ভোটের মুখে নদীয়ার নবদ্বীপ বিধানসভার ভালুকা পঞ্চায়েতে বড়সড় রাজনৈতিক পালাবদল। ভোটের মুখে নদীয়ার নবদ্বীপ বিধানসভার ভালুকা পঞ্চায়েতে বড়সড় রাজনৈতিক পালাবদল। সিপিআইএম পরিচালিত পঞ্চায়েতে ভাঙন ধরিয়ে সংখ্যাগরিষ্ঠতা দখল করল তৃণমূল কংগ্রেস। নবদ্বীপ বিধান সভার তৃণমূল প্রার্থী পুন্ডরীকাক্ষ সাহার সমর্থনে আয়োজিত কর্মীসভা মুহূর্তে রূপ নেয় মহা যোগদান সভায়। সভামঞ্চ থেকেই সিপিআইএমের পঞ্চায়েত প্রধান হবিজুল মন্ডল ও সদস্য আক্কেল মন্ডল তৃণমূলের পতাকা হাতে তুলে নেন। এই যোগদানের ফলে ভালুকা পঞ্চায়েতের অঙ্ক একেবারে বদলে যায়। মোট ১৮ আসন বিশিষ্ট এই পঞ্চায়েতে আগে সিপিআইএমের সদস্য সংখ্যা ছিল ৮, বিজেপির ৬ এবং তৃণমূলের ৩, নির্দল ১—সেখানে ধীরে ধীরে ভাঙনের জেরে তৃণমূলের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ৭-এ। আর এদিন আরও দু-জন সিপিএম ছেড়ে যোগ দিলো তৃণমূলে, ফলে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে কার্যত তৃণমূলের দখলে চলে যেতে চলছে। সভায় উপস্থিত ছিলেন, পুণ্ডরীকাক্ষ সাহা, রানাঘাট সাংগঠনিক জেলার সভাপতি দেবাশীষ গাঙ্গুলী, জেলা পরিষদের সদস্যা রিক্তা কুন্ডু, নবদ্বীপ পৌরসভার পৌরপতি বিমান কৃষ্ণ সাহা, ব্লক সভাপতি কল্লোল কর, কুমার ধারা সহ একাধিক নেতা। বিমান কৃষ্ণ সাহা দাবি করেন, “পুন্ডরীকাক্ষ সাহার সততা ও উন্নয়নের রাজনীতির জন্যই মানুষের আস্থা দিনদিন বাড়ছে। জয় এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা।” অন্যদিকে জেলা সভাপতি দেবাশীষ গাঙ্গুলী বিজেপিকে কটাক্ষ করে বলেন, “গতবার মানুষকে বিভ্রান্ত করে জয় পেয়েছিল বিজেপি। এবার সেই মোহভঙ্গ হয়েছে, মানুষই জবাব দেবে।” যোগদানকারী হবিজুল মন্ডল জানান, পূর্বে তিনি তৃণমূলের প্রধান থাকলেও টিকিট না পাওয়ায় সিপিআইএমে যোগ দেন। তবে এবার বিজেপিকে রুখতে এবং এলাকায় সম্প্রীতি বজায় রাখতে ফের তৃণমূলে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। রাজনৈতিক মহলের মতে, ভালুকার এই পরিবর্তন আসন্ন নির্বাচনের আগে বড় বার্তা দিচ্ছে—গ্রামবাংলার জমি শক্ত করতে মরিয়া তৃণমূল, আর সিপিআইএমের ঘাঁটিতে ভাঙনের সুর ক্রমশ স্পষ্ট।
ভোটের মুখে নদীয়ার নবদ্বীপ বিধানসভার ভালুকা পঞ্চায়েতে বড়সড় রাজনৈতিক পালাবদল। ভোটের মুখে নদীয়ার নবদ্বীপ বিধানসভার ভালুকা পঞ্চায়েতে বড়সড় রাজনৈতিক পালাবদল। সিপিআইএম পরিচালিত পঞ্চায়েতে ভাঙন ধরিয়ে সংখ্যাগরিষ্ঠতা দখল করল তৃণমূল কংগ্রেস। নবদ্বীপ বিধান সভার তৃণমূল প্রার্থী পুন্ডরীকাক্ষ সাহার সমর্থনে আয়োজিত কর্মীসভা মুহূর্তে রূপ নেয় মহা যোগদান সভায়। সভামঞ্চ থেকেই সিপিআইএমের পঞ্চায়েত