*দরিদ্র মেধাবী দশম শ্রেণি পড়ুয়া ছাত্রের পাশে দাঁড়িয়ে মানবিকতার নজির গড়র জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সহ বিশালগড় থানার ওসি* পহেলা বৈশাখের দিনে অসহায় দরিদ্র দশম শ্রেণী পড়ুয়া ছাত্রের পাশে দাঁড়িয়ে মানবিকতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন বিশালগড় থানার ওসি বিজয় দাস । বিশালগড় অফিস টিলা এলাকার একেবারে দীন দরিদ্র পরিবারের সন্তান সাগর পাল। সে এবার বিশালগড় দ্বাদশ শ্রেণী বিদ্যালয় থেকে নবম শ্রেণী থেকে ভালো রেজাল্ট করে দশম শ্রেণীতে উত্তীর্ণ হয়েছে। সে পড়তে চায়। কিন্তু তার বাবার দশম শ্রেণীর বই ক্রয় করে দেওয়ার ক্ষমতা নেই। যার ফলে মেধাবী ছাত্রসাগর পাল পড়াশোনা বন্ধ করে দেবে ভেবেছিল। খবরটি শোনা মাত্র তার পাশে দাঁড়ালেন বিশালগড় থানার ওসি বিজয় দাস। তিনি পহেলা বৈশাখের দিনে দরিদ্র মেধাবী ছাত্র সাগর পালের জন্য দশম শ্রেণীর সমস্ত পাঠ্য বই নোট বই এবং প্রচুর পরিমাণ খাতা কলম বুধবার দুপুরে বিশালগড় থানার মধ্যে মেধাবী ছাত্র সাগর পালের হাতে তুলে দেন। সঙ্গে ছিলেন সিপাহীজলা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাজিব সূত্রধর। সাগর পালের বাবা সুমন পাল একটি সেলুনে হাজিরার বিনিময়ে কাজ করে। সংসার চালানোই তার পক্ষে সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ হেন অবস্থায় কেমন করে সে তার সন্তানের লেখাপড়ার খরচ বহন করবে? খবরটি শোনা মাত্র এক মিনিট সময়ও নষ্ট না করে মেধাবী-দরিদ্র ছাত্র সাগর পালের পাশে দাঁড়ালেন বিশালগড় থানার ওসি বিজয় দাস। সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বিজয় দাস বলেছেন তিনি সাগর পাল কে লেখাপড়া চালিয়ে যাওয়ার জন্য সারা জীবন সাহায্য করে যাবেন। অর্থের অভাবে যাতে কোনোভাবেই সাগরের পড়াশোনা বন্ধ না হয় । তিনি সাগরের বাবা সুমন পাল কে কথা দিয়েছেন ডিগ্রি অর্জন করা পর্যন্ত তিনি সাগরের পাশে থাকবেন। বিশালগড় থানার ওসি বিজয় দাসের এই মানবিক কাজকে কুর্নিশ জানিয়েছে গোটা সিপাহীজলা জেলার আরক্ষা প্রশাসন থেকে শুরু করে শিক্ষানুরাগী মহল। তিনি আরো বলেন লেখাপড়া হল সবচেয়ে বড় অস্ত্র। লেখাপড়ার মাধ্যমেই জীবনে প্রতিষ্ঠিত হওয়া যায়
*দরিদ্র মেধাবী দশম শ্রেণি পড়ুয়া ছাত্রের পাশে দাঁড়িয়ে মানবিকতার নজির গড়র জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সহ বিশালগড় থানার ওসি* পহেলা বৈশাখের দিনে অসহায় দরিদ্র দশম শ্রেণী পড়ুয়া ছাত্রের পাশে দাঁড়িয়ে মানবিকতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন বিশালগড় থানার ওসি বিজয় দাস । বিশালগড় অফিস টিলা এলাকার একেবারে দীন দরিদ্র পরিবারের সন্তান সাগর পাল। সে এবার বিশালগড় দ্বাদশ শ্রেণী বিদ্যালয় থেকে নবম শ্রেণী থেকে ভালো রেজাল্ট করে দশম শ্রেণীতে উত্তীর্ণ হয়েছে। সে পড়তে চায়। কিন্তু তার বাবার দশম শ্রেণীর বই ক্রয় করে দেওয়ার ক্ষমতা নেই। যার ফলে মেধাবী ছাত্রসাগর পাল পড়াশোনা বন্ধ করে দেবে