দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে জেলা হিসেবে স্বীকৃতি পেল আরামবাগ। রাজ্য সরকারের বাজেট অধিবেশনে সোমবার এই ঐতিহাসিক ঘোষণা করা হয়েছে। এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই আরামবাগ মহকুমা জুড়ে খুশির হাওয়া বইছে এবং সাধারণ মানুষ ও বিভিন্ন সংগঠনের কর্মীরা মিষ্টি মুখ করিয়ে আনন্দ উল্লাস করেছেন। দীর্ঘ বহু বছর ধরে স্থানীয় বাসিন্দারা আরামবাগকে একটি পৃথক জেলা করার দাবি জানিয়ে আসছিলেন। বর্তমান প্রশাসনিক কাঠামো অনুযায়ী, আরামবাগ মহকুমার অন্তর্গত গোঘাট, পুরশুড়া, খানাকুল ও আরামবাগ ব্লকের বিস্তীর্ণ এলাকার মানুষকে যেকোনো বড় প্রশাসনিক বা ভূমি সংক্রান্ত কাজের জন্য চুঁচুড়ায় অবস্থিত জেলা সদরে যেতে হতো। আরামবাগ পৃথক জেলা হওয়ায় এখন সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ সরকারি দপ্তর এবং প্রশাসনিক পরিষেবা সাধারণ মানুষের হাতের নাগালে চলে আসবে। স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, এই ঘোষণার ফলে এই অঞ্চলের সার্বিক উন্নয়নের পথ আরও সুগম হলো। শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং পরিকাঠামোগত উন্নয়নে এবার বাড়তি গতি আসবে এবং আরামবাগ, গোঘাট, খানাকুল ও পুরশুড়ার হাজার হাজার মানুষ সরাসরি এই সিদ্ধান্তের সুফল পাবেন।
দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে জেলা হিসেবে স্বীকৃতি পেল আরামবাগ। রাজ্য সরকারের বাজেট অধিবেশনে সোমবার এই ঐতিহাসিক ঘোষণা করা হয়েছে। এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই আরামবাগ মহকুমা জুড়ে খুশির হাওয়া বইছে এবং সাধারণ মানুষ ও বিভিন্ন সংগঠনের কর্মীরা মিষ্টি মুখ করিয়ে আনন্দ উল্লাস করেছেন। দীর্ঘ বহু বছর ধরে স্থানীয় বাসিন্দারা আরামবাগকে একটি পৃথক জেলা করার দাবি জানিয়ে আসছিলেন। বর্তমান প্রশাসনিক কাঠামো অনুযায়ী, আরামবাগ মহকুমার অন্তর্গত গোঘাট, পুরশুড়া, খানাকুল ও আরামবাগ ব্লকের বিস্তীর্ণ এলাকার মানুষকে যেকোনো বড় প্রশাসনিক বা ভূমি সংক্রান্ত কাজের জন্য চুঁচুড়ায় অবস্থিত জেলা সদরে যেতে হতো। আরামবাগ পৃথক জেলা হওয়ায় এখন সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ সরকারি দপ্তর এবং প্রশাসনিক পরিষেবা সাধারণ মানুষের হাতের নাগালে চলে আসবে। স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, এই ঘোষণার ফলে এই অঞ্চলের সার্বিক উন্নয়নের পথ আরও সুগম হলো। শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং পরিকাঠামোগত উন্নয়নে এবার বাড়তি গতি আসবে এবং আরামবাগ, গোঘাট, খানাকুল ও পুরশুড়ার হাজার হাজার মানুষ সরাসরি এই সিদ্ধান্তের সুফল পাবেন।
