মঙ্গলবার ধূপগুড়ির মাগুরমারী-১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসে আবাস যোজনা প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগে তীব্র বিক্ষোভ দেখালেন বাসিন্দারা। তাঁদের অভিযোগ, সরকারি নথিতে তাঁদের নামে ঘর বরাদ্দ দেখানো হলেও বাস্তবে উপভোক্তাদের হাতে একটি ইটও পৌঁছায়নি। এই ঘটনার ফলে বঞ্চিতরা গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসে গিয়েও কোনো সদুত্তর না পেয়ে ক্ষোভে ফেটে পড়েন। বিক্ষোভকারীদের দাবি, তৎকালীন তৃণমূল আমলে বাংলা আবাস যোজনার ঘর তাদের নামে বরাদ্দ করা হয়েছিল, কিন্তু তারা কোনোদিন সেই ঘর পাননি। সম্প্রতি নতুন করে আবাস যোজনার জন্য আবেদন করতে গিয়ে তারা জানতে পারেন যে, সরকারি রেকর্ড অনুযায়ী তারা নাকি ইতিমধ্যেই 'ঘরপ্রাপ্ত'। এর ফলে প্রশ্ন উঠেছে, সেই বরাদ্দকৃত ঘর তাহলে কোথায় গেল এবং কারা সেই সরকারি সুবিধা পেল। বাসিন্দাদের একাংশের অভিযোগ, তৃণমূল কংগ্রেসের কিছু নেতা-নেত্রী কাটমানির বিনিময়ে প্রকৃত উপভোক্তাদের বঞ্চিত করে অন্যদের নামে ঘর পাইয়ে দিয়েছেন। যদিও এই অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। এই পরিস্থিতিতে ঘটনাস্থলে পৌঁছান বিজেপির জলপাইগুড়ি জেলা সম্পাদক মাধবচন্দ্র রায়। তিনি গোটা ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। বাসিন্দারা তাদের বক্তব্যে বলেন যে, সরকারি খাতায় তাদের ঘর পাওয়ার কথা দেখানো হয়েছে, অথচ বাস্তবে তারা কোনো ঘর পাননি, ফলে নতুন করে আবেদনও করতে পারছেন না। তারা অবিলম্বে তাদের প্রাপ্য ঘর কে নিল তার জবাব চেয়েছেন।
মঙ্গলবার ধূপগুড়ির মাগুরমারী-১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসে আবাস যোজনা প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগে তীব্র বিক্ষোভ দেখালেন বাসিন্দারা। তাঁদের অভিযোগ, সরকারি নথিতে তাঁদের নামে ঘর বরাদ্দ দেখানো হলেও বাস্তবে উপভোক্তাদের হাতে একটি ইটও পৌঁছায়নি। এই ঘটনার ফলে বঞ্চিতরা গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসে গিয়েও কোনো সদুত্তর না পেয়ে ক্ষোভে ফেটে পড়েন। বিক্ষোভকারীদের দাবি, তৎকালীন তৃণমূল আমলে বাংলা আবাস যোজনার ঘর তাদের নামে বরাদ্দ করা হয়েছিল, কিন্তু তারা কোনোদিন সেই ঘর পাননি। সম্প্রতি নতুন করে আবাস যোজনার জন্য আবেদন করতে গিয়ে তারা জানতে পারেন যে, সরকারি রেকর্ড অনুযায়ী তারা নাকি ইতিমধ্যেই 'ঘরপ্রাপ্ত'। এর ফলে প্রশ্ন উঠেছে, সেই বরাদ্দকৃত ঘর তাহলে কোথায় গেল এবং কারা সেই সরকারি সুবিধা পেল। বাসিন্দাদের একাংশের অভিযোগ, তৃণমূল কংগ্রেসের কিছু নেতা-নেত্রী কাটমানির বিনিময়ে প্রকৃত উপভোক্তাদের বঞ্চিত করে অন্যদের নামে ঘর পাইয়ে দিয়েছেন। যদিও এই অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। এই পরিস্থিতিতে ঘটনাস্থলে পৌঁছান বিজেপির জলপাইগুড়ি জেলা সম্পাদক মাধবচন্দ্র রায়। তিনি গোটা ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। বাসিন্দারা তাদের বক্তব্যে বলেন যে, সরকারি খাতায় তাদের ঘর পাওয়ার কথা দেখানো হয়েছে, অথচ বাস্তবে তারা কোনো ঘর পাননি, ফলে নতুন করে আবেদনও করতে পারছেন না। তারা অবিলম্বে তাদের প্রাপ্য ঘর কে নিল তার জবাব চেয়েছেন।
