দুর্গাপুর পূর্বের কংগ্রেস প্রার্থী দেবেশ চক্রবর্তী দুর্গাপুরের ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের সূর্য সেন কলোনি সংলগ্ন লোকনাথ বাবার মন্দিরে পুজো দিয়ে নির্বাচনী প্রচার শুরু করেন। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে জাতীয় কংগ্রেস তাদের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেছে। সেই তালিকায় দুর্গাপুর পূর্ব বিধানসভা কেন্দ্র থেকে কংগ্রেস প্রার্থী হিসেবে নাম ঘোষণা হয়েছে দেবেশ চক্রবর্তী-র। প্রার্থী ঘোষণার পরই ময়দানে নেমে পড়েছেন তিনি। সোমবার সকাল দশটায় দুর্গাপুরের ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের সূর্য সেন কলোনি সংলগ্ন লোকনাথ বাবার মন্দিরে পুজো দিয়ে নির্বাচনী প্রচার শুরু করেন। এরপর ধোবি ঘাট এলাকায় বাড়ি বাড়ি গিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে জনসংযোগ করেন তিনি। জনসংযোগের সময় দেবেশ চক্রবর্তী বর্তমান বিধায়ক প্রদীপ মজুমদার-এর বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি অভিযোগ করে বলেন, “গত পাঁচ বছরে এলাকায় কোনও উন্নয়নমূলক কাজ হয়নি। আমি যে এলাকায় ঘুরছি, সেখানকার রাস্তার অবস্থা দেখলেই বোঝা যায়—মানুষ কতটা বঞ্চিত।” এদিন তিনি পরিবর্তনের ডাক দিয়ে এলাকার উন্নয়নের প্রতিশ্রুতিও দেন
দুর্গাপুর পূর্বের কংগ্রেস প্রার্থী দেবেশ চক্রবর্তী দুর্গাপুরের ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের সূর্য সেন কলোনি সংলগ্ন লোকনাথ বাবার মন্দিরে পুজো দিয়ে নির্বাচনী প্রচার শুরু করেন। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে জাতীয় কংগ্রেস তাদের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেছে। সেই তালিকায় দুর্গাপুর পূর্ব বিধানসভা কেন্দ্র থেকে কংগ্রেস প্রার্থী হিসেবে নাম ঘোষণা হয়েছে দেবেশ চক্রবর্তী-র। প্রার্থী ঘোষণার পরই ময়দানে নেমে পড়েছেন তিনি। সোমবার সকাল দশটায় দুর্গাপুরের ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের সূর্য সেন কলোনি সংলগ্ন লোকনাথ বাবার মন্দিরে পুজো দিয়ে নির্বাচনী প্রচার শুরু করেন। এরপর ধোবি ঘাট এলাকায় বাড়ি বাড়ি গিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে জনসংযোগ করেন তিনি। জনসংযোগের সময় দেবেশ চক্রবর্তী বর্তমান বিধায়ক প্রদীপ মজুমদার-এর বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি অভিযোগ করে বলেন, “গত পাঁচ বছরে এলাকায় কোনও উন্নয়নমূলক কাজ হয়নি। আমি যে এলাকায় ঘুরছি, সেখানকার রাস্তার অবস্থা দেখলেই বোঝা যায়—মানুষ কতটা বঞ্চিত।” এদিন তিনি পরিবর্তনের ডাক দিয়ে এলাকার উন্নয়নের প্রতিশ্রুতিও দেন
- রামনবমী উপলক্ষে মানবসেবার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন দুর্গাপুর পশ্চিম কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী কবি দত্ত। দুর্গাপুরের ১১ নম্বর ওয়ার্ডের আমরাই এলাকার চ্যাটার্জি পাড়ায় বাবাজির পুজো উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সোমবার বিকেল চারটের সময় উপস্থিত হয়ে তিনি অংশ নেন নরনারায়ণ সেবায়। শুধু আনুষ্ঠানিক উপস্থিতি নয়, সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে নিজ হাতে খাবার পরিবেশন করতেও দেখা যায় তাঁকে। এই মানবিক উদ্যোগে এলাকার বহু বাসিন্দা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের স্থানীয় কর্মী, সমর্থক ও নেতৃত্ববৃন্দ। মানুষের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ গড়ে তোলা এবং সেবামূলক এই উদ্যোগের মাধ্যমে কবি দত্তর এই পদক্ষেপ এলাকায় ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে।1
