পশ্চিম মেদিনীপুরের ঘাটাল এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের বন্যার যন্ত্রণা থেকে মুক্তির আশার মাঝে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের নবনির্বাচিত প্রথম বাজেটেই একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা এসেছে। রাজ্যের অর্থমন্ত্রী জানিয়েছেন যে, কেন্দ্রীয় সরকারের সহযোগিতায় ১২০০ কোটি টাকা ব্যয়ে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান বাস্তবায়িত করা হবে। এই ঘোষণায় ঘাটালবাসীদের জন্য এক চমক দেখা দিয়েছে। ঘাটালের জনগণ দীর্ঘদিন ধরে এই মাস্টার প্ল্যানের বাস্তবায়নের অপেক্ষায় দিন গুনছেন। ওয়াকিবহালমহল মনে করছে যে, বিগত সরকার ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করলেও 'নো কস্ট প্রজেক্ট' বাস্তবায়নে আখেরে কোনো লাভ হয়নি। তাই এবার সকলের আশা, এই সরকার হয়তো প্রকৃত অর্থেই ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান বাস্তবায়ন করবে। সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা, নতুন সরকার নতুন উদ্যমে এই কাজ শুরু করবে, যার ফলে অভিশাপের মতো তাদের জীবন থেকে জলের সমস্যা দূর হবে। তবে, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের প্রথম বাজেটে ঘাটালবাসীর জন্য এই চমকপ্রদ ঘোষণার পরেও একটি বড় প্রশ্ন রয়ে গেছে। আদপেই কি ঘাটালবাসী শেষ পর্যন্ত বন্যার যন্ত্রণা থেকে প্রকৃত মুক্তি পাবে?
পশ্চিম মেদিনীপুরের ঘাটাল এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের বন্যার যন্ত্রণা থেকে মুক্তির আশার মাঝে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের নবনির্বাচিত প্রথম বাজেটেই একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা এসেছে। রাজ্যের অর্থমন্ত্রী জানিয়েছেন যে, কেন্দ্রীয় সরকারের সহযোগিতায় ১২০০ কোটি টাকা ব্যয়ে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান বাস্তবায়িত করা হবে। এই ঘোষণায় ঘাটালবাসীদের জন্য এক চমক দেখা দিয়েছে। ঘাটালের জনগণ দীর্ঘদিন ধরে এই মাস্টার প্ল্যানের বাস্তবায়নের অপেক্ষায় দিন গুনছেন। ওয়াকিবহালমহল মনে করছে যে, বিগত সরকার ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করলেও 'নো কস্ট প্রজেক্ট' বাস্তবায়নে আখেরে কোনো লাভ হয়নি। তাই এবার সকলের আশা, এই সরকার হয়তো প্রকৃত অর্থেই ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান বাস্তবায়ন করবে। সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা, নতুন সরকার নতুন উদ্যমে এই কাজ শুরু করবে, যার ফলে অভিশাপের মতো তাদের জীবন থেকে জলের সমস্যা দূর হবে। তবে, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের প্রথম বাজেটে ঘাটালবাসীর জন্য এই চমকপ্রদ ঘোষণার পরেও একটি বড় প্রশ্ন রয়ে গেছে। আদপেই কি ঘাটালবাসী শেষ পর্যন্ত বন্যার যন্ত্রণা থেকে প্রকৃত মুক্তি পাবে?
- পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার দাসপুর থানার ঘনশ্যাম গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসে বিজেপি ডেপুটেশন দিয়েছে এবং এর পাশাপাশি সাধারণ জনতাও পঞ্চায়েত অফিস ঘেরাও করে তীব্র বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছে। ঘটনাস্থলে দাসপুর পুলিশ উপস্থিত রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে জানা গেছে, উক্ত গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান কাবেরী মান্না দাসপুর ২ ব্লকের বিডিওর কাছে তাঁর পদত্যাগ পত্র জমা দেবেন, এবং একইসাথে উপপ্রধান বিষ্টু পোরের গ্রেপ্তারের দাবিও জানানো হবে। প্রশ্ন উঠেছে, সন্ধ্যা পর্যন্ত দাসপুর থানার এই গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসে পুলিশ কী করছে।1
- আজ ঘনশ্যাম গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) পক্ষ থেকে ডেপুটেশন দেওয়া হয়েছে। একইসাথে সাধারণ জনতা গ্রাম পঞ্চায়েত অফিস ঘেরাও করে তীব্র বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছে। এই পরিস্থিতিতে ঘটনাস্থলে দাসপুর পুলিশ মোতায়েন ছিল। জানা গেছে, ওই গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান কাবেরী মান্না দাসপুর ২ ব্লকের বিডিওর কাছে তাঁর পদত্যাগপত্র জমা দেবেন। পাশাপাশি, উপপ্রধান বিষ্টু পোরের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবিও জানানো হবে। বিডিও অফিসে সন্ধ্যেবেলায় যে 'কাণ্ড' দেখা যাবে, তা সবাইকে অবাক করে দেবে বলেও ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।1
