Shuru
Apke Nagar Ki App…
মাথাভাঙ্গা এলাকায় পথ নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার লক্ষ্যে ট্রাফিক পুলিশ একটি বিশেষ অভিযান শুরু করেছে।
Pankaj paul
মাথাভাঙ্গা এলাকায় পথ নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার লক্ষ্যে ট্রাফিক পুলিশ একটি বিশেষ অভিযান শুরু করেছে।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- পশ্চিমবঙ্গে নতুন সরকার গঠনের পর একাধিক প্রশাসনিক সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক ও সামাজিক চর্চা শুরু হয়েছে। এই আবহে রাজ্য সরকারের জারি করা এক গুরুত্বপূর্ণ নোটিফিকেশন অনুযায়ী, এবার থেকে কলকাতার রেড রোডে আর ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত হবে না। প্রশাসনের যুক্তি ছিল যে, রেড রোডে নামাজের কারণে দীর্ঘ সময় যান চলাচল বন্ধ রাখতে হয়, যা সাধারণ মানুষের ভোগান্তি বাড়ায় এবং শহরের ট্রাফিক ব্যবস্থায় ব্যাপক প্রভাব ফেলে। এর পরিপ্রেক্ষিতে, এবার ঈদুল জোহারের নামাজের জন্য ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ড নির্ধারণ করা হয় এবং প্রশাসন আগেই জানিয়েছিল যে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রেখে সর্বোচ্চ নিরাপত্তায় নামাজের আয়োজন করা হবে। আজ সকালে সেই ঘোষণা অনুযায়ী ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে ঈদুল জোহারের পবিত্র নামাজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ভোর থেকেই শহরের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মুসলিম সম্প্রদায়ের হাজার হাজার মানুষ ব্রিগেডের উদ্দেশ্যে রওনা দেন এবং নামাজে অংশ নেন। ধর্মীয় আবেগ, উৎসবের আনন্দ এবং শান্তির বার্তায় গোটা এলাকা মুখর হয়ে ওঠে। যদিও এই অনুষ্ঠানে মমতা বা অভিষেক কেউ উপস্থিত ছিলেন না, যা নিয়ে কিছু চর্চা হয়েছে। নামাজের সময় নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে কেন্দ্র করে ছিল কড়া নজরদারি। পুরো ব্রিগেড ময়দান এবং সংলগ্ন এলাকাকে বিপুল সংখ্যক পুলিশ বাহিনী, র্যাফ, কুইক রেসপন্স টিম এবং সাদা পোশাকের পুলিশকর্মী মোতায়েন করে কার্যত পুলিশি নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়। প্রশাসনের তরফে জানানো হয়, কোনো ধরনের সাম্প্রদায়িক উস্কানি বা অপ্রীতিকর ঘটনা যাতে না ঘটে, সেদিকে বিশেষ নজর রাখা হয়েছিল। ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডের প্রবেশপথে একাধিক চেকিং পয়েন্ট বসানো হয়েছিল এবং প্রত্যেককে নিরাপত্তা পরীক্ষার মধ্যে দিয়েই মাঠে প্রবেশ করতে হয়। ড্রোন ক্যামেরার মাধ্যমে গোটা এলাকা পর্যবেক্ষণ করা হয় এবং কলকাতা পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরাও পরিস্থিতির উপর সার্বক্ষণিক নজরদারি চালান। নামাজ শেষে ইমামরা শান্তি ও সম্প্রীতির বার্তা দেন। দেশের শান্তি, রাজ্যের উন্নতি এবং সকল মানুষের মঙ্গল কামনা করে বিশেষ দোয়া করা হয়। এই সিদ্ধান্ত নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া থাকলেও, বহু মানুষ সরকারের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেছেন। তাঁদের মতে, শহরের যানজট কমাতে এবং প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখতে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হতে পারে। যদিও বিরোধী মহলের একাংশের দাবি, দীর্ঘদিনের ঐতিহ্যবাহী রেড রোডের নামাজ সরিয়ে দেওয়া নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। তবে প্রশাসন স্পষ্ট করেছে যে, এই সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণভাবে আইনশৃঙ্খলা ও জনস্বার্থের কথা মাথায় রেখেই নেওয়া হয়েছে। সকাল থেকে নামাজ ঘিরে ব্রিগেড এলাকায় ছিল উৎসবের আবহ। বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের পক্ষ থেকে পানীয় জল ও প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থাও করা হয়। নামাজ শেষে ধীরে ধীরে মানুষ মাঠ ছাড়তে শুরু করলে ট্রাফিক পরিস্থিতিও স্বাভাবিক হয়। সব মিলিয়ে, কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে শান্তিপূর্ণভাবেই এবারের ঈদুল জোহারের নামাজ সম্পন্ন হয়েছে বলে প্রশাসনের দাবি। কোনও রকম অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই গোটা অনুষ্ঠান সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।1
- বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির বিপুল জয়ের খুশিতে মাথাভাঙ্গা শহরের ১০ নম্বর ওয়ার্ডে দলীয় কর্মীরা বাড়ি বাড়ি লাড্ডু বিতরণের মাধ্যমে জনসংযোগে অংশ নিয়েছেন। এদিন বিজেপি কর্মীরা বিভিন্ন বাড়িতে গিয়ে লাড্ডু বিতরণ করেন এবং জনসংযোগ চালান। বিজেপির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, রাজ্যে দলটির জয়লাভের আনন্দে মোট ৭ হাজার লাড্ডু বিতরণ করা হয়েছে।1
