আতঙ্কিত কলকাতার শিয়ালদহ স্টেশন চত্বরের একাধিক এলাকা কিন্তু কেন ? ঠিকই শুনছেন আতঙ্কিত কলকাতার শিয়ালদহ স্টেশন চত্বরের একাধিক এলাকা কিন্তু কেন আতঙ্কিত এই শিয়ালদহ এলাকা? নিত্যযাত্রীদের অভিযোগ প্রত্যেকদিন এই শিয়ালদহ স্টেশনে যাতায়াত করেন কয়েক লক্ষ মানুষ থেকে শুরু করে স্কুলের পড়ুয়া ও কলেজ পড়ুয়ারা, কেউ নিজের রোজগারের তাগিদে এবং কেউ বা চিকিৎসার জন্যে, শিক্ষার জন্যে। কারণ শিয়ালদহর একপাশে দাঁড়িয়ে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের জনপ্রিয় হাসপাতাল "নীলরতন সরকার হাসপাতাল" , আর ওপর দিকে রেলের "বি.আর.সিংহ হাসপাতাল" । আর পাশেই রয়েছে বিরাট বাজার ও শিয়ালদহ কোর্ট। আর মেইন রোড ধরে চলছে হাজার হাজার গাড়ি। কিন্তু ঠিক তার মধ্যেই কার্যত প্রশাসনকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে একদম প্রকাশ্যে রাস্তার পাশে, ভ্যাট এর সামনে, বাস স্ট্যান্ড এর পাশে, স্টেশন চত্বরের একাধিক জায়গায় চলছে ড্রাগস, হিরোইন, মদ সেবনের পালা,ল, কেউ অ্যালুমিনিয়াম এর ফয়েল এর টুকরোয় আবার কেউ ইনজেকশন এর মাধ্যমে জনসাধারণের মাঝেই নিজের শরীরের ভেতরে এইরকম ভয়ঙ্কর নেশার দ্রব ইনজেক্ট করে চলছে আর তাদের চারপাশে পরে আছে বিষাক্ত রক্ত ও ফাঁকা ইনজেকশন এর সুচ। কিন্তু সেই নেশারীদের জানা নেই কোনো ভুল কারণ বশত যদি সেই ইনজেকশনের সুচ কারোর শরীরে লেগে যায়, তাহলে ঘটে যেতে পারে ভয়ঙ্কর বিপদ ওই ব্যাক্তি আক্রান্ত হতে পারেন এইচ.আই.ভি পজেটিভ রোগ সহ না জানি আরো কত ধরণের রোগ-বিরোগে। নিত্যযাত্রীদের প্রতিদিন এমন বিপদকে মাথায় নিয়ে চলতে হয় শিয়ালদহ দিয়ে। কিন্তু কোনো তোয়াক্কা নেই নেশারীদের তারা কিন্তু দেদার তাদের নেশা চালিয়ে যাচ্ছে ওপেন রোডের ওপরে । কেউ সেই নিয়ে প্রতিবাদ করতে গেলে তারা ছুটে আসছে সেই বিষাক্ত ইনজেকশন নিয়ে। কিন্তু এটা মানতে পারা যাচ্ছে না, সামনে পুলিশ দাঁড়িয়ে ট্রাফিকের নিয়ম পালন করছেন, কিন্তু পাশে পুলিশ কেও বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে ওপেন রাস্তায় চলছে নেশা ভান পর্ব। এছাড়া পকেটমারি, মোবাইল ছিনতাই এগুলো তো লেগেই আছে। সাধারণ মানুষ অভিযোগ তুলছেন প্রশাসনের পদক্ষেপ নিয়ে কোর্ট এর ভূমিকা নিয়ে। তাদের অভিযোগ এই যে,দিন-দেহারে পুলিশের চোখের সামনেই চলছে নেশা ভান পর্ব তাহলে কি তারা পুলিশকে কিংবা আইন কে ভয় পায়না? এরা করা যাদের জন্যে সমাজ ও পরিবেশ ভয়ঙ্কর ভাবে দূষিত? কে বা কাড়া যোগান দেন তাদেরকে এই নেশার দ্রব্য। আর কোথায় পায় তারা এইরকম ইনজেকশন? কারণ এখানে প্রশাসনের গাফিলতির ছবিটা একদম স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে। যে