- স্বাধীন ইউটিউবার ও প্রভাবক মুকেশ মোহনের বিরুদ্ধে ওঠা আইনি ও রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়ার বিষয়টি ধ্রুব রাঠীর ভিডিওতে তুলে ধরা হয়েছে। মার্চ ২০২৬-এ কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নীতিন গড়কড়ি মুকেশ মোহনের বিরুদ্ধে ₹৫০ কোটি টাকার মানহানির নোটিশ এবং নাগপুর সাইবার পুলিশে একটি এফআইআর দায়ের করেছিলেন। এই আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল মোহন একটি ভিডিও পোস্ট করার পর, যেখানে তিনি 'দ্য ক্যারাভান' ম্যাগাজিনের একটি তদন্তমূলক প্রতিবেদনের উল্লেখ করেছিলেন। সেই প্রতিবেদনে অভিযোগ করা হয়েছিল যে, একটি গরুর মাংস রপ্তানিকারক সংস্থা (ভেনাদ ফুড/রামবাল এগ্রো) সিয়ান এগ্রো অ্যান্ড ইনফ্রাস্ট্রাকচারের সাথে গভীর আর্থিক ও কাঠামোগত সম্পর্ক রাখে, যেটি নীতিন গড়কড়ির ছেলে নিখিল গড়কড়ি দ্বারা পরিচালিত হয়। এই ঘটনার পর #IStandWithMukeshMohan হ্যাশট্যাগটি ব্যাপকভাবে ট্রেন্ড করে ওঠে, যেখানে ইন্টারনেট নির্মাতারা ও নাগরিকরা ভারতে স্বাধীন সাংবাদিকতা, বাক স্বাধীনতা এবং মানহানি আইনের সীমানা নিয়ে বিতর্ক করেন।1
- খড়্গপুর পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডে মাছ গদিতে কর্মরত রাজকুমার সিং নামে এক ব্যক্তির মাথায় ভরদুপুরে বন্দুক ঠেকিয়ে ছিনতাইয়ের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। আজ দুপুর ১টা নাগাদ তার বাড়ির কাছেই এই ঘটনা ঘটে। অভিযোগ অনুযায়ী, ৩ জন দুষ্কৃতী বাইকে করে এসে রাজকুমার সিংয়ের কাছ থেকে একটি ব্যাগ ছিনতাই করার চেষ্টা করে। রাজকুমার বাধা দিলে দুষ্কৃতীরা তার মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে দেয়। রাজকুমারের চিৎকার শুনে স্থানীয়রা ছুটে এলে দুষ্কৃতীরা তাদের দেখে আকাশে ২ রাউন্ড গুলি চালিয়ে পালিয়ে যায় বলে অভিযোগ। ঘটনার খবর পেয়ে খড়গপুর টাউন থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং তদন্ত শুরু করেছে। রাজকুমার জানিয়েছেন, তার ব্যাগে কেবলমাত্র একটি জলের বোতল ছিল এবং অনলাইন লেনদেনের কারণে কোনো নগদ টাকা ছিল না, যার ফলে তিনি বড় ধরনের বিপদ থেকে রক্ষা পেয়েছেন।1
- পশ্চিম মেদিনীপুরের ঘাটাল এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের বন্যার যন্ত্রণা থেকে মুক্তির আশার মাঝে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের নবনির্বাচিত প্রথম বাজেটেই একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা এসেছে। রাজ্যের অর্থমন্ত্রী জানিয়েছেন যে, কেন্দ্রীয় সরকারের সহযোগিতায় ১২০০ কোটি টাকা ব্যয়ে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান বাস্তবায়িত করা হবে। এই ঘোষণায় ঘাটালবাসীদের জন্য এক চমক দেখা দিয়েছে। ঘাটালের জনগণ দীর্ঘদিন ধরে এই মাস্টার প্ল্যানের বাস্তবায়নের অপেক্ষায় দিন গুনছেন। ওয়াকিবহালমহল মনে করছে যে, বিগত সরকার ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করলেও 'নো কস্ট প্রজেক্ট' বাস্তবায়নে আখেরে কোনো লাভ হয়নি। তাই এবার সকলের আশা, এই সরকার হয়তো প্রকৃত অর্থেই ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান বাস্তবায়ন করবে। সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা, নতুন সরকার নতুন উদ্যমে এই কাজ শুরু করবে, যার ফলে অভিশাপের মতো তাদের জীবন থেকে জলের সমস্যা দূর হবে। তবে, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের প্রথম বাজেটে ঘাটালবাসীর জন্য এই চমকপ্রদ ঘোষণার পরেও একটি বড় প্রশ্ন রয়ে গেছে। আদপেই কি ঘাটালবাসী শেষ পর্যন্ত বন্যার যন্ত্রণা থেকে প্রকৃত মুক্তি পাবে?1
