাদ আর কচিকাঁচাদের উৎসাহে সিক্ত মুস্তাফিজুর এদিন মনসুরপুর গ্রামেও মানুষের অভাব অভিযোগের কথা শোনেন, যেখানে তাঁকে কাছে পেয়ে রীতিমতো মিষ্টিমুখ করান গ্রামবাসী। ব্লক সভাপতি নজরুল ইসলাম ও জেলা পরিষদের সদস্য বাবর আলী সেখ, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি এর প্রতিনিধি সেলিম সেখ, সিজগ্রাম অঞ্চল সভাপতি আমীর হামজা সহ স্থানীয় নেতৃত্বের উপস্থিতিতে এই মেগা প্রচারের মূল সুরই ছিল উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত শক্ত করা।
    user_রাঢ় বাংলা
    রাঢ় বাংলা
    Reporter ভরতপুর ১, মুর্শিদাবাদ, পশ্চিমবঙ্গ•
    18 hrs ago
  • ভয়াবহ দুর্ঘটনা জলঙ্গীতে! সিসিটিভিতে ধরা পড়ল মৃত্যুর মুহূর্ত জলঙ্গীর সাহেবরামপুরে ১১ নম্বর রাজ্য সড়কে ঘটে গেল মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। বাইক ও লছিমনের মুখোমুখি সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হল এক বাইক আরোহীর। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, দ্রুতগতিতে আসা বাইকটি প্রথমে একটি চারচাকা গাড়িকে ধাক্কা মারে। এরপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তায় লুটিয়ে পড়তেই পিছন থেকে আসা লছিমনের তলায় চাপা পড়ে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান ওই আরোহী। 💔 পুরো ঘটনাটি ধরা পড়েছে সিসিটিভি ক্যামেরায়, যা ইতিমধ্যেই এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ⚠️ সতর্ক থাকুন: অতিরিক্ত গতি ও অসাবধানতাই এমন মর্মান্তিক দুর্ঘটনার মূল কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। 👉 দেখুন সেই হৃদয়বিদারক সিসিটিভি ফুটেজ
    1
    ভয়াবহ দুর্ঘটনা জলঙ্গীতে! সিসিটিভিতে ধরা পড়ল মৃত্যুর মুহূর্ত
জলঙ্গীর সাহেবরামপুরে ১১ নম্বর রাজ্য সড়কে ঘটে গেল মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। বাইক ও লছিমনের মুখোমুখি সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হল এক বাইক আরোহীর।
প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, দ্রুতগতিতে আসা বাইকটি প্রথমে একটি চারচাকা গাড়িকে ধাক্কা মারে। এরপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তায় লুটিয়ে পড়তেই পিছন থেকে আসা লছিমনের তলায় চাপা পড়ে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান ওই আরোহী।
💔 পুরো ঘটনাটি ধরা পড়েছে সিসিটিভি ক্যামেরায়, যা ইতিমধ্যেই এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
⚠️ সতর্ক থাকুন: অতিরিক্ত গতি ও অসাবধানতাই এমন মর্মান্তিক দুর্ঘটনার মূল কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে।
👉 দেখুন সেই হৃদয়বিদারক সিসিটিভি ফুটেজ
    user_রাসেল শাহ
    রাসেল শাহ
    জলঙ্গি, মুর্শিদাবাদ, পশ্চিমবঙ্গ•
    10 hrs ago
  • Post by Selim mondal
    1
    Post by Selim mondal
    user_Selim mondal
    Selim mondal
    জলঙ্গি, মুর্শিদাবাদ, পশ্চিমবঙ্গ•
    11 hrs ago
  • মুর্শিদাবাদের নবাব বংশের উত্তরসূরি তথা যে নবাব হুমায়ুন ঝা যিনি নির্মাণ করেছিল হাজারদুয়ারি সর্বোপরি নবাব সৈয়দ ওয়াসেফ আলী মির্জা যার দৌলতে আজ মুর্শিদাবাদ ভারতবর্ষের ম্যাপে, তার তৃতীয় বংশধর ছোট নবাব' সৈয়দ রেজা আলী মির্জার নাম এবার ভোটার তালিকা থেকে বাদ, বাদ পড়েছে তার পুত্র সৈয়দ মোহাম্মদ ফাহিম মির্জার যিনি ওয়াসিফ আলী মির্জার চতুর্থ প্রজন্ম, প্রসঙ্গত বলাবাহুল্য মুর্শিদাবাদের নবাব পরিবারের প্রায় ৮০ শতাংশ সদস্যদের নামে বাদ পড়ল চূড়ান্ত ভোটার তালিকা থেকে। এমনই চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠল। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রশাসনিক মহলে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মুর্শিদাবাদ পৌরসভার ভাইস চেয়ারম্যান মেহেদী আলম মির্জা। মুর্শিদাবাদের ইতিহাসের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িয়ে রয়েছে নবাব পরিবার। সেই পরিবারেরই অন্যতম সদস্য সৈয়দ রেজা আলী মির্জা। অথচ সাম্প্রতিক ভোটার তালিকায় তাঁর নাম না থাকায় তিনি এখন ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে রয়েছেন
    1
    মুর্শিদাবাদের নবাব বংশের উত্তরসূরি তথা যে নবাব হুমায়ুন ঝা যিনি নির্মাণ করেছিল হাজারদুয়ারি সর্বোপরি নবাব সৈয়দ ওয়াসেফ আলী মির্জা যার দৌলতে আজ মুর্শিদাবাদ ভারতবর্ষের ম্যাপে, তার তৃতীয় বংশধর ছোট নবাব' সৈয়দ রেজা আলী মির্জার নাম এবার ভোটার তালিকা থেকে বাদ, বাদ পড়েছে তার পুত্র সৈয়দ মোহাম্মদ ফাহিম মির্জার যিনি ওয়াসিফ আলী মির্জার চতুর্থ প্রজন্ম, প্রসঙ্গত বলাবাহুল্য মুর্শিদাবাদের নবাব পরিবারের প্রায় ৮০ শতাংশ সদস্যদের নামে বাদ পড়ল চূড়ান্ত ভোটার তালিকা থেকে।
এমনই চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠল। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রশাসনিক মহলে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মুর্শিদাবাদ পৌরসভার ভাইস চেয়ারম্যান মেহেদী আলম মির্জা।
মুর্শিদাবাদের ইতিহাসের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িয়ে রয়েছে নবাব পরিবার। সেই পরিবারেরই অন্যতম সদস্য সৈয়দ রেজা আলী মির্জা। অথচ সাম্প্রতিক ভোটার তালিকায় তাঁর নাম না থাকায় তিনি এখন ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে রয়েছেন
    user_Bangla News
    Bangla News
    Newsagent হরিহরপাড়া, মুর্শিদাবাদ, পশ্চিমবঙ্গ•
    5 hrs ago
View latest news on Shuru App
Download_Android
  • Terms & Conditions
  • Career
  • Privacy Policy
  • Blogs
Shuru, a product of Close App Private Limited.