উত্তর ত্রিপুরার ধর্মনগরের পদ্মপুর দ্বাদশশ্রেণী বিদ্যালয়ে পদ্মপুর ক্লাবের উদ্যোগে ২১ জুন ২০২৬, রবিবার বেলা ১২:০০ ঘটিকায় এক বর্ণাঢ্য সংবর্ধনা অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়। প্রতি বছরের ন্যায় এবারও এলাকার মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় কৃতিত্বের সহিত উত্তীর্ণ ছাত্র-ছাত্রীদের এই অনুষ্ঠানে বিশেষভাবে সংবর্ধিত করা হয়। ত্রিপুরা বিধানসভার বিধায়ক জহর চক্রবর্তী এই অনুষ্ঠানে উদ্বোধক ও প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও ধর্মনগর পৌর পরিষদের চেয়ারপার্সন মিতালী রানী দাস (সেন) এবং ভাইস-চেয়ারপার্সন মঞ্জু রানী নাথ সম্মানিত অতিথি হিসেবে মঞ্চ অলঙ্কৃত করেন। পদ্মপুর দ্বাদশমান বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অমিত কিলিকদার, পদ্মপুর ক্লাব সম্পাদক শ্যামল নাথ এবং ক্লাব সভাপতি প্রিয়তোষ নাথও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। পদ্মপুর ক্লাবের সভাপতি প্রিয়তোষ নাথ জানান যে, এলাকার ছাত্র-ছাত্রীদের পড়ালেখায় আরও উৎসাহিত করাই ক্লাবের এই বার্ষিক প্রয়াসের মূল উদ্দেশ্য। অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ কৃতী শিক্ষার্থীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করে শুভেচ্ছা জানান এবং সমাজ গঠনে শিক্ষার ভূমিকার ওপর আলোকপাত করেন। সমগ্র অনুষ্ঠানটিকে কেন্দ্র করে স্থানীয় ছাত্র-ছাত্রী ও অভিভাবকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে।
উত্তর ত্রিপুরার ধর্মনগরের পদ্মপুর দ্বাদশশ্রেণী বিদ্যালয়ে পদ্মপুর ক্লাবের উদ্যোগে ২১ জুন ২০২৬, রবিবার বেলা ১২:০০ ঘটিকায় এক বর্ণাঢ্য সংবর্ধনা অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়। প্রতি বছরের ন্যায় এবারও এলাকার মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় কৃতিত্বের সহিত উত্তীর্ণ ছাত্র-ছাত্রীদের এই অনুষ্ঠানে বিশেষভাবে সংবর্ধিত করা হয়। ত্রিপুরা বিধানসভার বিধায়ক জহর চক্রবর্তী এই অনুষ্ঠানে উদ্বোধক ও প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও ধর্মনগর পৌর পরিষদের চেয়ারপার্সন মিতালী রানী দাস (সেন) এবং ভাইস-চেয়ারপার্সন মঞ্জু রানী নাথ সম্মানিত অতিথি হিসেবে মঞ্চ অলঙ্কৃত করেন। পদ্মপুর দ্বাদশমান বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অমিত কিলিকদার, পদ্মপুর ক্লাব সম্পাদক শ্যামল নাথ এবং ক্লাব সভাপতি প্রিয়তোষ নাথও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। পদ্মপুর ক্লাবের সভাপতি প্রিয়তোষ নাথ জানান যে, এলাকার ছাত্র-ছাত্রীদের পড়ালেখায় আরও উৎসাহিত করাই ক্লাবের এই বার্ষিক প্রয়াসের মূল উদ্দেশ্য। অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ কৃতী শিক্ষার্থীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করে শুভেচ্ছা জানান এবং সমাজ গঠনে শিক্ষার ভূমিকার ওপর আলোকপাত করেন। সমগ্র অনুষ্ঠানটিকে কেন্দ্র করে স্থানীয় ছাত্র-ছাত্রী ও অভিভাবকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে।