- ভারত কেশরী ডা. শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জির আত্মবলিদান দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার হলদিবাড়ি যুব মোর্চার উদ্যোগে হলদিবাড়ি হাসপাতালে রোগীদের মধ্যে ফল বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই মানবিক কার্যক্রমের মাধ্যমে হাসপাতালে ভর্তি রোগী এবং তাঁদের পরিজনদের হাতে ফল তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে যুব মোর্চার জলপাইগুড়ি জেলা সহ-সভাপতি জ্যোতি বিকাশ রায়, জেলা সম্পাদক বিকাশ রায়, হলদিবাড়ি মণ্ডল সভাপতি অরিন্দম পাল, বাপ্পা রায়সহ দলের অন্যান্য স্থানীয় নেতৃত্ব উপস্থিত ছিলেন। এই দিনে নেতৃবৃন্দ ডা. শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জির আদর্শ ও দেশসেবার কথা স্মরণ করেন এবং তাঁর মহান আত্মত্যাগের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এই কর্মসূচিটি হলদিবাড়ি গ্রামীণ হাসপাতালে সম্পন্ন হয়েছে।1
- মঙ্গলবার জয়গাঁ থানার পুলিশ বড় মেচিয়াবস্তি এলাকায় অবৈধ চোলাই মদের বিরুদ্ধে একটি বড় অভিযান চালিয়েছে। গোপন সূত্রের খবরের ভিত্তিতে চালানো এই অভিযানে পুলিশ প্রায় ১৫০ লিটার চোলাই মদ নষ্ট করেছে। একইসাথে, মদ তৈরির জন্য ব্যবহৃত বিভিন্ন সামগ্রীও নষ্ট করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। জয়গাঁ পুলিশ কর্তৃপক্ষের তরফে নিশ্চিত করা হয়েছে যে, অবৈধ চোলাই মদের বিরুদ্ধে এই ধরনের অভিযান আগামী দিনেও কঠোরভাবে জারি থাকবে।1
- শীতলকুচি ব্লকের ভাঐরথানা অঞ্চলের বড় ব্যাংকডাকি এলাকায় কাটমানির অভিযোগে নেওয়া টাকা উপভোক্তাদের ফেরত দেওয়ার ঘটনাকে ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুর প্রায় ১টা নাগাদ তৃণমূল কংগ্রেসের দুই পঞ্চায়েত সদস্য মনোজ অধিকারী ও উত্তম বর্মন ১৯৪ ও ১৯৫ নম্বর বুথের উপভোক্তাদের হাতে টাকা তুলে দেন। এই সময় তাঁদের এক হাতে চোখের জল মুছতে এবং অন্য হাতে টাকা ফেরত দিতে দেখা যায়, যেখানে চোখের জলে ক্ষমা চাওয়ার বিষয়টি প্রকাশ পেয়েছে। জানা গেছে, মনোজ অধিকারী ১৭ জন উপভোক্তাকে মোট ৪৫ হাজার টাকা এবং উত্তম বর্মন ১২ জন উপভোক্তাকে মোট ৭০ হাজার টাকা ফেরত দিয়েছেন। স্থানীয় সূত্রে আরও জানা যায় যে, টাকা ফেরতের সময় উপভোক্তাদের কাছ থেকে মুচলেকাও নেওয়া হয়েছে। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে লাগাতার আন্দোলন ও চাপ সৃষ্টির পরেই অভিযুক্ত পঞ্চায়েত সদস্যরা টাকা ফেরত দিতে বাধ্য হন। যদিও পঞ্চায়েত সদস্যদের পক্ষ থেকে এই বিষয়ে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি, তবে টাকা ফেরত পেয়ে উপভোক্তাদের একাংশ সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে এবং রাজনৈতিক মহলেও এটি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।1