- নবনির্বাচিত পশ্চিমবঙ্গ সরকারের প্রথম রাজ্য বাজেটে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান বাস্তবায়নের জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের সহযোগিতায় ১,২০০ কোটি টাকা ব্যয়ের ঘোষণা করেছেন রাজ্যের অর্থমন্ত্রী। এই বহু প্রতীক্ষিত ঘোষণাকে তাৎক্ষণিকভাবে স্বাগত জানিয়েছে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান রূপায়ণ সংগ্রাম কমিটি। কমিটির যুগ্ম সম্পাদক নারায়ণ চন্দ্র নায়েক এবং দেবাশীষ মাইতি এই পদক্ষেপকে দীর্ঘদিনের দাবি পূরণের পথে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তাঁদের দাবি, অবিলম্বে সংগ্রাম কমিটির প্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষকে নিয়ে একটি তদারকি কমিটি গঠন করে মাস্টার প্ল্যানের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নের কাজ শুরু করা প্রয়োজন। এই ঘোষণার ফলে এলাকার মানুষও গভীরভাবে আশাবাদী যে, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ঘাটাল এবং তার সংলগ্ন অঞ্চলের ভয়াবহ বন্যা সমস্যার স্থায়ী সমাধান মিলবে, এবং এর মাধ্যমে সামগ্রিক এলাকার উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে।2
- পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার ঘাটালের সাতপাড়ায় লৌকিক দেবতা শীতলার আরাধনা করা হয়েছে। এই পূজার অন্যতম আকর্ষণ ছিল ঢাকের বাজনায় এক অভিনবত্ব, যা সকলের নজর কেড়েছে।1
- পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল গড়িয়াহাট বাজার পরিদর্শন করেছেন। এই পরিদর্শনের মূল উদ্দেশ্য ছিল বাজারের পরিচ্ছন্নতা এবং নাগরিক পরিষেবা সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে খতিয়ে দেখা।1
- স্বাধীন ইউটিউবার ও প্রভাবক মুকেশ মোহনের বিরুদ্ধে ওঠা আইনি ও রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়ার বিষয়টি ধ্রুব রাঠীর ভিডিওতে তুলে ধরা হয়েছে। মার্চ ২০২৬-এ কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নীতিন গড়কড়ি মুকেশ মোহনের বিরুদ্ধে ₹৫০ কোটি টাকার মানহানির নোটিশ এবং নাগপুর সাইবার পুলিশে একটি এফআইআর দায়ের করেছিলেন। এই আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল মোহন একটি ভিডিও পোস্ট করার পর, যেখানে তিনি 'দ্য ক্যারাভান' ম্যাগাজিনের একটি তদন্তমূলক প্রতিবেদনের উল্লেখ করেছিলেন। সেই প্রতিবেদনে অভিযোগ করা হয়েছিল যে, একটি গরুর মাংস রপ্তানিকারক সংস্থা (ভেনাদ ফুড/রামবাল এগ্রো) সিয়ান এগ্রো অ্যান্ড ইনফ্রাস্ট্রাকচারের সাথে গভীর আর্থিক ও কাঠামোগত সম্পর্ক রাখে, যেটি নীতিন গড়কড়ির ছেলে নিখিল গড়কড়ি দ্বারা পরিচালিত হয়। এই ঘটনার পর #IStandWithMukeshMohan হ্যাশট্যাগটি ব্যাপকভাবে ট্রেন্ড করে ওঠে, যেখানে ইন্টারনেট নির্মাতারা ও নাগরিকরা ভারতে স্বাধীন সাংবাদিকতা, বাক স্বাধীনতা এবং মানহানি আইনের সীমানা নিয়ে বিতর্ক করেন।1
- আজ পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য বাজেট পেশ হওয়ার পর কামারপুকুরকে পৌরসভা করার অনুমোদন পাওয়ায় গোঘাটের স্থানীয় বিধায়ক প্রশান্ত দিগার এক বিশাল র্যালির আয়োজন করেন। এই উদযাপনের অংশ হিসেবে, বিধায়ক গোঘাট বিধানসভার সমস্ত রাজনৈতিক কর্মী-সমর্থক এবং আপামর বাসিন্দাদের সঙ্গে নিয়ে কামারপুকুর মেলাতলা মাঠ থেকে কামারপুকুর চটির বিবেকানন্দ মূর্তির পাদদেশ পর্যন্ত একটি সুবিশাল র্যালি করেন।1
- খড়্গপুর পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডে মাছ গদিতে কর্মরত রাজকুমার সিং নামে এক ব্যক্তির মাথায় ভরদুপুরে বন্দুক ঠেকিয়ে ছিনতাইয়ের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। আজ দুপুর ১টা নাগাদ তার বাড়ির কাছেই এই ঘটনা ঘটে। অভিযোগ অনুযায়ী, ৩ জন দুষ্কৃতী বাইকে করে এসে রাজকুমার সিংয়ের কাছ থেকে একটি ব্যাগ ছিনতাই করার চেষ্টা করে। রাজকুমার বাধা দিলে দুষ্কৃতীরা তার মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে দেয়। রাজকুমারের চিৎকার শুনে স্থানীয়রা ছুটে এলে দুষ্কৃতীরা তাদের দেখে আকাশে ২ রাউন্ড গুলি চালিয়ে পালিয়ে যায় বলে অভিযোগ। ঘটনার খবর পেয়ে খড়গপুর টাউন থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং তদন্ত শুরু করেছে। রাজকুমার জানিয়েছেন, তার ব্যাগে কেবলমাত্র একটি জলের বোতল ছিল এবং অনলাইন লেনদেনের কারণে কোনো নগদ টাকা ছিল না, যার ফলে তিনি বড় ধরনের বিপদ থেকে রক্ষা পেয়েছেন।1