- ভারত বিকাশ পরিষদ পূর্ব শাখার উদ্যোগে রাধানগরের রাধামাধব মন্দির প্রাঙ্গণে একটি বাল সংস্কার শিবিরের আয়োজন করা হয়। এই অনুষ্ঠানে প্রায় ৫০ জন ছাত্রছাত্রী অংশগ্রহণ করে, যাদের মধ্যে বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ছিল। শিবিরে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কাউন্সিলর শ্রীমতি সান্তনা সাহা মহোদয়া। এছাড়াও, প্রান্তীয় সংরক্ষণ শ্রী ধীরেন্দ্র কোলই, শাখা স্তরের প্রেসিডেন্ট শ্রী শ্যামল ভট্টাচার্য, এবং প্রান্তীয় মহিলা সহভাগীতা বাল বিকাশ শ্রীমতি এষা ধরসহ ভারত বিকাশ পরিষদের অন্যান্য সম্মানিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন। এঁদের মধ্যে রিজিওনাল সেক্রেটারি বাল বিকাশ শ্রীমতি মঞ্জু দেব, প্রান্তীয় সেক্রেটারি শ্রী আশীষ নাথ, এবং সম্পর্ক প্রমুখ শ্রী ভজন ভট্টাচার্য অন্যতম। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন রিজনাল সেক্রেটারি সংস্কার শ্রীমতি জবা ভট্টাচার্য, এবং স্বাগত ভাষণ রাখেন শাখা স্তরের মহিলা সহভাগীতা বাল বিকাশ শ্রীমতি মিনাক্ষী চক্রবর্তী। এই শিবিরে ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে সংস্কার, নৈতিক ও চারিত্রিক গঠনের গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা ও পর্যালোচনা করা হয়। তাদের উৎসাহিত করার জন্য বিভিন্ন মনীষীদের বই ও স্মারক প্রদান করা হয়। সবশেষে, শাখা স্তরের সেক্রেটারি ইন্দ্রজিৎ সাহা ছাত্রছাত্রীদের ভারত বর্ষকে পৃথিবীর বুকে বিশ্ব গুরু হিসেবে গড়ে তোলার শপথ বাক্য পাঠ করান।1
- উত্তর ত্রিপুরা জেলার ধর্মনগরের কালীদিঘীর উত্তর পাড়ে অবস্থিত প্রবীণ অঙ্গনে গত ২১ জুন ধর্মনগর অকশন ব্রিজ কমিটির উদ্যোগে 'নৃপেন্দ্র কুমার রায় মেমোরিয়াল অকশন ব্রিজ রানিং টুর্নামেন্ট'-এর শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এবছর টুর্নামেন্টটি তার দ্বিতীয় বর্ষে পদার্পণ করেছে, যা অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণভাবে পালিত হয়। এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ধর্মনগরের বিধায়ক জহর চক্রবর্তী প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এবং তাঁর সাথে এলাকার একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তি, ক্রীড়াপ্রেমী ও সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তারা প্রয়াত নৃপেন্দ্র কুমার রায়ের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এবং সমাজে ব্রিজ খেলার জনপ্রিয়তা আরও বৃদ্ধির জন্য আহ্বান জানান। বিধায়ক জহর চক্রবর্তী তাঁর উদ্বোধনী ভাষণে টুর্নামেন্টের সার্বিক সাফল্য কামনা করে অংশগ্রহণকারী সকল খেলোয়াড়কে আন্তরিক শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেন। তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, মানসিক দক্ষতা, ধৈর্য এবং কৌশলনির্ভর এই খেলা সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষকে একত্রিত করতে এবং একটি সুস্থ প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ তৈরি করতে সক্ষম। ধর্মনগর অকশন ব্রিজ কমিটির সম্পাদক শিবশঙ্কর রায় জানিয়েছেন যে, এবছর মোট ২৮টি দল এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছে। প্রায় ৪৫ থেকে ৫০ দিনব্যাপী এই টুর্নামেন্টের মাধ্যমে প্রতিযোগীরা তাঁদের দক্ষতা প্রদর্শনের সুযোগ পাবেন। কমিটি আগামী দিনে এই প্রতিযোগিতাকে আরও বৃহৎ পরিসরে নিয়ে গিয়ে রাজ্যব্যাপী টুর্নামেন্টে রূপান্তরিত করার পরিকল্পনা করছে। প্রবীণ অঙ্গনে আয়োজিত এই প্রতিযোগিতা ইতিমধ্যেই ব্রিজপ্রেমীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহের সৃষ্টি করেছে। আয়োজকরা আশা করছেন যে, আগামী বছরগুলোতে আরও বেশি সংখ্যক দল ও খেলোয়াড় এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেবেন এবং এর ফলস্বরূপ ধর্মনগর তথা গোটা রাজ্যেই ব্রিজ খেলার একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে পরিচিতি লাভ করবে।3
