Shuru
Apke Nagar Ki App…
দুর্গাপুরের সুশীল সিং তাঁর ইউটিউব চ্যানেলের মাধ্যমে প্রভু যীশু খ্রীষ্টের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। বেনাচিতি দুর্গাপুর থেকে এই বার্তা দেওয়া হয়েছে, যেখানে সুশীল সিং প্রভু যীষ্ট খ্রীষ্টের নামে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে 'আমেন' বলেছেন।
User5654
দুর্গাপুরের সুশীল সিং তাঁর ইউটিউব চ্যানেলের মাধ্যমে প্রভু যীশু খ্রীষ্টের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। বেনাচিতি দুর্গাপুর থেকে এই বার্তা দেওয়া হয়েছে, যেখানে সুশীল সিং প্রভু যীষ্ট খ্রীষ্টের নামে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে 'আমেন' বলেছেন।
More news from West Bengal and nearby areas
- বাঁকুড়ার প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুভাষ সরকার বাজেট নিয়ে তাঁর প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন।1
- পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের উপর থাকা মোট ৮ লক্ষ কোটি টাকার দেনা আগামী এক সপ্তাহের মধ্যেই মিটে যাবে।1
- ভরসা কর্মসূচির অধীনে বয়সসীমা বৃদ্ধি করা হলে তা ৪০ থেকে ৪৫ বছর পর্যন্ত করা হবে। এই কর্মসূচির আওতায় স্নাতকরা প্রতি মাসে ৩০০০ টাকা ভাতা পাবেন। অন্যদিকে, অন্যান্য অংশগ্রহণকারীরা মাসিক ২০০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা পাবেন।1
- ২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের বাজেট ঘোষণার পর রাজ্যের প্রথম বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতিক্রিয়া নিয়ে নব্য তৃণমূল শিবির প্রশ্ন তুলেছে। নব্য তৃণমূল শিবিরের মধ্যে এই নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে যে, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় বাজেট ঘোষণার পর আদৌ খুশি কিনা।1
- কৃষ্ণনগরের সাংসদ মহুয়া মৈত্র সম্প্রতি একটি সাংবাদিক সম্মেলনে তাঁর পরিচিত স্পষ্টবক্তা ও আক্রমণাত্মক শৈলীতে কেন্দ্রীয় সরকার এবং শাসকদলকে তীব্র আক্রমণ করেছেন। রাজনৈতিক মহলের মতে, তাঁর এই বক্তব্য আগামী দিনে বিরোধী শিবিরের রণকৌশলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। সাংসদ মৈত্র বরাবরের মতোই সিবিআই এবং এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)-এর মতো কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলির ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি অভিযোগ করেন যে, বাস্তব সমস্যাগুলি থেকে সাধারণ মানুষের নজর ঘোরাতে এবং বিরোধী কণ্ঠরোধ করতে এই সংস্থাগুলিকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। এছাড়াও, তিনি দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, মূল্যবৃদ্ধি ও বেকারত্ব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং নির্দিষ্ট কিছু বৃহৎ শিল্পগোষ্ঠীর প্রতি সরকারের অতিরিক্ত পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলে তীব্র আক্রমণ শানান। মহুয়া মৈত্র সংসদের গণতান্ত্রিক রীতিনীতি এবং বিরোধী সাংসদদের অধিকার খর্ব করার চেষ্টার বিরুদ্ধেও সোচ্চার হন। তিনি স্পষ্ট করে দেন যে, কোনো রকম চাপের মুখে মাথা নত না করে তিনি সাধারণ মানুষের পক্ষে সওয়াল করে যাবেন। তিনি বলেন, "ভয় দেখিয়ে বা কণ্ঠরোধ করে সত্যকে চেপে রাখা যাবে না। জনগণের অধিকারের জন্য এই লড়াই সংসদের ভেতরে এবং বাইরে জারি থাকবে।" বিশেষজ্ঞরা মহুয়া মৈত্রের এই সাংবাদিক সম্মেলনকে কেবল সরকারের সমালোচনা নয়, বরং তাঁর রাজনৈতিক দৃঢ়তার এক জোরালো বার্তা হিসেবে দেখছেন, যা রাজ্য তথা দেশের রাজনৈতিক সমীকরণে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।1