সকল ইনজেকশন গুলো তারা ব্যবহার করছেন সেগুলো কি ঔষধের দোকান থেকে বিক্রি হচ্ছে? নাকি হাসপাতালের ওয়েস্টজ ইনজেকশন? যদি হাসপাতালের ওয়েস্টজ হয় তাহলে সেটা কিভাবে বাইরে যাচ্ছে কে করছে এই নেশারীদের মদত? আর যদি ঔষধ এর দোকান থেকে বিক্রি হয় তাহলে কি দোকানদার তার মুনাফা কমানোর জন্যে এইরকম জঘন্যতম কাজ করছেন? তাহলে এটা মেনে নিতে হবে শিয়ালদহ চত্বরে যদি এইরকম ভয়ঙ্কর নেশাগ্রস্ত মানুষের জন্যে যদি কোনো সাধারণ মানুষের কিংবা কোনো স্কুলের শিশুর বড় কোনো ক্ষতি হয়ে যায় সেটার জন্যে প্রশাসন যথাযত দায়ী থাকছেন তো? কেন এত যুগ যুগ কেটে গেলেও শিয়ালদহ চত্বরকে কোনোভাবেই নেশা মুক্ত করা যাচ্ছেনা? তাহলে কি প্রশাসন অপারক এমনটাই অভিযোগ তুলছেন সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে নিত্যযাত্রীরা। তবে সাধারণ মানুষের কাছে অনুরোধ আপনারা আরো বেশি সজাগ ও সতর্ক থাকুন শিয়ালদহ চত্বরে। দরকার পড়লে রেল প্রশাসন ও রাজ্যে প্রশাসন কে লিখিত অভিযোগ জানান। কারণ এর বিনাশ হাওয়া দরকার। না হলে গোটা শিয়ালদহ সহ কলকাতা এলাকা পরিণত হবে এক নেশার শহরে। প্রশাসন কে আরো কঠোর থেকে কঠোরতম আইনি পদক্ষেপ নিতে হবে এইসব নেশাগ্রস্ত মানুষের জন্যে। তারা ওপেন মারতে এসেছে, ভয় দেখাচ্ছে কি করে পাচ্ছে এতো সাহস? #highlights #flowers #Sealdahrailstation #crime #crimenews #COURT #kolkataHighcourt #PMOINDIA #INDIA #LatestNews #Kolkata
আতঙ্কিত কলকাতার শিয়ালদহ স্টেশন চত্বরের একাধিক এলাকা কিন্তু কেন ? ঠিকই শুনছেন আতঙ্কিত কলকাতার শিয়ালদহ স্টেশন চত্বরের একাধিক এলাকা কিন্তু কেন আতঙ্কিত এই শিয়ালদহ এলাকা? নিত্যযাত্রীদের অভিযোগ প্রত্যেকদিন এই শিয়ালদহ স্টেশনে যাতায়াত করেন কয়েক লক্ষ মানুষ থেকে শুরু করে স্কুলের পড়ুয়া ও কলেজ পড়ুয়ারা, কেউ নিজের রোজগারের তাগিদে এবং কেউ বা চিকিৎসার জন্যে, শিক্ষার জন্যে। কারণ শিয়ালদহর একপাশে দাঁড়িয়ে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের জনপ্রিয় হাসপাতাল "নীলরতন সরকার হাসপাতাল" , আর ওপর দিকে রেলের "বি.আর.সিংহ হাসপাতাল" । আর পাশেই রয়েছে বিরাট বাজার ও শিয়ালদহ কোর্ট। আর মেইন রোড ধরে চলছে হাজার হাজার গাড়ি। কিন্তু ঠিক তার মধ্যেই কার্যত প্রশাসনকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে একদম প্রকাশ্যে রাস্তার পাশে, ভ্যাট এর সামনে, বাস স্ট্যান্ড এর পাশে, স্টেশন চত্বরের একাধিক জায়গায় চলছে ড্রাগস, হিরোইন, মদ সেবনের পালা,ল, কেউ অ্যালুমিনিয়াম এর ফয়েল এর টুকরোয় আবার কেউ ইনজেকশন এর মাধ্যমে জনসাধারণের মাঝেই নিজের শরীরের ভেতরে এইরকম ভয়ঙ্কর নেশার দ্রব ইনজেক্ট করে চলছে আর তাদের চারপাশে পরে আছে বিষাক্ত রক্ত ও ফাঁকা ইনজেকশন এর সুচ। কিন্তু সেই নেশারীদের জানা নেই কোনো ভুল কারণ বশত যদি সেই ইনজেকশনের সুচ কারোর শরীরে লেগে যায়, তাহলে ঘটে যেতে পারে ভয়ঙ্কর বিপদ ওই ব্যাক্তি আক্রান্ত হতে পারেন এইচ.