প্রবল বর্ষণকে উপেক্ষা করেই ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে একটি বিশেষ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালিত হয়েছে। 'ক্লিন বর্ধমান, গ্রিন বর্ধমান' কর্মসূচির আওতায় হাসপাতাল চত্বরের নিকাশী নালা পরিষ্কার করতে গিয়ে একাধিক উদ্বেগজনক ছবি সামনে এসেছে। ডাস্টবিন থাকা সত্ত্বেও ড্রেনের ভেতর থেকে প্রচুর পরিমাণে ব্যবহৃত স্যালাইনের বোতল, গ্লাভস এবং বিভিন্ন ধরনের বর্জ্য উদ্ধার করা হয়েছে। ফাউন্ডেশনের সদস্যদের মতে, সাধারণ মানুষের অসচেতনতার পাশাপাশি হাসপাতালের নিজস্ব বায়ো-মেডিক্যাল বর্জ্য ব্যবস্থাপনার ত্রুটিও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। ব্যবহৃত গ্লাভসগুলো মূলত চিকিৎসক, নার্স বা স্বাস্থ্যকর্মীদের ব্যবহারের সামগ্রী হওয়ায়, সেগুলো কীভাবে নিকাশী নালায় পৌঁছালো, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে ফাউন্ডেশন। এই অভিযান চলাকালীন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও বর্ধমান পৌরসভার অসহযোগিতার অভিযোগ তুলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ফাউন্ডেশনের কর্মী সুধীর রঞ্জন সাউ (জগ্গু সাউ)। তার দাবি, কর্মসূচির বিষয়ে আগে থেকে জানানো সত্ত্বেও হাসপাতাল থেকে কোনো কর্মী পাঠানো হয়নি এবং পৌরসভাও বর্জ্য অপসারণের জন্য প্রতিশ্রুতি মতো গাড়ি পাঠায়নি। জগ্গু সাউ জানান, সম্পূর্ণ স্বেচ্ছায় এই কাজ করা হচ্ছে কারণ নিকাশী নালা বন্ধ থাকলে বর্ষার সময় জল জমে হাসপাতাল চত্বরে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ তৈরি হবে, যা রোগী ও তাদের পরিজনদের ভোগান্তির কারণ হবে। হাসপাতালের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা জোরদার করার পাশাপাশি সাধারণ মানুষকে পরিবেশ রক্ষায় সচেতন হওয়ার আবেদন জানিয়েছেন তিনি।
প্রবল বর্ষণকে উপেক্ষা করেই ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে একটি বিশেষ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালিত হয়েছে। 'ক্লিন বর্ধমান, গ্রিন বর্ধমান' কর্মসূচির আওতায় হাসপাতাল চত্বরের নিকাশী নালা পরিষ্কার করতে গিয়ে একাধিক উদ্বেগজনক ছবি সামনে এসেছে। ডাস্টবিন থাকা সত্ত্বেও ড্রেনের ভেতর থেকে প্রচুর পরিমাণে ব্যবহৃত
স্যালাইনের বোতল, গ্লাভস এবং বিভিন্ন ধরনের বর্জ্য উদ্ধার করা হয়েছে। ফাউন্ডেশনের সদস্যদের মতে, সাধারণ মানুষের অসচেতনতার পাশাপাশি হাসপাতালের নিজস্ব বায়ো-মেডিক্যাল বর্জ্য ব্যবস্থাপনার ত্রুটিও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। ব্যবহৃত গ্লাভসগুলো মূলত চিকিৎসক, নার্স বা স্বাস্থ্যকর্মীদের ব্যবহারের সামগ্রী হওয়ায়, সেগুলো কীভাবে নিকাশী নালায় পৌঁছালো, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে ফাউন্ডেশন। এই