প্রধান হবিজুল মন্ডল ও সদস্য আক্কেল মন্ডল তৃণমূলের পতাকা হাতে তুলে নেন। এই যোগদানের ফলে ভালুকা পঞ্চায়েতের অঙ্ক একেবারে বদলে যায়। মোট ১৮ আসন বিশিষ্ট এই পঞ্চায়েতে আগে সিপিআইএমের সদস্য সংখ্যা ছিল ৮, বিজেপির ৬ এবং তৃণমূলের ৩, নির্দল ১—সেখানে ধীরে ধীরে ভাঙনের জেরে তৃণমূলের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ৭-এ। আর এদিন আরও দু-জন সিপিএম ছেড়ে যোগ দিলো তৃণমূলে, ফলে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে কার্যত তৃণমূলের দখলে চলে যেতে চলছে। সভায় উপস্থিত ছিলেন, পুণ্ডরীকাক্ষ সাহা, রানাঘাট সাংগঠনিক জেলার সভাপতি দেবাশীষ গাঙ্গুলী, জেলা পরিষদের সদস্যা রিক্তা কুন্ডু, নবদ্বীপ পৌরসভার পৌরপতি বিমান কৃষ্ণ সাহা, ব্লক সভাপতি কল্লোল কর, কুমার ধারা সহ একাধিক নেতা। বিমান কৃষ্ণ সাহা দাবি করেন, “পুন্ডরীকাক্ষ সাহার সততা ও উন্নয়নের রাজনীতির জন্যই মানুষের আস্থা দিনদিন বাড়ছে। জয় এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা।” অন্যদিকে জেলা সভাপতি দেবাশীষ গাঙ্গুলী বিজেপিকে কটাক্ষ করে বলেন, “গতবার মানুষকে বিভ্রান্ত করে জয় পেয়েছিল বিজেপি। এবার সেই মোহভঙ্গ হয়েছে, মানুষই জবাব দেবে।” যোগদানকারী হবিজুল মন্ডল জানান, পূর্বে তিনি তৃণমূলের প্রধান থাকলেও টিকিট না পাওয়ায় সিপিআইএমে যোগ দেন। তবে এবার বিজেপিকে রুখতে এবং এলাকায় সম্প্রীতি বজায় রাখতে ফের তৃণমূলে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। রাজনৈতিক মহলের মতে, ভালুকার এই পরিবর্তন আসন্ন নির্বাচনের আগে বড় বার্তা দিচ্ছে—গ্রামবাংলার জমি শক্ত করতে মরিয়া তৃণমূল, আর সিপিআইএমের ঘাঁটিতে ভাঙনের সুর ক্রমশ স্পষ্ট।
- সিঙ্গুর বিধানসভার ১১০ নম্বর বুথে ৬৫ জন বৈধ্য ভোটারকে ভোটার তালিকা থেকে বাদ দিয়েছে ইলেকশন কমিশন... সকলেরই প্রায় নিজের নাম অথবা তার আত্মীয়-স্বজনের নাম ২০০২ সালে আছেই। তা সত্ত্বেও হেয়ারিং আশাতে, কেউ পাসপোর্ট, কেউ জন্ম সার্টিফিকেট, কেউ কাস্ট সার্টিফিকেট, কেউ মাধ্যমিকের সার্টিফিকেট জমা দিয়েছে ... তবুও তারা রেহাই পায়নি। অথচ অন্যান্য বিধানসভায় শুধুমাত্র আধার কার্ড এবং প্যান কার্ড জমা দেওয়াতেই তাদের নাম রয়ে গেছে নতুন ভোটার তালিকা তে... ইলেকশন কমিশনের এই দু'রকম বিচার এবং সমস্ত ডকুমেন্টস থাকা সত্ত্বেও ঠিকমতো যাচাই না করে ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়ার প্রতিবাদে বিক্ষোভ শুরু করে ইচ্ছাকৃত নাম কেটে দেওয়া বৈধ্য ভোটাররা...1
- কদমগাছি থেকে সরাসরি ISF ও সংযুক্ত মোর্চা জনসভা উপস্থিত পীরজাদা নওশাদ সিদ্দিকী ও দেগঙ্গার সংযুক্ত মোর্চার প্রার্থী মিন্টু সাহাজি । পীরজাদা নওশাদ সিদ্দিকী জানান ২৯ শে এপ্রিল আসছে দিন খাম চিনলে ভোট দিন নিজের ভোট নিজেই দিন1
