পশ্চিমবঙ্গ সরকার রাজ্যের চাকরিপ্রার্থীদের জন্য একটি বড় ঘোষণা করেছে, যার মাধ্যমে সরকারি চাকরিতে আবেদনের সর্বোচ্চ বয়সসীমা বৃদ্ধি করা হয়েছে। রাজ্যের অর্থ দফতরের ফিনান্স ডিপার্টমেন্টের অডিট ব্রাঞ্চ থেকে জারি করা নতুন বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, বিভিন্ন গ্রুপে চাকরির ক্ষেত্রে বয়সের ঊর্ধ্বসীমায় পরিবর্তন আনা হয়েছে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, গ্রুপ ‘A’ পদের জন্য সর্বোচ্চ ৪১ বছর, গ্রুপ ‘B’ পদের জন্য ৪৪ বছর এবং গ্রুপ ‘C’ ও ‘D’ পদের জন্য ৪৫ বছর বয়সসীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে যে, স্টেট স্ট্যাটুটরি বডি, সরকারি সংস্থা এবং স্থানীয় কর্তৃপক্ষের ক্ষেত্রেও নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে নিয়োগের সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৪৫ বছর পর্যন্ত প্রযোজ্য হবে। এই নতুন নিয়মটি ১১ মে ২০২৬ থেকে কার্যকর হয়েছে বলেও নোটিফিকেশনে উল্লেখ করা হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে চাকরিপ্রার্থীদের পক্ষ থেকে বয়সসীমা বৃদ্ধির এই দাবি উঠছিল, এবং রাজ্য সরকারের এই সিদ্ধান্তের ফলে বহু চাকরিপ্রার্থী নতুন করে সরকারি চাকরির সুযোগ পাবেন বলে মনে করা হচ্ছে।
পশ্চিমবঙ্গ সরকার রাজ্যের চাকরিপ্রার্থীদের জন্য একটি বড় ঘোষণা করেছে, যার মাধ্যমে সরকারি চাকরিতে আবেদনের সর্বোচ্চ বয়সসীমা বৃদ্ধি করা হয়েছে। রাজ্যের অর্থ দফতরের ফিনান্স ডিপার্টমেন্টের অডিট ব্রাঞ্চ থেকে জারি করা নতুন বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, বিভিন্ন গ্রুপে চাকরির ক্ষেত্রে বয়সের ঊর্ধ্বসীমায় পরিবর্তন আনা হয়েছে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, গ্রুপ ‘A’ পদের জন্য সর্বোচ্চ ৪১ বছর, গ্রুপ ‘B’ পদের জন্য ৪৪ বছর এবং গ্রুপ ‘C’ ও ‘D’ পদের জন্য ৪৫ বছর বয়সসীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে যে, স্টেট স্ট্যাটুটরি বডি, সরকারি সংস্থা এবং স্থানীয় কর্তৃপক্ষের ক্ষেত্রেও নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে নিয়োগের সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৪৫ বছর পর্যন্ত প্রযোজ্য হবে। এই নতুন নিয়মটি ১১ মে ২০২৬ থেকে কার্যকর হয়েছে বলেও নোটিফিকেশনে উল্লেখ করা হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে চাকরিপ্রার্থীদের পক্ষ থেকে বয়সসীমা বৃদ্ধির এই দাবি উঠছিল, এবং রাজ্য সরকারের এই সিদ্ধান্তের ফলে বহু চাকরিপ্রার্থী নতুন করে সরকারি চাকরির সুযোগ পাবেন বলে মনে করা হচ্ছে।
- রাজ্য সরকারের বকেয়া ডিএ ইস্যু নিয়ে এবার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে ডিএ মামলাকারী সংগঠনগুলির পূর্বনির্ধারিত বৈঠকের তারিখ পরিবর্তন করে আগামী ১ জুন বিকেল ৫টায় নতুন সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের আহ্বায়ক ভাস্কর ঘোষ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জানিয়েছেন যে, রাজ্যের সরকারি কর্মচারী, শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং পেনশনভোগীদের দীর্ঘদিনের ডিএ সংক্রান্ত সমস্যার সমাধানে মুখ্যমন্ত্রী ইতিবাচক ভূমিকা নেবেন বলে তাঁরা আশাবাদী। একই সাথে বৈঠকের নতুন তারিখ নির্ধারণ করায় সংগঠনের পক্ষ থেকে মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদও জানানো হয়েছে। নবান্নের ফিনান্স ডিপার্টমেন্টের পাঠানো সরকারি চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ডিএ মামলার সঙ্গে যুক্ত সংগঠনগুলির প্রতিনিধিদের নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর কনফারেন্স রুমে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিটি সংগঠন থেকে সর্বোচ্চ তিনজন প্রতিনিধি এই বৈঠকে উপস্থিত থাকতে পারবেন। দীর্ঘদিন ধরে চলা ডিএ আন্দোলনের আবহে রাজ্যের সরকারি কর্মচারীদের একাংশ এই বৈঠককে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন, যা সমস্যা সমাধানে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে পারে।1
- পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বৃহস্পতিবার নদীয়ার মায়াপুর ইসকনে এক আধ্যাত্মিক পরিবেশে দিন কাটান। মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর এই প্রথমবার মায়াপুর সফরে এসে তিনি রাধামাধব দর্শন, গো-মাতার সেবা, বিশেষ হোম-যজ্ঞে অংশগ্রহণ এবং সাধু-সন্ন্যাসীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। তাঁর এই সফর ঘিরে সকাল থেকেই ইসকন চত্বরে কড়া নিরাপত্তা ও ভক্তদের ব্যাপক ভিড় লক্ষ্য করা যায়। এদিন সকাল প্রায় ১১টা নাগাদ শুভেন্দু অধিকারী আকাশপথে মায়াপুর হেলিপ্যাডে পৌঁছলে ইসকনের মহারাজ, সাধু-সন্ন্যাসী ও মন্দির কর্তৃপক্ষ তাঁকে বৈদিক রীতিতে অভ্যর্থনা জানান। এরপর তিনি সরাসরি ইসকনের গোশালায় যান, যেখানে প্রায় ৪৫০টি গো-মাতার সেবায় অংশ নেন। নিজ হাতে তরমুজ, আম, ঘাস ও অন্যান্য খাদ্যসামগ্রী দিয়ে গোমাতাদের খাওয়ানোর পাশাপাশি তিনি বৈদিক রীতি মেনে আয়োজিত বিশেষ গো-পূজা, অগ্নিহোম ও যজ্ঞে অংশ নেন। যজ্ঞে আহুতি দিয়ে তিনি পশ্চিমবঙ্গের শান্তি, সমৃদ্ধি ও বিশ্বকল্যাণ কামনায় প্রার্থনা করেন। ইসকনের সন্ন্যাসীরা জানান, গো-রক্ষা, বিশ্বশান্তি ও রাজ্যের মঙ্গল কামনায় এই বিশেষ হোম-যজ্ঞের আয়োজন করা হয়েছিল। ইসকনের তরফে মুখ্যমন্ত্রীর এই অংশগ্রহণকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ আখ্যা দিয়ে বলা হয় যে, গো-সেবা ভারতীয় সংস্কৃতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। পরে চন্দ্রোদয় মন্দিরে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী রাধামাধব দর্শন করেন এবং শ্রীল প্রভুপাদ ও শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর চরণে প্রণাম নিবেদন করে পশ্চিমবঙ্গের সর্বাঙ্গীণ কল্যাণের জন্য বিশেষ প্রার্থনা করেন। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মুখ্যমন্ত্রী জানান যে, তিনি 'হৃদয়ের টানে' এখানে এসেছেন এবং তিনি একজন সনাতনী ও ইসকনের পরম ভক্ত। তিনি আরও বলেন যে, শ্রীল প্রভুপাদ গোটা পৃথিবীতে হরেকৃষ্ণ মহামন্ত্র এবং জগন্নাথ দেবের রথযাত্রাকে ছড়িয়ে দিয়েছেন এবং ইসকনের নিঃস্বার্থভাবে গীতার বাণী প্রচার ও প্রসার অতুলনীয়। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই তিনি বিভিন্ন ধর্মীয় স্থানে গিয়ে আশীর্বাদ নিচ্ছেন বলেও জানান, যার মধ্যে কালীঘাট মন্দির, বেলুড় মঠ, লক্ষ্মীনারায়ণ মন্দির ও জৈন মন্দির সফর অন্তর্ভুক্ত। মায়াপুরের সঙ্গে তাঁর দীর্ঘদিনের সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে শুভেন্দু অধিকারী বলেন যে, তিনি দোলপূর্ণিমা, জন্মাষ্টমী ও রথযাত্রার সময় নিয়মিত রাধামাধবের অভিষেকে অংশ নেন। তিনি ভক্তিচারু মহারাজের সঙ্গে তাঁর আত্মিক সম্পর্কের স্মৃতিচারণও করেন, যেখানে তিনি বলেন যে মহারাজ যখনই মেদিনীপুরে যেতেন, তাঁকে ডাকতেন এবং তাঁরা একসঙ্গে প্রসাদ গ্রহণ করতেন। পশ্চিমবঙ্গের উন্নয়ন প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী জানান, গীতার বাণীকে পাথেয় করে আগামী দিনে তাঁরা রাজ্যের মানুষের স্বার্থে কাজ করতে চান এবং বাংলার গৌরবোজ্জ্বল ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনাই তাঁদের লক্ষ্য। ইসকনের তরফে জানানো হয়, মায়াপুরকে আন্তর্জাতিক আধ্যাত্মিক কেন্দ্র হিসেবে আরও উন্নত করার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। ভক্তমহলের মতে, মুখ্যমন্ত্রীর এই সফর মায়াপুরের ধর্মীয় পর্যটন ও পরিকাঠামো উন্নয়নে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। দিনভর ইসকন চত্বরে একটি উৎসবমুখর পরিবেশ ছিল, যেখানে বহু ভক্ত মুখ্যমন্ত্রীকে এক ঝলক দেখার জন্য অপেক্ষা করেন। পরিশেষে সাধু-সন্ন্যাসী ও ভক্তদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করে এবং রাজ্যের শান্তি ও সমৃদ্ধির কামনা জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী তাঁর মায়াপুর সফর শেষ করেন।1
- পশ্চিমবঙ্গের ভরতপুরে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) বহরমপুর সাংগঠনিক জেলার সভাপতি মলয় মহাজন বিগত তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে একাধিক দুর্নীতির কথা তুলে ধরেছেন। তিনি পূর্ববর্তী তৃণমূল সরকারের আমলে সংঘটিত বিভিন্ন দুর্নীতির অভিযোগ জোরালোভাবে উত্থাপন করেছেন।1
- পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শ্রী শুভেন্দু অধিকারী মহাশয় গত পরশু, ২৬/০৫/২৬ তারিখে নদীয়ার কল্যাণীতে অন্নপূর্ণা ভান্ডার নিয়ে বিস্তারিতভাবে বলেছেন। তিনি তিন জেলার বিধায়ক ও প্রশাসনিক আধিকারিকদের সাথে বৈঠক শেষ করার পর সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে অন্নপূর্ণা ভান্ডার সম্পর্কিত বিভিন্ন তথ্য জানান। এই বিষয়ে একটি ভিডিও সংগৃহীত হয়েছে।1
- একসময় কৃষ্ণনগরের জীবনরেখা হিসেবে পরিচিত অঞ্জনা খাল বর্তমানে একটি মরা খালে পরিণত হয়েছে।1
- পূর্বস্থলী ১ ব্লকের দোগাছিয়া প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রের পরিষেবা আরও উন্নত করতে এবং পরিকাঠামোগত সমস্যা দূরীকরণের লক্ষ্যে উদ্যোগী হয়েছেন নবনির্বাচিত বিজেপি বিধায়ক গোপাল চট্টোপাধ্যায়। স্বাস্থ্য পরিষেবাকে সাধারণ মানুষের কাছে আরও কার্যকর ও সহজলভ্য করে তোলার উদ্দেশ্যে সম্প্রতি দোগাছিয়া প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের আয়োজন করা হয়। এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক গোপাল চট্টোপাধ্যায়, ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক সৈনক সোম, পঞ্চায়েত প্রধান অপর্না চ্যাটার্জি সহ স্বাস্থ্য কেন্দ্রের বিভিন্ন আধিকারিক এবং অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিরা। বৈঠকে স্বাস্থ্য কেন্দ্রের বর্তমান অবস্থা, রোগীদের বিভিন্ন সমস্যা, পরিকাঠামোর উন্নয়ন, চিকিৎসা পরিষেবার মান বৃদ্ধি এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। বিধায়ক গোপাল চট্টোপাধ্যায় জানান যে, এলাকার মানুষের উন্নত স্বাস্থ্য পরিষেবা পাওয়া অত্যন্ত জরুরি। সেই লক্ষ্যেই স্বাস্থ্য কেন্দ্রের বিভিন্ন সমস্যা চিহ্নিত করে দ্রুত সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য পরিষেবা যাতে আরও উন্নত হয়, সে বিষয়েও গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে।1
- ছোট শিমলায় একটি ছাগল বোঝাই গাড়ির ধাক্কায় এক সাইকেল আরোহীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে মৃত ব্যক্তির পরিবারের সদস্যরা স্থানীয় থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন।1
- বেথুয়াডহরি গান্ধী মোড়ে একটি স্কুটির ধাক্কায় ট্রাফিক ব্যারিয়ারে গুরুতর আঘাত পেয়েছেন বেথুয়াডহরি ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সহ-সভাপতি কল্যাণ দাস ওরফে গোপাল।1