ইসলামপুরে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের টাউন সভাপতির উপর ছুরি হামলা, চাঞ্চল্য শহরজুড়ে ইসলামপুরে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের টাউন সভাপতির উপর ছুরি হামলা, চাঞ্চল্য শহরজুড়ে ইসলামপুর শহরে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের টাউন সভাপতি শিব শংকর মন্ডলের উপর ছুরি হামলার ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। গুরুতর জখম অবস্থায় স্থানীয় বাসিন্দারা তাকে উদ্ধার করে ইসলামপুর মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করেন। বর্তমানে সেখানে তাঁর চিকিৎসা চলছে। জানা গিয়েছে শুক্রবার বিকালে, নিজের ভাড়াটিয়াকে ড্রাগসহ বিভিন্ন নেশা করা থেকে বিরত থাকতে বলা এবং ঘর খালি করার কথা বলতেই এই হামলার ঘটনা ঘটে। অভিযোগ, ভাড়াটিয়া শিবজি সাও আচমকাই ধারালো অস্ত্র দিয়ে শিব শংকর মন্ডলের উপর হামলা চালায়। এতে তিনি রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে ইসলামপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যান। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইসলামপুর শহরে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় ইসলামপুর থানার পুলিশ। তবে অভিযুক্ত ব্যক্তি বর্তমানে পলাতক বলে জানা গেছে। স্থানীয় বাসিন্দা পঙ্কজ ভগত জানান, অভিযুক্ত শিবজি সাও দীর্ঘদিন ধরে ড্রাগসহ বিভিন্ন নেশায় আসক্ত। তিনি বলেন, “গতকাল পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে গিয়েছিল। আজ সকালে থানা থেকে ছাড়া পায়। এর আগেও স্থানীয়রা বহুবার তার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছিলেন। আজ ঘর খালি করতে বলতেই ছুরি দিয়ে হামলা চালায়।” এই ঘটনায় শিব শংকর মন্ডলের পরিবারের পক্ষ থেকে ইসলামপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অভিযুক্ত শিবজি সাও-এর আসল বাড়ি বিহারের সমস্তিপুর এলাকায় বলে জানা গেছে। ঘটনার পিছনে অন্য কোনো কারণ বা রাজনৈতিক উদ্দেশ্য রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। অভিযুক্তের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে ইসলামপুর থানার পুলিশ।
ইসলামপুরে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের টাউন সভাপতির উপর ছুরি হামলা, চাঞ্চল্য শহরজুড়ে ইসলামপুরে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের টাউন সভাপতির উপর ছুরি হামলা, চাঞ্চল্য শহরজুড়ে ইসলামপুর শহরে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের টাউন সভাপতি শিব শংকর মন্ডলের উপর ছুরি হামলার ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। গুরুতর জখম অবস্থায় স্থানীয় বাসিন্দারা তাকে উদ্ধার করে ইসলামপুর মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করেন। বর্তমানে সেখানে তাঁর চিকিৎসা চলছে। জানা গিয়েছে শুক্রবার বিকালে, নিজের ভাড়াটিয়াকে ড্রাগসহ বিভিন্ন নেশা করা থেকে বিরত থাকতে বলা এবং ঘর খালি করার কথা বলতেই এই হামলার ঘটনা ঘটে। অভিযোগ, ভাড়াটিয়া শিবজি সাও আচমকাই ধারালো অস্ত্র দিয়ে শিব শংকর মন্ডলের উপর হামলা চালায়। এতে তিনি রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে ইসলামপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যান। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইসলামপুর শহরে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় ইসলামপুর থানার পুলিশ। তবে অভিযুক্ত ব্যক্তি বর্তমানে পলাতক বলে জানা গেছে। স্থানীয় বাসিন্দা পঙ্কজ ভগত জানান, অভিযুক্ত শিবজি সাও দীর্ঘদিন ধরে ড্রাগসহ বিভিন্ন নেশায় আসক্ত। তিনি বলেন, “গতকাল পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে গিয়েছিল। আজ সকালে থানা থেকে ছাড়া পায়। এর আগেও স্থানীয়রা বহুবার তার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছিলেন। আজ ঘর খালি করতে বলতেই ছুরি দিয়ে হামলা চালায়।” এই ঘটনায় শিব শংকর মন্ডলের পরিবারের পক্ষ থেকে ইসলামপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অভিযুক্ত শিবজি সাও-এর আসল বাড়ি বিহারের সমস্তিপুর এলাকায় বলে জানা গেছে। ঘটনার পিছনে অন্য কোনো কারণ বা রাজনৈতিক উদ্দেশ্য রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। অভিযুক্তের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে ইসলামপুর থানার পুলিশ।
- খড়িবাড়ি: শিলান্যাসের আনন্দ ফিকে হতে সময় লাগেনি। খড়িবাড়ির পশ্চিম হাউডাভিটায় নবনির্মিত সিমেন্টের রাস্তাই এখন বাসিন্দাদের চোখের জল আর আতঙ্কের কারণ। অভিযোগ, পরিকল্পনাহীন ভাবে তৈরির ফলে রাস্তার মাঝখানটি নিচু হয়ে জমা জলের ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে। ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় সামান্য বৃষ্টিতেই সেখানে থৈ থৈ করছে জল। খুদে স্কুল পড়ুয়া থেকে অসুস্থ বৃদ্ধ—সবাইকে পচা জল মাড়িয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে। এলাকায় বাড়ছে মশার উপদ্রব, ছড়াচ্ছে রোগব্যাধি। স্থানীয়দের অভিযোগ, ঠিকাদার সংস্থাকে বারবার জানানো হলেও কোনো কাজ হয়নি। দ্রুত সমাধান না হলে বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ক্ষুব্ধ বাসিন্দারা।1
- শিলিগুড়ি: দোকানের মালিকানা জটিলতা, পার্কিংয়ের অভাব এবং দীর্ঘদিনের যানজট সমস্যায় নাকাল শিলিগুড়ির বিধান মার্কেটের ব্যবসায়ীরা। বছরের পর বছর ধরে এই সমস্যাগুলির সমাধানের দাবিতে আন্দোলন, ধর্না ও প্রশাসনের কাছে আবেদন জানিয়েও কোনো স্থায়ী সমাধান মেলেনি বলে অভিযোগ তাদের। ব্যবসায়ীদের দাবি, শুধু মালিকানার অনিশ্চয়তাই নয়, বর্ষাকালে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে। বিধান মার্কেটের ব্যবসায়ী মিঠু বোস জানান, “একটু বৃষ্টি হলেই হাঁটু পর্যন্ত জল জমে যায়। দোকানের ভিতরে জল ঢুকে মালপত্র নষ্ট হয়ে যায়। এতে আমাদের ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়তে হয়।” অন্যদিকে ব্যবসায়ী তপন সরকার, গৌতম প্রামাণিক এবং রতন সাহারা জানান, বাজার এলাকায় পর্যাপ্ত