ভেবেছিল। খবরটি শোনা মাত্র তার পাশে দাঁড়ালেন বিশালগড় থানার ওসি বিজয় দাস। তিনি পহেলা বৈশাখের দিনে দরিদ্র মেধাবী ছাত্র সাগর পালের জন্য দশম শ্রেণীর সমস্ত পাঠ্য বই নোট বই এবং প্রচুর পরিমাণ খাতা কলম বুধবার দুপুরে বিশালগড় থানার মধ্যে মেধাবী ছাত্র সাগর পালের হাতে তুলে দেন। সঙ্গে ছিলেন সিপাহীজলা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাজিব সূত্রধর। সাগর পালের বাবা সুমন পাল একটি সেলুনে হাজিরার বিনিময়ে কাজ করে। সংসার চালানোই তার পক্ষে সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ হেন অবস্থায় কেমন করে সে তার সন্তানের লেখাপড়ার খরচ বহন করবে? খবরটি শোনা মাত্র এক মিনিট সময়ও নষ্ট না করে মেধাবী-দরিদ্র ছাত্র সাগর পালের পাশে দাঁড়ালেন বিশালগড় থানার ওসি বিজয় দাস। সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বিজয় দাস বলেছেন তিনি সাগর পাল কে লেখাপড়া চালিয়ে যাওয়ার জন্য সারা জীবন সাহায্য করে যাবেন। অর্থের অভাবে যাতে কোনোভাবেই সাগরের পড়াশোনা বন্ধ না হয় । তিনি সাগরের বাবা সুমন পাল কে কথা দিয়েছেন ডিগ্রি অর্জন করা পর্যন্ত তিনি সাগরের পাশে থাকবেন। বিশালগড় থানার ওসি বিজয় দাসের এই মানবিক কাজকে কুর্নিশ জানিয়েছে গোটা সিপাহীজলা জেলার আরক্ষা প্রশাসন থেকে শুরু করে শিক্ষানুরাগী মহল। তিনি আরো বলেন লেখাপড়া হল সবচেয়ে বড় অস্ত্র। লেখাপড়ার মাধ্যমেই জীবনে প্রতিষ্ঠিত হওয়া যায়
- সোনামুড়া-বিলোনিয়া সড়কে ভয়াবহ দুর্ঘটনা: মৃত চালক, গুরুতর আহত মা ও শিশু বিবরণে জানা যায় সোনামোড়া থানা দিন সোনামুড়া টু বিলোনিয়া মূল সড়কের শোভাপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত শোভাপুর গার্লস হাই স্কুল সংলগ্ন সড়কে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলে প্রাণ হারালেন এক টমটম চালক। এই ঘটনায় একই পরিবারের মা ও শিশু গুরুতরভাবে আহত হয়েছেন। জানাগেছে, TR01C-4311 নম্বরের একটি ম্যাক্স গাড়ি এবং TR07A-3835 নম্বরের টমটমের মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষটি এতটাই তীব্র ছিল যে ঘটনাস্থলেই টমটম চালকের মৃত্যু হয়। নিহতের নাম প্রদীপ দাস, পিতা- জয় কৃষ্ণ দাস। তাঁর বাড়ি সোনামুড়া থানা দিন ঠাকুরমুরা এলাকায়। দুর্ঘটনার সময় টমটমে যাত্রী হিসেবে ছিলেন সোনামুড়া আরালিয়ার বাসিন্দা সেলিনা আক্তার এবং তাঁর চার বছরের শিশু পুত্র মোহাম্মদ সামি। দুর্ঘটনায় তারা দুজনেই রক্তাক্ত ও গুরুতর আহত হন। ঘটনার পরপরই স্থানীয় দুই যুবক, শাকিল ও মনির, দ্রুত এগিয়ে আসেন। তাঁরাই মা ও ছেলেকে উদ্ধার করে মেলাঘর হাসপাতালে নিয়ে যান। হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাঁদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর অবস্থার অবনতি দেখে উন্নত চিকিৎসার জন্য আগরতলা জিবি হাসপাতালে রেফার করেন। ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত সোনামুড়া থানার ওসি তাপস দাস এলাকায় পৌঁছান , ঘটনা তদন্ত করে দুর্ঘটনাগ্রস্ত যান দুটিকে উদ্ধার করে সোনামুড়া থানার হেফাজতে নিয়ে আসে । মর্মান্তিক এই ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে এবং স্থানীয় মানুষের ভিড় জমে যায় ঘটনাস্থলে। দুর্ঘটনার কারণ প্রসঙ্গে এলাকাবাসীর অভিমত অতিরিক্ত গতি।1