আই.ভি পজেটিভ রোগ সহ না জানি আরো কত ধরণের রোগ-বিরোগে। নিত্যযাত্রীদের প্রতিদিন এমন বিপদকে মাথায় নিয়ে চলতে হয় শিয়ালদহ দিয়ে। কিন্তু কোনো তোয়াক্কা নেই নেশারীদের তারা কিন্তু দেদার তাদের নেশা চালিয়ে যাচ্ছে ওপেন রোডের ওপরে । কেউ সেই নিয়ে প্রতিবাদ করতে গেলে তারা ছুটে আসছে সেই বিষাক্ত ইনজেকশন নিয়ে। কিন্তু এটা মানতে পারা যাচ্ছে না, সামনে পুলিশ দাঁড়িয়ে ট্রাফিকের নিয়ম পালন করছেন, কিন্তু পাশে পুলিশ কেও বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে ওপেন রাস্তায় চলছে নেশা ভান পর্ব। এছাড়া পকেটমারি, মোবাইল ছিনতাই এগুলো তো লেগেই আছে। সাধারণ মানুষ অভিযোগ তুলছেন প্রশাসনের পদক্ষেপ নিয়ে কোর্ট এর ভূমিকা নিয়ে। তাদের অভিযোগ এই যে,দিন-দেহারে পুলিশের চোখের সামনেই চলছে নেশা ভান পর্ব তাহলে কি তারা পুলিশকে কিংবা আইন কে ভয় পায়না? এরা করা যাদের জন্যে সমাজ ও পরিবেশ ভয়ঙ্কর ভাবে দূষিত? কে বা কাড়া যোগান দেন তাদেরকে এই নেশার দ্রব্য। আর কোথায় পায় তারা এইরকম ইনজেকশন? কারণ এখানে প্রশাসনের গাফিলতির ছবিটা একদম স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে। যে সকল ইনজেকশন গুলো তারা ব্যবহার করছেন সেগুলো কি ঔষধের দোকান থেকে বিক্রি হচ্ছে? নাকি হাসপাতালের ওয়েস্টজ ইনজেকশন? যদি হাসপাতালের ওয়েস্টজ হয় তাহলে সেটা কিভাবে বাইরে যাচ্ছে কে করছে এই নেশারীদের মদত? আর যদি ঔষধ এর দোকান থেকে বিক্রি হয় তাহলে কি দোকানদার তার মুনাফা কমানোর জন্যে এইরকম জঘন্যতম কাজ করছেন? তাহলে এটা মেনে নিতে হবে শিয়ালদহ চত্বরে যদি এইরকম ভয়ঙ্কর নেশাগ্রস্ত মানুষের জন্যে যদি কোনো সাধারণ মানুষের কিংবা কোনো স্কুলের শিশুর বড় কোনো ক্ষতি হয়ে যায় সেটার জন্যে প্রশাসন যথাযত দায়ী থাকছেন তো? কেন এত যুগ যুগ কেটে গেলেও শিয়ালদহ চত্বরকে কোনোভাবেই নেশা মুক্ত করা যাচ্ছেনা? তাহলে কি প্রশাসন অপারক এমনটাই অভিযোগ তুলছেন সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে নিত্যযাত্রীরা। তবে সাধারণ মানুষের কাছে অনুরোধ আপনারা আরো বেশি সজাগ ও সতর্ক থাকুন শিয়ালদহ চত্বরে। দরকার পড়লে রেল প্রশাসন ও রাজ্যে প্রশাসন কে লিখিত অভিযোগ জানান। কারণ এর বিনাশ হাওয়া দরকার। না হলে গোটা শিয়ালদহ সহ কলকাতা এলাকা পরিণত হবে এক নেশার শহরে। প্রশাসন কে আরো কঠোর থেকে কঠোরতম আইনি পদক্ষেপ নিতে হবে এইসব নেশাগ্রস্ত মানুষের জন্যে। তারা ওপেন মারতে এসেছে, ভয় দেখাচ্ছে কি করে পাচ্ছে এতো সাহস? #highlights #flowers #Sealdahrailstation #crime #crimenews #COURT #kolkataHighcourt #PMOINDIA #INDIA #LatestNews #Kolkata