- কোচবিহার জেলার জমেরডাঙ্গা এলাকায় খোঁড়া নদীর উপর নির্মিত একটি সেতু ভারী পণ্যবাহী লরির চাপে হেলে পড়ার ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, একটি ভারী মাল বোঝাই লরি সেতুর উপর ওঠার পরপরই সেতুটিতে ফাটল দেখা দেয় এবং এটি একপাশে কাত হয়ে যায়। এই ঘটনায় এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। ঘটনার পরপরই সেতুটিতে যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেওয়া হয়। খবর পেয়ে প্রশাসন এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান এবং পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন। স্থানীয় বাসিন্দারা মনে করছেন যে, অল্পের জন্য একটি বড়সড় দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে, যা আরও মারাত্মক হতে পারতো। এলাকাবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘকাল ধরে সেতুটির বেহাল দশা সম্পর্কে প্রশাসনকে বারবার জানানো হলেও কোনো যথাযথ সংস্কারের ব্যবস্থা করা হয়নি। তাদের মতে, এই অবহেলার কারণেই ভারী যানবাহনের চাপে সেতুর এমন বিপজ্জনক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। দ্রুত সেতুটির মেরামত এবং একই সাথে যাতায়াতের জন্য একটি বিকল্প ব্যবস্থা করার দাবিতে স্থানীয় বাসিন্দারা সরব হয়েছেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, সেতুটির নিরাপত্তা পরীক্ষা করা হবে এবং এরপরেই প্রয়োজনীয় পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।1
- মাথাভাঙ্গা ১ ব্লকের কেদারহাট কাঁচা খাওয়া এলাকায় তৃণমূল নেতাদের বিরুদ্ধে আবাসের নামে কাটমানি নেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে গ্রামবাসীরা একত্রিত হয়ে একটি বৈঠক করেছেন, যেখান থেকে তারা অবিলম্বে নেওয়া কাটমানি ফেরত দেওয়ার জোরালো দাবি জানিয়েছেন। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, তৃণমূল নেতারা আবাসের প্রাপকদের কাছ থেকে এই কাটমানি আদায় করেছেন। বিক্ষোভকারীদের মধ্যে একজন, প্রদীপ বর্মন, জানান যে আবাসের টাকা পাওয়ার পর এলাকার তৃণমূল নেতারা দফায় দফায় প্রাপকদের বাড়িতে গিয়ে কারো কাছ থেকে ৫,০০০ টাকা আবার কারো কাছ থেকে ৭,০০০ টাকা পর্যন্ত আদায় করেছেন। আরও এক বিক্ষোভকারী অভিযোগ করেছেন যে, আবাসের তালিকায় তার নাম না থাকা সত্ত্বেও ঘর পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তার কাছ থেকে ৫,০০০ টাকা নেওয়া হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, গত রবিবার টাকা ফেরত দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হলেও, সেই টাকা এখনও ফেরত দেওয়া হয়নি। এই পরিস্থিতিতে, যদি দ্রুত কাটমানি ফেরত না দেওয়া হয়, তাহলে তৃণমূল নেতাদের বিরুদ্ধে বৃহত্তর আন্দোলনে নামার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন স্থানীয় গ্রামবাসীরা।1