- ভরসা কর্মসূচির অধীনে বয়সসীমা বৃদ্ধি করা হলে তা ৪০ থেকে ৪৫ বছর পর্যন্ত করা হবে। এই কর্মসূচির আওতায় স্নাতকরা প্রতি মাসে ৩০০০ টাকা ভাতা পাবেন। অন্যদিকে, অন্যান্য অংশগ্রহণকারীরা মাসিক ২০০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা পাবেন।1
- ভাতাড়ে সিপিআইএম সহ বিভিন্ন বাম গণসংগঠনের কর্মী ও সমর্থকরা একাধিক দাবি আদায়ে এক প্রতিবাদ সভা ও ডেপুটেশন কর্মসূচী পালন করেছে। এই কর্মসূচীর অংশ হিসেবে, বিপুল সংখ্যক কর্মী-সমর্থক ভাতাড় ব্লক অফিস চত্বরে সমবেত হন।1
- আরামবাগের প্রভাবশালী তৃণমূল নেতা শফিকুল ইসলাম ওরফে ‘মেজকা’কে তোলাবাজি সহ একাধিক গুরুতর অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেফতার করা হয়েছে। রবিবার তাঁর নিজস্ব বাসভবন থেকে আরামবাগ থানার পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করে। সূত্র অনুযায়ী, শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরেই তোলাবাজি সহ বিভিন্ন অভিযোগ আসছিল, যার ভিত্তিতেই পুলিশ এই অভিযান চালায় এবং তাঁকে গ্রেফতার করে। আজ, সোমবার ধৃত তৃণমূল নেতাকে আরামবাগ মহকুমা আদালতে হাজির করা হয়। আদালত চত্বরে সাংবাদিকরা শফিকুল ইসলামকে ঘিরে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে প্রশ্ন করলেও, তিনি কোনো উত্তর দেননি। মেজকা সম্পূর্ণ নীরব থেকে মুখ বুজেই আদালত কক্ষে প্রবেশ করেন। এই গ্রেফতারি এবং অভিযোগকে কেন্দ্র করে এলাকায় ইতিমধ্যেই ব্যাপক রাজনৈতিক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।1
- পশ্চিমবঙ্গে ১৫ বছরের নিরবচ্ছিন্ন তৃণমূল কংগ্রেস (টিএমসি) শাসনের অবসান ঘটিয়ে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) ক্ষমতায় আসার মাত্র কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই, রাজ্যের প্রাক্তন শাসক দল এক নজিরবিহীন কাঠামোগত পতনের সম্মুখীন। ব্যাপক আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলির অভিযান, স্থানীয় নাগরিক সংস্থা জুড়ে গণপদত্যাগ এবং রাজ্য-সমর্থিত 'বুলডোজার অ্যাকশন'-এর বহুমুখী ঝড় টিএমসি-কে একটি গুরুতর আঞ্চলিক সংকটে নিমজ্জিত করেছে। রাজ্য পুলিশের কর্মকর্তাদের মতে, গত এক মাসেই দুর্নীতি, চাঁদাবাজি এবং নির্বাচন-পরবর্তী অনিয়মের সাথে জড়িত ২০০টিরও বেশি এফআইআর দায়ের করা হয়েছে, যার ফলে শত শত গ্রেপ্তার হয়েছে। উল্লেখযোগ্য নামগুলির মধ্যে রয়েছেন প্রাক্তন ফায়ার সার্ভিস মন্ত্রী সুজিত বসু, যাকে একটি পৌর নিয়োগ তদন্তের জন্য এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) গ্রেপ্তার