ত্রিপুরার শান্তিরবাজার মহকুমার বগাফা রোড স্থিত পূর্বপাড়া এলাকায় রবিবার দুপুরে একটি চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে, যেখানে উত্তেজিত জনতা রাবার চুরির অভিযোগে এক কুখ্যাত চোরকে হাতেনাতে ধরে গণধোলাই দিয়েছে এবং তার মাথা আধা মুড়িয়ে 'উচিত শিক্ষা' দিয়েছে। জানা গেছে, রবিবার দুপুর দুটো নাগাদ ওই চোর এলাকার একটি রাবার দোকান থেকে রাবার চুরি করে অন্য কোথাও বিক্রি করার ছক কষেছিল। কিন্তু এক সচেতন অটোচালকের তৎপরতায় চুরি করা রাবার বিক্রি করার সময় সে হাতেনাতে ধরা পড়ে যায়। চোর ধরা পড়ার খবর দ্রুত ছড়িয়ে পড়তেই বাজারের অন্যান্য ব্যবসায়ী ও স্থানীয় জনগণের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় চুরির ঘটনায় অতিষ্ঠ সাধারণ মানুষ ওই চোরের ওপর নিজেদের ক্ষোভ উজাড় করে দেয়, যার ফলস্বরূপ তাকে 'উত্তম-মধ্যম' গণধোলাই দেওয়া হয়। শুধু মারধরই নয়, তার ঔদ্ধত্য খর্ব করতে উত্তেজিত জনতা তার মাথা আধা মুড়িয়ে দেয়। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ধৃত ওই চোরের নাম সৌমিত্র রিয়াং। সে অমরপুর পাহাড়পুর এলাকার বাসিন্দা। আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য হলো যে, সৌমিত্র নাকি একটি রিহ্যাব সেন্টার (নেশামুক্তি কেন্দ্র) থেকে পালিয়ে এসে এই চুরির কাণ্ডটি ঘটিয়েছে। ঘটনার খবর পেয়ে শান্তিরবাজার থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উত্তেজিত জনতার হাত থেকে চোর সৌমিত্র রিয়াংকে উদ্ধার করে। এরপর তাকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় এবং মেডিকেল চেকআপের পর সরাসরি থানায় চালান করা হয়। এলাকার ব্যবসায়ীরা স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, শান্তিরবাজার এলাকায় কোনো রকম চোর-বাটপার বরদাস্ত করা হবে না এবং চুরি করতে এলে পরিণতি এর চেয়েও ভয়াবহ হবে। রিহ্যাব ফেরত এই রাবার চোরের বিরুদ্ধে পুলিশ এবার কী কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।
ত্রিপুরার শান্তিরবাজার মহকুমার বগাফা রোড স্থিত পূর্বপাড়া এলাকায় রবিবার দুপুরে একটি চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে, যেখানে উত্তেজিত জনতা রাবার চুরির অভিযোগে এক কুখ্যাত চোরকে হাতেনাতে ধরে গণধোলাই দিয়েছে এবং তার মাথা আধা মুড়িয়ে 'উচিত শিক্ষা' দিয়েছে। জানা গেছে, রবিবার দুপুর দুটো নাগাদ ওই চোর এলাকার একটি রাবার দোকান থেকে রাবার চুরি করে অন্য কোথাও বিক্রি করার ছক কষেছিল। কিন্তু এক সচেতন অটোচালকের তৎপরতায় চুরি করা রাবার বিক্রি করার সময় সে হাতেনাতে ধরা পড়ে যায়। চোর ধরা পড়ার খবর দ্রুত ছড়িয়ে পড়তেই বাজারের অন্যান্য ব্যবসায়ী ও স্থানীয় জনগণের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় চুরির ঘটনায় অতিষ্ঠ সাধারণ মানুষ ওই চোরের ওপর নিজেদের ক্ষোভ উজাড় করে দেয়, যার ফলস্বরূপ তাকে 'উত্তম-মধ্যম' গণধোলাই দেওয়া হয়। শুধু মারধরই নয়, তার ঔদ্ধত্য খর্ব করতে উত্তেজিত জনতা তার মাথা আধা মুড়িয়ে দেয়। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ধৃত ওই চোরের নাম সৌমিত্র রিয়াং। সে অমরপুর পাহাড়পুর এলাকার বাসিন্দা। আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য হলো যে, সৌমিত্র নাকি একটি রিহ্যাব সেন্টার (নেশামুক্তি কেন্দ্র) থেকে পালিয়ে এসে এই চুরির কাণ্ডটি ঘটিয়েছে। ঘটনার খবর পেয়ে শান্তিরবাজার থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উত্তেজিত জনতার হাত থেকে চোর সৌমিত্র রিয়াংকে উদ্ধার করে। এরপর তাকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় এবং মেডিকেল চেকআপের পর সরাসরি থানায় চালান করা হয়। এলাকার ব্যবসায়ীরা স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, শান্তিরবাজার এলাকায় কোনো রকম চোর-বাটপার বরদাস্ত করা হবে না এবং চুরি করতে এলে পরিণতি এর চেয়েও ভয়াবহ হবে। রিহ্যাব ফেরত এই রাবার চোরের বিরুদ্ধে পুলিশ এবার কী কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।
- ত্রিপুরার মান্দাই দীনবন্ধু নগর এলাকায় গত পাঁচ বছর ধরে একটি কাঁচা রাস্তা কার্যত বিলুপ্ত হয়ে আছে। এই অবস্থার কারণ হলো কাঁচা রাস্তার উপর নির্মিত একটি কালভার্ট ভেঙে গেছে। দীর্ঘ পাঁচ বছর ধরে কালভার্টটি ভেঙে বিলুপ্ত হলেও সংশ্লিষ্ট দপ্তর এই বিষয়ে সম্পূর্ণ উদাসীন রয়েছে।1
- জম্পুইজলা থেকে চম্পকনগর যাওয়ার পথে বামশ্রী তৌয়মা এলাকায় চারা বোঝাই একটি বোলেরো গাড়ি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে গেছে। এই দুর্ঘটনায় গাড়ির চালকসহ মোট চারজন আহত হয়েছেন। দুর্ঘটনাগ্রস্ত বোলেরো গাড়িটির নম্বর TR01S-1751। আহতদের মধ্যে চালক কিছুটা জখম হয়েছেন বলে খবর। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের উদ্ধার করে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করেন। যদিও দুর্ঘটনার বিস্তারিত কারণ এখনও জানা যায়নি, তবে স্থানীয় সূত্রে নিশ্চিত করা হয়েছে যে গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়েই উল্টে গিয়েছিল।1
- কমলপুর, খোয়াই এবং আগরতলার মধ্যে সংযোগ স্থাপনকারী ২০৮ নম্বর জাতীয় সড়কের অবস্থা অত্যন্ত বেহাল।1
- ত্রিপুরার রাজনৈতিক অঙ্গনে স্বদলীয় নেতাদের বিরুদ্ধেই বিদ্রোহের সুর শোনা গেছে। বিপ্লব অনুগামী ও বনমালীপুর যুব মোর্চার সভাপতি রাজা সাহা একটি বিস্ফোরক বার্তা দিয়েছেন। তবে, তাঁর এই বার্তা ঠিক কাকে নিশানা করে দেওয়া হয়েছে, তা স্পষ্ট নয়।1
- বিজেপি প্রদেশ কার্যালয়ে একটি কোর কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী ডঃ মানিক সাহা সহ অন্যান্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।1
- সোনামুড়া থানার পুলিশ মাদক বিরোধী অভিযানে আবারও একটি বড়সড় সাফল্য অর্জন করেছে।1