- সাংসদ জগদীশ চন্দ্র বর্মা বসুনিয়া তাঁর নাতিকে কোলে নিয়ে কোচবিহারে ফিরেছেন। তবে, এই বিষয়ে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।1
- ধূপগুড়ির জলঢাকা সংলগ্ন এলাকায় জাতীয় সড়কে টোটো চালানো থেকে বিরত থাকতে টোটো চালকদের পরামর্শ দিয়েছেন পুলিশ আধিকারিকরা। সোমবার বৃষ্টির মধ্যেও ধূপগুড়ি থানার পুলিশকর্মীরা রাস্তায় দাঁড়িয়ে এই নির্দেশ দেন, ছাতা মাথায় নিয়ে চালকদের থামিয়ে তাদের বোঝান। এই সরকারি পদক্ষেপে টোটো চালকদের দাবি, তাদের রুটিরুজিতে সরাসরি আঘাত লাগছে। একইসাথে, যাত্রীরাও ব্যাপক ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। এদিন বাস না পেয়ে স্কুল পড়ুয়া এবং সাধারণ যাত্রীদের দীর্ঘক্ষণ রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। টোটো চালকদের দাবি, অবিলম্বে জাতীয় সড়কে টোটো চলাচলের অনুমতি দেওয়া হোক অথবা তাদের জন্য বিকল্প কোনো উপায়ের ব্যবস্থা করা হোক।1
- মঙ্গলবার ভারতীয় জনতা পার্টির শীতলকুচি ৬ নং মণ্ডলের উদ্যোগে ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের আত্মবলীদান দিবস শ্রদ্ধার সঙ্গে পালন করা হয়। সকাল থেকেই শীতলকুচি ব্লকের ২২১, ২২৫, ২৩৮, ২৪২ সহ বিভিন্ন বুথে এই দিনটি উদযাপন করা হয়েছে। এই উপলক্ষে বিজেপি কর্মীরা ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। দলীয় বক্তব্য অনুযায়ী, দেশের ঐক্য ও জম্মু-কাশ্মীরের পূর্ণ সংযুক্তির দাবিতে আন্দোলনের সময় ১৯৫৩ সালের ২৩ জুন কাশ্মীরের বন্দি অবস্থায় ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের মৃত্যু হয়। সেই দিনটিকে প্রতিবছর আত্মবলীদান দিবস হিসেবে স্মরণ করা হয়। এই কর্মসূচিতে শীতলকুচি ৬ নং মণ্ডলের সভাপতি পুলিন চন্দ্র বর্মন, সাধারণ সম্পাদক কমলকান্তি রায়, সহ-সভাপতি কালীশংকর রায়, যুব মোর্চার সাধারণ সম্পাদক ভবতোষ বর্মন, জেলা কমিটির সদস্য খোকন দাস ও সুবোধ বর্মন উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও, ২৩৮ নম্বর বুথের সভাপতি বিজয় বর্মন, ২৪২ নম্বর বুথের সভাপতি নিরঞ্জন বর্মন, ২২১ নম্বর বুথের সভাপতি পরমানন্দ বর্মন, ২২৪ নম্বর বুথের সভাপতি নন্দেশ্বর বর্মন-সহ অন্যান্য কার্যকর্তারাও এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।1
- কোচবিহারের গোরস্থান মোড় থেকে বিএসএফ মোড় পর্যন্ত রাস্তার অবস্থা বছরের পর বছর ধরে অত্যন্ত খারাপ। স্থানীয়দের অভিযোগ, নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পরও এই রাস্তার বেহাল দশার কোনো পরিবর্তন হয়নি। এই দীর্ঘদিনের খারাপ অবস্থার কারণে প্রায়শই ছোট যানবাহন, যেমন ইলেকট্রিক টোটো এবং অটো রিকশা, এই রাস্তায় আটকে যায় বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়, যার ফলে যাত্রী ও চালকদের দুর্ভোগ পোহাতে হয়।1