অভিযান চলাকালীন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও বর্ধমান পৌরসভার অসহযোগিতার অভিযোগ তুলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ফাউন্ডেশনের কর্মী সুধীর রঞ্জন সাউ (জগ্গু সাউ)। তার দাবি, কর্মসূচির বিষয়ে আগে থেকে জানানো সত্ত্বেও হাসপাতাল থেকে কোনো কর্মী পাঠানো হয়নি এবং পৌরসভাও বর্জ্য অপসারণের জন্য প্রতিশ্রুতি মতো গাড়ি পাঠায়নি। জগ্গু সাউ জানান,
সম্পূর্ণ স্বেচ্ছায় এই কাজ করা হচ্ছে কারণ নিকাশী নালা বন্ধ থাকলে বর্ষার সময় জল জমে হাসপাতাল চত্বরে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ তৈরি হবে, যা রোগী ও তাদের পরিজনদের ভোগান্তির কারণ হবে। হাসপাতালের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা জোরদার করার পাশাপাশি সাধারণ মানুষকে পরিবেশ রক্ষায় সচেতন হওয়ার আবেদন জানিয়েছেন তিনি।
- নদিয়ার নবদ্বীপ শহরের বাগচিপাড়া মোড় সংলগ্ন এলাকায় রাতভর বৃষ্টির জেরে একটি পুরোনো বাড়ির একাংশ ভেঙে পড়েছে। শনিবার সকালে ধসে পড়া অংশের ইট ও অন্যান্য নির্মাণসামগ্রী রাস্তায় ছড়িয়ে পড়ায় ওই এলাকায় যানবাহন ও পথচারী চলাচলে সাময়িকভাবে বিঘ্ন ঘটে। খবর পেয়ে নবদ্বীপ ট্রাফিক বিভাগের আধিকারিকরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি পরিদর্শন করেন এবং সুরক্ষামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। বাড়ির সদস্য সাক্ষ্য প্রিয় নন্দী জানিয়েছেন, শনিবার ভোরে তাঁরা বাড়ির এই অংশটি ধসে পড়ার কথা জানতে পারেন। দীর্ঘদিনের জরাজীর্ণ অংশটি রাতভর টানা বৃষ্টির কারণেই ভেঙে পড়েছে বলে তাঁদের অনুমান। তবে যে অংশটি ভেঙেছে সেখানে কেউ বসবাস না করায় কোনও প্রাণহানি বা আহতের ঘটনা ঘটেনি। ঘটনার বিষয়ে নবদ্বীপ পৌরসভাকে জানানো হলেও, রাস্তা দ্রুত পরিষ্কার করতে পৌরসভার অপেক্ষা না করে পরিবারের সদস্যরা নিজেদের উদ্যোগেই শ্রমিক নিয়োগ করে ধ্বংসাবশেষ সরানোর কাজ শুরু করেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, এই অংশটি দীর্ঘদিন ধরেই অত্যন্ত জরাজীর্ণ অবস্থায় ছিল এবং বৃষ্টির কারণে কাঠামোটি আরও দুর্বল হয়ে পড়েছিল। এই ঘটনার জেরে অল্পের জন্য বড় দুর্ঘটনা এড়ানো গেলেও, শহরের ঝুঁকিপূর্ণ ও পুরোনো বাড়িগুলির নিরাপত্তা ও রক্ষণাবেক্ষণ নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।1
- মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ গ্রহণের পর এই প্রথমবার নদীয়া জেলায় সফরে এলেন শুভেন্দু অধিকারী।1
- আগামী ১৩ জুলাই বহরমপুরে কংগ্রেসের একটি মহাসমাবেশের আয়োজন করা হয়েছে। এই মহাসমাবেশকে সফল করে তুলতে এবং সেখানে সাধারণ মানুষকে দলে দলে যোগ দেওয়ার জন্য বিশেষ আহ্বান জানিয়েছেন কমলেশ চ্যাটার্জী।1