করেছে। দক্ষিণ কলকাতায়, প্রভাবশালী কাউন্সিলর বাপ্পাদিত্য দাশগুপ্তকে 'পার্টি প্রোটেকশন ফি'-এর আড়ালে স্থানীয় ব্যবসায়ী এবং রাস্তার বিক্রেতাদের কাছ থেকে চাঁদাবাজির অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়। তার গ্রেপ্তারের পর, স্থানীয় জনতা থানা প্রাঙ্গণে 'চোর, চোর' স্লোগান দেয় এবং তাকে আদালতে নিয়ে যাওয়ার সময় গাড়ি লক্ষ্য করে ডিম ছোড়ে। একই ধরনের ঘটনা বিভিন্ন জেলাতেও ঘটেছে। বর্ধমানে স্থানীয় নেতা অভিষেক দা চাঁদাবাজির জন্য ধরা পড়েছেন, আর প্রাক্তন তারকেশ্বর বিধায়ক রামেন্দু সিনহারয়কে সরকারি ত্রাণ সামগ্রী মজুত এবং চাল চুরির অভিযোগে বেলগাভি, কর্ণাটক থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ভারতের অন্যান্য অংশে দেখা একটি বিতর্কিত শাসন কৌশল ধার করে, নতুন প্রশাসন টিএমসি নেতা এবং আঞ্চলিক শক্তিধরদের সাথে দৃঢ়ভাবে যুক্ত অবৈধ সম্পত্তিগুলিকে লক্ষ্য করে ভারী যন্ত্রপাতি মোতায়েন করেছে। হুগলির কোননগর এলাকায়, একটি প্রধান টিএমসি পার্টি অফিস – যা স্থানীয় একজন কাউন্সিলর কর্তৃক সরকারি জমিতে অবৈধভাবে নির্মিত বলে অভিযোগ – সম্পূর্ণভাবে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। কলকাতার বেলেঘাটা, বোসপুকুর, তিলজলা এবং কসবা এলাকার অননুমোদিত বহুতল কমপ্লেক্সগুলিও একই ধরনের ভেঙে ফেলার অভিযান চালানো হয়েছে। কসবার বিধায়ক জাভেদ খানের মালিকানাধীন একটি ভবনের বিরুদ্ধে কঠোর কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করা হয়েছে, যেখানে তাকে বৈধ অনুমতিপত্র জমা দিতে বা অবিলম্বে ভেঙে ফেলার মুখোমুখি হতে বলা হয়েছে। একটি ভাঙা স্থান পরিদর্শনের সময় রাজ্য মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পল বলেন, "অবৈধ নির্মাণ দেখাশোনা করার জন্য সরকারের মধ্যে যারা দায়ী ছিল, যারা নির্মাণ করেছিল, সেগুলির বিকাশ ঘটিয়েছিল এবং এতে অর্থ বিনিয়োগ করেছিল, তাদের সবার বিরুদ্ধে আমরা ব্যবস্থা নেব।" টিএমসি নেতারা এই অভিযানের তীব্র সমালোচনা করেছেন। দলের সাংসদ ডেরেক ও'ব্রায়েন এবং মহুয়া মৈত্র মধ্য কলকাতার ঐতিহাসিক নিউ মার্কেটের কাছে কাঠামো ভাঙার বুলডোজারের ফুটেজ শেয়ার করে অভিযোগ করেছেন যে, ক্ষমতাসীন বিজেপি বিজয় উদযাপনের আড়ালে স্থানীয় ট্রেড ইউনিয়নগুলির বিরুদ্ধে "নির্লজ্জ গুণ্ডাগিরি" চালাচ্ছে।1
- বাজেটে আরামবাগের জন্য বড় সাফল্য এসেছে, যেখানে একটি নতুন জেলা গঠনের পাশাপাশি কামারপুকুর পুরসভা গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই দুটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে হেমন্ত বাগ তাঁর বড় প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন।1
- অম্বুবাচীর মহালগ্ন আসার আগেই কামাখ্যায় এক বিরল দৃশ্য প্রত্যক্ষ করা গেছে। সেখানকার একটি ঝরনা থেকে লাল জল প্রবাহিত হতে দেখা যাচ্ছে। এই বিশেষ দৃশ্যটি সরাসরি আপনাদের সামনে তুলে ধরা হচ্ছে।1