দুর্গাপুরে ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে চরম ভোগান্তির ছবি সামনে এল। ভগৎ সিং স্টেডিয়ামে ট্রাইব্যুনালে আবেদন জানাতে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায় বহু মানুষকে দুর্গাপুরে ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে চরম ভোগান্তির ছবি সামনে এল। ভগৎ সিং স্টেডিয়ামে। মঙ্গলবার সকাল দশটা থেকেই ট্রাইব্যুনালে আবেদন জানাতে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায় বহু মানুষকে। ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়ায় সমস্যায় পড়েছেন সাধারণ নাগরিকরা। অনেকেই অভিযোগ করেন, নাম পুনরায় অন্তর্ভুক্তির জন্য ঘন্টার পর ঘন্টা লাইনে দাঁড়িয়েও দ্রুত সমাধান মিলছে না। ফলে চরম হয়রানির শিকার হচ্ছেন আবেদনকারীরা। পরিস্থিতি সামাল দিতে স্টেডিয়াম চত্বরে মোতায়েন করা হয়েছে রাজ্য পুলিশের পাশাপাশি কেন্দ্রীয় বাহিনীও। নিরাপত্তা জোরদার করা হলেও ভিড় নিয়ন্ত্রণ ও পরিষেবা প্রদানে নানা সমস্যার অভিযোগ উঠে আসছে। ভোটারদের একাংশ জানিয়েছেন, নির্দিষ্ট সময়ে প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়ায় বারবার আসতে হচ্ছে, যা তাঁদের জন্য বাড়তি দুর্ভোগ তৈরি করছে।
দুর্গাপুরে ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে চরম ভোগান্তির ছবি সামনে এল। ভগৎ সিং স্টেডিয়ামে ট্রাইব্যুনালে আবেদন জানাতে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায় বহু মানুষকে দুর্গাপুরে ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে চরম ভোগান্তির ছবি সামনে এল। ভগৎ সিং স্টেডিয়ামে। মঙ্গলবার সকাল দশটা থেকেই ট্রাইব্যুনালে আবেদন জানাতে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায় বহু মানুষকে। ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়ায় সমস্যায় পড়েছেন সাধারণ নাগরিকরা। অনেকেই অভিযোগ করেন, নাম পুনরায় অন্তর্ভুক্তির জন্য ঘন্টার পর ঘন্টা লাইনে দাঁড়িয়েও দ্রুত সমাধান মিলছে না। ফলে চরম হয়রানির শিকার হচ্ছেন আবেদনকারীরা। পরিস্থিতি সামাল দিতে স্টেডিয়াম চত্বরে মোতায়েন করা হয়েছে রাজ্য পুলিশের পাশাপাশি কেন্দ্রীয় বাহিনীও। নিরাপত্তা জোরদার করা হলেও ভিড় নিয়ন্ত্রণ ও পরিষেবা প্রদানে নানা সমস্যার অভিযোগ উঠে আসছে। ভোটারদের একাংশ জানিয়েছেন, নির্দিষ্ট সময়ে প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়ায় বারবার আসতে হচ্ছে, যা তাঁদের জন্য বাড়তি দুর্ভোগ তৈরি করছে।