- আগামী ৫ই জুন চ্যাংড়াবান্ধা শিক্ষা লার্নিং সেন্টার, পূর্বপাড়ায় একটি বিনামূল্যে মেগা স্বাস্থ্য পরীক্ষা শিবির আয়োজিত হতে চলেছে। এই শিবিরে জেনারেল ফিজিশিয়ান, স্ত্রী রোগ বিশেষজ্ঞ, দন্ত রোগ বিশেষজ্ঞ এবং চক্ষু রোগ বিশেষজ্ঞের মতো একাধিক পরিষেবা প্রদান করা হবে। এছাড়াও, রেড লাইট এলাকার মায়েদের জন্য স্যানিটারি ন্যাপকিন বিতরণের একটি বিশেষ কর্মসূচিও থাকছে। একই দিনে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষ্যে লার্নিং সেন্টার সংলগ্ন মাঠে একটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিও অনুষ্ঠিত হবে।1
- বাংলাদেশে একটি ঘটনা ঘটেছে, যা এক স্থান থেকে অন্য স্থানে ঘটেছে।1
- আবাস যোজনার কাটমানি ফেরতের দাবিতে ভিলেজ এক গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধানের বাড়ির সামনে তীব্র বিক্ষোভ প্রদর্শন করা হয়েছে। এই বিক্ষোভে আবাস যোজনার সুবিধাভোগীদের কাছ থেকে নেওয়া কাটমানি দ্রুত ফেরত দেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।1
- আলিপুরদুয়ার জেলা পুলিশের উদ্যোগে সম্প্রতি মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় কৃতিত্ব অর্জনকারী ২৭ জন ছাত্রছাত্রীকে সংবর্ধনা জানানো হয়েছে। জেলার বিভিন্ন প্রান্তের মেধাবী পড়ুয়াদের উৎসাহ ও অনুপ্রেরণা দিতে এই বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এই অনুষ্ঠানে জেলা পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা উপস্থিত ছিলেন। কৃতি ছাত্রছাত্রীদের হাতে স্মারক, ফুলের তোড়া এবং শুভেচ্ছাপত্র তুলে দিয়ে তাঁদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ জীবনের সাফল্য কামনা করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত আধিকারিকরা পড়ুয়াদের উদ্দেশ্যে বলেন যে কঠোর পরিশ্রম ও একাগ্রতার মাধ্যমেই জীবনে বড় সাফল্য অর্জন সম্ভব। এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ছাত্রছাত্রীদের পাশাপাশি তাঁদের অভিভাবকরাও উপস্থিত ছিলেন। জেলা পুলিশের এই উদ্যোগে পড়ুয়া ও তাঁদের অভিভাবকরা অত্যন্ত খুশি হয়েছেন। তাঁদের মতে, প্রশাসনের তরফ থেকে এই ধরনের সম্মান ভবিষ্যতে আরও ভালো ফল করার জন্য দারুণ অনুপ্রেরণা জোগাবে। জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, আগামী দিনেও শিক্ষাক্ষেত্রে কৃতীদের উৎসাহ দিতে এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।1
- মঙ্গলবার, ২৬ মে, বিনপুর বিধানসভার বিধায়ক ডাঃ প্রণব টুডু ঝাড়গ্রামের শিলদা চন্দ্রশেখর মহাবিদ্যালয়ের ১০০ বেডের ছাত্রাবাসটি পরিদর্শন করেন। ২০১৫-১৬ সালে নির্মিত হলেও, পানীয় জলের সমস্যার কারণে ছাত্রাবাসটি এখনও পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয়নি। পরিদর্শনের সময় তিনি মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষের সাথে বৈঠক করেন এবং ছাত্রাবাস ও কলেজের বিভিন্ন সমস্যা ও পরিকাঠামোগত অভাব সম্পর্কে শোনেন। বিধায়ক দ্রুত পানীয় জলের সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেন। পাশাপাশি, তিনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির উন্নয়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও জানান। কলেজ কর্তৃপক্ষ মনে করছেন যে, দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ হয়ে থাকা এই ছাত্রাবাসটি চালু হলে এলাকার বহু ছাত্রছাত্রী উপকৃত হবে।1
- বৃহস্পতিবার শালকুমার-সিসামারা এলাকায় চলমান অস্থায়ী বাঁধ নির্মাণের কাজ পরিদর্শনে যান বিধায়ক পরিতোষ দাস। তিনি সংশ্লিষ্ট দফতরের আধিকারিকদের সঙ্গে নির্মাণস্থল ঘুরে দেখেন এবং দ্রুততার সঙ্গে কাজ শেষ করার নির্দেশ দেন। বিধায়ক জানান যে, স্থানীয় বাসিন্দাদের দীর্ঘদিনের সমস্যার কথা মাথায় রেখে এবং নদী ভাঙনের কারণে সৃষ্ট দুর্ভোগ কমানোর লক্ষ্যে বর্ষার আগেই এই অস্থায়ী বাঁধ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর প্রধান লক্ষ্য হলো নদীর জল প্রবাহ ও ভাঙনের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার বহু মানুষের সমস্যা দ্রুত দূর করা। পরিদর্শনের সময় এলাকার বাসিন্দারাও বিধায়কের কাছে তাঁদের বিভিন্ন সমস্যার কথা তুলে ধরেন, যার জবাবে বিধায়ক পরিতোষ দাস তাঁদের আশ্বস্ত করে বলেন যে প্রশাসন বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখছে এবং প্রয়োজনীয় সমস্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।1
- মাথাভাঙ্গা প্রশাসনের পক্ষ থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা জারি করা হয়েছে, যেখানে বিভ্রান্তিমূলক প্রচার থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে। প্রশাসন স্পষ্ট জানিয়েছে যে, যদি এই ধরনের প্রচার বন্ধ না করা হয়, তাহলে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।1