Shuru
Apke Nagar Ki App…
পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার দাসপুর থানার ঘনশ্যাম গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসে বিজেপি ডেপুটেশন দিয়েছে এবং এর পাশাপাশি সাধারণ জনতাও পঞ্চায়েত অফিস ঘেরাও করে তীব্র বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছে। ঘটনাস্থলে দাসপুর পুলিশ উপস্থিত রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে জানা গেছে, উক্ত গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান কাবেরী মান্না দাসপুর ২ ব্লকের বিডিওর কাছে তাঁর পদত্যাগ পত্র জমা দেবেন, এবং একইসাথে উপপ্রধান বিষ্টু পোরের গ্রেপ্তারের দাবিও জানানো হবে। প্রশ্ন উঠেছে, সন্ধ্যা পর্যন্ত দাসপুর থানার এই গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসে পুলিশ কী করছে।
ARNAB
পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার দাসপুর থানার ঘনশ্যাম গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসে বিজেপি ডেপুটেশন দিয়েছে এবং এর পাশাপাশি সাধারণ জনতাও পঞ্চায়েত অফিস ঘেরাও করে তীব্র বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছে। ঘটনাস্থলে দাসপুর পুলিশ উপস্থিত রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে জানা গেছে, উক্ত গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান কাবেরী মান্না দাসপুর ২ ব্লকের বিডিওর কাছে তাঁর পদত্যাগ পত্র জমা দেবেন, এবং একইসাথে উপপ্রধান বিষ্টু পোরের গ্রেপ্তারের দাবিও জানানো হবে। প্রশ্ন উঠেছে, সন্ধ্যা পর্যন্ত দাসপুর থানার এই গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসে পুলিশ কী করছে।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার দাসপুর থানার ঘনশ্যাম গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসে বিজেপি ডেপুটেশন দিয়েছে এবং এর পাশাপাশি সাধারণ জনতাও পঞ্চায়েত অফিস ঘেরাও করে তীব্র বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছে। ঘটনাস্থলে দাসপুর পুলিশ উপস্থিত রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে জানা গেছে, উক্ত গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান কাবেরী মান্না দাসপুর ২ ব্লকের বিডিওর কাছে তাঁর পদত্যাগ পত্র জমা দেবেন, এবং একইসাথে উপপ্রধান বিষ্টু পোরের গ্রেপ্তারের দাবিও জানানো হবে। প্রশ্ন উঠেছে, সন্ধ্যা পর্যন্ত দাসপুর থানার এই গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসে পুলিশ কী করছে।1
- আজ ঘনশ্যাম গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) পক্ষ থেকে ডেপুটেশন দেওয়া হয়েছে। একইসাথে সাধারণ জনতা গ্রাম পঞ্চায়েত অফিস ঘেরাও করে তীব্র বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছে। এই পরিস্থিতিতে ঘটনাস্থলে দাসপুর পুলিশ মোতায়েন ছিল। জানা গেছে, ওই গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান কাবেরী মান্না দাসপুর ২ ব্লকের বিডিওর কাছে তাঁর পদত্যাগপত্র জমা দেবেন। পাশাপাশি, উপপ্রধান বিষ্টু পোরের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবিও জানানো হবে। বিডিও অফিসে সন্ধ্যেবেলায় যে 'কাণ্ড' দেখা যাবে, তা সবাইকে অবাক করে দেবে বলেও ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।1
- নবনির্বাচিত পশ্চিমবঙ্গ সরকারের প্রথম রাজ্য বাজেটে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান বাস্তবায়নের জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের সহযোগিতায় ১,২০০ কোটি টাকা ব্যয়ের ঘোষণা করেছেন রাজ্যের অর্থমন্ত্রী। এই বহু প্রতীক্ষিত ঘোষণাকে তাৎক্ষণিকভাবে স্বাগত জানিয়েছে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান রূপায়ণ সংগ্রাম কমিটি। কমিটির যুগ্ম সম্পাদক নারায়ণ চন্দ্র নায়েক এবং দেবাশীষ মাইতি এই পদক্ষেপকে দীর্ঘদিনের দাবি পূরণের পথে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তাঁদের দাবি, অবিলম্বে সংগ্রাম কমিটির প্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষকে নিয়ে একটি তদারকি কমিটি গঠন করে মাস্টার প্ল্যানের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নের কাজ শুরু করা প্রয়োজন। এই ঘোষণার ফলে এলাকার মানুষও গভীরভাবে আশাবাদী যে, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ঘাটাল এবং তার সংলগ্ন অঞ্চলের ভয়াবহ বন্যা সমস্যার স্থায়ী সমাধান মিলবে, এবং এর মাধ্যমে সামগ্রিক এলাকার উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে।2
- পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার ঘাটালের সাতপাড়ায় লৌকিক দেবতা শীতলার আরাধনা করা হয়েছে। এই পূজার অন্যতম আকর্ষণ ছিল ঢাকের বাজনায় এক অভিনবত্ব, যা সকলের নজর কেড়েছে।1
- পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল গড়িয়াহাট বাজার পরিদর্শন করেছেন। এই পরিদর্শনের মূল উদ্দেশ্য ছিল বাজারের পরিচ্ছন্নতা এবং নাগরিক পরিষেবা সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে খতিয়ে দেখা।1
- কৃষ্ণনগরের সাংসদ মহুয়া মৈত্র সম্প্রতি একটি সাংবাদিক সম্মেলনে তাঁর পরিচিত স্পষ্টবক্তা ও আক্রমণাত্মক শৈলীতে কেন্দ্রীয় সরকার এবং শাসকদলকে তীব্র আক্রমণ করেছেন। রাজনৈতিক মহলের মতে, তাঁর এই বক্তব্য আগামী দিনে বিরোধী শিবিরের রণকৌশলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। সাংসদ মৈত্র বরাবরের মতোই সিবিআই এবং এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)-এর মতো কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলির ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি অভিযোগ করেন যে, বাস্তব সমস্যাগুলি থেকে সাধারণ মানুষের নজর ঘোরাতে এবং বিরোধী কণ্ঠরোধ করতে এই সংস্থাগুলিকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। এছাড়াও, তিনি দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, মূল্যবৃদ্ধি ও বেকারত্ব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং নির্দিষ্ট কিছু বৃহৎ শিল্পগোষ্ঠীর প্রতি সরকারের অতিরিক্ত পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলে তীব্র আক্রমণ শানান। মহুয়া মৈত্র সংসদের গণতান্ত্রিক রীতিনীতি এবং বিরোধী সাংসদদের অধিকার খর্ব করার চেষ্টার বিরুদ্ধেও সোচ্চার হন। তিনি স্পষ্ট করে দেন যে, কোনো রকম চাপের মুখে মাথা নত না করে তিনি সাধারণ মানুষের পক্ষে সওয়াল করে যাবেন। তিনি বলেন, "ভয় দেখিয়ে বা কণ্ঠরোধ করে সত্যকে চেপে রাখা যাবে না। জনগণের অধিকারের জন্য এই লড়াই সংসদের ভেতরে এবং বাইরে জারি থাকবে।" বিশেষজ্ঞরা মহুয়া মৈত্রের এই সাংবাদিক সম্মেলনকে কেবল সরকারের সমালোচনা নয়, বরং তাঁর রাজনৈতিক দৃঢ়তার এক জোরালো বার্তা হিসেবে দেখছেন, যা রাজ্য তথা দেশের রাজনৈতিক সমীকরণে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।1
- রাজ্য বাজেটে আরামবাগকে অবশেষে জেলার স্বীকৃতি দেওয়ায় দীর্ঘদিনের দাবি পূরণ হয়েছে, যা সমস্ত জল্পনা ও প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়েছে। এই ঐতিহাসিক ঘোষণার পর থেকেই সমগ্র এলাকায় খুশির ঢেউ লেগেছে। আনন্দের এই আবহে বিজেপি নেতাকর্মীরা রাস্তায় নেমে সাধারণ মানুষের সাথে মিষ্টি বিতরণ করে আনন্দ ভাগ করে নিয়েছেন। আজ, সোমবার, বাজেট পেশের মাধ্যমে আরামবাগকে নতুন জেলা হিসেবে ঘোষণার পরপরই স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব উৎসবে মেতে ওঠেন। এই বিশেষ দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে, আরামবাগ হাসপাতাল মোড় সংলগ্ন এলাকায় বিজেপি কর্মীরা পথচলতি সাধারণ মানুষ এবং টোটো চালকদের সহ শত শত মানুষের হাতে লাড্ডু তুলে দেন। বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, আরামবাগকে জেলা করার এই দাবি বহুদিনের ছিল এবং আজ সেই স্বপ্ন পূরণ হওয়ায় তারা অত্যন্ত আনন্দিত। দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, আরামবাগ জেলা হওয়ায় এবার প্রশাসনিক কাজকর্ম আরও সহজ হবে এবং এলাকার সার্বিক উন্নয়ন গতি পাবে। এই খুশির খবর সাধারণ মানুষের সাথে ভাগ করে নেওয়ার উদ্দেশ্যেই এই লাড্ডু বিতরণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছিল। আরামবাগ জেলা ঘোষিত হওয়ার পর এলাকায় ব্যাপক উল্লাস দেখা গেছে, যেখানে বিজেপি কর্মীরা মিষ্টি বিতরণ করে সকলের মুখ মিষ্টি করেছেন।1
- খড়্গপুর পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডে মাছ গদিতে কর্মরত রাজকুমার সিং নামে এক ব্যক্তির মাথায় ভরদুপুরে বন্দুক ঠেকিয়ে ছিনতাইয়ের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। আজ দুপুর ১টা নাগাদ তার বাড়ির কাছেই এই ঘটনা ঘটে। অভিযোগ অনুযায়ী, ৩ জন দুষ্কৃতী বাইকে করে এসে রাজকুমার সিংয়ের কাছ থেকে একটি ব্যাগ ছিনতাই করার চেষ্টা করে। রাজকুমার বাধা দিলে দুষ্কৃতীরা তার মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে দেয়। রাজকুমারের চিৎকার শুনে স্থানীয়রা ছুটে এলে দুষ্কৃতীরা তাদের দেখে আকাশে ২ রাউন্ড গুলি চালিয়ে পালিয়ে যায় বলে অভিযোগ। ঘটনার খবর পেয়ে খড়গপুর টাউন থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং তদন্ত শুরু করেছে। রাজকুমার জানিয়েছেন, তার ব্যাগে কেবলমাত্র একটি জলের বোতল ছিল এবং অনলাইন লেনদেনের কারণে কোনো নগদ টাকা ছিল না, যার ফলে তিনি বড় ধরনের বিপদ থেকে রক্ষা পেয়েছেন।1