- Post by User56541
- সরকারের চিকিৎসা পরিষেবা গাফিলতি জন্য আইনি পরিষেবা বেআইনি ভাবে দেওয়া হচ্ছে? রূরাল মেডিকেল প্রাকটিশনার্স এ্যাসোসিয়েশন সংগঠন আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞান দেওয়া লক্ষ্যে অবৈজ্ঞানিক ঔষুধ গুলো তুলে নিতে হবে। সরকারি প্রশিক্ষণ দেওয়া ব্যবস্থা করা প্রয়োজন চব্বিশ ঘণ্টা জরুরী পরিষেবা দিয়ে চলছে জীবন বাঁচাতে গ্রামীণ চিকিৎসক সংগঠন মানুষের সাথে মানুষের পাশে আছে।2
- Post by Mainul haique Mairza1
- आसनसोल रामनवमी शोभा यात्रा में "हिंदू-हिंदू भाई-भाई" के लगे नारे, परिवर्तन का संकेत PUNJABI POST1
- ভাত খেয়ে শিলিগুড়িতে বন বৃষ্টি হতে পারে তোমরা যারা শিলিগুড়িতে আছিস একটু সাপোর্ট দিয়ে যাবে না ওকে আর একটু ভালো মন্দ দেখবেন🌦️⛈️🌩️🙏1
- কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত সাহার চার্জশিট নিয়ে বিষ্ণুপুরে বিজেপির সাংবাদিক সম্মেলন, *বাঁকুড়া, বিষ্ণুপুর*:-ইতিমধ্যেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত সাহা রাজ্যে এসে চার্জশিট প্রেস করেছেন তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে। সেই চার্জশিট নিয়ে ই এলাকার মানুষের কাছে পৌঁছাচ্ছেন বিজেপি কর্মী সমর্থকরা। একইভাবে অমিত সাহার পেশ করা চার্জশিট নিয়ে বিষ্ণুপুর সাংগঠনিক জেলা বিজেপির দলীয় কার্যালয়ে একটি সাংবাদিক সম্মেলন করলেন বিষ্ণুপুর সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সাধারণ সম্পাদক, উপস্থিত ছিলেন মিডিয়া ইনচার্জ বিষ্ণুপুর সাংগঠনিক জেলা বিজেপি এবং অন্যান্য বিজেপি নেতারা কি বলছে তাদের এই সাংবাদিক সম্মেলনে শুনুন।2
- গরীব মানুষদের নাম বাদ দেওয়া হচ্ছে। এই অভিযোগ তুলে দুর্গাপুরের ভগৎ সিং ক্রীড়াঙ্গনের সামনের রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভে সিপিএম। নেতৃত্ব দিলেন জামুরিয়ার সিপিএম প্রার্থী ঐশী ঘোষ। আধ ঘন্টারও বেশি সময় ধরে চলে অবরোধ। পরিস্থিতি সামাল দিতে পৌঁছায় দুর্গাপুর থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী। সিপিএম কর্মী সমর্থকরা কেন্দ্রীয় এবং রাজ্য সরকারকে আক্রমণ করে বলেন, নির্বাচন কমিশন কেন্দ্রীয় সরকারের মদতে কাজ করছে। যারা এই দেশের বৈধ নাগরিক তাদের নামও বাদ দেওয়া হচ্ছে। তাদেরকে বিপাকে ফেলা হচ্ছে। সিপিএম প্রার্থী ঐশী ঘোষ অভিযোগ তোলেন,"দেশের গণতান্ত্রিক কাঠামো ভেঙে ফেলছে কেন্দ্রীয় সরকার। রাজ্যের ৬০ লক্ষ মানুষের নাম বিচারাধীন। তারা এখন কোথায় যাবে। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীও বলেছিলেন একজনের নাম বাদ দিতে দেবো না। কিন্তু উনি তো এখন হেলিকপ্টারে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। কিছুই করতে পারছেন না।"1