- বলাগড় থানার পুলিশ বড়সড় সাফল্যের মুখ দেখল। থানার স্পেশাল অপারেশন গ্রুপ (S.O.G) টিমের তৎপরতায় অভিযুক্তরা গ্রেপ্তার হয়েছে। পুলিশের এই অভিযানে চুরি যাওয়া প্রায় দশ লক্ষ টাকা মূল্যের গহনা উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। ঘটনার বিস্তারিত খবর তুলে ধরেছেন শুরু নিউজের প্রতিনিধি চিরঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়।1
- করেয়া আমার চ্যানেলের মালিক নমস্কার করেয়া আমার চ্যানেলের মালিক নমস্কার করেয়া আমার চ্যানেলের মালিক নমস্কার করেয়া আমার চ্যানেলের করেয়া আমার চ্যানেলের মালিক নমস্কার নমস্কার করেয়া আমার চ্যানেলের মালিক নমস্কার করেয়া আমার চ্যানেলের মালিক নমস্কার করেয়া আমার চ্যানেলের মালিক নমস্কার করেয়া আমার চ্যানেলের মালিক নমস্কার1
- নাগরিক পরিষেবার উন্নয়ন ও বকেয়া বিভিন্ন দাবির প্রেক্ষিতে শুক্রবার নদিয়ার নবদ্বীপ পৌরসভায় ডেপুটেশন জমা দিল সিপিআই(এম)-এর নবদ্বীপ এরিয়া কমিটি। পৌরসভার সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালনের পর দলের একটি প্রতিনিধি দল স্মারকলিপিটি পেশ করে। এক্সিকিউটিভ অফিসার অনুপস্থিত থাকায় পৌরসভার ফিনান্স অফিসার হিরণ্ময় আদকের হাতে এই স্মারকলিপি তুলে দেওয়া হয়। এই কর্মসূচিকে ঘিরে পৌরসভা চত্বরে ব্যাপক পুলিশি নিরাপত্তার আয়োজন ছিল চোখে পড়ার মতো। সিপিআই(এম)-এর উত্থাপিত সাত দফা দাবির মধ্যে রয়েছে পৌরসভার প্রশাসনিক পরিকাঠামোর দ্রুত উন্নয়ন, শহরের বিভিন্ন ওয়ার্ডে রাস্তা, ড্রেন ও কালভার্টের অসমাপ্ত কাজ সম্পন্ন করা এবং নাগরিক পরিষেবা কার্যকর করা। এছাড়া অস্থায়ী কর্মীদের স্থায়ীকরণ, ঠিকা শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধি, চারশোরও বেশি শূন্যপদে নিয়োগ, ড্রেনেজ ব্যবস্থার সংস্কারের মাধ্যমে জল জমার সমস্যা সমাধান এবং পৌর কর্মচারী ও অবসরপ্রাপ্ত কর্মীদের বেতন ও পেনশন সময়মতো প্রদানের দাবি জানানো হয়েছে। এদিন উপস্থিত ছিলেন দলের নবদ্বীপ এরিয়া কমিটির সম্পাদক বেচুগোপাল সিংহ রায়, জেলা নেতৃত্ব সুমিত বিশ্বাস সহ দলের বিভিন্ন স্তরের নেতৃত্ব ও কর্মীরা। কমিটির সম্পাদক বেচুগোপাল সিংহ রায় জানান, দীর্ঘদিন ধরে এই সমস্যাগুলি অমীমাংসিত রয়ে গেছে। পৌর কর্তৃপক্ষ অবিলম্বে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ না করলে ভবিষ্যতে আরও বৃহত্তর আন্দোলনের পথে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।1
- নাগাল্যান্ড থেকে গ্রেপ্তার হওয়া তোলাবাজ 'রকি'কে কালনা আদালতে হাজির করার সময় ব্যাপক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। অভিযুক্তকে আদালত চত্বরে নিয়ে আসার সাথে সাথেই সেখানে উপস্থিত ক্ষুব্ধ জনতা তাকে লক্ষ্য করে "চোর-চোর" স্লোগান দিতে শুরু করেন। উত্তেজিত জনতার এই স্লোগানের জেরে গোটা আদালত চত্বর রীতিমতো উত্তাল হয়ে ওঠে।1