Shuru
Apke Nagar Ki App…
স্মার্ট মিটার বসানোর প্রতিবাদে সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র জনরোষ দেখা দিয়েছে। এই ক্ষোভের জেরে খড়িবাড়ি বিদ্যুৎ অফিসে গ্রাহকদের পক্ষ থেকে এক বিশাল ঘেরাও কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। গ্রাহকরা স্মার্ট মিটারকে কেন্দ্র করে তাদের অসন্তোষ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
RKD Siliguri
স্মার্ট মিটার বসানোর প্রতিবাদে সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র জনরোষ দেখা দিয়েছে। এই ক্ষোভের জেরে খড়িবাড়ি বিদ্যুৎ অফিসে গ্রাহকদের পক্ষ থেকে এক বিশাল ঘেরাও কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। গ্রাহকরা স্মার্ট মিটারকে কেন্দ্র করে তাদের অসন্তোষ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- শিলিগুড়ি পুরনিগমের পুরবোর্ড ভেঙে দেওয়ার পর আর. বিমলা নতুন প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। দায়িত্বভার গ্রহণের পর পুরনিগমের কমিশনার, আধিকারিকরা এবং বিজেপির কোঅর্ডিনেটররা তাঁকে পুষ্পস্তবক দিয়ে স্বাগত জানান। একই দিনে, বিরোধী দলনেতা অমিত জৈন-সহ বিজেপির প্রতিনিধিদলও নতুন প্রশাসকের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। দায়িত্ব গ্রহণের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে আর. বিমলা জানান যে বর্তমানে বর্ষার মরশুম চলায় শহরের বিভিন্ন এলাকায় জল জমার সমস্যা দেখা দিচ্ছে। প্রশাসক হিসেবে তাঁর প্রথম অগ্রাধিকার হবে এই সমস্যাগুলির দ্রুত সমাধান করা। তিনি আরও আশ্বাস দেন যে নাগরিকদের যাতে কোনো ধরনের ভোগান্তির মুখে পড়তে না হয়, সেদিকেও বিশেষ নজর দেওয়া হবে। নতুন প্রশাসক এদিন শহরের নাগরিক পরিষেবা আরও উন্নত করা এবং বর্ষাকালীন পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের কথাও উল্লেখ করেন।1
- ময়নাগুড়ির উল্লাডাবড়ি এলাকায় একটি সরকারি বাস দুর্ঘটনার পর ময়নাগুড়ি থানা এবং হাইওয়ে ট্রাফিক পুলিশ তৎপর হয়েছে। দুর্ঘটনা এড়াতে পুলিশ প্রশাসন বাস চালকদের পরীক্ষা করছে। মঙ্গলবার ময়নাগুড়ির ইন্দিরা মোড় সংলগ্ন এলাকায় সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন পাবলিক বাসের চালকদের পরীক্ষা করা হয়। প্রধানত, কোনো চালক মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালাচ্ছেন কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি, যাত্রীবাহী এই গাড়িগুলির সমস্ত কাগজপত্র ঠিক আছে কি না, সে বিষয়েও পুলিশ আধিকারিকরা এদিন খতিয়ে দেখেন। ময়নাগুড়ি থানার আইসি সুবল ঘোষ জানিয়েছেন যে, যেসব গাড়ির কাগজপত্র সমস্যাযুক্ত, তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।1
- সারা বাংলা বিদ্যুৎ গ্রাহক সমিতি চ্যাংড়াবান্ধায় স্মার্ট মিটার লাগানো বন্ধ করা এবং ইতিমধ্যে বসানো স্মার্ট মিটারগুলো খুলে নেওয়ার দাবিতে একটি বিক্ষোভ মিছিল করেছে। এই কর্মসূচিতে সংগঠনের পক্ষ থেকে জোরালোভাবে জানানো হয়েছে যে, গ্রাহকদের উপর স্মার্ট মিটারের বোঝা চাপানো যাবে না। সংগঠনের পক্ষ থেকে গৃহস্থ গ্রাহকদের জন্য ২০০ ইউনিট পর্যন্ত বিনামূল্যে বিদ্যুৎ সরবরাহ এবং কৃষিক্ষেত্রে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে বিদ্যুৎ সরবরাহের দাবিও তোলা হয়েছে। পাশাপাশি, বিদ্যুতের বর্ধিত ফিক্সড চার্জ ও মিনিমাম চার্জ অবিলম্বে প্রত্যাহারের আহ্বান জানানো হয়েছে। বিক্ষোভ কর্মসূচি শেষ হওয়ার পর, সংগঠনের একটি প্রতিনিধি দল চ্যাংড়াবান্ধা বিদ্যুৎ দপ্তরের স্টেশন ম্যানেজারের কাছে স্মারকলিপি জমা দিয়েছে। এই আন্দোলনে মেখলিগঞ্জ ব্লক সম্পাদক যোগেশচন্দ্র রায়, রতন বর্মন সহ অন্যান্যরা নেতৃত্ব দেন। সারা বাংলা বিদ্যুৎ গ্রাহক সমিতি হুঁশিয়ারি দিয়েছে যে, যদি তাদের ন্যায্য দাবিগুলি মেনে নেওয়া না হয়, তবে আগামী দিনে তারা আরও বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তুলবে।1