- রাজ্য বাজেটে আরামবাগকে অবশেষে জেলার স্বীকৃতি দেওয়ায় দীর্ঘদিনের দাবি পূরণ হয়েছে, যা সমস্ত জল্পনা ও প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়েছে। এই ঐতিহাসিক ঘোষণার পর থেকেই সমগ্র এলাকায় খুশির ঢেউ লেগেছে। আনন্দের এই আবহে বিজেপি নেতাকর্মীরা রাস্তায় নেমে সাধারণ মানুষের সাথে মিষ্টি বিতরণ করে আনন্দ ভাগ করে নিয়েছেন। আজ, সোমবার, বাজেট পেশের মাধ্যমে আরামবাগকে নতুন জেলা হিসেবে ঘোষণার পরপরই স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব উৎসবে মেতে ওঠেন। এই বিশেষ দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে, আরামবাগ হাসপাতাল মোড় সংলগ্ন এলাকায় বিজেপি কর্মীরা পথচলতি সাধারণ মানুষ এবং টোটো চালকদের সহ শত শত মানুষের হাতে লাড্ডু তুলে দেন। বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, আরামবাগকে জেলা করার এই দাবি বহুদিনের ছিল এবং আজ সেই স্বপ্ন পূরণ হওয়ায় তারা অত্যন্ত আনন্দিত। দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, আরামবাগ জেলা হওয়ায় এবার প্রশাসনিক কাজকর্ম আরও সহজ হবে এবং এলাকার সার্বিক উন্নয়ন গতি পাবে। এই খুশির খবর সাধারণ মানুষের সাথে ভাগ করে নেওয়ার উদ্দেশ্যেই এই লাড্ডু বিতরণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছিল। আরামবাগ জেলা ঘোষিত হওয়ার পর এলাকায় ব্যাপক উল্লাস দেখা গেছে, যেখানে বিজেপি কর্মীরা মিষ্টি বিতরণ করে সকলের মুখ মিষ্টি করেছেন।1
- বিধানসভার অভ্যন্তরে কুণালকে লক্ষ্য করে 'চোর চোর' স্লোগান দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনার এক্সক্লুসিভ ছবি সরাসরি দেখা যাচ্ছে।1
- দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে জেলা হিসেবে স্বীকৃতি পেল আরামবাগ। রাজ্য সরকারের বাজেট অধিবেশনে সোমবার এই ঐতিহাসিক ঘোষণা করা হয়েছে। এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই আরামবাগ মহকুমা জুড়ে খুশির হাওয়া বইছে এবং সাধারণ মানুষ ও বিভিন্ন সংগঠনের কর্মীরা মিষ্টি মুখ করিয়ে আনন্দ উল্লাস করেছেন। দীর্ঘ বহু বছর ধরে স্থানীয় বাসিন্দারা আরামবাগকে একটি পৃথক জেলা করার দাবি জানিয়ে আসছিলেন। বর্তমান প্রশাসনিক কাঠামো অনুযায়ী, আরামবাগ মহকুমার অন্তর্গত গোঘাট, পুরশুড়া, খানাকুল ও আরামবাগ ব্লকের বিস্তীর্ণ এলাকার মানুষকে যেকোনো বড় প্রশাসনিক বা ভূমি সংক্রান্ত কাজের জন্য চুঁচুড়ায় অবস্থিত জেলা সদরে যেতে হতো। আরামবাগ পৃথক জেলা হওয়ায় এখন সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ সরকারি দপ্তর এবং প্রশাসনিক পরিষেবা সাধারণ মানুষের হাতের নাগালে চলে আসবে। স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, এই ঘোষণার ফলে এই অঞ্চলের সার্বিক উন্নয়নের পথ আরও সুগম হলো। শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং পরিকাঠামোগত উন্নয়নে এবার বাড়তি গতি আসবে এবং আরামবাগ, গোঘাট, খানাকুল ও পুরশুড়ার হাজার হাজার মানুষ সরাসরি এই সিদ্ধান্তের সুফল পাবেন।1
- স্বাধীন ইউটিউবার ও প্রভাবক মুকেশ মোহনের বিরুদ্ধে ওঠা আইনি ও রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়ার বিষয়টি ধ্রুব রাঠীর ভিডিওতে তুলে ধরা হয়েছে। মার্চ ২০২৬-এ কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নীতিন গড়কড়ি মুকেশ মোহনের বিরুদ্ধে ₹৫০ কোটি টাকার মানহানির নোটিশ এবং নাগপুর সাইবার পুলিশে একটি এফআইআর দায়ের করেছিলেন। এই আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল মোহন একটি ভিডিও পোস্ট করার পর, যেখানে তিনি 'দ্য ক্যারাভান' ম্যাগাজিনের একটি তদন্তমূলক প্রতিবেদনের উল্লেখ করেছিলেন। সেই প্রতিবেদনে অভিযোগ করা হয়েছিল যে, একটি গরুর মাংস রপ্তানিকারক সংস্থা (ভেনাদ ফুড/রামবাল এগ্রো) সিয়ান এগ্রো অ্যান্ড ইনফ্রাস্ট্রাকচারের সাথে গভীর আর্থিক ও কাঠামোগত সম্পর্ক রাখে, যেটি নীতিন গড়কড়ির ছেলে নিখিল গড়কড়ি দ্বারা পরিচালিত হয়। এই ঘটনার পর #IStandWithMukeshMohan হ্যাশট্যাগটি ব্যাপকভাবে ট্রেন্ড করে ওঠে, যেখানে ইন্টারনেট নির্মাতারা ও নাগরিকরা ভারতে স্বাধীন সাংবাদিকতা, বাক স্বাধীনতা এবং মানহানি আইনের সীমানা নিয়ে বিতর্ক করেন।1