Shuru
Apke Nagar Ki App…
রাজ্যে পালাবদলের পর মৎস্যজীবীদের একাধিক পরিষেবার বিষয় নিয়ে এক মৎস্য কর্মকর্তা মুখ খুলেছেন।
খবর জয়নগর কুলতলি
রাজ্যে পালাবদলের পর মৎস্যজীবীদের একাধিক পরিষেবার বিষয় নিয়ে এক মৎস্য কর্মকর্তা মুখ খুলেছেন।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- দক্ষিণ ২৪ পরগনার কুলতলি অঞ্চলে লোকমাতা রানী রাসমণি মিশনের ব্যবস্থাপনায় শতাধিক গৃহবধূকে একাধিক পরিষেবা প্রদান করা হয়েছে।1
- একটি দোকানে গ্রাহকদের জন্য বিশেষ এক্সচেঞ্জ অফার ঘোষণা করা হয়েছে, যেখানে পুরনো মোবাইল বদলে নতুন মোবাইল পাওয়া যাচ্ছে। একইভাবে, পুরনো এসি এবং ফ্রিজ দিয়ে নতুন এসি ও ফ্রিজ নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। এই আকর্ষণীয় অফারটি পেতে ইচ্ছুক ব্যক্তিদের আজই যোগাযোগ করার জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে। যোগাযোগের জন্য একটি ফোন নম্বর (9332574794) দেওয়া হয়েছে।1
- বারুইপুর পৌরসভা সংক্রান্ত বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী কী বক্তব্য রেখেছেন, সেদিকে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে।1
- বারুইপুর পৌরসভায় পুকুর ভরাট এবং বেআইনি নির্মাণের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এই বিষয়ে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) নগরোন্নয়ন দফতরে একটি চিঠি পাঠিয়ে অভিযোগ জানিয়েছে।1
- পূর্ব মেদিনীপুর জেলার খেজুরির জরারনগর গ্রামের এবং বিগ্রামের অধিকাংশ মানুষ যাতায়াতের জন্য একটি মোরাম রাস্তা ব্যবহার করেন, যা হেঁড়িয়া রেল স্টেশনের পাশ দিয়েই গিয়েছে।1
- দেশের বিভিন্ন প্রান্তের চিরাচরিত প্রথা মেনে, আজ শুক্রবার মানবাজারে মহাসমারোহে পালিত হচ্ছে মহরম উৎসব। এই উপলক্ষে রাস্তায় তাজিয়া বের হয়েছে এবং মহরম কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, অসংখ্য মানুষ এই শোভাযাত্রায় যোগদান করেছেন। পুরুলিয়া জেলার মানবাজারে এই মহরম উৎসবকে কেন্দ্র করে যাতে কোনো রকম অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, সে বিষয়ে মানবাজার পুলিশ প্রশাসন তৎপর রয়েছে।1
- বারুইপুর পৌরসভার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ পেয়েছেন বিজেপির নেতৃত্বরা। এই অভিযোগগুলির মূল বিষয় হলো, পৌরসভার পক্ষ থেকে জল জমি বন্ধ করার পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।1
- এক বিজেপি বিধায়ক সোশ্যাল মিডিয়ায় খু*নে*র হুমকি দেওয়ার অভিযোগে অভিযুক্ত এক ব্যক্তিকে ক্ষমা করে দিয়েছেন।1
- অভিন্ন দেওয়ানি বিধি (ইউসিসি) নিয়ে মুখ খুলেছেন ত্বহা সিদ্দিকী, যেখানে তিনি 'এক দেশ - এক আইন' ধারণার প্রয়োগ নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলেছেন। সিদ্দিকী সরাসরি জিজ্ঞাসা করেছেন যে, যদি সত্যিই দেশে 'এক দেশ - এক আইন' কার্যকর হয়, তাহলে কীভাবে বাংলায় কোরবানি নিষিদ্ধ করা হচ্ছে অথচ অন্য রাজ্যগুলিতে গো-হত্যা অব্যাহত রয়েছে। তাঁর এই মন্তব্য অভিন্ন দেওয়ানি বিধি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে একটি স্পষ্ট অসঙ্গতি তুলে ধরেছে।1