- পানিসাগর রেলওয়ে স্টেশন পরীক্ষামূলক বৈদ্যুতিক মেমো ট্রেনের আগমনের মধ্য দিয়ে এক নতুন ইতিহাসের সাক্ষী হয়েছে। রেল পরিষেবা আধুনিকীকরণের ক্ষেত্রে এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।4
- উত্তর ত্রিপুরার ধর্মনগরে অবস্থিত ধর্মনগর রেলওয়ে ডিভিশন ডিমান্ড অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট কমিটির ১১তম বার্ষিক সাধারণ সভা রবিবার ধর্মনগর পুরাতন মোটরস্ট্যান্ড সংলগ্ন টিজিটিএ ভবনে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই সভায় সংগঠনের বিগত এক বছরের কার্যক্রম, আর্থিক হিসাব-নিকাশ, ভবিষ্যৎ কর্মসূচি এবং ধর্মনগরে রেল ডিভিশন প্রতিষ্ঠার দাবিতে চলমান আন্দোলনের অগ্রগতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। সভায় সম্পাদক হিমাংশু পাল তাঁর বার্ষিক সম্পাদকীয় প্রতিবেদনে সংগঠনের দীর্ঘদিনের আন্দোলনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। প্রতিবেদনের শুরুতেই সম্প্রতি প্রয়াত সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এস.এন. ভট্টাচার্যের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করা হয়। একইসঙ্গে প্রয়াত বিধায়ক স্পিকার বিশ্ববন্ধু সেন সহ সমাজ ও রাজনৈতিক অঙ্গনের বিভিন্ন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বের অবদানের কথাও শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয়। প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয় যে, ধর্মনগরে রেল ডিভিশন প্রতিষ্ঠার দাবিতে সংগঠনটি ধারাবাহিকভাবে গণআন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে। এই দাবির সমর্থনে স্মারকলিপি প্রদান, জনসভা, পথসভা, প্রচারপত্র বিতরণ, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারসহ বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।1
- তৃণমূলের অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় গ্রেপ্তারির আশঙ্কায় হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। আদালতের নির্দেশে তিনি আপাতত বড় স্বস্তি পেয়েছেন। তবে, এই পরিস্থিতিতে আজ তিনি খোয়াইতে আসছেন কিনা, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।1
- আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে রবিবার উত্তর ত্রিপুরা জেলা যুব বিষয়ক ও ক্রীড়া দপ্তরের উদ্যোগে ধর্মনগরের গৌরীশেখর রায় স্পোর্টস ইনডোর হলে এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এবারের যোগ দিবসের মূল প্রতিপাদ্য ছিল “Yoga for Healthy Ageing”। সকাল থেকেই জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত যোগপ্রেমী, ক্রীড়াবিদ, ছাত্র-ছাত্রী, স্বেচ্ছাসেবক এবং সাধারণ মানুষের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানস্থল মুখরিত হয়ে ওঠে। অনুষ্ঠানটির উদ্বোধন করেন রাজ্যের বন, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও পরিবেশ দপ্তরের মন্ত্রী অনিমেষ দেববর্মা। তিনি তাঁর বক্তব্যে নিয়মিত যোগব্যায়ামের মাধ্যমে শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা বজায় রাখার গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং বর্তমান ব্যস্ত জীবনে সুস্থ ও সক্রিয় থাকতে যোগচর্চাকে দৈনন্দিন অভ্যাসে পরিণত করার আহ্বান জানান। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক জহর চক্রবর্তী, যিনি যোগব্যায়ামকে কেবল শরীরচর্চা নয়, বরং একটি জীবনদর্শন হিসেবে অভিহিত করেন, যা মানুষকে শৃঙ্খলাবদ্ধ ও ইতিবাচক জীবনযাপনে উদ্বুদ্ধ করে। এই অনুষ্ঠানে উত্তর ত্রিপুরা জেলা পরিষদের সভাধিপতি অপর্না নাথ এবং ধর্মনগর পুর পরিষদের চেয়ারপার্সন মিতালী রাণী দাস সেন সহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বরাও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে প্রশিক্ষকদের তত্ত্বাবধানে শতাধিক মানুষ একযোগে বিভিন্ন যোগাসন ও প্রণায়াম অনুশীলনে অংশ নেন। এই গণযোগাভ্যাসের মাধ্যমে সুস্থ বার্ধক্য, মানসিক প্রশান্তি এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির গুরুত্ব সম্পর্কে উপস্থিত সকলকে অবহিত করা হয়। জেলার সর্বস্তরের মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের এই আয়োজন এক উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি করে এবং স্বাস্থ্যকর জীবনধারা গড়ে তোলার লক্ষ্যে যোগব্যায়ামের প্রসার ও সচেতনতা বৃদ্ধির বার্তা দিয়ে অনুষ্ঠানটি সম্পন্ন হয়।4
- মাত্র এক ঘণ্টার মুষলধারে বৃষ্টিতে কার্যত জলের তলায় তলিয়ে গেল রাজধানী আগরতলার রাজপথ থেকে অলিগলি। 'স্মার্ট সিটি' তকমাধারী এই শহরের ড্রেনেজ ব্যবস্থা নিয়ে দীর্ঘদিনের অভিযোগ যে অমূলক নয়, তা ফের একবার স্পষ্ট হয়ে উঠল প্রকৃতির এই খামখেয়ালিপনায়। বিকেল গড়াতেই আকাশ ভেঙে শুরু হওয়া ৬০ মিনিটের এই বৃষ্টিতে শহরের কৃষ্ণনগর, বটতলা, শকুন্তলা রোড এবং এমবিবি কলেজ সংলগ্ন এলাকাগুলো কার্যত হ্রদে পরিণত হয়। হাঁটু সমান জল ভেঙে যাতায়াত করতে গিয়ে চরম ভোগান্তির শিকার হয়েছেন নিত্যযাত্রী ও সাধারণ মানুষ। অনেক জায়গায় রাস্তার ওপর জমে থাকা জলের কারণে যানবাহন চলাচল থমকে যায়। বেশ কিছু দোকানপাটে জল ঢুকে পড়ায় ব্যবসায়ীদের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর মিলেছে। এছাড়া ড্রেন উপচে নোংরা জল রাস্তায় মিশে যাওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দারা স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়েও আতঙ্কিত। ভুক্তভোগী এলাকাবাসীর অভিযোগ, স্মার্ট সিটি প্রজেক্টের নামে কোটি কোটি টাকা খরচ হলেও নিকাশি ব্যবস্থার কোনো উন্নতি হয়নি। নিয়মিত ড্রেন পরিষ্কার না করা এবং অপরিকল্পিত নগরায়ণের কারণেই সামান্য বৃষ্টিতেই এই চরম পরিস্থিতির সৃষ্টি হচ্ছে। স্থানীয় এক বাসিন্দা আক্ষেপ করে বলেন, "স্মার্ট সিটির তকমাটা কেবল খাতায়-কলমেই রয়ে গেল, দুর্ভোগ আমাদের কমলো না।" এদিকে, শহরের এই জলমগ্ন পরিস্থিতি নিয়ে প্রশাসনের তরফ থেকে এখনো কোনো সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপের খবর পাওয়া যায়নি। তবে জরুরি পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। শহরবাসীর একটাই প্রশ্ন— কবে মিলবে এই জলযন্ত্রণা থেকে স্থায়ী মুক্তি?1