- রবিবার সোনামুড়া টাউন হলের কনফারেন্স হলে ইমার্জেন্সি ব্লাড গ্রুপের সপ্তম স্বেচ্ছাসেবী মিলনমেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই অনুষ্ঠানে সোনামুড়া নগর পঞ্চায়েতের চেয়ারপার্সন সারদা চক্রবর্তী নারীদের রক্তদানে পুরুষদের সাথে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন, কারণ নারীরাও এখন কোনো কাজে পিছিয়ে নেই। অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নগর পঞ্চায়েতের ভাইস-চেয়ারপার্সন শাহাজান মিয়া, সোনামুড়া সামাজিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রের ইনচার্জ ডক্টর পার্থপ্রতিম দাস, সোনামুড়া প্রেস ক্লাবের সম্পাদক অভিজিৎ বর্ধন এবং অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক নারায়ণ সাহা। সোনামুড়ার এই গ্রুপটি ২০১৯ সাল থেকে হোয়াটসঅ্যাপ সামাজিক মাধ্যমকে কাজে লাগিয়ে পার্শ্ববর্তী বাংলাদেশ সহ রাজ্য ও বহিঃরাজ্যে প্রতিদিন মুমূর্ষু রোগীদের রক্ত দিয়ে প্রাণ বাঁচিয়ে আসছে। সমাজ সেবায় নিজেদের উৎসর্গ করা এই গ্রুপের সদস্যরা এখনও পর্যন্ত প্রায় ৬০০০ ইউনিট রক্ত প্রদান করে এক অনন্য নজির স্থাপন করেছেন। সপ্তম বর্ষপূর্তি উপলক্ষ্যে আয়োজিত এই মিলনমেলার মাধ্যমে গ্রুপের রক্তদাতাদের সংবর্ধনা জানানো হয়। এর পাশাপাশি, বিভিন্ন সময়ে প্রচারের আলোয় এনে এই সংস্থার ডোনারদের সংযোগের মাধ্যম তৈরি করে দেওয়ায় সোনামুড়া প্রেসক্লাবকেও সংস্থার পক্ষ থেকে সংবর্ধনা জানানো হয়েছে। এই স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাটির একটি বিশেষত্ব হলো, সভাপতি, সম্পাদক সহ সংস্থাটির কোনো পদাধিকারী নেই। গ্রুপের অ্যাডমিন ও সদস্যরা মিলিত প্রচেষ্টায় রোগীদের প্রয়োজনীয় রক্তের ব্যবস্থা করে থাকেন।1
- মাত্র এক ঘণ্টার মুষলধারে বৃষ্টিতে কার্যত জলের তলায় তলিয়ে গেল রাজধানী আগরতলার রাজপথ থেকে অলিগলি। 'স্মার্ট সিটি' তকমাধারী এই শহরের ড্রেনেজ ব্যবস্থা নিয়ে দীর্ঘদিনের অভিযোগ যে অমূলক নয়, তা ফের একবার স্পষ্ট হয়ে উঠল প্রকৃতির এই খামখেয়ালিপনায়। বিকেল গড়াতেই আকাশ ভেঙে শুরু হওয়া ৬০ মিনিটের এই বৃষ্টিতে শহরের কৃষ্ণনগর, বটতলা, শকুন্তলা রোড এবং এমবিবি কলেজ সংলগ্ন এলাকাগুলো কার্যত হ্রদে পরিণত হয়। হাঁটু সমান জল ভেঙে যাতায়াত করতে গিয়ে চরম ভোগান্তির শিকার হয়েছেন নিত্যযাত্রী ও সাধারণ মানুষ। অনেক জায়গায় রাস্তার ওপর জমে থাকা জলের কারণে যানবাহন চলাচল থমকে যায়। বেশ কিছু দোকানপাটে জল ঢুকে পড়ায় ব্যবসায়ীদের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর মিলেছে। এছাড়া ড্রেন উপচে নোংরা জল রাস্তায় মিশে যাওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দারা স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়েও আতঙ্কিত। ভুক্তভোগী এলাকাবাসীর অভিযোগ, স্মার্ট সিটি প্রজেক্টের নামে কোটি কোটি টাকা খরচ হলেও নিকাশি ব্যবস্থার কোনো উন্নতি হয়নি। নিয়মিত ড্রেন পরিষ্কার না করা এবং অপরিকল্পিত নগরায়ণের কারণেই সামান্য বৃষ্টিতেই এই চরম পরিস্থিতির সৃষ্টি হচ্ছে। স্থানীয় এক বাসিন্দা আক্ষেপ করে বলেন, "স্মার্ট সিটির তকমাটা কেবল খাতায়-কলমেই রয়ে গেল, দুর্ভোগ আমাদের কমলো না।" এদিকে, শহরের এই জলমগ্ন পরিস্থিতি নিয়ে প্রশাসনের তরফ থেকে এখনো কোনো সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপের খবর পাওয়া যায়নি। তবে জরুরি পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। শহরবাসীর একটাই প্রশ্ন— কবে মিলবে এই জলযন্ত্রণা থেকে স্থায়ী মুক্তি?1