- নওদার ডুবতলায় ওয়াইসির সভা, হুমায়ুন কবিরের সমর্থনে তৃণমূল- কংগ্রেসকে তোপ মুর্শিদাবাদের নওদার ডুবতলা ময়দানে হুমায়ুন কবিরের সমর্থনে জনসভা করলেন আসাদউদ্দিন ওয়াইসি। সভা থেকে তিনি ঘোষণা করেন, মিম হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে জোটবদ্ধ হয়ে লড়াই করছে এবং তাদের লক্ষ্য বেশি সংখ্যক আসনে জয়লাভ। এদিন তিনি কংগ্রেস, বাম ও তৃণমূল কংগ্রেসকে একযোগে আক্রমণ করে বলেন, দীর্ঘদিন ভোট দিয়েও মুসলিম সমাজের উন্নয়ন হয়নি। পাশাপাশি তিনি অভিযোগ তোলেন, সংখ্যালঘুদের রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন প্রয়োজন। তৃণমূল কংগ্রেসকেও কড়া ভাষায় আক্রমণ করে তিনি বলেন, তাদের সামনে মাথা নত করা হবে না এবং মানুষের অধিকার আদায়ের লড়াই চলবে। সভা থেকে তিনি নওদার মানুষকে ২৩ তারিখ হুমায়ুন কবিরকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান এবং পরিবর্তনের ডাক দেন।1
- নবগ্রামে মমতা ব্যানার্জীর জনসভায় প্রাকৃতিক দুর্যোগ। মমতা ব্যানার্জী সভাস্থলে আসার আগেই ব্যাপক ঝড় বৃষ্টি নবগ্রামে।মমতা ব্যানার্জী সভাস্থলে আসার আগেই ব্যাপক ঝড় বৃষ্টি নবগ্রামে।1
- মুর্শিদাবাদের নবগ্রামে নামতে পারল না মুখ্যমন্ত্রীর হেলিকাপ্টার। বুধবার বড়ঞায় সভা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়। সেখান থেকে সভা শেষে ওড়ে মুখ্যমন্ত্রীর হেলিকাপ্টার। নামার কথা ছিল নবগ্রামে। প্রচন্ড ঝড়বৃষ্টিতে নবগ্রামে ভোলাডাঙ্গা আদিবাসী ফুটবল ময়দানে নামতে পারল না মুখ্যমন্ত্রীর হেলিকাপ্টার। ফের বড়ঞায় ব্যাক করে হেলিকপ্টার।1
- Post by Babulal Sarkar1
- কদমগাছি থেকে সরাসরি ISF ও সংযুক্ত মোর্চা জনসভা উপস্থিত পীরজাদা নওশাদ সিদ্দিকী ও দেগঙ্গার সংযুক্ত মোর্চার প্রার্থী মিন্টু সাহাজি দেখো দেখো কন আয়া কমবেশি ৩৫ থেকে ৪০ হাজার মানুষের চলো জনসভা ₹News1
- নবগ্রামে মমতা ব্যানার্জীর জনসভায় প্রাকৃতিক দুর্যোগ। মমতা ব্যানার্জী সভাস্থলে আসার আগেই ব্যাপক ঝড় বৃষ্টি নবগ্রামে।2
- মুর্শিদাবাদের নওদার ডুবতলা ময়দানে হুমায়ুন কবিরের সমর্থনে জনসভায় মিম প্রধান আসাদউদ্দিন ওয়াইসি। আসাদউদ্দিন ওয়াইসি বলেছেন, মিম জোট করেছে হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে । আমাদের চেষ্টা, বেশিরভাগ আসনে প্রার্থীদের জেতানোর। বাংলার মুসলমানরা বদল আনবে। আমরা , আপনাদের নেতা বানাতে চাই । যাতে আপনারা সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। যে সমাজের কাছে নেতা থাকে। তারই বিকাশ হয়।1