- মঙ্গলবার ধূপগুড়ির মাগুরমারী-১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসে আবাস যোজনা প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগে তীব্র বিক্ষোভ দেখালেন বাসিন্দারা। তাঁদের অভিযোগ, সরকারি নথিতে তাঁদের নামে ঘর বরাদ্দ দেখানো হলেও বাস্তবে উপভোক্তাদের হাতে একটি ইটও পৌঁছায়নি। এই ঘটনার ফলে বঞ্চিতরা গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসে গিয়েও কোনো সদুত্তর না পেয়ে ক্ষোভে ফেটে পড়েন। বিক্ষোভকারীদের দাবি, তৎকালীন তৃণমূল আমলে বাংলা আবাস যোজনার ঘর তাদের নামে বরাদ্দ করা হয়েছিল, কিন্তু তারা কোনোদিন সেই ঘর পাননি। সম্প্রতি নতুন করে আবাস যোজনার জন্য আবেদন করতে গিয়ে তারা জানতে পারেন যে, সরকারি রেকর্ড অনুযায়ী তারা নাকি ইতিমধ্যেই 'ঘরপ্রাপ্ত'। এর ফলে প্রশ্ন উঠেছে, সেই বরাদ্দকৃত ঘর তাহলে কোথায় গেল এবং কারা সেই সরকারি সুবিধা পেল। বাসিন্দাদের একাংশের অভিযোগ, তৃণমূল কংগ্রেসের কিছু নেতা-নেত্রী কাটমানির বিনিময়ে প্রকৃত উপভোক্তাদের বঞ্চিত করে অন্যদের নামে ঘর পাইয়ে দিয়েছেন। যদিও এই অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। এই পরিস্থিতিতে ঘটনাস্থলে পৌঁছান বিজেপির জলপাইগুড়ি জেলা সম্পাদক মাধবচন্দ্র রায়। তিনি গোটা ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। বাসিন্দারা তাদের বক্তব্যে বলেন যে, সরকারি খাতায় তাদের ঘর পাওয়ার কথা দেখানো হয়েছে, অথচ বাস্তবে তারা কোনো ঘর পাননি, ফলে নতুন করে আবেদনও করতে পারছেন না। তারা অবিলম্বে তাদের প্রাপ্য ঘর কে নিল তার জবাব চেয়েছেন।1
- সারা বাংলা বিদ্যুৎ গ্রাহক সমিতির উদ্যোগে চ্যাংরাবান্ধায় একটি বিক্ষোভ মিছিল এবং সেখানকার বিদ্যুৎ অফিসে স্মারকলিপি প্রদান কর্মসূচী আয়োজিত হয়েছে। এই কর্মসূচীর মূল দাবি ছিল স্মার্ট মিটার লাগানো বন্ধ করা এবং ইতিমধ্যে যে স্মার্ট মিটারগুলি স্থাপন করা হয়েছে, সেগুলি অবিলম্বে খুলে ফেলা। এই বিষয়ে সারা বাংলা বিদ্যুৎ গ্রাহক সমিতির তরফে যোগেশ চন্দ্র রায় তাঁর বক্তব্য তুলে ধরেছেন।1
- কালিম্পং জেলার লিখুভির তিস্তা খোলায় একটি বিরল প্রজাতির সাদা অজগর উদ্ধার করা হয়েছে। এই সাদা অজগরটি তার প্রজাতির মধ্যে অত্যন্ত বিরল।1
- অসমের জোরহাটে বিমান বাহিনীর বিমান দুর্ঘটনায় শহিদ হওয়া বিহারের সাহসী ফ্লাইট লেফট্যানেন্ট শুভম কুমারের আত্মত্যাগ সারা দেশকে গর্ব ও শোকে ভরে দিয়েছে। তবে, এখন তাঁর পরিবার সম্পর্কিত এমন একটি খবর সামনে এসেছে যা মানুষকে আবেগপ্রবণ করে তুলেছে। পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, শহিদের নামে প্রাপ্ত ২১ লাখ টাকার সহায়তা তাদের পরিবারকে না জানিয়ে ও তাদের সম্মতি ছাড়া তাঁর স্ত্রীর হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। আরও অভিযোগ করা হয়েছে যে, শুভমের তেরো-দিনের আচার (তেরহবি) সম্পন্ন হওয়ার আগেই তাঁর স্ত্রী পিত্রালয়ে চলে যান। এই ঘটনা প্রবাহ শহিদের বাবা-মায়ের ক্ষতকে আরও গভীর করেছে। যে পুত্রকে দেশের রক্ষার জন্য বিদায় জানানো হয়েছিল, তাঁর