- মেলা থেকে বাড়ি ফেরার পথে বক্সনগর প্রেস ক্লাবের সভাপতি প্রবাত ঘোষকে লক্ষ্য করে দুষ্কৃতীদের হামলার ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে গোটা এলাকায়। ঘটনায় আতঙ্কিত স্থানীয়রা, উঠছে নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন।1
- Post by Abani Debbarma1
- ✍️ বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে আগরতলা শহরের লক্ষ্মীনারায়ণ মন্দিরে ভিড় দর্শনার্থীদের।1
- Post by Gouranga Majumder1
- পহেলা বৈশাখের দিনেই বড়সড় সাফল্য পেল অসম পুলিশ। অসম–ত্রিপুরা সীমান্তের চুরাইবাড়ি ওয়াচ পোস্টে অভিযান চালিয়ে তরমুজ বোঝাই একটি লরি থেকে উদ্ধার হল বিপুল পরিমাণ নেশাজাতীয় কফ সিরাপ ‘এস্কাফ’। পুলিশের দাবি, উদ্ধার হওয়া এই অবৈধ সামগ্রীর কালোবাজারি মূল্য প্রায় দেড় কোটি টাকা।1
- নেতা নন, মহারাজ”—জোটের চাপে নতি স্বীকার নয়, স্পষ্ট বার্তা Pradyot Kishore Debbarman নিয়ে দাবি Shah Alam Mia1
- দারুল হুদা গার্লস একাডেমির বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী ও বিশেষ সংবর্ধনা অনুষ্ঠান । বুধবার সোনামুড়া রবীন্দ্রনগরস্থিত দারুল হুদা গার্লস একাডেমির উদ্যোগে বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী ও বিশেষ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এইদিন বিগত শিক্ষাবর্ষে একাডেমিক, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে কৃতিত্ব ছাত্রীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন অতিথিগণ। পাশাপাশি ২০২৬ সালের স্থানীয় হজ্জযাত্রী সহ সামাজিক কাজে অবদান রাখা ইমারজেন্সি ব্লাড গ্রুপের কর্মকর্তাদেরও সংবর্ধনা জানানো হয়। ২০২৩ সালে প্রতিষ্ঠিত দারুল হুদা গার্লস একাডেমি ইতিমধ্যে এলাকায় মেয়েদের শিক্ষার প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এখানে ইসলামিক শিক্ষার পাশাপাশি আধুনিক শিক্ষায় জোর দেওয়া হয়। এইদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ড. মুস্তফা কামাল, মাওলানা ড. জাহিরুল হক, মাওলানা জাকির হুসাইন আলজলিলী, মাওলানা মুহাম্মাদ হোসেন, প্রবীণ আলীম মাওলানা আবু হানিফ, মুফতি শফিকুল ইসলাম, মুফতি খাইরুল বাশার, মাওলানা মোজাম্মিল হক, মাওলানা সাদিক মিয়া, হাজী বিল্লাল মিঞা, দারুল হুদা গার্লস একাডেমির প্রিন্সিপাল মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সহ অভিভাবক এবং অন্যান্য বিশিষ্টজনেরা। তবে দারুল হুদা গার্লস একাডেমি কম সময়ে এত অগ্রগতি দেখে মুগ্ধ হয়ে যান অতিথি সহ সকলেই। এই প্রতিষ্ঠানটির সার্বিক উন্নতি কামনা করে সকলের সহযোগিতা চেয়েছেন দারুল হুদা গার্লস একাডেমির উপদেষ্টা মন্ডলীর কর্মকর্তারা।1