- দুর্গাপুরে নির্বাচনের আগে ফের উত্তেজনা ছড়াল রাজনৈতিক ঘটনাকে ঘিরে। দুর্গাপুরের ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের নেপালী পাড়া এলাকায় তৃণমূল কংগ্রেসের দলীয় পতাকা পুড়িয়ে দেওয়া এবং প্রার্থীর সমর্থনে লাগানো ফ্লেক্স ব্লেড দিয়ে কেটে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ, সোমবার রাতে এলাকার একটি বাড়িতে লাগানো তৃণমূলের পতাকায় দুষ্কৃতীরা আগুন ধরিয়ে দেয়। সেই আগুন বাড়ির জলের পাইপেও ছড়িয়ে পড়ে। যদিও অল্পের জন্য বড়সড় দুর্ঘটনা এড়িয়ে যান বাড়ির বাসিন্দারা। ঘটনার পর থেকেই মঙ্গলবার দুপুরে একটা থেকেই এলাকায় টানটান উত্তেজনা বিরাজ করছে। তিন নম্বর ব্লক তৃণমূল কিষান সেলের সভাপতি শেখ আজগর আলীর দাবি, দুর্গাপুর পশ্চিম বিধানসভা কেন্দ্রে আসন্ন নির্বাচনে পরাজয় নিশ্চিত বুঝেই বিজেপি রাতের অন্ধকারে এই ধরনের নাশকতামূলক কাজ করছে। অন্যদিকে, সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে বিজেপি। দলের দুর্গাপুর পশ্চিম কেন্দ্রের প্রার্থী লক্ষণ ঘোড়ুই পাল্টা দাবি করেন, সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করতেই তৃণমূল পরিকল্পিতভাবে এই ঘটনা ঘটাচ্ছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও তীব্র হয়েছে। রাজনৈতিক দলগুলির ফ্লেক্স ছেঁড়া বা পতাকায় আগুন লাগানোর মতো ঘটনাকে ঘিরে রাজনীতির পারদ ক্রমশ চড়ছে। ভোট যত এগিয়ে আসছে, ততই উত্তেজনা বাড়বে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।1
- पश्चिम बंगाल विधानसभा चुनाव,कौरव पांडवों की राजनीति वोट लूट से पैर तोड़ कर एंबुलेंस तक नरेंद्रनाथ चक्रवर्ती बनाम जितेंद्र तिवारी पांडेश्वर। EXCLUSIVE PUNJABI POST*1
- "বসন্ত বরণে রবীন্দ্র স্মরণে" অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হলো, বোলপুর শান্তিনিকেতনের গীতবিতান অডিটোরিয়ামে, গত 05/04/26, রবিবার। অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি ছিল রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উত্তরসূরী বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও সমাজসেবী শ্রীযুক্ত সুদীপ্ত ঠাকুর মহাশয়। অনুষ্ঠানে প্রকাশিত হলো "এ-আই" বিষয়ক লেখায় সমৃদ্ধ সংকলন গ্রন্থ "অন্তর্লিন"! গ্রন্থটিতে আমার লেখা একটি প্রবন্ধ ("এ-আই" এর নেশায়) থাকায় অনুষ্ঠানের উদ্যোক্তা "জেনারেশন অ্যাচিভার" ও "আন্তর্জাতিক সাহিত্য দিশারী" আমাকে অনুষ্ঠানে সম্মানিত করার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছিল। আমি উপস্থিত ছিলাম ওই দিন অনুষ্ঠানে। সঙ্গীত, নৃত্য, কবিতা ও গল্প পাঠ প্রভৃতি অনুষ্ঠান মঞ্চস্থ হয়। এর সঙ্গে সঙ্গে বিভিন্ন লেখক লেখিকাদের সম্বর্ধনা দেয়া হয়। সঙ্গে রইল সুন্দর অনুষ্ঠানটির কয়েকটি দৃশ্যের সংকলন। লেখনী, ভিডিওগ্রাফি ও এডিটিং: অনুপম সরকার চক্রবর্তী।1
- পশ্চিমবাংলা মালদা জেলার পাকুয়া তে আজকে ভয়ংকর বৃষ্টি হয়েছে এই বৃষ্টিতে অনেক জন আকাম হয়েছে এটা আকাশ থেকে বরফ পড়ছে বৃষ্টিতে তোমরা ভিডিওতে দেখতে পাচ্ছ1
- বিষ্ণুপুর বিধানসভার কংগ্রেস মনোনীত প্রার্থী উজ্জ্বল চন্দ্র1