মরদেহ ফেরার পর পরিবার ন্যায় ও সম্মানের আশা করছিল। কিন্তু এখন পরিবারের অভ্যন্তরে যে বিবাদ তৈরি হয়েছে, তা শাহাদাতের মর্যাদার উপর অনেক প্রশ্ন তুলেছে। গ্রাম ও আশেপাশের মানুষও এই পুরো ঘটনা নিয়ে আবেগপ্রবণ এবং নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানাচ্ছে। একদিকে দেশ যখন শহিদদের স্যালুট করে, অন্যদিকে যদি তাদের পরিবারে ক্ষতিপূরণ নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়, তবে তা সমাজের জন্য আত্মবিশ্লেষণের বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। কারণ, একজন বাবা-মায়ের জন্য তাদের পুত্রই সবচেয়ে বড় অবলম্বন, এবং যখন সেই পুত্রই তেরঙায় মোড়া অবস্থায় ফেরে, তখন অর্থ দিয়ে সেই যন্ত্রণার ক্ষতিপূরণ কিভাবে সম্ভব? যেমনটি বলা হয়েছে, "শহীদের কোনো মূল্য হয় না, কিন্তু শহীদ পরিবারের সম্মান ও অধিকার সুরক্ষিত থাকা উচিত।"1
- ধূপগুড়ির জলঢাকা সংলগ্ন এলাকায় জাতীয় সড়কে টোটো চালানো থেকে বিরত থাকতে টোটো চালকদের পরামর্শ দিয়েছেন পুলিশ আধিকারিকরা। সোমবার বৃষ্টির মধ্যেও ধূপগুড়ি থানার পুলিশকর্মীরা রাস্তায় দাঁড়িয়ে এই নির্দেশ দেন, ছাতা মাথায় নিয়ে চালকদের থামিয়ে তাদের বোঝান। এই সরকারি পদক্ষেপে টোটো চালকদের দাবি, তাদের রুটিরুজিতে সরাসরি আঘাত লাগছে। একইসাথে, যাত্রীরাও ব্যাপক ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। এদিন বাস না পেয়ে স্কুল পড়ুয়া এবং সাধারণ যাত্রীদের দীর্ঘক্ষণ রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। টোটো চালকদের দাবি, অবিলম্বে জাতীয় সড়কে টোটো চলাচলের অনুমতি দেওয়া হোক অথবা তাদের জন্য বিকল্প কোনো উপায়ের ব্যবস্থা করা হোক।1
- বেদনাদায়ক খবর হিসেবে উঠে এসেছে যে, ইরানি গায়িকা পারাস্তু আহমাদিকে কথিত হিজাববিহীন অনলাইন পারফরম্যান্সের জন্য ৭৪টি দোররা মারার, ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা এবং সমস্ত শৈল্পিক কার্যকলাপে নিষেধাজ্ঞা জারি করার মতো কঠোর শাস্তি দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনা বিশ্বজুড়ে তীব্র বিতর্কের জন্ম দিয়েছে এবং আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। যে কণ্ঠ তার নিজের দেশের জন্য গান গেয়েছিল, সেই কণ্ঠকে স্তব্ধ করার জন্য এমন সাজা ঘোষণা করা হয়েছে। একজন শিল্পী, যার কাছে কোনো অস্ত্র ছিল না, কোনো শক্তি ছিল না—শুধুমাত্র তার কণ্ঠ ছিল। কিন্তু যখন এই কণ্ঠই প্রশ্ন হয়ে দাঁড়ায়, তখন ক্ষমতা তাকে নীরব করার চেষ্টা করে। লক্ষ লক্ষ মানুষ তার গান শুনেছে, কিন্তু এখন সেই গানই তার জন্য যন্ত্রণার কাহিনী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই খবরটি শুধুমাত্র একজন গায়িকার গল্প নয়, বরং এমন অসংখ্য নারী ও শিল্পীর কাহিনী যারা তাদের স্বপ্ন, তাদের আত্মপ্রকাশ এবং তাদের পরিচয়ের জন্য নিরন্তর সংগ্রাম করছে। বিশ্বজুড়ে মানবাধিকার সংস্থাগুলি এই শাস্তির তীব্র নিন্দা জানিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এবং এটিকে মতপ্রকাশের স্বাধীনতার সাথে সম্পর্কিত একটি গুরুতর বিষয় বলে উল্লেখ করেছে। প্রশ্ন উঠেছে, “একটি গান থেকে এত ভয় কেন? সুরকেও কি শিকল দিয়ে বাঁধা যায়?” আজ হয়তো পারাস্তু আহমাদির চোখে জল, কিন্তু তার গান বিশ্বকে এই কথাই মনে করিয়ে দিচ্ছে যে, কণ্ঠকে দমন করা যেতে পারে, কিন্তু মুছে ফেলা যায় না। যেখানে একটি গানের মূল্য ৭৪ দোররা হয়, সেখানে মানবতাকে ভাবতে হবে যখন গানই অপরাধে পরিণত হয়।1