- সরকার গঠন নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে জোর আলোচনা চলছে। এই পরিস্থিতিতে হুমায়ুন কবীর কী ভূমিকা নিতে পারেন, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে নতুন জল্পনা। এই ভিডিওতে শুনুন হুমায়ুন কবীর ঠিক কী বললেন এবং তার বক্তব্যের রাজনৈতিক গুরুত্ব কী হতে পারে। 👉 ভিডিওটি শেষ পর্যন্ত দেখুন এবং আপনার মতামত কমেন্টে জানান। #HumayunKabir #WestBengalPolitics #GovernmentFormation #BreakingNews #PoliticalUpdate1
- মমতা ব্যানার্জির পাশে আমি থাকবো1
- নদীয়ার ১৭টি বিধানসভা রাত পোহালে ভোটের ফলাফল তার আগে সকাল থেকে নদীয়ার চারটি গণনা সেন্টারে সিসিটিভি নজরদারি কেন্দ্র বাহিনী জাবান ও রাজ্য পুলিশ তেহট্ট ও কৃষ্ণনগর রানাঘাট ও কল্যাণী এই চারটি কলেজে গণনা ১৭টি বিধানসভার নিরাপত্তা আটোসাট এই ৪টি কলেজের বাইরে প্রায় ২০০ মিটার দূরে তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপি টেন্ট করা হয়েছে তার আগে রাজ্য পুলিশ কেন্দ্র বাহিনী জবান টহল দিচ্ছে1
- সরাসরি হাড়োয়া থেকে রেল লাইনের গেট পড়া সত্বেও জীবনে ঝুঁকি নিয়ে রাস্তা পারাপার করছে সবাইকে সচেতন হওয়া উচিত যে রেল লাইনের গেট পড়ে যাওয়ার পরে এই ভাবে রাস্তা পারাপার করবেন না কারণ দুর্ঘটনা বলে আসে না #News1
- আগামী ২০ শে অক্টোবর মক্কা-মদিনায় কাছাকাছি হোটেলে থেকে সুষ্ঠুভাবে ওমরাহ করার নীয়তে যাত্রা করব ইনশাল্লাহ। আমাদের গ্রুপ রেডি হচ্ছে, কেউ যেতে চাইলে তাড়াতাড়ি যোগাযোগ - ৭৯৮০০০৯৭৫২1
- Post by মানব বার্তার নিউজ1
- সোদপুর টোল প্লাজার বাঁদিকের রাস্তা যাতায়াত বন্ধ রেখে এভাবেই পার্কিং করে রাখা আছে গাড়ি, প্রশাসন উদাস I [বামে: রাস্তা বন্ধ ছবি] [ডানে: গাড়ির পার্কিং ক্লোজ শট] উপরে: “রাস্তা বন্ধ করে পার্কিং!” নিচে: “প্রশাসন উদাস!” #Sodepur #TrafficIssue #WestBengal #BreakingNews #RoadBlocked #ParkingProblem1
- দেগঙ্গা যাদবপুরে এক মাছ চাষির পুকুরে রাতের অন্ধকারে কে বা কারা বিষ ঢেলে দেয় চাষি পুকুরটি লিজ নিয়ে চাষ করতেন এখন চাষির অবস্থা খুবই শোচনীয় প্রশাসন তদন্ত করছে যে বা যারা এই ধরনের ঘটনা ঘটিয়েছে তাদের উপযুক্ত শাস্তি দেয়া হবে প্রশাসন জানিয়েছে #News1
- লাল গোলাপের পাপড়ি দিয়ে, লিখবো তোমার নাম, হাজার পাখির সুর দিয়, গাইবো তোমার গান, তুমি আমার জান, তুমিই আমার প্রান।”1