পার্কিংয়ের অভাবের কারণে প্রতিদিনই যানজট তৈরি হচ্ছে, যার প্রভাব পড়ছে ব্যবসায়। তারা আগামী বিধায়কের কাছে পার্কিং সমস্যার স্থায়ী সমাধান, দোকানের পাট্টা বা মালিকানা প্রদান এবং উন্নত নিকাশি ব্যবস্থার দাবি জানিয়েছেন। এ প্রসঙ্গে ব্যবসায়ী সমিতির সদস্য অসিত দে বলেন, “বহুবার আবেদন জানানো হলেও এখনো পর্যন্ত কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। আমরা চাই, যে দলই ভোটে জিতুক না কেন, তারা যেন বিধান মার্কেটের সার্বিক উন্নয়নে গুরুত্ব দেয়।” আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে তাই নতুন করে আশায় বুক বেঁধেছেন বিধান মার্কেটের ব্যবসায়ীরা। তাদের একটাই দাবি—দীর্ঘদিনের সমস্যার দ্রুত ও স্থায়ী সমাধান।1
- तू आया तो दिलों में सुकून, गलियों में तरावीह की रौनक और हर घर में इबादत की खुशबू भर गई। अब तेरी रुख़्सती का वक्त है, लेकिन तू हमें सब्र, शुक्र और मोहब्बत का पैग़ाम देकर जा रहा है। रोज़ों की प्यास ने हमें गरीबों का दर्द सिखाया, क़ुरआन की तिलावत ने दिलों को रोशन किया, और दुआओं ने हर मायूस दिल को उम्मीद दी। या अल्लाह! जो इबादत हमने की, उसे कबूल फरमा। जो गलतियाँ हुईं, उन्हें माफ़ फरमा। और हमें फिर से अगला रमज़ान नसीब कर। 🤲 रमज़ान जा रहा है, लेकिन उसका सबक़ हमेशा ज़िंदा रहना चाहिए — सच्चाई, इंसानियत और भाईचारे के साथ। 🌙 अलविदा माह-ए-रमज़ान… फिर मिलेंगे इंशाअल्लाह1
- কর্নজোড়ায় জেলা শাসকের দফতরের সভাগৃহে ২০২৬ সালের সাধারণ নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হল। শুক্রবার সন্ধ্যায় জেলা তথ্য ও সংস্কৃতি দফতরের আধিকারিক শুভম চক্রবর্তী এই তথ্য জানান। এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন জেলা শাসক ও জেলা নির্বাচন আধিকারিক বিবেক কুমার সহ সমস্ত অবজারভাররা। নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রশাসনিক প্রস্তুতি, নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বৈঠকে রায়গঞ্জ পুলিশ জেলার পুলিশ সুপার সোনওয়ানে কুলদীপ সুরেশ এবং ইসলামপুর পুলিশ জেলার পুলিশ সুপার রাকেশ সিং উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও জেলার সকল রিটার্নিং অফিসাররা অংশ নেন এবং শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু নির্বাচন সম্পন্ন করার বিষয়ে জোর দেওয়া হয় এই বৈঠকে বলে প্রশাসন সুত্রে জানা গেছে।1
- বিজেপির প্রার্থী পছন্দ না হওয়ায় জেলা সভাপতি সহ নেতৃত্বদের তালা বন্ধ করে বিক্ষোভ কর্মী সমর্থকদের ময়নাগুড়ি, ২০ মার্চ : আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে ভারতীয় জনতা পার্টি। আর সেই তালিকায় ময়নাগুড়ি বিধানসভায় ফের প্রার্থী হিসাবে নাম দেখা যায় বিদায়ী বিধায়ক কৌশিক রায়। এই নাম প্রকাশিত হতেই ক্ষোভ দানা বাঁধে বিজেপির কর্মী সমর্থকদের মধ্যে। শুক্রবার সেই ক্ষোভ বিক্ষোভে পরিণত হল। এদিন ময়নাগুড়িতে অবস্থিত বিজেপির দলীয় কার্যালয়ে জেলা সভাপতি শ্যামল রায় সহ নেতৃত্বদের তালা বন্ধ করে বিক্ষোভ দেখান। কর্মীদের অভিযোগ, গত বিধানসভা নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়যুক্ত হয়েছেন কৌশিক রায়। কিন্তু তিনি কর্মীদের কোনো খোঁজ নেননি বলে অভিযোগ। আর সেই কারণে প্রার্থী বদলের দাবি জানিয়েছেন তারা। এমনকি ২৪ ঘণ্টা সময়ের মধ্যে যদি প্রার্থী বদল না হয় তাহলে বিধানসভার সকল নেতৃত্বরা গণ ইস্তফা দেবেন এবং প্রয়োজনে অন্য বিধানসভায় গিয়ে প্রচারে অংশ নেবেন। যদিও কর্মীদের সঙ্গে কথা না বলে কোনো প্রতিক্রিয়া দেবেন না বলে জানিয়েছেন জেলা সভাপতি শ্যামল রায়1
- Post by Raj roy1
- সকাল থেকেই প্রচারে তৃণমূল প্রার্থী। শুক্রবার চাবাগান দিয়েই প্রচার শুরু করলেন তৃণমূল প্রার্থী। এদিন নকশালবাড়ির মানঝা চাবাগানে প্রচারে তৃণমূল প্রার্থী শঙ্কর মালাকার! এদিন জেলা চেয়ারম্যান , মহকুমা পরিষদের সভাধিপতি, আইএনটিটিইউসির সভাপতিকে নিয়ে চা শ্রমিকদের কাছে গিয়ে ভোট প্রার্থনা করেন প্রার্থী! মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের উন্নয়ন বুথে বুথে পৌঁছে গিয়েছে। ১৫ বছর ধরে মুখ্যমন্ত্রী চাবাগান একাধিক উন্নয়ন করেছে। সেই উন্নয়ন নিয়েই ভোট প্রার্থনা করছি। অন্যদিকে বিজেপি মানুষএ ধোঁকাবাজি ও বিভাজনের রাজনীতি করছে। তাই মানুষ এবার তৃণমূলের সঙ্গে আছে মত শঙ্কর মালাকারের।1
- সকাল থেকেই প্রচারে তৃণমূল প্রার্থী। শুক্রবার চাবাগান দিয়েই প্রচার শুরু করলেন তৃণমূল প্রার্থী। এদিন নকশালবাড়ির মানঝা চাবাগানে প্রচারে তৃণমূল প্রার্থী শঙ্কর মালাকার! এদিন জেলা চেয়ারম্যান , মহকুমা পরিষদের সভাধিপতি, আইএনটিটিইউসির সভাপতিকে নিয়ে চা শ্রমিকদের কাছে গিয়ে ভোট প্রার্থনা করেন প্রার্থী! মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের উন্নয়ন বুথে বুথে পৌঁছে গিয়েছে। ১৫ বছর ধরে মুখ্যমন্ত্রী চাবাগান একাধিক উন্নয়ন করেছে। সেই উন্নয়ন নিয়েই ভোট প্রার্থনা করছি। অন্যদিকে বিজেপি মানুষএ ধোঁকাবাজি ও বিভাজনের রাজনীতি করছে। তাই মানুষ এবার তৃণমূলের সঙ্গে আছে মত শঙ্কর মালাকারের।1
- 📢 পশ্চিমবঙ্গের ভবিষ্যৎ গড়তে—১৪৪ জন বিজেপি প্রার্থী এক নজরে! 🪷 ভারতীয় জনতা পার্টির কিছু কথা: 👉 উন্নয়নের নতুন দিশা— রাস্তা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কর্মসংস্থানে জোর দিয়ে সোনার বাংলা গড়ার প্রতিশ্রুতি। 👉 দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন— স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে মানুষের অধিকার নিশ্চিত করার লক্ষ্য। 👉 যুবকদের জন্য সুযোগ— নতুন শিল্প, স্টার্টআপ ও চাকরির সুযোগ তৈরি করে ভবিষ্যৎকে শক্তিশালী করা। 👉 নারীর সুরক্ষা ও সম্মান— মা-বোনেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কঠোর পদক্ষেপ। 👉 কৃষক ও শ্রমিকের পাশে— ন্যায্য মূল্য, ভর্তুকি ও উন্নত সুবিধার মাধ্যমে গ্রামবাংলার উন্নয়ন। 👉 শক্তিশালী নেতৃত্ব— দেশের উন্নয়ন ও নিরাপত্তায় অগ্রণী ভূমিকা রাখা অভিজ্ঞ নেতৃত্ব। 📌 আপনার একটাই ভোট—গড়ে তুলতে পারে নতুন ভবিষ্যৎ! 🗳️ তাই ভাবুন, বুঝুন, এবং সঠিক সিদ্ধান্ত নিন।1