- 'পাল্টানো দরকার, চাই বিজেপি সরকার' স্লোগানকে সামনে রেখে যখন বঙ্গ বিজয়ের স্বপ্ন দেখছে গেরুয়া শিবির, ঠিক তখনই একের পর এক 'বিক্ষুব্ধ' দলীয় কার্যকর্তার 'নির্দল' হিসেবে নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দিতার আসরে নেমে পড়ার খবরে চরম অস্বস্তিতে তাঁরা। দীর্ঘদিনের বিজেপি কার্যকর্তা হিসেবে পরিচিত কোতুলপুরের সমীর চালক এবার ওই কেন্দ্র থেকে নির্দল প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার পর গোগড়া কালী মন্দিরে পূজো দিয়ে প্রচার শুরু করে দিলেন। সমীর চালক নামে ওই নির্দল প্রার্থীর দাবি, এবার কোতুলপুর বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপি যাকে প্রার্থী করেছে তিনি '২১ এর নির্বাচনে 'নির্দল' হিসেবে প্রতিদ্বন্দিতা করার পাশাপাশি বিজেপি ষষ্ঠী পূজো করেছিল। এমনকি বিজেপির প্রতীকে হরকালী প্রতিহার বিধায়ক নির্বাচিত হওয়ার পর দলবদল করে তৃণমূলে যোগ দেন। এবার সেই ঘটনার পূনরাবৃত্তি যাতে না হয় তাই তিনি নির্দল প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দিতা করছেন। একই সঙ্গে তাঁর সমর্থণে বিজেপির ৬০ শতাংশ কার্যকর্তা রয়েছেন বলেও তিনি দাবি করেন। এবিষয়ে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে কোতুলপুরের বিজেপি প্রার্থী লক্ষীকান্ত মজুমদার বলেন, সমীর চালক আমার ছোটো ভাইয়ের মতো, প্রত্যাশা সবার থাকতে পারে, তবে দল আমাকে মনোনয়ন দিয়েছে। একই সঙ্গে '২১ এর নির্বাচনে তিনি নির্দল হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিলেও পরে তা প্রত্যাহার করেন বলে দাবি করেন। অন্যদিকে, ওই কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী হরকালী প্রতিহারের দাবি, আমরা আমাদের প্রচার নিয়ে ব্যস্ত, রাজনীতি সবার ব্যক্তিগত ব্যাপার। এমনকি ওই বিষয়ে তাকে কোন প্রশ্ন না করার অনুরোধ জানান তিনি।2
- Post by মুখার্জী নিউজ1
- দুর্গাপুরে ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে চরম ভোগান্তির ছবি সামনে এল। ভগৎ সিং স্টেডিয়ামে। মঙ্গলবার সকাল দশটা থেকেই ট্রাইব্যুনালে আবেদন জানাতে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায় বহু মানুষকে। ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়ায় সমস্যায় পড়েছেন সাধারণ নাগরিকরা। অনেকেই অভিযোগ করেন, নাম পুনরায় অন্তর্ভুক্তির জন্য ঘন্টার পর ঘন্টা লাইনে দাঁড়িয়েও দ্রুত সমাধান মিলছে না। ফলে চরম হয়রানির শিকার হচ্ছেন আবেদনকারীরা। পরিস্থিতি সামাল দিতে স্টেডিয়াম চত্বরে মোতায়েন করা হয়েছে রাজ্য পুলিশের পাশাপাশি কেন্দ্রীয় বাহিনীও। নিরাপত্তা জোরদার করা হলেও ভিড় নিয়ন্ত্রণ ও পরিষেবা প্রদানে নানা সমস্যার অভিযোগ উঠে আসছে। ভোটারদের একাংশ জানিয়েছেন, নির্দিষ্ট সময়ে প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়ায় বারবার আসতে হচ্ছে, যা তাঁদের জন্য বাড়তি দুর্ভোগ তৈরি করছে।1